23/12/2022
১০-২০ হাজার টাকার বিনিময়ে অনেক প্রবাসী অন্যের সোনার বার বহন করে দেশে নিয়ে আসেন। তিনি হয়ত ভাবেন, নিজের তো ১০-২০ হাজার টাকা আয় হলো, দেশেও সোনার বার আসলো, ক্ষতি কী।
কিন্তু আপনি কি জানেন, এ প্রক্রিয়ায় চোরাকারবারিদের সহায়তা করছেন। আপনি ভাবছেন দেশে সোনার বার আসছে, দেশের সম্পদ বাড়ছে। কিন্তু আপনি কি জানেন, মাদক, টাকা পাচারসহ অন্যান্য অবৈধ লেনদেনে ব্যবহার হয় এসব সোনা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আপনার আনা এসব সোনার বার সীমান্ত দিয়ে অন্য দেশে চলে যায়। ফলে আপনি আসলে অন্যের সোনার এনে চোরচালানে সহায়তা করছেন।
১৫ সেপ্টেম্বর বিজিবি'র চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) সীমান্ত পিলার ৭৯ হতে ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানাধীন নাস্তিপুর কবরস্থান সংলগ্ন প্রাইমারী স্কুল এলাকায় অভিযান চালায়। সে সময় নাস্তিপুর গ্রামের কবরস্থান এলাকায় মোটরসাইকেলে এক ব্যক্তিকে যেতে দেখে থামার জন্য সংকেত দেয় বিজির টহল দল। মোটরসাইকেলটি সংকেত অমান্য করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আটক করা হয় চালককে। আটক করা হয় নাস্তিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে রকিবুল ইসলামকে। পরে মোটরসাইকেলটি তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় ৫৮টি বিভিন্ন আকারের সোনার বার, যার ওজন ৯ কেজি ৮৬০ গ্রাম। উদ্ধার সোনার বারের আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি ৬০ লাখ ৩৫ হাজার ৭৪০ টাকা।
এটি একটি ঘটনা মাত্র। প্রতি নিয়ত এভাবেই সীমান্ত দিয়ে সোনা পাচারের চেস্টা চলে, যা বাংলাদেশিরা বিদেশ থেকে নিয়ে এসেছিলেন। ফলে অন্যের দেয়া সোনার বার টাকার বিনিময়ে বহন থেকে বিরত থাকুন।
#বাংলা_এভিয়েশন
#বাংলা_প্রবাস