MySafar Hajj

MySafar Hajj মাই-সফর হজ বিশ্বাস করে, একটি সুন্দর ও সফল হজ বা ওমরাহ সফরের ভিত্তি হলো সঠিক পরিকল্পনা, বিশ্বস্ত সেবা এবং আন্তরিক সহযোগিতা।

মোস্তফা জানে রহমত পেঁ লাখো সালাম 💚
13/08/2026

মোস্তফা জানে রহমত পেঁ লাখো সালাম 💚

তাওয়াফ কী? এটা কিভাবে করতে হয়?তাওয়াফ হল কাবা ঘরের চারপাশে ৭ বার প্রদক্ষিণ করা। এ তাওয়াফ করার নিয়মাবলী নীচে উল্লেখ করা হল...
11/08/2026

তাওয়াফ কী? এটা কিভাবে করতে হয়?

তাওয়াফ হল কাবা ঘরের চারপাশে ৭ বার প্রদক্ষিণ করা। এ তাওয়াফ করার নিয়মাবলী নীচে উল্লেখ করা হলঃ

(১) তাওয়াফ শুরু করার পূর্বেই তালবিয়াহ পাঠ বন্ধ করে দেয়া। এরপর মনে মনে তাওয়াফের নিয়ত করা। নিয়ত না করলে তাওয়াফ শুদ্ধ হবে না। নিয়ম হল প্রথমে ‘হাজারে আসওয়াদ (কাল পাথরের) কাছে যাওয়া, ‘‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’’ বলে এ পাথরকে চুমু দিয়ে তাওয়াফ কার্য শুরু করা। কিন্তু রমাযান ও হজ্জের মৌসুমে প্রচন্ড ভীড় থাকে। বয়স্ক, বৃদ্ধ ও মহিলাদের জন্য পাথর চুম্বনের কাজটি প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। এ ধরনের ভীড় দেখলে ধাক্কাধাক্কি করে নিজেকে ও অন্য হাজীকে কষ্ট না দিয়ে পাথর চুমু দেয়া ছাড়াই ‘‘হাজরে আসওয়াদ’’ থেকে তাওয়াফ শুরু করে দিবেন। কাবাঘরের ‘‘হাজরে আসওয়াদ’’ কোণ থেকে মসজিদে হারামের দেয়াল ঘেষে সবুজ বাতি দেয়া আছে। এ রেখা বরাবর থেকে তাওয়াফ শুরু করে আবার এখানে আসলে তাওয়াফের এক চক্র শেষ হবে। এভাবে ৭ চক্র পূর্ণ করতে হবে। ভীড়ের পরিমাণ যদি আরো বেশী দেখতে পান এবং গ্রাউন্ড ফ্লোরে তাওয়াফ করা কঠিন মনে করেন তাহলে দু’তলা বা ছাদের উপর দিয়েও তাওয়াফ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে সময় একটু বেশী লাগলেও ভীড়ের চাপ থেকে রেহাই পাবেন। ছাদের উপর তাওয়াফ করলে দিনের প্রখর রৌদ্রতাপ ও প্রচন্ড গরমে না গিয়ে রাতের বেলায় করবেন। বেশী ভীড়ের মধ্যে ঢুকে মানুষকে কষ্ট দেবেন না। দিলে ইবাদত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

(২) কাবাঘরকে বামপাশে রেখে তাওয়াফ করতে হয়। তাওয়াফের প্রথম চক্রে ‘‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’’ বলে নীচের দোয়াটি পড়তে পারলে ভাল হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটি করতেন। দোয়াটি হলঃ

اَللَّهُمَّ إِيْمَانًا بِكَ وَتَصْدِيْقًا بِكِتَابِكَ وَوَفَاءً بِعَهْدِكَ وَاتِّبَاعًا لِسُنَّةِ نَبِيِّكَ مَحَمَّدٍ -صلى الله عليه وسلم-

অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার প্রতি ঈমান এনে, তোমার কিতাবের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, তোমার সাথে কৃত অঙ্গীকার পূরণের জন্য তোমার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতের অনুসরণ করে এ তাওয়াফ কার্যটি করছি।

(৩) প্রথম তিন চক্রে পুরুষগণ ছোট ছোট পদক্ষেপে দৌড়ের ভঙ্গিতে সামান্য একটু দ্রুত গতিতে চলতে চেষ্টা করবেন। আরবীতে এটাকে ‘রম্ল’ বলা হয়। বাকী চার চক্র সাধারণ হাঁটার গতিতে চলবেন। মক্কায় প্রবেশ করে প্রথম যে তাওয়াফটি করতে হয় শুধু এটাতেই প্রথম তিন চক্রের রম্লের এ বিধান। এরপর যতবার তাওয়াফ করবেন সেগুলোতে আর ‘‘রমল’’ করতে হবে না। মহিলাদের রমল করতে হয় না।

(৪) পুরুষেরা ইহরামের গায়ের কাপড়টির একমাথা ডান বগলের নীচ দিয়ে এমনভাবে পেঁচিয়ে দেবেন যাতে ডান কাঁধ, বাহু ও হাত খোলা থাকে। কাপড়ের বাকী অংশ ও উভয় মাথা দিয়ে বাম কাঁধ ও বাহু ঢেকে ফেলবেন। এ নিয়মটাকে আরবীতেও اضطباع (ইয্তিবা) বলা হয়। এটা শুধুমাত্র প্রথম তাওয়াফে করতে হয়। পরবর্তী তাওয়াফগুলোতে এ নিয়ম নেই, অর্থাৎ ডান কাঁধ ও বাহু খোলা রাখতে হয় না।

(৫) কাবাঘরের চারটি কোণের মধ্যে একটি কোণের নাম হল ‘‘রুকনে ইয়ামানী’’। হাজরে আসওয়াদ-এর কোণটিকে প্রথম কোণ ধরে তাওয়াফ শুরু করে আসলে ‘‘রুকনে ইয়ামানী’’ হবে চতুর্থ কোণ। এ ‘‘রুকনে ইয়ামানী’’র পাশে এসে পৌঁছলে ভীড় না হলে এ কোণকে ডান হাত দিয়ে ছুইতে চেষ্টা করবেন। কিন্তু সাবধান, এ রুকনে ইয়ামেনীকে চুমু দেবেন না, এর পাশে এসে হাত উঠিয়ে ইশারাও করবেন না এবং সেখানে ‘আল্লাহু আকবার’ও বলবেন না। ‘আল্লাহু আকবার’ বলবেন হাজরে আসওয়াদে পৌঁছে। তাওয়াফ শুরু করবেন ‘‘হাজরে আওয়াদ’’ থেকে এবং শেষও করবেন সেখানে গিয়েই।

(৬) রুকনে ইয়ামেনী ও হাজরে আসওয়াদের মধ্যবর্তী স্থানে নিম্নের এ দোয়াটি পড়া মুস্তাহাবঃ

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ

অর্থঃ হে আমাদের রব! আমাদেরকে তুমি দুনিয়ায় সুখ দাও, আখেরাতেও আমাদেরকে সুখী কর এবং আগুনের আযাব থেকে আমাদেরকে বাঁচাও।[1]

(৭) তাওয়াফের প্রত্যেক চক্রেই হাজরে আসওয়াদ ছুঁয়া ও চুমু দেয়া উত্তম। কিন্তু প্রচন্ড ভীড়ের কারণে এটি খুবই দূরূহ কাজ। সেক্ষেত্রে প্রতি চক্রেই হাজ্রে আসওয়াদের পাশে এসে এর দিকে মুখ করে ডান হাত উঠিয়ে ইশারা করবেন। ইশারাকৃত এ হাত চুম্বন করবেন না। ইশারা করার সময় একবার বলবেন بسم الله الله أكبر ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’।

(৮) তাওয়াফরত অবস্থায় খুব বেশী বেশী যিক্র, দোয়া ও তাওবা করতে থাকবেন। কুরআন তিলাওয়াতও করা যায়। কিছু কিছু বইতে আছে প্রথম চক্রের দোয়া, ২য় চক্রের দোয়া ইত্যাদি। কুরআন হাদীসে এ ধরনের চক্রভিত্তিক দোয়ার কোন ভিত্তি নেই। যত পারেন একের পর এক দোয়া আপনি করতে থাকবেন। এ বইয়ের ২১ ও ২২ নং অধ্যায়ে কিছু দোয়া দেয়া আছে। এ দোয়াগুলো করতে পারেন। তাছাড়া আপনার নিজ ভাষায় আপনার মনের কথাগুলো আল্লাহর কাছে বলতে থাকবেন, মিনতি সহকারে চাইতে থাকবেন। দলবেঁধে সমস্বরে জোরে জোরে দোয়া করে অন্যদের দোয়ার মনোযোগ নষ্ট করবেন না। আরবীতে দোয়া করলে এগুলোর অর্থ জেনে নেয়ার চেষ্টা করবেন যাতে আল্লাহর সাথে আপনি কি বলছেন তা যেন হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে পারেন।

(৯) তাওয়াফের ৭ চক্র শেষ হলে দু’কাঁধ এবং বাহু ইহরামের কাপড় দিয়ে আবার ঢেকে ফেলবেন এবং ‘‘মাকামে ইব্রাহীমের’’ কাছে গিয়ে পড়বেনঃ

وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلّىً

অর্থঃ ইব্রাহীম (পয়গাম্বর)-এর দন্ডায়মানস্থলকে সালাত আদায়ের স্থান হিসেবে গ্রহণ করো।[2]

অতঃপর তাওয়াফ শেষে এ মাকামে ইব্রাহীমের পেছনে এসে দু’রাকআত সালাত আদায় করবেন। ভীড়ের কারণে এখানে জায়গা না পেলে মসজিদে হারামের যে কোন অংশে এ সালাত আদায় করা জায়েয আছে। মানুষকে কষ্ট দেবেন না, যে পথে মুসল্লীরা চলাফেরা করে সেখানে সালাতে দাঁড়াবেন না। সুন্নত হলো এ সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর প্রথম রাকআতে সূরা কাফিরূন এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা ইখলাস পড়া।

(১০) এরপর যমযমের পানি পান করতে যাওয়া মুস্তাহাব। পান শেষে যমযমের কিছু পানি মাথার উপর ঢেলে দেয়া সুন্নাত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটি করতেন। (আহমাদ)

(১১) মুস্তাহাব হলো পুনরায় হাজ্রে আসওয়াদের কাছে গিয়ে এটা স্পর্শ করা ও চুম্বন করা। সম্ভব হলে এটা করবেন। আর ভীড় বেশী থাকলে এ কাজটা করতে যাবেন না।

(১২) বেগানা পুরুষের সামনে মহিলারা হাজারে আসওয়াদ চুম্বনের সময় মুখ খোলা রাখবেন না। কাবার গা ঘেঁষে পুরুষদের মধ্যে না ঢুকে মেয়েদের একটু দূর দিয়ে তাওয়াফ করা উত্তম।

(১৩) তাওয়াফ করার সময় যদি জামা‘আতের ইকামত দিয়ে দেয় তখন সঙ্গে সঙ্গে তাওয়াফ বন্ধ করে দিয়ে নামাযের জামা‘আতে শরীক হবেন এবং ডান কাঁধ ও বাহু চাদর দিয়ে ঢেকে ফেলবেন। নামায রত অবস্থায় কাঁধ ও বাহু খোলা রাখা জায়েয না। সালাত শেষে তাওয়াফের বাকী অংশ পূর্ণ করবেন।

[1] (সূরা বাকারা ২০১)
[2](বাকারাঃ ১২৫

🕋 তাওয়াফ—আল্লাহকে কেন্দ্র করে জীবনের পথচলাতাওয়াফ অর্থ প্রদক্ষিণ করা। পবিত্র কাবা শরীফকে সাতবার প্রদক্ষিণ করলে একটি তাও...
03/08/2026

🕋 তাওয়াফ—আল্লাহকে কেন্দ্র করে জীবনের পথচলা

তাওয়াফ অর্থ প্রদক্ষিণ করা। পবিত্র কাবা শরীফকে সাতবার প্রদক্ষিণ করলে একটি তাওয়াফ সম্পন্ন হয়। এটি শুধু হাঁটা বা চক্কর দেওয়া নয়; বরং আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা, আনুগত্য ও আত্মসমর্পণের এক অনন্য ইবাদত।

হযরত ইবরাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হযরত ইসমাঈল (আ.) আল্লাহর নির্দেশে কাবা শরীফ নির্মাণের পর থেকেই আল্লাহর আদেশে তাওয়াফের এই ইবাদত চালু হয়েছে। পরে রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজেও তাওয়াফ করেছেন এবং তাঁর উম্মতকে এর শিক্ষা দিয়েছেন। তাই তাওয়াফ একদিকে আল্লাহর হুকুম পালন, অন্যদিকে প্রিয় নবী ﷺ-এর সুন্নতের অনুসরণ।

তাওয়াফ আমাদের একটি গভীর শিক্ষা দেয়—একজন মুমিনের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত একমাত্র আল্লাহ। যেমন তাওয়াফকারীরা কাবাকে কেন্দ্র করে ঘুরে, তেমনি আমাদের চিন্তা, কর্ম, ভালোবাসা ও জীবনের লক্ষ্যও আল্লাহকে কেন্দ্র করেই হওয়া উচিত।

পৃথিবীর নানা দেশ, ভাষা ও বর্ণের লাখো মানুষ একই পোশাকে, একই কাবাকে ঘিরে একসঙ্গে তাওয়াফ করেন। সেখানে ধনী-গরিব, রাজা-প্রজা—কোনো পার্থক্য থাকে না। সবাই আল্লাহর বান্দা, সবাই সমান।

তাওয়াফের সময় কাবা আমাদের বাম পাশে থাকে। ফলে হৃদয়টি কাবার দিকেই থাকে। যদিও এটি শরিয়তের বিধান এবং এর মূল কারণ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ-এর নির্দেশ পালন, তবুও অনেক আলেম বলেন—এ দৃশ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আমাদের হৃদয় যেন সবসময় আল্লাহর ভালোবাসায় পরিপূর্ণ থাকে।

হাদিসে এসেছে, আল্লাহ তাআলা প্রতিদিন কাবা শরীফের ওপর ১২০টি রহমত নাজিল করেন। এর মধ্যে ৬০টি তাওয়াফকারীদের জন্য, ৪০টি সালাত আদায়কারীদের জন্য এবং ২০টি কাবার দিকে তাকিয়ে ইবাদতকারীদের জন্য। (বর্ণিত: আল-মু'জামুল আওসাত, তাবারানি; হাদিসটি হাসান পর্যায়ের বলে অনেক আলেম উল্লেখ করেছেন।)

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে তাঁর পবিত্র ঘরের মেহমান হওয়ার তাওফিক দান করুন। হজ ও উমরাহর সময় বেশি বেশি তাওয়াফ করার, এর তাৎপর্য হৃদয়ে ধারণ করার এবং তাঁর নৈকট্য অর্জনের তাওফিক দান করুন।

আমীন। 🤲

সূত্র:
• আল-কুরআন: সূরা আল-হাজ্জ (২২:২৬–২৯)
• সহিহ আল-বুখারি ও সহিহ মুসলিম (রাসূল ﷺ-এর তাওয়াফ সম্পর্কিত হাদিসসমূহ)
• আল-মু'জামুল আওসাত, ইমাম তাবারানি (কাবার ওপর ১২০ রহমতের বর্ণনা)

মানুষের জীবনে কিছু স্বপ্ন থাকে, যা অর্থ দিয়ে নয়—ঈমান দিয়ে মাপা হয়।এক প্রবীণ ব্যক্তি জানিয়েছিলেন, তাঁর স্ত্রী ইন্তেক...
01/08/2026

মানুষের জীবনে কিছু স্বপ্ন থাকে, যা অর্থ দিয়ে নয়—ঈমান দিয়ে মাপা হয়।

এক প্রবীণ ব্যক্তি জানিয়েছিলেন, তাঁর স্ত্রী ইন্তেকাল করেছেন, তাঁদের কোনো সন্তান নেই। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি একটি সিদ্ধান্ত নেন—উমরাহ পালনের জন্য নিজের একমাত্র বাড়িটিও বিক্রি করে দেন।

যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কেন এমন করলেন?

তিনি শান্ত কণ্ঠে বলেন,

“আমি চাই, মৃত্যুর আগে আল্লাহর ঘরে দাঁড়িয়ে তাঁর কাছে আমার সব গুনাহের ক্ষমা চাইতে।”

এই ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—উমরাহ শুধু একটি ভ্রমণ নয়; এটি আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়ার এক অনন্য সৌভাগ্য। কত মানুষ বছরের পর বছর সঞ্চয় করেন, কত ত্যাগ স্বীকার করেন, শুধু কাবাঘরের সামনে দাঁড়িয়ে দু’হাত তুলে রবের কাছে ক্ষমা চাইবেন বলে।

যদি আল্লাহ আপনার অন্তরে তাঁর ঘরের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করে থাকেন, তবে সেই নিয়তকে গুরুত্ব দিন। আজ থেকেই প্রস্তুতি শুরু করুন। কে জানে, হয়তো আল্লাহই খুব শিগগির আপনাকে তাঁর পবিত্র ঘরের মেহমান হওয়ার তাওফিক দান করবেন।

🕋 আল্লাহ আমাদের সবাইকে বারবার তাঁর ঘর জিয়ারত করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

কিছু স্বপ্ন টাকা দিয়ে কেনা যায় না, শুধু আল্লাহর ডাকে পূরণ হয়। 🕋🤍হয়তো এবার সেই ডাক আপনার জন্যই এসেছে। MySafar Hajj–এর কাস...
31/07/2026

কিছু স্বপ্ন টাকা দিয়ে কেনা যায় না, শুধু আল্লাহর ডাকে পূরণ হয়। 🕋🤍

হয়তো এবার সেই ডাক আপনার জন্যই এসেছে। MySafar Hajj–এর কাস্টমাইজড উমরাহ প্যাকেজে শুরু হোক জীবনের সবচেয়ে প্রশান্তিময় সফর।

🕋🤍 মসজিদুল হারামের অপার শান্তি ও প্রশান্তির কিছু হৃদয়ছোঁয়া মুহূর্ত।
30/07/2026

🕋🤍 মসজিদুল হারামের অপার শান্তি ও প্রশান্তির কিছু হৃদয়ছোঁয়া মুহূর্ত।

"আমি পরিশ্রম করেছি, তাই সফল হয়েছি"— সব সময় বিষয়টা এতটা সরল নয়।অনেক সময় একটি ভালো ফলাফলের পেছনে থাকে এমন কিছু নিয়ামত, যা ...
26/07/2026

"আমি পরিশ্রম করেছি, তাই সফল হয়েছি"— সব সময় বিষয়টা এতটা সরল নয়।

অনেক সময় একটি ভালো ফলাফলের পেছনে থাকে এমন কিছু নিয়ামত, যা আমরা চোখে দেখি না। সেখানে থাকতে পারে কোনো মায়ের অশ্রুসিক্ত দোয়া, কোনো বাবার নীরব প্রার্থনা, কোনো প্রিয়জনের আন্তরিক দোয়া কিংবা আল্লাহর বিশেষ রহমত।

আল্লাহ কাকে, কখন, কীভাবে দান করবেন—সেটা একমাত্র তিনিই জানেন।

আমাদের দায়িত্ব হলো—সৎ পথে অবিচল থাকা, বিপদে ধৈর্য ধারণ করা, হালাল উপায়ে পরিশ্রম করে যাওয়া, দোয়া চালিয়ে যাওয়া এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা।

কখন পাব, কী পাব বা কেন এখনো পেলাম না—এসব নিয়ে অস্থির হওয়া নয়; বরং বিশ্বাস রাখা যে—

আল্লাহ যা দেন, তা আমাদের কল্যাণের জন্যই দেন।
আর যখন দেন, সেটাই হয় সবচেয়ে উত্তম সময়।

এই অটুট বিশ্বাস আর আল্লাহর ওপর নির্ভরতাকেই তো তাওয়াক্কুল বলে। 🤍

🕋 পবিত্র উমরাহর স্বপ্ন পূরণ হোক নিশ্চিন্তে!সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর উমরাহ প্যাকেজ বুকিং চলছে।ভিসা, টিকিট, মক্কা-মদিনার নিকটবর্...
26/07/2026

🕋 পবিত্র উমরাহর স্বপ্ন পূরণ হোক নিশ্চিন্তে!

সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর উমরাহ প্যাকেজ বুকিং চলছে।
ভিসা, টিকিট, মক্কা-মদিনার নিকটবর্তী হোটেল, দেশীয় খাবার, জিয়ারতসহ সম্পূর্ণ সেবার নিশ্চয়তা।

🤲 বিশ্বস্ত ব্যবস্থাপনায় ইবাদতের সফর হোক আরও প্রশান্তিময়।

📞 আজই বুকিং করুন: +88 01806-971201

MySafar Hajj — আপনার পবিত্র সফরের বিশ্বস্ত সঙ্গী। 🕌✨

💚 মদিনাতুল মুনাওয়ারা—যেখানে হৃদয় খুঁজে পায় অদ্ভুত এক প্রশান্তি।এই পবিত্র নগরীতে পা রাখলেই যেন পৃথিবীর সব ব্যস্ততা, দুঃখ ...
25/07/2026

💚 মদিনাতুল মুনাওয়ারা—যেখানে হৃদয় খুঁজে পায় অদ্ভুত এক প্রশান্তি।

এই পবিত্র নগরীতে পা রাখলেই যেন পৃথিবীর সব ব্যস্ততা, দুঃখ আর ক্লান্তি ধীরে ধীরে মিলিয়ে যেতে শুরু করে। প্রতিটি মুহূর্তে অনুভব হয় প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ–এর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং এক গভীর আত্মিক শান্তি।

মসজিদে নববীর প্রতিটি স্তম্ভ, প্রতিটি প্রাঙ্গণ আর প্রতিটি নিঃশ্বাস যেন ঈমানকে আরও দৃঢ় করে দেয়। এখান থেকে ফিরে আসা যায়, কিন্তু মদিনাকে হৃদয় থেকে কখনোই ফিরিয়ে আনা যায় না।

🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে বারবার মদিনাতুল মুনাওয়ারায় উপস্থিত হয়ে রাসুলুল্লাহ ﷺ–এর প্রতি সালাম পেশ করার এবং এই পবিত্র ভূমির প্রশান্তি অনুভব করার তাওফীক দান করুন। আমীন। 💚🕌

🕋 মক্কা—ইতিহাস, ইবাদত ও তাওয়াক্কুলের চিরন্তন নগরী।দূরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা পাহাড়টি জাবাল সাওর। এই পাহাড়ের বুকেই ...
24/07/2026

🕋 মক্কা—ইতিহাস, ইবাদত ও তাওয়াক্কুলের চিরন্তন নগরী।

দূরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা পাহাড়টি জাবাল সাওর। এই পাহাড়ের বুকেই রয়েছে গারে সাওর—যেখানে হিজরতের সময় মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ এবং তাঁর প্রিয় সাহাবি হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) আল্লাহর হিফাজতে টানা তিন রাত অবস্থান করেছিলেন।

আজ মক্কার চারপাশে আধুনিক অট্টালিকা, প্রশস্ত সড়ক আর উন্নত নগরায়ণের ছোঁয়া। কিন্তু জাবাল সাওর আজও নীরবে সাক্ষ্য দেয় ইসলামের ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়ের। এই পাহাড় আমাদের শেখায়—পৃথিবীর সব পথ বন্ধ হয়ে গেলেও, আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল কখনো ব্যর্থ হয় না।

সেদিন গুহার ভেতরে ছিল দুইজন, কিন্তু তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সমগ্র বিশ্বের রব। তাই তো আল্লাহ তাআলা বলেন—

﴿لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللَّهَ مَعَنَا﴾
“ভয় করো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।”
— সূরা আত-তাওবা, ৯:৪০

এই দৃশ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সময়ের সঙ্গে শহর বদলায়, স্থাপনা বদলায়, মানুষের জীবনও বদলায়; কিন্তু আল্লাহর নিদর্শন, ইসলামের ইতিহাস এবং তাওয়াক্কুলের শিক্ষা কখনো পুরোনো হয় না।

🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে তাঁর পবিত্র ঘর বারবার জিয়ারত করার, ইসলামের ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার এবং সর্বাবস্থায় তাঁর ওপর অটুট ভরসা রাখার তাওফীক দান করুন। আমীন। 🕋

Address

House/3, Road/4, Sector/1, Uttara
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 10:00 - 19:00
Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Saturday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MySafar Hajj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category