04/03/2026
তাজিংডং নয় দেশের সর্বোচ্চ চূড়া সাকা হাফং
উচ্চতার দিক থেকে সাকা হাফং প্রথম,
কেওক্রাডং পঞ্চম এবং তাজিংডং ২৩তম
পূবের পাহাড়। ত্রিপুরা ভাষায় যার অর্থ 'সাকা হাফং’। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড়চূড়ার নাম 'সাকা হাফং'
নামে বহুল পরিচিত হলেও এর আরেকটি নাম ‘ত্ল্যাং ময়’। এই শব্দের উৎপত্তি বম ভাষা থেকে। অর্থ “সুন্দর পাহাড়”। পুরানো ইউএস টোপো ও রাশিয়ান টোপো মানচিত্রে এই পাহাড়কে 'মোদক তং' নামে উল্লেখ করা হয়েছে। মারমা ভাষায় 'তং' শব্দের অর্থ ‘পাহাড়'। মোদকের পাহাড়। সাকা হাফং মোদক রেঞ্জের সর্বোচ্চ পাহাড়চূড়া। তাই একে মারমা ভাষায় 'মোদক তং' হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়। বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার মায়ানমারের সহিত সীমান্ত এলাকায় এই পাহাড় চূড়ার অবস্থান। বিগত বেশ কয়েক বছরে দেশের ভ্রমনপ্রিয় মানুষের নিকট যথেষ্ট পরিচিতি লাভ করলেও এটি এখন পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ পাহাড়চূড়ার সরকারী স্বীকৃতি পায়নি। দেশের সবচেয়ে কম ঘন বসতিসম্পন্ন ও দুর্গমতম এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় ২০০৬ সাল অবধি সাকা হাফং দেশবাসীদের কাছে সম্পূর্ণ অজানাই রয়ে গিয়েছিল। ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে ব্রিটিশ পর্বতারোহী জিঞ্জ ফুলেন প্রথম সাকা হাফং চূড়া আরোহণ করে একে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড়চূড়া হিসেবে চিহ্নিত করলে এটি দেশের এডভেঞ্চার প্রিয় ভ্রমন দলগুলোর নজরে আসে।
সরকারী স্বীকৃতি না পাওয়ায় এখনও সাকা হাফং এর সঠিক উচ্চতা নিয়ে রয়েছে নানান মত। সর্বপ্রথম জিঞ্জ ফুলেন চুড়ায় গিয়ে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) দিয়ে এর উচ্চতা মেপে পান ১,০৬৪ মিটার বা ৩,৪৯০ ফুট। যা সরকার স্বীকৃত তাজিংডং (২,৮৩৮ ফুট) পাহাড় চূড়া থেকে ৬০০ ফুটেরও বেশী এবং কেওক্রাডং পাহাড়চুড়া (৩,১৭২ ফুট) থেকে ৩০০ ফুটেরও বেশী।
সাকা হাফং এর ট্রেইলে ভাগ্য সহায় হলে দেখা যেতে পারে পাহাড়ি মাইশ্যা হরিন, জংলি রাম ছাগল, কাঠবিড়ালি, বন বিড়াল ও ছোট মেছোবাঘ।
দেখা যাবে হরেক রকমের পাখি ও বিভিন্ন জাতের সরীসৃপ। সাকা হাফং এর ঘন জঙ্গলে একসময় বন্য ভালুকের বেশ বিচরন থাকলেও এখন খুব একটা চোখে পড়ে না। পাহাড়ি পথে হঠাৎ হঠাৎ চোখে পড়বে বিভিন্ন পাহাড়ি জনপদের। এই অঞ্চলে আছে বম, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি ও ক্ষিয়ং জাতিগোষ্ঠীদের বসবাস। যেমন কঠোর পরিশ্রমী তেমনি সহজ সরল মনের অধিকারী এখানকার পাহাড়ি মানুষেরা।
ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পাহাড়প্রেমীদের জন্য থাকছে
লিজেন্ড পরিবারের রোমাঞ্চকর কিছু স্পেশাল ট্রিপ!!
সাকা হাফং-তাজিংডং-আমিয়াখুম-নাফাখুম (৬রাত-৫ দিন)
ইভেন্ট ফি ১২৫০০/-(ঢাকা থেকে। ১১০০০/- চট্টগ্রাম থেকে
এক্সট্রিম আমিয়াখুম-নাফাখুম (৫রাত/৪দিন)
ইভেন্ট ফি ১০৫০০/-(ঢাকা থেকে। ৯০০০/- চট্টগ্রাম থেকে
এক্সট্রিম আন্দারমানিক (৬রাত/৫দিন)
ইভেন্ট ফি ৯০০০/-(ঢাকা থেকে। ৭৫০০/- চট্টগ্রাম থেকে
এক্সট্রিম নাফাখুম-রেমাক্রি (৪রাত/৩দিন)
ইভেন্ট ফি ৮৫০০/-(ঢাকা থেকে। ৭০০০/- চট্টগ্রাম থেকে
এক্সট্রিম কিসতং-রুংরাং সামিট (৪রাত/৩দিন)
ইভেন্ট ফি ৬৯৯৯/-(ঢাকা থেকে। ৫৫০০/- চট্টগ্রাম থেকে
আমরা আগে বুকিং আগে সিট পদ্ধতি অনুসরণ করি
তাই এক্ষুনি বুকিং দিয়ে আপনার সিট কনফার্ম করে ফেলুন
আরো বিস্তারিত জানতে ইনবক্স অথবা
☎️+8801834622642 (WhatsApp)
ঈদ কাটুক পাহাড়, ঝর্ণা এবং প্রকৃতির কোলে!
পাহাড়-পর্বতকে ভালোবেসে
'ঘুরে বেড়াই পথের-বাঁকে'