01/03/2026
পৃথিবী কোন দিকে যাচ্ছে — আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে
একদিকে বিশ্ব রাজনীতির বড় ঘটনা — মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতৃত্বকে হত্যা করা হলো। এমন একজন নেতৃত্বের মৃত্যু শুধু একটি দেশের বিষয় নয়, পুরো মুসলিম উম্মাহর শক্তির ওপর প্রভাব ফেলে। নেতৃত্ব দুর্বল হলে আদর্শ দুর্বল হয়, আদর্শ দুর্বল হলে জাতি বিভক্ত হয়ে যায়।
মুসলমানের নেতৃত্ব ধ্বংস করাই মানে নারীকে উলঙ্গ করা।
অন্যদিকে বাংলাদেশে ১৪ বছরের সংসার জীবনের পর একজন শিল্পীর স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় পুরো দেশ কষ্ট পেয়েছে। কিন্তু আমাদের ভাবতে হবে — কেন মানুষ এত একাকী হয়ে যাচ্ছে? কেন সংসার, সম্পর্ক, ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও মানুষ ভেতর থেকে ভেঙে পড়ছে?
আজ পৃথিবীতে এমন একটি চিন্তা প্রবল হচ্ছে — “একজনের জন্য একজন”, “নিজের জীবন নিজের মতো”, “ব্যক্তিস্বাধীনতা সর্বোচ্চ”। কিন্তু এই ধারণা অনেক সময় মানুষকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে।
বাস্তবতা হলো —
যুদ্ধ, দুর্ঘটনা, কঠিন কর্মপরিবেশ — এগুলোর কারণে পুরুষের মৃত্যুহার অনেক ক্ষেত্রে বেশি। সমাজে নারীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি হয়ে যায়। ইসলাম এই বাস্তবতা বুঝেই একের অধিক বিয়ের অনুমতি দিয়েছে — যেন কোনো নারী অভিভাবকহীন না থাকে, যেন কেউ একাকীত্বে না ভোগে, যেন সামাজিক ভারসাম্য বজায় থাকে।
এটা ভোগের ধারণা নয় — এটা সামাজিক দায়িত্বের ধারণা।
ইসলাম নারীর নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় —
আত্মহত্যা কখনো সমাধান নয়।
জীবন আল্লাহর আমানত। রিজিকের মালিক আল্লাহ। তিনি যাকে যেমন দিয়েছেন, সেটাই তার জন্য নির্ধারিত। অতিরিক্ত প্রত্যাশা, তুলনা, হতাশা — এগুলো মানুষকে ভেঙে দেয়।
আমাদের শেখা উচিত —
সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা রাখা।
নিজের রিজিকে সন্তুষ্ট থাকা।
এ যুগের নারীরা স্বামীকে অনেক মানসিক চাপে রাখে তারপর স্বামীরা দ্বিতীয় অপশন খুঁজতে গেলে তখন নারীরা ভেঙে পড়ে।
মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
মানুষ যখন মানুষকে আর মানুষ মনে করে না — তখনই পৃথিবী ধ্বংসের দিকে যায়।
আর মানুষ যখন একে অপরের অভিভাবক হয় — তখনই সভ্যতা টিকে থাকে।
আত্মহত্যাকে না বলি,মানুষকে মারার জন্য পৃথিবীতে অনেক কিছু সৃষ্টি হয়েছে যেকোনো একটার আগাতে আপনি মরে যাবেন।
সময় এসেছে আবেগ নয়, গভীর চিন্তার।
সময় এসেছে বিভক্তি নয়, দায়িত্বের।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ, ধৈর্য ও হেদায়েত দান করুন।