Bangla Aviation

Bangla Aviation Aviation Information Hub
(4)

বাংলাদেশি ফ্রান্স নাগরিকের সাথে প্রবাসী আব্দুল মজিদ চাচার মেয়ের বিয়ে ভেংগে গেলো! আমাদের কাছে ফোন এলো সৌদি প্রবাসী আব্দুল...
12/08/2026

বাংলাদেশি ফ্রান্স নাগরিকের সাথে প্রবাসী আব্দুল মজিদ চাচার মেয়ের বিয়ে ভেংগে গেলো!

আমাদের কাছে ফোন এলো সৌদি প্রবাসী আব্দুল মজিদ চাচার। এবার তিনি তার বড় মেয়ের বিয়ের দাওয়াত দিলেন। একই সাথে মেয়ের হবু বরের তথ্য যাচাই করতে সহায়তা চাইলেন।

প্রবাসী আব্দুল মজিদ চাচা জানালেন পাত্র ফান্সে গেছে ৮ মাস আগে এখন সে ফ্রান্সের নাগরিক। পাত্রের নাম বনি আমিন। ফ্রান্সে সে যেখানে চাকরি করে, সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ পদে আছে। তাই মালিক তাকে চাইলেই এখন ছুটি দেবে না। এই কারণে পাত্র পক্ষের প্রস্তাব হলো—টেলিফোনেই এখন বিয়েটা হোক। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে ছেলে দেশে এসে ধুমধাম করে মেয়েকে তুলে নিয়ে যাবে। আর মেয়ের ডকুমেন্ট রেডি হলে ফ্রান্সেও নিয়ে যাবে।

যাচাই করার জন্য আব্দুল মজিদ চাচা আমাদের কাছে পাত্র বনি আমিনের পাসপোর্ট ছবি সহ তথ্য দিলেন।

এবার বাংলা এভিয়েশনের অনুসন্ধানের পালা শুরু।
ফ্রান্সের গিয়ে ৮ মাসেই নাগরিকত্ব পেয়েছে শুনেই বুঝলাম কোন কিন্তু আছে।কারণ ফ্রান্স ৮/১০ মাসে কাউকে নাগরিকত্ব দেয় না। মজিদ চাচা আমাদের ৩টি ছবি দিয়েছেন।একটি ছেলের ছবি। ২য়টি ফ্রান্সের লাল পাসপোর্ট হাতে ছবি। ৩য় টি পাসপোর্ট এর কভার এর ছবি।

অনুসন্ধান করে আমরা যা পেলাম তা আমরা প্রবাসী আব্দুল মজিদ চাচাকে জানালাম। চাচার আকাশ ভেঙে পড়লো। তিনি সিদ্ধান্ত নিলে বনি আমিনের সাথে মেয়ে বিয়ে দিবেন না।

প্রবাসী আব্দুল মজিদ চাচার মতো অনেকেই এই ইস্যুতে জানতে চান। অনেকের মধ্যে বিভ্রান্ত আছে। এই বিষয়ে পরিষ্কার করতে আমরা বিস্তারিত তুলে ধরলাম।

শুরুতেই যেটা বললাম ফ্রান্স ৮/১০ মাসে কাউকে নাগরিকত্ব দেয় না। মূলত বনি আমিন ফ্রান্সে গিয়ে আশ্রয় চেয়েছেন যেটা এসাইলাম হিসেবে বেশি পরিচিত।

বনি আমিন ফ্রান্সের কোনো নাগরিক নন। "বাংলাদেশে সে নিরাপদ নয়" উপস্থাপন করে ফ্রান্সে আশ্রয় ছেড়েছেন। বাংলাদেশিরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক হুমকির আশ্রয় চায়। বিএনপির আমলে আওয়ামী লীগ কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করে। আর আওয়ামী লীগ আমলে বিএনপি জামাত কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করে। নন মুসলিমরা সং্খ্যালঘু হিসেবে নিরাপদ নয় উপস্থাপন করে আশ্রয় চায়। আবার অনেকেই সমকামী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেন।

এরকম আবেদনকারীদের ফ্রান্সে সরকার শরণার্থী বা রিফুজি (Refugee) হিসেবে আশ্রয় দেয়। তাদের হুমকির তথ্য যাচাই বাছাই করে।

জাতিসংঘের শরনার্থী নীতি অনুসারে ফ্রান্সে শরণার্থীদের 'ট্রাভেল ডকুমেন্ট' দেওয়া হয়, সেটি দেখতে ফ্রান্সের সাধারণ নাগরিকদের জন্য ইস্যুকৃত পাসপোর্টের মতোই লাল রঙের। আর তাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট জমা রাখা হয়।

লাল ট্রাভেল ডকুমেন্টস দেখে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। অনেকেই সেটিকে ফ্রান্সের নাগরিকত্ব পাবার পর পাসপোর্ট হিসেবে উপস্থাপন করেন।

প্রবাসী আব্দুল মজিদ চাচার ক্ষেত্রেও ঠিক এই বিভ্রান্তিই হয়েছিল।

ফ্রান্স নাগরিক ছেলে কেন টেলিফোনে বিয়ে করতে চায়?

উত্তর হচ্ছে -ফ্রান্সে আশ্রয়প্রার্থী ব্যক্তিদের ফরাসি সরকার যে ‘ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ (Travel Document for Refugees) দেয়, সেটির বিশ্বের অনেক দেশেই ভ্রমণ করা সম্ভব। তবে সেটি দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়া যাবে না।কারণ পাসপোর্টধারী তো বলেছেন- সে বাংলাদেশে নিরাপদ না।

যেহেতু ওই ব্যক্তি নিজেই প্রমাণ করেছেন যে তিনি বাংলাদেশে নিরাপদ নন, তাই ফরাসি সরকার বা ওই ট্রাভেল ডকুমেন্ট তাকে কখনোই বাংলাদেশে যাওয়ার অনুমতি দেবে না। আর যদি তিনি কোনোভাবে লুকিয়েও যান, তবে ফ্রান্সে তার অর্জিত আশ্রয়ের অধিকার ও স্ট্যাটাস চিরতরে বাতিল হয়ে যাবে।

মালিক ছুটি দিচ্ছে না বা কোম্পানির বড় দায়িত্ব—এগুলো সব বনি আমিনের সাজানো গল্প ও অজুহাত মাত্র। আসল সত্যি হলো, সে ভালো করেই জানে যে শরণার্থী ট্রাভেল ডকুমেন্ট নিয়ে তার পক্ষে বাংলাদেশে যাওয়ার কোনো আইনি সুযোগই নেই। সে চাইলেও নিজের দেশে পা রাখতে পারবে না। নিজে দেশে এসে বিয়ে করার কোনো উপায় নেই জেনেই সে এখন সুকৌশলে ‘টেলিফোনে বিয়ে’-র এই ফাঁদ পেতেছে।

ফ্রান্সের শরণার্থী' ট্রাভেল ডকুমেন্ট চেনার সহজ উপায়

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই দেখবেন ফ্রান্সের পাসপোর্টের ছবি আপলোড করা হয়। কিন্তু একটা মজার বিষয় লক্ষ্য করবেন। ছবিগুলোতে পাসপোর্টের ঠিক নিচের অংশটি প্রায়শই হাত বা অন্য কোনো কিছু দিয়ে ঢাকা থাকে।

কেন জানেন? কারণ আসল সত্যটা ঠিক ওই ঢাকা অংশেই লুকিয়ে আছে।

আমরা এখানে ফ্রান্সের একটি 'শরণার্থী ট্রাভেল ডকুমেন্টের' (Titre de Voyage pour Réfugié) কভার পেজের ছবি দিয়েছি।

নিচের অংশে কী লেখা আছে।
ফরাসি নাগরিকদের পাসপোর্টের নিচে শুধু 'Passeport' লেখা থাকে।

কিন্তু এই ডকুমেন্টের নিচে ফরাসি ভাষায় খুব স্পষ্ট করে লেখা রয়েছে দুটি তথ্য।

প্রথমে লেখা TITRE DE VOYAGE" (ভ্রমণ দলিল)
এবং তার ঠিক নিচে— "POUR RÉFUGIÉ" (শরণার্থীর জন্য)।

সহজ কথায়, এটি কোনো পাসপোর্ট নয়, বরং এটি একটি আন্তর্জাতিক সনদের অধীনে শরণার্থীদের দেওয়া ভ্রমণের অনুমতিপত্র।

আর এই কারণেই আসল পরিচয় লুকাতে অনেক সময় পাসপোর্টের নিচের ওই অংশটি ঢেকে ছবি তোলা হয়, যাতে সবাই মনে করে এটি একটি সাধারণ ফরাসি পাসপোর্ট। তাই এখন থেকে এমন ছবি দেখলে সতর্ক হোন এবং পুরোটা দেখার চেষ্টা করুন।

#বাংলাএভিয়েশন

ঢাকা-রিয়াদ রুটে প্রতিদিন সরাসরি ফ্লাইট চালু করল ‘রিয়াদ এয়ার’ ✈️সৌদি আরবের নতুন বিমান সংস্থা ‘রিয়াদ এয়ার’ এখন ঢাকা থেকে স...
09/08/2026

ঢাকা-রিয়াদ রুটে প্রতিদিন সরাসরি ফ্লাইট চালু করল ‘রিয়াদ এয়ার’ ✈️

সৌদি আরবের নতুন বিমান সংস্থা ‘রিয়াদ এয়ার’ এখন ঢাকা থেকে সরাসরি রিয়াদ যাতায়াতের জন্য প্রস্তুত! গত ৭ আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে এই রুটে প্রতিদিনের সরাসরি ফ্লাইট।

প্রতিটি ফ্লাইটে চলাচল করবে আধুনিক ও আরামদায়ক 'বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার'।

যাত্রীদের জন্য থাকছে প্রিমিয়াম সিটিং, অত্যাধুনিক ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেম এবং বিশেষ সৌদি আতিথেয়তা।

রিয়াদ এয়ারের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে জেদ্দাসহ সৌদি আরবের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যেও সহজে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন যাত্রীরা।

রিয়াদ এয়ারের নিজস্ব অ্যাপ, ওয়েবসাইট অথবা অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে টিকিট বুক করা যাবে।

রিয়াদ এয়ারের লয়্যালটি প্রোগ্রাম ‘স্ফিয়ার’-এর ‘ফাউন্ডিং মেম্বার’ হিসেবে নিবন্ধন করলে থাকছে বিশেষ অফার এবং ফ্লাইটে বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধাসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার পাওয়ার সুযোগ।

# #বাংলাএভিয়েশন

পর্তুগালে বিদেশি নাগরিককে অপহরণ ও নির্যাতন: দুই বাংলাদেশি গ্রেপ্তারপর্তুগালের রাজধানী লিসবনে এক বিদেশি নাগরিককে অপহরণ কর...
08/08/2026

পর্তুগালে বিদেশি নাগরিককে অপহরণ ও নির্যাতন: দুই বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে এক বিদেশি নাগরিককে অপহরণ করে টানা দুই দিন ধরে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ।

স্থানীয় পুলিশের সুত্রে Migration Bangla জানিয়েছে - গত ২৭ জুন ৩৩ বছর বয়সী এক বিদেশি নাগরিককে লিসবনের জনপথ থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করে একটি বাসায় নিয়ে যান অভিযুক্তরা। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে বন্দি রেখে এবং হাত-পা বেঁধে তাকে বারবার মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এমনকি মুক্তিপণ হিসেবে তার কাছে বড় অঙ্কের অর্থ দাবি করা হয়। পরে দাবিকৃত টাকা পরিশোধের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মুক্তি পাওয়ার পর ভুক্তভোগী বিষয়টি পুলিশকে জানালে পর্তুগালের বিচার বিভাগীয় পুলিশের ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম ইউনিট তদন্তে নামে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে।

এই ঘটনায় পুলিশ "Operation Taka" (টাকা—বাংলাদেশি মুদ্রার নামানুসারে) নামক একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৩৫ ও ৪৩ বছর বয়সী দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নির্যাতনের শিকার হওয়ায় ভুক্তভোগীকে চিকিৎসাসেবা নিতে হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং লিসবনের পাবলিক প্রসিকিউটর অফিসের নির্দেশনায় এই ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

#মাইগ্রেশনবাংলা #বাংলাএভিয়েশন

ফ্লাইটের জরুরি দরজা ভাঙার চেষ্টার অভিযোগে ভারতীয় যাত্রী গ্রেপ্তারএভিয়েশন দুনিয়ায় চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘটেছে। কুয়ালালামপুর ...
08/08/2026

ফ্লাইটের জরুরি দরজা ভাঙার চেষ্টার অভিযোগে ভারতীয় যাত্রী গ্রেপ্তার

এভিয়েশন দুনিয়ায় চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘটেছে। কুয়ালালামপুর থেকে কোচিগামী বাটিক এয়ারের একটি ফ্লাইটে (ওডি২৩১) মাঝ আকাশে বিমানের জরুরি নির্গমন দরজা খোলার চেষ্টার অভিযোগে জামশেদ আথানিকাল (৩৬) নামের এক ভারতীয় যাত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কুয়ালালামপুর থেকে কোচিগামী ফ্লাইটটি আকাশে থাকাকালীন সময়ে কেরালার পালাক্কাড় জেলার বাসিন্দা জামশেদ আথানিকাল হঠাৎ করেই জরুরি দরজার প্যানেল ভেঙে ফেলেন এবং জোর করে দরজা খোলার চেষ্টা করেন।

তার এমন ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে বিমানটির যাত্রী ও ক্রুদের মধ্যে মারাত্মক নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। পরবর্তীতে কেবিন ক্রু ও অন্যান্য যাত্রীরা মিলে অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে তাকে নিবৃত্ত ও নিয়ন্ত্রণ করেন।

কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি নিরাপদে অবতরণের পর পরই সিআইএসএফ (CISF) নিরাপত্তা কর্মীরা অভিযুক্ত যাত্রীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। বিমান নিরাপত্তা আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখছে।

#বাংলাএভিয়েশন #বাংলা_এভিয়েশন

পর্তুগালে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও আলোচনা সভায় কিছু প্রবাসী বাংলাদেশে দূতাবাস চালুর জোরালো দাবি তুলছেন। আর তা নিয়ে ফেসবুকে শ...
07/08/2026

পর্তুগালে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও আলোচনা সভায় কিছু প্রবাসী বাংলাদেশে দূতাবাস চালুর জোরালো দাবি তুলছেন। আর তা নিয়ে ফেসবুকে শুরু হয়েছে নানা রকম আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই আবার কুরুচিপূর্ণ, অশালীন, অশ্রাব্য ও অযৌক্তিক কথাবার্তা বলে ফেসবুকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছেন। মূলত এর মধ্য দিয়ে তাদের চরম অজ্ঞতা আর নিজেদের অশালীন মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

বাংলাদেশে পর্তুগাল দূতাবাস নিয়ে আমাদের ভুল ধারণা বনাম আন্তর্জাতিক কূটনীতি: একনজরে বাস্তবতা

চৌধুরী আকবর হোসেন

অনেকে মনে করেন, বাংলাদেশ সরকার একটা চকচকে বিল্ডিং বানিয়ে পর্তুগালকে বললেই তারা সেখানে দূতাবাস খুলে ফেলবে। কিন্তু কূটনীতি অত সহজ না ভাই।

পর্তুগালে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও আলোচনা সভায় কিছু প্রবাসী বাংলাদেশে দূতাবাস চালুর জোরালো দাবি তুলছেন। আর তা নিয়ে ফেসবুকে শুরু হয়েছে নানা রকম আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই আবার কুরুচিপূর্ণ, অশালীন, অশ্রাব্য ও অযৌক্তিক কথাবার্তা বলে ফেসবুকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছেন। মূলত এর মধ্য দিয়ে তাদের চরম অজ্ঞতা আর নিজেদের অশালীন মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

বাস্তবতা কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার এই হাকডাকের মতো একেবারেই নয়।

বাংলাদেশ সরকার যদি নিজ খরচে আস্ত একটা আধুনিক বিল্ডিং বানিয়েও দেয় এবং বলে, "ভাই, এখানে এসে আপনার দেশের দূতাবাসটা চালান, সব খরচ ও সুবিধা আমরা দিচ্ছি", তারপরও পর্তুগাল সরকার চাইলে সেখানে দূতাবাস নাও করতে পারে। তারা কোনোভাবেই এটা করতে বাধ্য না।

একটা দেশে দূতাবাস বা কনস্যুলেট রাখা না রাখা পুরোপুরি নির্ভর করে সেই দেশের নিজস্ব রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রয়োজনের ওপর। কোন দেশে অফিস খুলবে আর কোথায় খুলবে না, সেটা একান্তই তাদের নিজস্ব সার্বভৌম সিদ্ধান্ত।

বাংলাদেশ এখানে কেবল একটা অনুরোধ বা প্রস্তাব করতে পারে। এর বেশি এক চুলও করার ক্ষমতা বা এক্তিয়ার বাংলাদেশের নেই।

তাই ফেসবুকের গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল দেওয়া কিছু মানুষের মতো ভাববেন না যে, চাইলেই বা বিল্ডিং দিলেই পর্তুগাল হুট করে দৌড়ে এসে দূতাবাস চালু করে দেবে। কূটনীতি চলে নিজেদের স্বার্থ আর হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে, অনুকম্পা বা কারো জোরাজুরির ওপর না।

তাই দাবি জানাতে হলে বা অনুরোধ করতে হলে, পর্তুগাল সরকারের কাছেই করতে হবে। তাদের দরজায় গিয়েই জোরালোভাবে উপস্থাপন করতে হবে যে—বাংলাদেশে দূতাবাস কেন দরকার।

পর্তুগাল সরকার যখন দেখবে এবং অনুভব করবে যে সত্যিই এটা তাদের প্রয়োজন, কেবল তখনই তারা দূতাবাস খোলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
এর বাইরে মনগড়া বা অবাস্তব পন্থায় এই দাবি বাস্তবায়ন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

আমরা বাংলাদেশে পর্তুগিজ দূতাবাস কেন চাচ্ছি? বাংলাদেশের সঙ্গে পর্তুগালের ব্যবসা-বাণিজ্য বা আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ কতখানি আছে? প্রায় নাই বললেই চলে। তাহলে আমরা চাচ্ছি কেন? আমরা চাচ্ছি মূলত ভিসা আবেদনের সুবিধার জন্য।
পর্তুগালের ভিসা করতে হলে বর্তমানে আমাদের যেতে হয় ভারতে। কিন্তু ভারতের ভিসা পাওয়া, ভারতে যাওয়া-আসা এবং যাতায়াতের সব প্রক্রিয়া মিলে সময়, অর্থ ও মানসিক চাপের এক বিশাল যন্ত্রণার পাহাড় পোহাতে হয়। প্রবাসীরা বা যারা পর্তুগালে আসতে চান, তাদের জন্য বিষয়টি অত্যন্ত কঠিন।

এখন কথা হলো, শুধু ভিসা আবেদনের জন্য বাংলাদেশে একটা দূতাবাস খোলা, জনবল নিয়োগ করা—পর্তুগালের জন্য কতটুকু লাভজনক ও প্রয়োজনীয়? পর্তুগাল সরকার হিসাব করেই দেখছে এটা তাদের জন্য লাভজনক বা জরুরি নয়। তারা যদি প্রয়োজন মনে করত, তবে নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশে দূতাবাস খুলত।

আমাদের ভাবতে হবে কীভাবে যৌক্তিক উপায়ে একটি সমাধান পাওয়া সম্ভব। এই প্রেক্ষাপটে আমাদের জন্য সহজ ও বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে ভিএফএস (VFS Global)

ভিএফএস হলো একটি আন্তর্জাতিক ভিসা প্রসেসিং প্রতিষ্ঠান, যা বিভিন্ন দেশের হয়ে আবেদনকারীর কাছ থেকে ভিসা আবেদন গ্রহণ করে দূতাবাসে পাঠায়। দূতাবাস ভিসা অনুমোদন করলে তা আবার আবেদনকারীর কাছে ফিরিয়ে দেয়। বাংলাদেশে কিন্তু ইতিমধ্যেই অনেক দেশের হয়ে ভিএফএস কাজ করছে। এমনকি ইউকে (যুক্তরাজ্য)-এর দূতাবাস বাংলাদেশে থাকা সত্ত্বেও ভিসার মূল প্রসেসিং হয় দিল্লিতে, আর আমরা আবেদন জমা দেই ভিএফএস-এর মাধ্যমেই।

আমরা পর্তুগাল সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট ও যৌক্তিক প্রস্তাব রাখতে পারি যেন বাংলাদেশে ভিএফএস-এর মাধ্যমে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াটি চালু করা হয়। পর্তুগাল সরকার যদি ভিএফএস-এর সঙ্গে চুক্তি করে, তবে আমাদের আর ভিসার জন্য ভারতে দৌড়াতে হবে না। আমরা বাংলাদেশেই ভিএফএস-এ আবেদন জমা দিতে পারব, আর তারা সেটি সংশ্লিষ্ট দূতাবাসে (যেমন দিল্লিতে অবস্থিত পর্তুগিজ দূতাবাস) পাঠিয়ে প্রসেসিং সম্পন্ন করে আমাদের ফলাফল জানাতে পারবে।

অবাস্তব পন্থায় দূতাবাস চেয়ে কান্নাকাটি করা অর্থহীন। বাস্তবমুখী ও যৌক্তিক সমাধান হিসেবে ভিএফএস চালুর প্রক্রিয়া নিয়ে পর্তুগাল সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরা অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ হবে। উপযুক্ত যুক্তির মাধ্যমে এটি যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে পারলে আমরা একটি টেকসই ও সহজ সমাধান পেতে পারি।

দীর্ঘ ৮ বছর পর সিলেটে বিদেশি এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটসিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আবারও শুরু হতে যাচ্ছে ...
04/08/2026

দীর্ঘ ৮ বছর পর সিলেটে বিদেশি এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইট

সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আবারও শুরু হতে যাচ্ছে বিদেশি এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইট।

১ সেপ্টেম্বর থেকে ওমানভিত্তিক বাজেট এয়ারলাইন্স সালামএয়ার সিলেট-মাস্কাট রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে বলে নিশ্চিত করেছেন ওসমানী বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ।

প্রাথমিকভাবে প্রতি সপ্তাহে ৩ দিন এই রুটে ফ্লাইট চলবে, তবে যাত্রীচাপ বাড়লে ফ্লাইটের সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে। খুব শীঘ্রই চূড়ান্ত শিডিউল ঘোষণা করা হবে। এর ফলে প্রবাসীদের জন্য তুলনামূলক কম খরচে ওমানে যাতায়াতের বড় সুযোগ তৈরি হলো।

বর্তমানে সালামএয়ার বিশ্বের ৩৮টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

২০১৫ সালে 'ফ্লাই দুবাই' সিলেটের সাথে তাদের সার্ভিস চালু করলেও ২০১৮ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ৮ বছর পর সালামএয়ারের মাধ্যমে সিলেটের আকাশে আবার চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক কমার্শিয়াল ফ্লাইট, যা ওই অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটনে নতুন গতি আনবে।

টিকিট সিন্ডিকেট দমনে সরকার 'জিরো টলারেন্স'বিমান ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন এবং কারিগরি সহযোগিতায় আইএটিএ এর সাথে সচিবালয়ে বিশে...
04/08/2026

টিকিট সিন্ডিকেট দমনে সরকার 'জিরো টলারেন্স'

বিমান ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন এবং কারিগরি সহযোগিতায় আইএটিএ এর সাথে সচিবালয়ে বিশেষ বৈঠক আকাশপথে যাত্রী ভোগান্তি বন্ধ ও এয়ারলাইন টিকিটের কৃত্রিম সংকট বা সিন্ডিকেট সম্পূর্ণ নির্মূলে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার।

বিমান খাতে যেকোনো ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকার 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে।

বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ)-এর আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট মিঃ শেজডন হি।

📌 বৈঠকে আলোচিত হয় টিকিট সিন্ডিকেট দমনে সরকারের নেওয়া কার্যকর পদক্ষেপে আইএটিএ (IATA) কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।

বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স টেকনিক্যাল সেন্টার (বিএটিসি)-কে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে আইএটিএ।

বেসামরিক বিমান চলাচল অধ্যাদেশে কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে পৃথক ধারা সংযোজন এবং সাসটেইনেবল এভিয়েশন ফুয়েল (এসএএফ) নিশ্চিত করার উদ্যোগ।

আকাশপথে অপরাধ প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে 'মন্ট্রিল প্রোটোকল ২০১৪' গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

✈️ যাত্রীর আগেই কি কার্গোতে চলে আসে লাগেজ? জার্মানি থেকে দেশে ফিরেছেন প্রবাসী আব্দুল মজিদ চাচা। ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর...
03/08/2026

✈️ যাত্রীর আগেই কি কার্গোতে চলে আসে লাগেজ?

জার্মানি থেকে দেশে ফিরেছেন প্রবাসী আব্দুল মজিদ চাচা। ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে এক ইউটিউবারকে সাক্ষাৎকারে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বললেন, “আমাদের লাগেজ জার্মানি থেকে কার্গোতে আগেই দেশে চলে এসেছে। কিন্তু বেল্টে এসে দেখি বেল্ট খালি! আমরা আসার ২-৩ ঘণ্টা আগেই তো কার্গোতে লাগেজ আসছে। তাহলে আমরা এসে দ্রুত লাগেজ পাবো না কেন?” 😡❓

আব্দুল মজিদ চাচার মতো এমন ধারণা কিন্তু অনেকেরই! অনেকেই মনে করেন, যাত্রীরা আসার আগেই বুঝি অন্য কোনো কার্গো বিমানে তাদের লাগেজ পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

⚠️ কিন্তু এই ধারণাটি পুরোপুরি ভুল

বাস্তবতা হচ্ছে - আপনি যে বিমানে ভ্রমণ করবেন, আপনার বুকিং দেওয়া লাগেজও ঠিক সেই বিমানেই আপনার সাথে দেশে পৌঁছায়। 🛬

বিমান ঢাকায় অবতরণের পর যাত্রীরা ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে বেল্টের দিকে যান। ঠিক একই সময়ে বিমান থেকে লাগেজগুলো আনলোড করে বেল্টে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

তাহলে লাগেজ পেতে কখনো কখনো দেরি হয় কেন? 🤔
মূলত ২টি প্রধান কারণে লাগেজ পেতে কিছুটা সময় বেশি লাগতে পারে।

শাহজালাল বিমানবন্দরে বর্তমানে লাগেজ বেল্ট রয়েছে ৮টি। কিন্তু কাছাকাছি সময়ে যদি ১২ থেকে ১৫টি ফ্লাইট ল্যান্ড করে, তবে আগের ফ্লাইটের লাগেজ ডেলিভারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরের ফ্লাইটের লাগেজ বেল্টে দেওয়া সম্ভব হয় না।

কোনো বিমান যদি সরাসরি 'বোর্ডিং ব্রিজ' না পায়, তবে সেটি টার্মিনাল থেকে দূরে বে-এরিয়ায় পার্ক করা হয়। সেখান থেকে ট্রলি বা ট্র্যাক্টরে করে লাগেজ সংগ্রহ করে টার্মিনালে আনতে অতিরিক্ত সময় লাগে। তাছাড়া রানওয়ে ও এয়ারসাইড অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় ড্রাইভারদের খুব ধীরগতিতে ও সতর্কতার সাথে যানবাহন চালাতে হয়—যাতে অন্য কোনো বিমান বা গাড়ির সাথে দুর্ঘটনা না ঘটে।

💡 তাই বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে কিছুটা বিলম্ব হলে ধৈর্য ধরুন এবং এভিয়েশন সংক্রান্ত নিয়মকানুন সম্পর্কে সচেতন থাকুন।

আপনার ভ্রমণ নিরাপদ ও আনন্দদায়ক হোক! 💙

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মিট অ্যান্ড গ্রিট সার্ভিসনোট: এই সার্ভিস নেয়া বাধ্যতামূলক নয়। সার্ভিস যাদের প্রয়োজ...
01/08/2026

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মিট অ্যান্ড গ্রিট সার্ভিস
নোট: এই সার্ভিস নেয়া বাধ্যতামূলক নয়। সার্ভিস যাদের প্রয়োজন শুধু তারা ইচ্ছে করলে ব্যবহার করতে পারেন।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তরিকতার সাথে মিট এন্ড গ্রিট সার্ভিস দিচ্ছে ট্রাভেল শপ। এটি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত ও নীতিমালা অনুসরণ করে ২৪ ঘন্টা সার্ভিস প্রদান করা হয়।
_____________________________
ট্রাভেল শপের মিট অ্যান্ড গ্রিট সার্ভিস কী?
____________________________
মিট অ্যান্ড গ্রিট সার্ভিস মূলত সহায়তা মুলক সেবা। কিছু দিন আগে আপনার অপারেশন হয়েছে ভারি ব্যাগ নাড়াচাড়া করা মানা, কিংবা সাথে দুটি বাচ্চা আছে- এখন আপনি ব্যাগ সামলাবেন নাকি বাচ্চা সামলাবেন ? মিট অ্যান্ড গ্রিট সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের কাস্টমার সার্ভিস এজেন্ট আপনার হয়ে আপনার লাগেজগুলো বহন করে আপনাকে বিমানবন্দরে সহায়তা করবে।
আপনার বয়স্ক মা-বাবা একা একা প্রথমবারের মতো আপনার কাছে বিদেশ আসবেন, বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা কিছু তো তারা বোঝেন না। একজন কেউ যদি পাশে থেকে তাদের লাগেজগুলো সাথে নিয়ে সব কিছু করে দিতো ? মিট অ্যান্ড গ্রিট সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের কাস্টমার সার্ভিস এজেন্ট যাত্রীর পাশে থেকে লাগেজগুলো বহন করে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতায় সহায়তা করবে।
বড় একটা প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছেন। বিদেশি বিনিয়োগকারী আপনার প্রজেক্ট দেখতে আসবেন। হোটেল থেকে গাড়ি সবই রেডি তার জন্য। বিমানবন্দরে তাকে যদি কেউ রিসিভ করে লাগেজগুলো সাথে নিয়ে সব কিছু করে দিতো ? হ্যা এখানেও সহায়তা করবে মিট অ্যান্ড গ্রিট সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের কাস্টমার সার্ভিস এজেন্ট।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের বিমানবন্দরের মতো বাংলাদেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য মিট অ্যান্ড গ্রীট এর সুবিধা রয়েছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সার্ভিস চার্জের বিনিময়ে সম্মানিত যাত্রীদের প্রটোকল, নির্দেশনামূলক সহায়তা প্রদান করে আসছে। মিট অ্যান্ড গ্রিট টিম সপ্তাহে ৭দিন, ২৪ ঘন্টা সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
মিট অ্যান্ড গ্রিট সার্ভিস উপভোগ করতে আপনাকে বিজনেস ক্লাস টিকিট বা অন্য কোন নীতি অনুসরণ করতে হবে না। সার্ভিস চার্জ দিয়ে যে কেউ এ সার্ভিস গ্রহণ করতে পারবেন।
তবে, পাশে থেকে সহায়তা করলেও যাত্রীর এয়ারলাইনের টিকিট, ভিসা, ইমিগ্রেশন, কাস্টমস সংক্রান্ত বৈধতা যাচাই বা আনুষ্ঠানিকতা যাত্রীকেই সম্পন্ন করতে হবে। এ সকল বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন, ইমিগ্রেশন, কাস্টমসের আইনগত বিষয়ের দায় যাত্রীর, মিট অ্যান্ড গ্রিট সার্ভিসে নয়।
মিট অ্যান্ড গ্রিট সার্ভিস চার্জ কত ?.......................................................................................................
✈ বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে ✈
Service Type 01: টার্মিনাল ভবনের প্রবেশ গেট থেকে রিসিভ করে ইমিগ্রেশন পর্যন্ত পৌছে দেয়ার জন্য সার্ভিস চার্জ জনপ্রতি ৫০০ টাকা

Service Type 02: টার্মিনাল ভবনের প্রবেশ গেট থেকে রিসিভ ওয়েটিং লাউঞ্জ পর্যন্ত পৌছে দেয়ার জন্য সার্ভিস চার্জ জনপ্রতি ১০০০ টাকা

Service Type 03: ডোমেস্টিক টার্মিনালের অ্যারাইভাল থেকে রিসিভ করে ইমিগ্রেশন পর্যন্ত পৌছে দেয়ার জন্য সার্ভিস চার্জ জনপ্রতি ১০০০ টাকা

Service Type 04: ডোমেস্টিক টার্মিনালের অ্যারাইভাল থেকে রিসিভ করে ওয়েটিং লাউঞ্জ পর্যন্ত পৌছে দেয়ার জন্য সার্ভিস চার্জ জনপ্রতি ১৫০০ টাকা...............................................................................................................................
✈️ বিদেশে থেকে দেশে আসার ক্ষেত্রে ✈️
১.
ইমিগ্রেশন থেকে যাত্রীকে রিসিভ করে টার্মিনাল ভবনের সামেনের ক্যানোপি অথবা বহুতল কার পার্কিং পর্যন্ত পৌছে দেয়ার জন্য সার্ভিস চার্জ জনপ্রতি ৫০০ টাকা
২.
ইমিগ্রেশন আগে ভিসা অন অ্যারিভাল ডেস্ক পয়েন্ট থেকে যাত্রীকে রিসিভ করে টার্মিনাল ভবনের সামেনের ক্যানোপি অথবা বহুতল কার পার্কিং পর্যন্ত পৌছে দেয়ার জন্য সার্ভিস চার্জ জনপ্রতি ১০০০ টাকা
৩.
ইমিগ্রেশন থেকে যাত্রীকে রিসিভ করে ডোমেস্টিক টার্মিনালের এয়ারলাইনের বুকিং কাউন্টার পর্যন্ত সার্ভিস চার্জ জনপ্রতি ১০০০ টাকা।
৪.
ইমিগ্রেশন আগে ভিসা অন অ্যারিভাল ডেস্ক পয়েন্ট থেকে যাত্রীকে রিসিভ করে ডোমেস্টিক টার্মিনালের এয়ারলাইনের বুকিং কাউন্টার পর্যন্ত সার্ভিস চার্জ জনপ্রতি ১৫০০ টাকা।
_____________________________
নোট:
_____________________________
১. জন প্রতি চার্জ প্রদান করতে হয়। ২ বছর বা ২ বছরের কমবয়সী যাত্রীদের সার্ভিস চার্জ ফ্রি।
২. একজন সম্মানিত যাত্রীর এয়ারলাইনের সাধারণ লাগেজ এলাউন্স থেকে বড় আকারের কিংবা অধিক সংখ্যক লাগেজ থাকলে, তখন যদি ১ জন সম্মানিত যাত্রীর জন্য একাধিক কাস্টমার সার্ভিস এজেন্ট প্রয়োজন হয়, তবে যাত্রীকে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ দিতে হবে।

যোগাযোগের ফোন নাম্বার প্রথম কমেন্টে।

#বাংলা_এভিয়েশন #বাংলা_প্রবাস

কাতার প্রবাসী আব্দুল মজিদ চাচার ফ্লাইট রাত ১২টায়। তিনি বিমানববন্দরে ঢুকলেন পৌনে ১২টায়। তিনি ভেবেছেন বাসের কাউন্টারের মতো...
01/08/2026

কাতার প্রবাসী আব্দুল মজিদ চাচার ফ্লাইট রাত ১২টায়। তিনি বিমানববন্দরে ঢুকলেন পৌনে ১২টায়। তিনি ভেবেছেন বাসের কাউন্টারের মতো ১০/১৫ মিনিট আগে গেলেই ফ্লাইট ধরতে পারবেন।কিন্তু তিনি তা পারলেন না।এমন পরিস্থিতিতে পড়তে না চাইলে সতর্ক হোন।

বাংলা এভিয়েশনের পরামর্শ

** বাড়ি থেকে আপনার পাসপোর্ট, টিকিটসহ ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস চেক করে নিন।

** যানজটের বিষয়টি মাথায় রেখে হাতে সময় নিয়ে যাত্রা করুন।

** ফ্লাইটের ৩ ঘন্টার সময় হাতে নিয়ে বিমানবন্দরে উপস্থিত হোন।

** চেক ইন কাউন্টার খুঁজে পেতে বিমানবন্দরের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে থাকা নির্দেশনা মনিটরে নজর রাখুন।

** বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশ করে আপনার নির্ধারিত এয়ারলাইনে চেক ইন সম্পন্ন করুন।

** ফ্লাইটের ১ ঘন্টা আগে এয়ারলাইনের বোর্ডিং কাউন্টার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আসলে আপনি আর চেক ইন করতে পারবেন না।

** চেক ইন করার সময় যে কয়টি লাগেজ জমা দিবেন, ততটি লাগেজ ট্যাগ বুঝে নিন।

** পাসপোর্ট, বোর্ডিং কার্ড, লাগেজ ট্যাগ বুঝে নিয়ে চেক ইন কাউন্টার ত্যাগ করুন।

** চেকইন সম্পন্ন করার পর অযথা ঘোরাফেরা না করে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করুন।

** ইমিগ্রেশন করা পর পুনরায় বিমানবন্দরের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে থাকা নির্দেশনা মনিটরে নজর রাখুন। আপনার বোর্ডিং কার্ডে অথবা মনিটরে প্রদর্শিত গেট ব্যবহার করে উড়োজাহাজে উঠুন।

** আপনার বোর্ডিং কার্ডে লেখা নির্ধারিত সিটে বসুন। খালি থাকলেও অন্য সিটে বসবেন না।

#বাংলা_এভিয়েশন #মাইগ্রেশনবাংলা

Address

Kurmitola
Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangla Aviation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share