06/08/2026
🇲🇾 মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা: পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন (আপডেট: আগস্ট ২০২৬)
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু সঠিক তথ্যের চেয়ে গুজব ছড়াচ্ছে বেশি। যারা যাওয়ার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য পুরো বিষয়টা এক জায়গায় গুছিয়ে দিলাম।
শেষ পর্যন্ত পড়ুন — বিশেষ করে খরচের অংশটা। শেয়ার করে পরিচিতদের জানিয়ে দিন। 🙏
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔹 ১. কলিং ভিসা (Calling Visa) আসলে কী?
কলিং ভিসা হলো মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক বৈদেশিক শ্রমিক নিয়োগের জন্য দেওয়া এক ধরনের অফিসিয়াল কাজের অনুমোদন — যাকে বলা হয় Visa With Reference (VWR)।
মালয়েশিয়ার কোনো নিবন্ধিত কোম্পানি যখন লোকবলের ঘাটতি পূরণের জন্য সরকারি অনুমোদন পায়, তখন নির্দিষ্ট শ্রমিকের পাসপোর্ট ও বায়োমেট্রিক তথ্যের ভিত্তিতে ইমিগ্রেশন বিভাগ (Jabatan Imigresen Malaysia) থেকে যে অনুমোদনপত্র ইস্যু হয়, সেটাই কলিং ভিসা।
⚠️ মনে রাখবেন: কলিং ভিসা কোনো ট্যুরিস্ট, ফ্রি-ল্যান্স বা ওপেন ভিসা নয়। এটি একটি নির্দিষ্ট কোম্পানি, নির্দিষ্ট পদ এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের ওয়ার্ক পারমিট-ভিত্তিক ভিসা।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔹 ২. কোন কোন সেক্টরে লোক নেওয়া হয়?
▪️ ম্যানুফ্যাকচারিং — ইলেকট্রনিক্স, প্লাস্টিক, পোশাক ও বস্ত্র, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, রাবার ও গ্লাভস কারখানা
▪️ কনস্ট্রাকশন — বহুতল ভবন, ফ্লাইওভার, সড়ক, ব্রিজ, টানেল
▪️ প্লান্টেশন — পাম অয়েল, রাবার ও টি-এস্টেট
▪️ এগ্রিকালচার — শাকসবজি ও ফল চাষ, ডেইরি, পোল্ট্রি, মৎস্য খামার
▪️ সার্ভিস — হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিং মল, ক্লিনিং, সিকিউরিটি (শর্তসাপেক্ষ), লজিস্টিকস
▪️ মাইনিং ও কোয়ারিং — পাথর ও খনিজ উত্তোলন (সীমিত সংখ্যক)
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔹 ৩. কোন কোন পদে কাজ পাওয়া যায়?
🏭 উৎপাদন: ফ্যাক্টরি অপারেটর, অ্যাসেম্বলি লাইন ওয়ার্কার, প্যাকেজিং হেলপার, QC হেলপার, মেশিন অপারেটর, ওয়্যারহাউস অ্যাসিস্ট্যান্ট
🏗️ নির্মাণ: রড মিস্ত্রি (Bar Bender), রাজমিস্ত্রি (Mason), শাটারিং কার্পেন্টার, স্ক্যাফোল্ডার, পাইপ ফিটার, প্লাস্টার মিস্ত্রি, ওয়েল্ডার, টাইলস মিস্ত্রি, সাইট লেবার
🌱 কৃষি ও বাগান: পাম ফল সংগ্রাহক (Harvester), বাগান পরিচর্যাকারী, সার প্রয়োগকারী, পোল্ট্রি ফার্ম সহকারী, মৎস্য চাষী, গ্রীনহাউস কর্মী
🍽️ সেবা খাত: রেস্তোরাঁ ওয়েটার, কিচেন হেলপার, ডিশওয়াশার, হোটেল ক্লিনার, বিল্ডিং ক্লিনার, কার ওয়াশার, শপিং মল লোডার, স্টোর হেলপার
📌 সাধারণ কর্মী ক্যাটাগরিতে বয়স সাধারণত ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হয়।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔹 ৪. বেতন কত? (বাস্তব হিসাব)
💰 সর্বনিম্ন মূল বেতন: RM ১,৭০০ প্রতি মাসে।
এটি মালয়েশিয়ার জাতীয় সর্বনিম্ন মজুরি — ২০২৬ সালেও অপরিবর্তিত আছে। আইন অনুযায়ী বিদেশি ও স্থানীয় কর্মীর জন্য একই হার প্রযোজ্য।
⏰ ওভারটাইমসহ আয়: দিনে ৮ ঘণ্টা ডিউটির পর অতিরিক্ত কাজে OT পাওয়া যায়। OT সহ সাধারণত মাসে RM ২,০০০ – RM ২,৮০০।
⭐ দক্ষ কর্মী: অভিজ্ঞ ওয়েল্ডার, মেশিন টেকনিশিয়ান, ফোরম্যান, স্কিল্ড কনস্ট্রাকশন ওয়ার্কার — বোনাস ও OT সহ RM ৩,০০০ – RM ৪,৫০০ বা তার বেশি।
🇧🇩 টাকায় হিসাব (১ রিঙ্গিত ≈ ৩০-৩১ টাকা ধরে):
▪️ সর্বনিম্ন বেসিক ≈ ৫১,০০০ – ৫২,৫০০ টাকা
▪️ OT সহ গড় আয় ≈ ৬১,০০০ – ৮৫,০০০ টাকা
▪️ দক্ষ কর্মী ≈ ৯১,০০০ – ১,৩৭,০০০ টাকা
❗ খুব গুরুত্বপূর্ণ: RM ১,৭০০ হলো গ্রস বেসিক — হাতে পাওয়া টাকা নয়। অক্টোবর ২০২৫ থেকে বিদেশি কর্মীদের জন্যও EPF বাধ্যতামূলক হয়েছে। EPF, SOCSO ও অন্যান্য কর্তনের পর নেট বেতন কিছুটা কম আসবে। দালালের "সব মিলিয়ে দেড় লাখ টাকা বেতন" জাতীয় কথায় ভুলবেন না।
(রিঙ্গিতের রেট প্রতিদিন ওঠানামা করে — যাওয়ার আগে সেদিনের রেট দেখে নেবেন।)
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔹 ৫. ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ ও ছুটির নিয়ম
▪️ প্রাথমিক পারমিট: প্রথমে ১ (এক) বছর মেয়াদের অস্থায়ী কর্মসংস্থান পাস (PLKS) দেওয়া হয়।
▪️ নবায়ন: প্রতি বছর নিয়োগকর্তা ইমিগ্রেশনে ফি জমা দিয়ে পারমিট নবায়ন করবে। এভাবে ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে।
▪️ সর্বোচ্চ অবস্থান: একজন সাধারণ প্রবাসী কর্মী সাধারণভাবে সর্বোচ্চ ১০ (দশ) বছর পর্যন্ত কাজ করতে পারেন। তবে এটি সরকারের নীতিমালা পরিবর্তনসাপেক্ষ।
▪️ ছুটি: এটি আইনি বাধ্যবাধকতা নয়, কোম্পানির চুক্তির উপর নির্ভর করে। সাধারণত চুক্তি অনুযায়ী বার্ষিক ছুটি (Re-entry Permit) নিয়ে দেশে আসা যায়। ছুটি শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফিরে যেতে হয়, না হলে পারমিট বাতিল হতে পারে।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔹 ৬. শ্রমবাজারের সর্বশেষ অবস্থা (আগস্ট ২০২৬)
📅 ৩১ মে ২০২৪-এর পর মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো বন্ধ ছিল। দীর্ঘ আলোচনার পর গত ৩০ জুলাই ২০২৬-এর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে শ্রমবাজার খোলার ঘোষণা এসেছে।
সরকারের পক্ষ থেকে যা জানানো হয়েছে:
▪️ আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে প্রথম ব্যাচ কর্মী যাওয়া শুরুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
▪️ প্রথম ধাপে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল (BOESL)-এর মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
▪️ মালয়েশিয়ার কাছে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা পাঠানো হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে কতটি এজেন্সি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে তা মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে।
▪️ অনিয়মের অভিযোগে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। আগের সিন্ডিকেটে জড়িত এজেন্সিগুলোকে নতুন তালিকায় রাখা হবে না বলে জানানো হয়েছে।
⚠️ তবে মনে রাখুন — চূড়ান্ত এজেন্সি তালিকা, নির্দিষ্ট খরচ ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিস্তারিত নোটিশ এখনো পুরোপুরি প্রকাশিত হয়নি। কেউ যদি এখনই বলে "কলিং ভিসা রেডি আছে, টাকা দিন" — সেটা বিশ্বাস করবেন না।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔹 ৭. খরচ কত? — সবচেয়ে জরুরি অংশ 💸
সরকারি অফিস আদেশ অনুযায়ী, মালয়েশিয়া যেতে একজন কর্মীর ব্যক্তিগত পর্যায়ে সর্বোচ্চ খরচ ৭৮,৯৯০ টাকা।
এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:
✅ পাসপোর্ট খরচ
✅ স্বাস্থ্য পরীক্ষা
✅ নিবন্ধন ফি
✅ কল্যাণ ফি
✅ বিমা
✅ স্মার্টকার্ড ফি
✅ রিক্রুটিং এজেন্সির সার্ভিস চার্জ
বিমান ভাড়াসহ বাকি খরচ নিয়োগকর্তা (মালয়েশিয়ান কোম্পানি) বহন করবে।
🚨 বাস্তবে কী হয়েছিল: আইনি সীমা ৭৮,৯৯০ টাকা হলেও অতীতে কর্মীদের কাছ থেকে ৪.৫ থেকে ৫.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অতিরিক্ত ব্যয়ই ছিল শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ।
নতুন প্রক্রিয়ায় খরচ আরও কমানোর কথা বলা হচ্ছে, তবে নির্দিষ্ট অঙ্ক বিএমইটি ও বোয়েসেলের অফিশিয়াল নোটিশে প্রকাশ করা হবে। সেই নোটিশ প্রকাশের আগে কাউকে টাকা দেবেন না।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔹 ৮. মোট কত সময় লাগে?
▪️ সর্বনিম্ন: ২ থেকে ৩ মাস (কোম্পানির কোটা পূর্ব-অনুমোদিত থাকলে ও দ্রুত ভিসা স্ট্যাম্পিং হলে)
▪️ গড়: ৪ থেকে ৬ মাস (স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায়)
▪️ সর্বোচ্চ: ৬ থেকে ৮ মাস (মেডিকেল আনফিট, বায়োমেট্রিক বা অ্যাপ্রুভাল জটিলতা হলে)
📌 নতুন প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পর এই সময়সীমা কম-বেশি হতে পারে।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔹 ৯. ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়া
ধাপ ১ — পাসপোর্ট ও প্রাথমিক নিবন্ধন
কমপক্ষে ২ বছর মেয়াদসহ ই-পাসপোর্ট প্রস্তুত করুন। বিএমইটির 'আমি প্রবাসী' অ্যাপের মাধ্যমে নাম নিবন্ধন করুন।
ধাপ ২ — মেডিকেল ফিটনেস টেস্ট
মালয়েশিয়াগামী কর্মীর মেডিকেল হয় Bestinet-এর FWCMS সিস্টেমে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে (Bio-Medical)। ⚠️ এটি GAMCA নয় — GAMCA শুধু উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য। অনুমোদিত সেন্টারের তালিকা এজেন্সি বা বিএমইটি থেকে যাচাই করে নিন। রক্ত, এক্স-রে, হেপাটাইটিস, যক্ষ্মা, এইচআইভি পরীক্ষায় 'FIT' হতে হবে।
ধাপ ৩ — কোম্পানি সিলেকশন ও ইন্টারভিউ
অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগকর্তা কর্তৃক সিলেকশন এবং জবের শর্তাবলী গ্রহণ।
ধাপ ৪ — কলিং পেপার / VWR ইস্যু
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে প্রার্থীর নামে অফিসিয়াল কলিং লেটার বা VWR ইস্যু হয়।
ধাপ ৫ — ভিসা অনুমোদন ও স্ট্যাম্পিং
eVDR (Visa with Reference) অনুমোদনের পর ঢাকাস্থ মালয়েশিয়ান হাই কমিশনে পাসপোর্ট জমা দিয়ে ভিসা স্ট্যাম্পিং সম্পন্ন করা হয়।
ধাপ ৬ — বিএমইটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স
বিএমইটি অফিসে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়া, প্রাক-বহির্গমন ওরিয়েন্টেশন (PDO) ট্রেনিং সম্পন্ন করা এবং স্মার্ট কার্ড গ্রহণ।
ধাপ ৭ — বিমান টিকিট ও ল্যান্ডিং
মালয়েশিয়া পৌঁছানোর পর কোম্পানির প্রতিনিধি (HR) ইমিগ্রেশন থেকে রিসিভ করে বাসস্থানে নিয়ে যাবে।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
🔹 ১০. অবশ্যই মেনে চলুন ⚠️
১️⃣ মেডিকেল পরীক্ষা: কোনো অসদুপায় অবলম্বন করবেন না। যক্ষ্মা বা ফুসফুসে দাগ থাকলে মালয়েশিয়ায় পৌঁছে FOMEMA মেডিকেলে আনফিট হয়ে দেশে ফেরত আসতে হতে পারে — তখন পুরো টাকাটাই লোকসান।
২️⃣ ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স (BMET স্মার্ট কার্ড): স্মার্ট কার্ড ছাড়া কেউ এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশন পার হতে পারবেন না। এটিই আপনার বৈধতার আসল প্রমাণ।
৩️⃣ চুক্তিপত্র: সই করার আগে বেসিক বেতন, কর্মঘণ্টা, ওভারটাইমের হার, থাকার জায়গা ও খাবারের নিয়ম ভালোভাবে পড়ে নিন। বুঝতে না পারলে পরিচিত কাউকে দিয়ে পড়িয়ে নিন।
৪️⃣ দালাল চক্র থেকে সাবধান: ভিসার নামে ৪-৭ লাখ টাকা চাওয়া মানেই প্রতারণার লক্ষণ। সরকার নির্ধারিত সীমা ৭৮,৯৯০ টাকা — এটাই আপনার মাপকাঠি।
৫️⃣ কখনোই নগদ টাকা দেবেন না: সব লেনদেন ব্যাংক বা বৈধ চ্যানেলে করুন এবং রসিদ নিন। বায়রা (BAIRA) ও বিএমইটি স্বীকৃত লাইসেন্সধারী এজেন্সি ছাড়া অন্য কারো মাধ্যমে লেনদেন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
৬️⃣ যাচাই করুন: এজেন্সির লাইসেন্স নম্বর বিএমইটির ওয়েবসাইটে (bmet.gov.bd) যাচাই করে নিন। যেকোনো সিদ্ধান্তের আগে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল নোটিশ দেখুন।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📢 বিশেষ দ্রষ্টব্য
এই পোস্টটি সম্পূর্ণ সচেতনতামূলক। শ্রমবাজার সংক্রান্ত নীতিমালা, খরচ ও সময়সীমা যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই বিএমইটি ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ অফিশিয়াল ঘোষণা দেখে নিন।
ℹ️ ভিক্টোরিয়া ওভারসিজ লিমিটেড একটি সরকার অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সি — আমরা জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্সধারী (RL 1978) প্রতিষ্ঠান। শুধুমাত্র সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
তথ্যটি উপকারী মনে হলে শেয়ার করুন 🔄 — আপনার একটি শেয়ার হয়তো কাউকে লাখ টাকার প্রতারণা থেকে বাঁচাবে।
পেইজটি ফলো দিয়ে পাশে থাকুন। ✅
Victoria Overseas Ltd — From Dreams to Destination ✈️
#মালয়েশিয়া #কলিংভিসা #প্রবাসী #শ্রমবাজার #বিদেশযাত্রা