Hajji Club

Hajji Club Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hajji Club, Travel Service, police line Road, Comilla.

বাংলাদেশী হাজীদের জন্য Hajji Club সব সময় পাশে থাকবে। আমাদের ক্লাবে হাজীগণ এসে গল্প করবেন, চা কফি খাবেন, আরবি শিখবেন, সুখ-দু:খে একে অপরের পাশে থাকবেন। সবকিছুই যেন আল্লাহর জন্য হয়।
ঝাউতলা, কুমিল্লা, 01842010407

মদিনার গলিতে আমার দুই হাজীদের কে নিয়ে কফি পান করছি।
15/05/2026

মদিনার গলিতে আমার দুই হাজীদের কে নিয়ে কফি পান করছি।

14/05/2026
30/04/2026

জাবালে নূরের পথে

23/04/2026

কবুতরের কিচিরমিচির আজিয়াত রোড, মক্কা।

হজ্জ ট্রেনিং সেশন ২০২৬ ইং
17/04/2026

হজ্জ ট্রেনিং সেশন ২০২৬ ইং

31/03/2026

সব স্কুলে মেডিটেশন শেখাবে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। আর আপনার সন্তানের মস্তিষ্ক হবে তাদের laboratory!

একটা খবর দেখলাম। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের তৈরি করা প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল অনুযায়ী সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
আপনি হয়তো ভাবছেন, মেডিটেশন তো ভালো জিনিস। স্ট্রেস কমায়। মনোযোগ বাড়ায়। বিজ্ঞান এটা বলে। ঠিক এই কথাটাই তারা চায় আপনি ভাবুন।
আজকের এই পোস্টে আমি আপনাদের দেখাব কেন এই বিশেষ মেডিটেশন এবং এই বিশেষ প্রতিষ্ঠান আপনার সন্তানের জন্য বিপজ্জনক।

প্রথমে বুঝি, এই প্রতিষ্ঠানটা আসলে কে?
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতার নাম আপনারা জানেন শহীদ আল বোখারী মহাজাতক। কিন্তু তার আসল নাম এবিএম শহিদুল আলম দুলু ওরফে দুলু। আশির দশকে জ্যোতিষ বিদ্যার ব্যবসা করতেন। তখন বুঝলেন মুসলিমবঙ্গে এটা বেশিদিন চলবে না। তখন নিলেন দুটো কৌশলগত সিদ্ধান্ত।

প্রথমত নিজের নামের সাথে বোখারী জুড়ে দিলেন। ইমাম বুখারী রহিমাহুল্লাহ ইসলামের সবচেয়ে বিশ্বস্ত হাদিস সংকলক। তার নামের সাথে এই উপাধি জুড়ে দিলে সাধারণ মানুষ automatically তাকে বিশ্বাস করবে।
দ্বিতীয়ত নাম দিলেন মহাজাতক। জাতক হলো বৌদ্ধ ধর্মের সেই গ্রন্থ যেখানে বুদ্ধের পূর্বজন্মের গল্প আছে। পুনর্জন্মবাদে বিশ্বাস না করলে কেউ মহাজাতক উপাধি নেয় না।
একই মানুষ একই সাথে বোখারী এবং মহাজাতক। একদিকে মুসলিমদের কাছে ইসলামিক আলেম, অন্যদিকে নাস্তিক সেকুলারদের কাছে আধ্যাত্মিক গুরু। এই দুই পরিচয় বহন করা কি সৎ কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব?

কোয়ান্টাম মেথড কি তাদের নিজেদের আবিষ্কার?
একদমই না।
আমেরিকার Jose Silva নামের একজন ব্যক্তি ১৯৬০ এর দশকে Silva Mind Control Method আবিষ্কার করেন। কোয়ান্টাম মেথড সেটার হুবহু বাংলাদেশি copy। পার্থক্য একটাই। Silva এর পদ্ধতিতে ইসলামের কোনো মোড়ক ছিল না। কোয়ান্টাম সেই একই পদ্ধতিকে কুরআনিক সায়েন্স বলে চালিয়ে দিচ্ছে।
এই তথ্যটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটা প্রমাণ করে এই পদ্ধতি ইসলামের কোনো জ্ঞান থেকে আসেনি। এসেছে পশ্চিমা একজন ব্যক্তির মাথা থেকে। তারপর সেটাকে ইসলামিক মোড়ক পরিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে।

এবার আসি সেই প্রশ্নে। মেডিটেশন কি আসলেই ক্ষতিকর?
অনেকে বলবেন, ভাই মেডিটেশন তো Harvard Medical School ও recommend করে। Johns Hopkins এর গবেষণা বলে এটা anxiety কমায়। তাহলে সমস্যা কোথায়?
সমস্যা মেডিটেশনে না। সমস্যা এই বিশেষ ধরনের মেডিটেশনে এবং এই বিশেষ প্রতিষ্ঠানে।
পার্থক্যটা বোঝার জন্য একটা analogy দিই। পানি খাওয়া স্বাস্থ্যকর। কিন্তু কোনো কোম্পানি যদি পানির বোতলে ধীমাত্রায় বিষ মিশিয়ে বিক্রি করে, তাহলে সমস্যাটা পানিতে না, সেই কোম্পানিতে।
Harvard বা Johns Hopkins যে mindfulness meditation এর কথা বলে সেটা হলো শুধু নিজের শ্বাসের দিকে মনোযোগ দেওয়া। এতে কোনো guided visualization নেই। কোনো altered state of consciousness নেই। কোনো spiritual entity র সাথে connection নেই।
কিন্তু কোয়ান্টাম যা শেখায় সেটা অন্য জিনিস।

কোয়ান্টামের মেডিটেশনে আসলে কী হয়?
কোয়ান্টাম ল্যাবে প্রথমে আপনাকে বিশেষ সুরের মিউজিক শুনিয়ে, নির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়ে মস্তিষ্ককে Beta state থেকে Alpha state এ নামিয়ে আনা হয়।
Alpha state টা কী? এটা ঘুম আর জাগরণের মাঝামাঝি অবস্থা। এই অবস্থায় মানুষের মস্তিষ্কের Critical Filter, মানে সেই পাহারাদার যে ভুল তথ্য আটকায়, সে ঘুমিয়ে পড়ে। এই অবস্থায় মানুষ hypnosis এর জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
তখন গাইড বলতে থাকেন নিজেকে আলোর মধ্যে কল্পনা করুন। নিজের শরীর থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন কল্পনা করুন। এখন আপনার Alpha Station এ আসুন।
এটা শুনতে নিরীহ মনে হলেও এর কাজটা হলো মানুষকে dissociation শেখানো। নিজের শরীর এবং বাস্তবতা থেকে মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার অভ্যাস তৈরি করা।
২০২৩ সালের ৩ এপ্রিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী আরাফাত সিয়াম আত্মহত্যার আগে একটি পোস্ট লিখেছিল। সে লিখেছিল, আমি নিশ্চিত ছিলাম না যে আমি আবার আমার শরীরে ফিরে আসব কিনা। আর সেখানে স্থায়ীভাবে যাওয়ার জন্য হয়তো শারীরিক মৃত্যুই একমাত্র সমাধান।
এটাই হলো dissociation এর শেষ পরিণতি। এক পর্যায়ে বাস্তব জগত কারাগার মনে হয় এবং সেই কল্পনার জগতে স্থায়ীভাবে চলে যাওয়াটাকে মুক্তি মনে হয়।
এই পদ্ধতি এখন আপনার সন্তানের school এ পড়ানো হবে। বিপদটা বুঝতে পারছেন?

আপনি বলবেন, সব বাচ্চা কি এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে?
না। সবাই হবে না। ঠিক যেমন সবাই drug নিলে addict হয় না। কিন্তু কিছু মানুষ হয়। এবং কোনো দায়িত্বশীল মানুষই তার সন্তানকে এই risk এ ফেলবেন না।
তার চেয়েও বড় কথা হলো Alpha State এ গিয়ে বারবার guided visualization করার মাধ্যমে যে psychological conditioning তৈরি হয়, সেটা প্রতিটা শিশুর ক্ষেত্রেই হয়। কেউ এর ক্ষতিকর দিকটা আগে দেখে, কেউ দেরিতে দেখে।

এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য
পরিবেশ অধিদপ্তর কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে ৫৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে পাহাড় ধ্বংসের অভিযোগে। যারা বলে প্রকৃতির সাথে মিশে যাও তারাই পাহাড় কেটে সাবাড় করেছে।
বান্দরবানের লামা উপজেলায় তাদের কেন্দ্র। স্থানীয় ম্রো এবং ত্রিপুরা আদিবাসীদের অভিযোগ তাদের পৈতৃক জমি দখল করা হয়েছে।
প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা যাকাত ও সাদকা সংগ্রহ করে কিন্তু সেই অর্থের স্বচ্ছ অডিট কখনো প্রকাশ করেনি।
আবার এই প্রতিষ্ঠানকে সরকার দেশের সব স্কুলে ঢুকতে দিচ্ছে।

যারা বলবেন এটা ইসলামবিরোধী কথা না, মেডিটেশন তো ইসলামেও আছে!
একদম ঠিক কথা। ইসলামে মুরাকাবা আছে। তাফাক্কুর আছে। গভীর চিন্তা ও আত্মজিজ্ঞাসার ঐতিহ্য ইসলামের অংশ।
কিন্তু ইসলামের মুরাকাবা আর কোয়ান্টাম মেডিটেশনের পার্থক্য হলো একটি নদী আর একটি নর্দমার পার্থক্যের মতো। দুটোতেই পানি আছে কিন্তু একটা জীবন দেয়, আরেকটা রোগ দেয়।

ইসলামের মুরাকাবায় আল্লাহর সাথে সংযোগ তৈরি হয়, তাকওয়া বাড়ে, আখেরাতের চিন্তা বাড়ে। আর কোয়ান্টামের মেডিটেশনে Universe এর সাথে সংযোগ তৈরি হয়, নিজের ইচ্ছাশক্তিকে সর্বোচ্চ মনে করা হয়, দুনিয়াবি সাফল্যের দিকে দৌড়ানো হয়। একজন মানুষকে completely materialistic করে ফেলা হয়। দেখবেন এদের ফাঁদে পড়া লোকগুলো নামাযের সময় ও quantum এর protocol follow করে।

So, ইসলামে মুরাকাবা আর এদের Meditation দুটো এক জিনিস না।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, প্রতিটি সন্তান ফিতরাতের উপর জন্মায়। তার মা বাবা তাকে ইহুদি, খ্রিষ্টান বা মাজুসি বানায়। আজকের এই সিদ্ধান্তে রাষ্ট্র সেই মা বাবার ভূমিকায় অন্য কাউকে বসিয়ে দিচ্ছে।
এই ফিতরাতকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের।
আল্লাহ আমাদের সন্তানদের হেফাজত করুন। আমীন।
— Sawtul Zilzal

23/03/2026

মৃত্যু — এক অনিবার্য সত্য,
তবুও কত অজানা, কত অপূর্ব!
এটা যে এক অতুলনীয়, সুন্দর উপহার—
তা বুঝতে বুঝতেই অনেকের কেটে যায় পুরো জীবন...
আহা!
জীবনটা বুঝতে বুঝতেই
জীবনটাই ফুরিয়ে যায়—
কী নিদারুণ অপচয়!

22/03/2026

[চার সালাতের পুরস্কার]
শায়খ রাশিদ আল-খুনাইন বলেন:
“আমি একবার আমার এক সাথীর সঙ্গে শহরের প্রান্তে একটি উঁচু স্থানে বসেছিলাম।
শীতল বাতাস আর গভীর রাতের নীরবতায় আমাদের আলাপ সাধারণ কথাবার্তা থেকে আখিরাতের আলোচনায় গড়ায়।
তখন সে আমাকে একটি প্রভাবিত করা ঘটনা শোনায়। সংক্ষেপে সে বলল:
এক সময় আমার এমন কিছু দিন গেছে যখন ফজরের সালাতে জাগতে খুব কষ্ট হতো। এ নিয়ে আমি ভীষণ সংকীর্ণতা অনুভব করতাম, এমনকি এর প্রভাব আমার পুরো দিনের ওপর পড়ত। কখনো কখনো আমি ঘর থেকেই বের হতাম না।
অনেক চেষ্টা, সাধনা ও বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করার পরও এই কষ্ট কাটছিল না।
এক রাতে আমি স্বপ্নে দেখলাম, যেন কেউ আমাকে বলছে: “ফজর হলো বাকী চার সালাতের পুরস্কার!”
আমি বললাম: “কীভাবে?”
সে বলল: “যদি তুমি তোমার চারটি সালাত ঠিকভাবে আদায় করো, তার ঘাটতি সুন্নাহ (রাওয়াতিব) দিয়ে পূরণ করো এবং সেগুলো সময়মতো (তাকবিরে তাহরিমার শুরুতে) আদায়ে যত্নবান হও—তাহলে তুমি ফজরের সালাত পেয়ে যাবে!”
সে বলল:
মনে হলো যেন আমাকে জোরে চড় মারা হলো!
আমি তো চার ওয়াক্ত সালাত আদায় করতাম—কিন্তু সাধারণ মানুষের মতোই;
দেরিতে যেতাম, কখনো জামা‘আত ছুটে যেত,
সুন্নাতগুলোতে গুরুত্ব দিতাম না,
দ্রুত তাড়াহুড়ো করে সালাত পড়তাম—মনে-প্রাণ ছাড়া,
আরও নানা রকম ত্রুটি ছিল…

তখন আমি দৃঢ় সংকল্প করলাম—চার সালাত ঠিকভাবে প্রতিষ্ঠা করব।
আমি আগে আগে মসজিদে যেতে শুরু করলাম,
ফরযের আগে-পরে সুন্নাত (রাতিবাহ) নিয়মিত পড়তে লাগলাম,
এবং নিজের সাথে সংগ্রাম করে সালাতগুলো সুন্দরভাবে আদায় করতে থাকলাম।

আল্লাহর কসম! এরপর ফজরের সালাত আমার জন্য এত সহজ হয়ে গেল—যা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না!
আমি অ্যালার্ম ছাড়াই জেগে উঠতাম,
অনেক সময় আযানের শব্দেই ঘুম ভাঙত,
আগে আগে গিয়ে ফজরের আগে সুন্নাত পড়তাম।
এর আগে তো আমি প্রায়ই ফজরের সুন্নাত সালাত আগে না পড়ে পরে পড়তাম!

আজও আমি অনুভব করি—ফজরের সালাতে তাওফীক পাওয়া যেন একটি মাপকাঠি, যা আমাকে জানিয়ে দেয় আমি বাকি সালাতগুলোতে কেমন করছি।

এখন যদি চার সালাতের কোনো একটিতে ত্রুটি করি, বুঝে যাই—ফজরের সুন্নাত পরে পড়তে হবে (অর্থাৎ ফজরে দুর্বলতা আসবে), এভাবেই বিষয়টি চলতে থাকে…

কি চমৎকার একটি অর্থ!
আমরা এটাকে নিশ্চিতভাবে (শরয়ী বিধান হিসেবে) বলতে না পারলেও, শরীয়তের মূলনীতিগুলো এর সার্বিক অর্থকে সমর্থন করে।

কারণ একটি নেক আমল আরেকটি নেক আমলকে ডাকে—“আমার স্বগোত্রীয়, আমার স্বগোত্রীয়!”
আর সালাতের নেক আমলগুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম হলো সালাত নিজেই।

এটি একটি স্বপ্ন, যার মাধ্যমে সে উপকৃত হয়েছে—হয়তো এর বর্ণনায় অন্যদের জন্যও শিক্ষা রয়েছে।”
[শাইখ ডক্টর মুহাম্মদ খলীফা আত-তামীমীর টাইমলাইন থেকে]

20/03/2026

আব্দুল মুত্তালিব ছিলেন রাসূল সা: এর দাদা। ইতিহাসবিদদের মতে তাঁর ১০ জন ছেলে ও ৬ জন মেয়ে ছিল।

আব্দুল মুত্তালিবের ছেলেরা (১০ জন)
১. হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব
আব্দুল মুত্তালিবের সবচেয়ে বড় ছেলে।
জমজম কূপ খননের সময় তিনি বাবাকে সাহায্য করেছিলেন।
ইসলামের আগেই মৃত্যুবরণ করেন।
২. যুবাইর ইবনে আব্দুল মুত্তালিব
কুরাইশদের মধ্যে সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন।
তাঁর ছেলে আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর (না, সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর নয়—এটি অন্য ব্যক্তি)।
৩. আবু তালিব
রাসূল ﷺ-এর চাচা ও লালন-পালনকারী অভিভাবক।
রাসূল ﷺ-কে শৈশব থেকে রক্ষা করতেন এবং মক্কার কুরাইশদের বিরুদ্ধে তাঁকে সমর্থন দিতেন।
তবে অধিকাংশ আলেমের মতে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেননি।
৪. আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব
তিনি রাসূল ﷺ-এর পিতা।
রাসূল ﷺ জন্মের আগেই তিনি ইন্তেকাল করেন।
৫. হামজা ইবনে আব্দুল মুত্তালিব
রাসূল ﷺ-এর চাচা ও দুধ ভাই।
ইসলামের অন্যতম সাহসী সাহাবি।
উহুদ যুদ্ধে শহীদ হন।
তাঁকে বলা হয় “আসাদুল্লাহ” (আল্লাহর সিংহ)।
৬. আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব
রাসূল ﷺ-এর চাচা।
পরে ইসলাম গ্রহণ করেন।
তাঁর বংশ থেকেই আব্বাসীয় খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়।
৭. আবু লাহাব (আব্দুল উযযা)
রাসূল ﷺ-এর চাচা হলেও তিনি ইসলামের কঠোর বিরোধী ছিলেন।
কুরআনে তাঁর বিরুদ্ধে একটি সূরা নাযিল হয়েছে —
Surah Al-Masad।
৮. মুকাওয়িম ইবনে আব্দুল মুত্তালিব
তাঁর সম্পর্কে ইতিহাসে খুব বেশি তথ্য নেই।
অধিকাংশ বর্ণনায় বলা হয় তিনি ইসলাম গ্রহণ করেননি।
৯. দিরার ইবনে আব্দুল মুত্তালিব
কিছু ঐতিহাসিকের মতে তিনি পরে ইসলাম গ্রহণ করেন।
কুরাইশদের মধ্যে পরিচিত ব্যক্তি ছিলেন।
১০. কুসাম ইবনে আব্দুল মুত্তালিব
অল্প বয়সে মৃত্যুবরণ করেন বলে ইতিহাসে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায় না।
আব্দুল মুত্তালিবের মেয়েরা (৬ জন)
১. সাফিয়া বিনতে আব্দুল মুত্তালিব
রাসূল ﷺ-এর ফুফু।
তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন।
তিনি সাহাবি যুবাইর ইবনে আওয়াম-এর মা।
২. আতিকা বিনতে আব্দুল মুত্তালিব
তাঁর একটি বিখ্যাত স্বপ্নের কথা ইতিহাসে উল্লেখ আছে যা বদর যুদ্ধের আগে দেখা গিয়েছিল।
৩. আরওয়া বিনতে আব্দুল মুত্তালিব
অনেক বর্ণনায় বলা হয় তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।
৪. উমাইমা বিনতে আব্দুল মুত্তালিব
তিনি সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে জাহশ এবং জয়নাব বিনতে জাহশ-এর মা।
জয়নাব পরে রাসূল ﷺ-এর স্ত্রী হন।
৫. বাররা বিনতে আব্দুল মুত্তালিব
কুরাইশের সম্মানিত নারীদের একজন ছিলেন।
৬. উম্মে হাকিম (আল-বাইদা)
তাঁর আরেক নাম বাইদা।
কিছু বর্ণনায় বলা হয় তিনি আব্দুল্লাহ (রাসূল ﷺ-এর পিতা)-এর যমজ বোন ছিলেন।
✅ সংক্ষেপে:
ছেলে: ১০ জন
মেয়ে: ৬ জন
মোট সন্তান: ১৬ জন

Address

Police Line Road
Cumilla
3500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hajji Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category