Masud Al Mamun

Masud Al Mamun Hi, I am Masud Al Mamun. I have been working at Shah Amanat International Airport in Bangladesh Meteorological Department since 2008.

My page about latest technology, latest new technology, online earning, outsourcing, seo, online training,

17/09/2015

আসুন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ Translate শিখি ।

1.তুমি কার সাথে কথা বলছ?
= Whom are you speaking with..?
2.লোকটি কি চায়?
= What does the man want..?
3.তুমি কি এক কাপ চা খাবে?
= Will you take a cup of tea..?
4.তোমার এখন কেমন লাগছে?
= How do you feel now?
5.আজ খুব গরম, তাই না.?
= Today is very hot,isn't it..?
6.দুই একদিনের মধ্যে পরিক্ষা শুরু হবে ।
= The examination will start in day or two.
7.সে বলল যে সে বাড়ি যাবে ।
= He said that he would go home.
8.সে এখনও ফিরে এল না ।
= He did not come back yet.
9.গল্পটি আমি সংক্ষেপে বললাম ।
= I told the story in a nutshell.
10.গত রাতে আমার ভাল ঘুম হয়েছিল ।
= I slept a sound sleep last night.

31/07/2015

আমাদের দেশে ইদানিংকালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেন নিত্যসঙ্গি হয়ে গেছে। প্রায় প্রতি বছরই ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, টর্নেডোসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে মানুষ প্রাণ হারায়। দুযোর্গপূর্ণ আবহাওয়া শুরু হলে বাংলাদেশ আবহওয়া বিভাগ বিভিন্ন স্থানে সতর্ক সংকেত দিয়ে থাকে, যাতে মানুষ সচেতন হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারে। তাই এসব বিপদ সংকেত সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকাটা খুবই জরুরি। সে কারণে এখনই জেনে নিন কত নম্বর বিপদ সংকেতে কি হয়।

১. নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত : এর অর্থ বঙ্গোপসাগরের কোন একা অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বইছে এবং সেখানে ঝড় সৃষ্টি হতে পারে।

২. নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত : সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে।

৩. নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত : এর অর্থ বন্দর দমকা হাওয়ার সম্মুখীন ৷(দুইটি লাল পতাকা)

৪. নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত : এর অর্থ বন্দর ঝড়ের সম্মুখীন হচ্ছে, তবে বিপদের আশঙ্কা এমন নয় যে চরম নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷

৫. নম্বর বিপদ সংকেত : এর অর্থ হচ্ছে অল্প বা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে (মংলা বন্দরের বেলায় পূর্ব দিক দিয়ে)৷

৬. নম্বর বিপদ সংকেত : এর অর্থ হচ্ছে অল্প বা মাঝারী ধরনের ঝড় হবে এবং আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷ (মংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে)৷

৭. নম্বর বিপদ সংকেত : এর অর্থ অল্প অথবা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড় হবে এবং এজন্য আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঘূর্ণিঝড়টি সমুদ্রবন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷(তিনটি লাল পতাকা)

৮. নম্বর মহাবিপদ সংকেত : এর অর্থ প্রচ- ঘূর্ণিঝড় হবে এবং বন্দরের আবহাওয়া খুবই দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে (মংলা বন্দরের বেলায় পূর্ব দিক দিয়ে)৷ংড়হশবঃ

৯. নম্বর মহাবিপদ সংকেত : এর অর্থ প্রচ- ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে (মংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে)৷

১০. নম্বর মহাবিপদ সংকেত : এর অর্থ প্রচ- ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঘূর্ণিঝড়টির বন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷

১১. নম্বর যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেত : এর অর্থ ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সাথে সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে এবং স্থানীয় অধিকর্তার বিবেচনায় চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে৷

27/07/2015

নিজের টাইম লাইনে রাখুন। কাজে দেবে :-

৬৪টি সংক্ষিপ্ত শব্দের পুর্ন রুপ জানুন
১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.
২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol.
৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure.
৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator.
৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized.
৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module.
৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.
৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication.
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication
System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate
Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application
Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic
Expert Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ — Doc**ent (Microsoft
Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ — Portable Doc**ent Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ — Mobile 3D Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 Audio File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia Theme(series 40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ — Themes (Sony Ericsson)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ — Synthetic Music Mobile
Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ — Extensible Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ — Wireless Bitmap Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Markup
Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ — Wireless Markup
Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ — Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital Audio Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk Operating System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ — Graphical User Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ — Internet Service Provider.
৫১। TCP এর পূর্ণরূপ — Transmission Control
Protocol.
৫২। UPS এর পূর্ণরূপ — Uninterruptible Power
Supply.
৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ — High Speed Downlink
Packet Access.
৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ — Enhanced Data Rate for
GSM [Global System for Mobile Communication]
৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very High Frequency.
৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra High Frequency.
৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ — General Packet Radio
Service.
৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ — Wireless
Application Protocol.
৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ — Advanced Research
Project Agency Network.
৬০। IBM এর পূর্ণরূপ — International Business
Machines.
৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett Packard.
৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ — Amplitude/ Frequency
Modulation.
৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ — Wireless Local Area
Network
৬৪। USB এর পূর্ণরূপ — Universal Serial Bus.

15/07/2015

বিকাশ: অভিনব প্রতারণা হতে সাবধান হোন

বাংলাদেশের ভেতর এবং দেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর বৈধ এবং অবৈধ দুটো ক্ষেত্রেই নাম কুড়িয়েছে বিকাশ। এর মূল কারণ হলো, কোনও রকম সঠিক পরিচয় এবং একাউন্ট খোলা ছাড়াই যেকেউ (এমনকি জঙ্গীরাও) অন্য আরেকজনকে টাকা পাঠাতে পারে। মানি-লন্ডারিং-এর জন্য তো বিকাশ অন্যতম। বিকাশের মাধ্যমে কত মানুষের টাকা যে জলে গেছে তারও শেষ নেই। দিন দিন নতুন নতুন প্রতারণার ফাঁদ বের করছে। নানা কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
ভাষাচিত্র প্রকাশনীর সিইও খন্দকার সোহেল তেমনিই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তিনি তার ফেসবুকে লিখেন,
'শেষ পর্যন্ত আমিই প্রতারণার শিকার হইয়া গেলাম বিকাশ ব্যবহার করে। সাধারণত ব্যক্তিগত বিকাশ একাউন্ট ব্যবহারকারীগণই এই প্রতারণার শিকার হইতেছেন।

প্রতারক চক্রের ফাঁদ হইতে তাই সাবধান।'

ঘটনার বিস্তারিত (ভুক্তভোগীর নিজস্ব ভাষায়):

এক সাংবাদিক ছোট ভাই দৈনিক বাংলা মোড় থেকে আমার ব্যক্তিগত বিকাশ একাউন্টে কিছু টাকা পাঠায়। এর 2-3 ঘণ্টা পর 01948372888 এই নাম্বার থেকে খুবই চিকন স্বরের এক ব্যক্তি ফোন করলো আমায়।
- ভাই আপনার নাম্বারে আমরা ... এত হাজার এত টাকা পাঠিয়েছি। টাকা কি পেয়েছেন ভাইজান?
- বললাম, হ্যাঁ পেয়েছি।
- ভাই ঘটনা হইলো কি, আমার ছোট ভাই ভুল করে আপনার এই নাম্বারেই আরও কিছু টাকা পাঠিয়ে দিয়েছেন। দয়া করে আমাদের টাকাটা আপনি আমাদের পাঠিয়ে দেন।
- বললাম, কই কোনো মেসেজ তো আসে নাই?
- ভাই একটু ভালো করে চেক করেন। আমি আবার ফোন দিচ্ছি।
ফোন কাটতেই দেখলাম মোবাইলে একটা মেসেজ। আইডি নাম হলো bKesh. মোবাইল নাম্বার হলো 01799804050. সঙ্গে টাকার এমাউন্ট। এবং আমার টোটাল ব্যালেন্স। আমার আগের ব্যালেন্সসহ টোটাল ব্যালেন্স। রোজা রমজানের দিন এই ঘটনা দেখে মনটা নরম হয়ে গেল। ভাবলাম, আহা বেচারি কি বিপদেই তাহলে পড়লো। তৎক্ষণাৎ 01948372888 এই নাম্বার থেকে আবার ফোন।
- ভাই মেসেজ আসছে।
- বললাম, হ্যাঁ ভাই আসছে।
- ভাই, খুব বিপদে পড়ে গেছি। তাড়াতাড়ি ভাই আমি একটা নাম্বার দিচ্ছি। আমার নাম্বারে টাকাটা একটু সেন্ড মানি করে দেন ভাই।
- দিলদরিয়া মানুষ আমি দেরি না করে তার পাঠানো 01790916190 নাম্বারে তার পাঠানো টাকা সেন্ড মানি করিয়া দিলাম। ভাবখানা এমন, রোজা রমজানের দিনে একজন মানুষকে সহযোগিতা করে পূন্যি কামাইলাম।
কিন্তু আসল ঘটনা টের পাইলাম, যখন আমি আমার একাউন্ট থেকে টাকা উঠাতে গেলাম। দেখি অ মা আ আমার একাউন্ট ফাঁকা।
তখন গবেষণা শুরু করলাম। গবেষণা করে টের পাইলাম যেই আইডি থেকে টাকা আসছে সেটা হলো bKesh. কিন্তু বিকাশের আইডি হলো bKash. জাস্ট a এর বদলে e.
প্রতারক বেটার নরম আর মিষ্টি গলার স্বর শুনে এইটা খেয়ালই করা হয়নি।
দ্বিতীয় ভুল হলো, শয়তানটাকে টাকা পাঠানোর আগে আমার ব্যালেন্স চেক করা হয়নি। জাস্ট তার মেসেজ দেখেই আমি তাকে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি।
সবকথার শেষ কথা হলো প্রতারণায় ব্যবহৃত সবগুলো মোবাইল নাম্বারই এখনো একটিভ। আমি ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম।
- ভাই টাকা কয়টা ফেরত দিবেন?
- নরম কণ্ঠের অসভ্য বলল, নাহ্। দিমুনা। পারলে কিছু করেন।
ছোট হোক বড় হোক প্রতারণাটি কিন্তু অভিনব। তাই এখনই প্রতিকার দরকার |

গ্রেড-স্কেল কেড়ে নেওয়ায় ক্ষোভ আন্দোলনের প্রস্তুতিতিন দশকেরও বেশি পুরনো পদ্ধতি সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাদ দেওয়ার প্রত...
17/05/2015

গ্রেড-স্কেল কেড়ে নেওয়ায় ক্ষোভ আন্দোলনের প্রস্তুতি

তিন দশকেরও বেশি পুরনো পদ্ধতি সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলনে যাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীরা। একজন কর্মচারী যখন পদোন্নতি না পেয়ে দীর্ঘদিন একই পদে কাজ করতে বাধ্য হন তখন বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন বাড়ানো হয়। পদোন্নতিবঞ্চিতদের বেতন বাড়ানোর এ পদ্ধতি চিরতরে বন্ধ করার খবরে বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন সরকারি কর্মচারীরা। তাই তাঁদের মধ্যে নতুন পে স্কেল দেওয়ার আনন্দের চেয়ে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল কেড়ে নেওয়ার বিষাদটাই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।
প্রায় পাঁচ মাস আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ফরাসউদ্দিন নতুন পে স্কেলের প্রতিবেদন জমা দেন। সেখানে তিনি সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেন। কিন্তু কর্মচারীরা যেন বঞ্চিত না হন সে জন্য যথাসময়ে তাঁদের পদোন্নতি নিশ্চিত করতে বলেন। সেই সুপারিশ বহাল রেখেছে বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনাসংক্রান্ত সচিব কমিটি। এ কমিটিই গত বুধবার অর্থমন্ত্রীর কাছে তাদের প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছে।
সরকারি কর্মচারীদের ধারণা ছিল, পে কমিশন সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাদ দেওয়ার সুপারিশ করলেও সচিব কমিটি এ দুটি পদ্ধতি বাদ দেবে না। কারণ তারা বাস্তবতা কমিশনের চেয়ে ভালো বোঝে। যথাসময়ে পদোন্নতি দেওয়ার কথা পে কমিশন বললেও সরকার এটা নিশ্চিত করতে পারবে না। কিন্তু সচিব কমিটিও পে কমিশনের পথ অনুসরণ করায় কর্মচারীরা বিস্মিত হয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার সব সরকারি দপ্তরের টেবিলে বেতন বাড়ার খবর ছাপিয়ে আলোচনায় ছিল টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাদ দেওয়ার খবর। শুধু অনানুষ্ঠানিকভাবেই নয়, আনুষ্ঠানিকভাবেও কর্মচারী নেতারা বসেছিলেন। পরবর্তী করণীয় কী হবে তার কৌশল নিয়েও আলোচনা করেছেন তাঁরা। কারণ সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাদ দেওয়ার খবর পাঁচ মাসের পুরনো। পাঁচ মাস আগে থেকেই তাঁরা বিষয়টি সরকারের নীতিনির্ধারকদের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু নীতিনির্ধারকরা তাঁদের পাত্তা দিচ্ছিলেন না। সচিব কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিষয়টি বোঝানোর জন্য তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেছিলেন কর্মচারী নেতারা। কিন্তু সাক্ষাৎ মেলেনি। শেষ পর্যন্ত তাঁরা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে দেখা করার আবেদন করেও সময় পাননি। অর্থমন্ত্রীর দপ্তর থেকে কর্মচারী নেতাদের বলা হয়েছে, জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহের আগে মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হবে না। এতে বেজায় চটেছেন সরকারি কর্মচারী সমিতির নেতারা। এ অবস্থায় গতকাল কর্মচারী নেতারা সচিবালয়ের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিচতলার কেন্টিনে বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানে আগামী সপ্তাহে সংবাদ সম্মেলন করে সরকারের কাছে তাদের সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল না দেওয়ার ক্ষতি তুলে ধরার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সমাধান না হলে সারা দেশের সরকারি অফিসে কর্মবিরতি পালনের কর্মসূচি আসতে পারে। এক পর্যায়ে সমাবেশ করার কথাও বলা হয়েছে গতকালের বৈঠকে।
বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি নিজামুল ইসলাম ভুঁইয়া মিলন গতকাল রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা কয়েকজন বসেছিলাম। সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা দেখা করতে চেয়েও প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পাইনি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে। আর অর্থমন্ত্রীর দপ্তর বলেছে জুনের আগে দেখা হবে না। অথচ তার আগেই আমাদের সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড এক দিনের বিষয় না। চাকরির বৈষম্য দূর করার যে পদ্ধতিটি দশকের পর দশক বহাল রয়েছে তা আপনি হুট করে বাদ দিতে পারেন না। বাদ দেওয়ার আগে কর্মচারীদের আশ্বস্ত করুন। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের বিকল্প হিসেবে তাঁদের কী দেওয়া হবে, তা জানান। কোনো কিছু না জানিয়ে দুটি পদ্ধতির বিলোপ ঘটাতে পারেন না।
শুধু সচিবালয় নয়, সচিবালয়ের বাইরের কর্মচারী সংগঠনগুলোতেও ব্যাপক সমালোচনা চলছে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড নিয়ে। বাংলাদেশ তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতি আগামীকাল শনিবার তাদের তেজগাঁওয়ের দপ্তরে বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য বসবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।
বাংলাদেশ তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সভাপতি মাহফুজুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নতুন পে স্কেল দিলে সারা দেশের কর্মচারীরা অভিনন্দন জানান। সরকার অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসে। কিন্তু আজকে কেউ অভিনন্দন জানাচ্ছে না। কারণ সবার ভয় টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেডে। এ দুটি বিলোপ করা হলে সরকারি কর্মচারীরা বিপদে পড়ে যাবেন। আমরা পে কমিশনের প্রতিবেদন দেওয়ার পর যখন বিষয়টি জানতে পারি তখনই সরকারকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। আবারও করব। সরকারকে বুঝিয়েই বিষয় দুটি বহাল রাখতে হবে।’
১৯৭৭ সাল থেকে সিলেকশন গ্রেড চালু হয়। একই পদে দীর্ঘদিন চাকরি করতে বাধ্য হলে একজন সরকারি কর্মচারী তাঁর চাকরির ৮, ১২ ও ১৫ বছরে গিয়ে সিলেকশন গ্রেড পান। এতে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী পদোন্নতি না পেলেও আর্থিকভাবে লাভবান হন। আর ১৯৮১ সালে ক্যাডার সার্ভিসে টাইম স্কেল দেওয়া হলেও ননক্যাডারে দেওয়া হয় ১৯৮৩ সালে। টাইম স্কেল কখন দেওয়া হয় জানতে চাইলে পূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, একজন কর্মচারী যখন স্কেলের শেষ ধাপে পৌঁছে যান তখন নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে পদোন্নতি দিয়ে পরের স্কেলে উন্নীত করা হয়। কিন্তু পদোন্নতি না দিতে পারলে তখন তাঁকে টাইম স্কেল দিয়ে তাঁর আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া হয়।

I am with Mushfik, Nasir and Rubel.
16/05/2015

I am with Mushfik, Nasir and Rubel.

My office's picture
11/05/2015

My office's picture

06/05/2015

গরমে শান্তিতে ঘুমানোর ১০ কৌশল

অসহ্য গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। সারাদিন কর্মব্যস্ত থাকার পর রাতের বেলা মানুষ চায় একটু শান্তিতে ঘুমাতে। কিন্তু ঘুমাতে গেলেও রক্ষা নেই গরম থেকে। ফলে সারাদিনের ক্লান্তি আর দূর হয় না; যার প্রভাব পড়ে পরের দিনের কাজেও। এদিকে আমাদের দেশে বেশিরভাগ মানুষই মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত হওয়ায় তাদের এসি কেনার সামর্থ্য নেই। তাই রাতের বেলা শান্তিতে ঘুমাতে পারে না তারা। অথচ একটু কৌশল অবলম্বন করলে এই গরমেও শান্তিতে ঘুমানো যায় খুব সহজেই।

এক. দিন ও রাতে যদি প্রচণ্ড গরম হয় তাহলে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে গোসল করুন। কারণ এতে শরীরের তাপমাত্রা সাধারণের তুলনায় অনেক কমে যাবে। ফলে ঘুমাতে কোনো অসুবিধা হবে না। এমনকি ঘুমটাও গভীর হবে। আর যদি গোসল করা সম্ভব না হয় তাহলে পায়ের পাতা ভিজিয়ে ঘুমুতে যান। দেখবেন স্বস্তিতে ঘুমাতে পারবেন।

দুই. রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ঘরের কোণে এক বালতি ঠাণ্ডা পানি রাখতে পারেন। তাহলে ফ্যানের বাতাসে বালতির পানি বাষ্পাকারে পরিণত হবে। এতে ঘরের গরম অনেকটাই কমে আসবে। আবার আপনি চাইলে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ঘরের মেঝেতে পানি স্প্রে করতে পারেন। এতেও ঘরের তাপমাত্রা কমবে এবং আপনার ভালো ঘুম হবে।

তিন. গরমের সময় জানালা খোলা রেখে ঘুমালেও স্বস্তি লাগে। আবার জানালায় ভারী কাপড় ভিজিয়ে ঝুলিয়ে রাখলেও ঘরের বাইরের বাতাস প্রবেশের সময় ঠাণ্ডা বাতাস পাবেন। এতে রাতের বেলা শান্তিতেই ঘুম হবে আপনার।

চার. ঘুমাতে যাওয়ার ১ ঘণ্টা আগে একটি ভারী পশমি কাপড় ভিজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। পরে ঘুমানোর সময় কাপড়টি কপালে দিয়ে শুয়ে পড়ুন। তাহলে খুব তাড়াতাড়িই ঘুম এসে যাবে আপনার।

পাঁচ. ঘুমাতে যাওয়ার কমপক্ষে ১.৫-২ ঘণ্টা আগে খেয়ে নিন। কারণ খাওয়ার ১.৫-২ ঘণ্টা পর্যন্ত পরিপাকের কারণে শরীর গরম থাকে। তাই শান্তিতে ঘুমাতে চাইলে রাতের খাবারটা আগেই খেয়ে নিন।

ছয়. সম্ভব হলে বিছানার চাদর রোজ রাতে বদলে নিন। কারণ পরিষ্কার বিছানায় ঘুমালেই মনে এক রকমের প্রশান্তি আসে; যা ভালো ঘুমাতে সহায়তা করে। তবে এক্ষেত্রে বিছানার চাদর সুতির হওয়াই ভালো।

সাত. খুব বেশি ঘামার প্রবণতা থাকলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শরীরে ট্যালকম পাউডার মেখে নিন। এক্ষেত্রে মেনথল ফ্লেভারের পাউডার বেশ আরাম দেবে।

আট. এই গরমে সন্ধ্যায় বা রাতে ব্যায়াম না করাই ভালো। আর যদি করতেই হয় তাহলে ব্যায়ামের পর ভালোভাবে স্নান করে পোশাক বদলে নিন।

নয়. গরমের দিনে এক বিছানায় বেশি মানুষ না ঘুমানোই ভালো। সবসময় নিরিবিলিতে ঘুমাবার চেষ্টা করুন। সেটা সম্ভব না হলে পাশের মানুষ ও আপনার মাঝে একটি কোলবালিশ রাখতে পারেন।

দশ. ফোমের বিছানায় গরম বেশি লাগে। তাই জাজিম ও তোশক ব্যবহার করুন। গরমে আরামে ঘুমাতে শিমুল তুলার বালিশও ব্যবহার করতে পারেন।

30/04/2015

ভূমিকম্পের সময় করণীয়

পর পর দুদিন ভূমিকম্প অনুভূত হলো বাংলাদেশে। যদিও এতে বাংলাদেশে তেমন বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে সারা দেশের মানুষের মাঝে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রতিবেশী দেশ নেপালে গতকাল ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণ নাশের ঘটনায় এ আতঙ্ক আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আর বাংলাদেশ ভূকম্পন প্রবণ এলাকার মধ্যে রয়েছে রেড অ্যালার্টে। তাই যেকোনো সময় ভূমিকম্পে বড় ধরনের বিপর্যয় হতে পারে। আর তাই ভূমিকম্প হওয়ার সময় কী করতে হবে তা সবারই জেনে রাখা উচিৎ।

ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসার বিদ্যুৎ ও গ্যাস লাইন বন্ধ করে ফেলুন।

ঘরে হেলমেট থাকলে সঙ্গে সঙ্গে মাথায় পরে নিন।

এক মিনিট সময়ের মধ্যে বাসা থেকে বের হয়ে পড়ুন। আর সম্ভব না হলে তখনই মজবুত টেবিল, খাটের নীচে কিংবা পিলারের সঙ্গে অবস্থান করুন। মাথা রক্ষার জন্য বালিশ হাতের কাছে রাখতে পারেন।

বাসা থেকে বের হওয়ার সময় খাবার পানি ও শুকনো খাবার থাকলে সেগুলো সঙ্গে নিয়ে বের হবেন।

বাসা থেকে বের হয়ে যতটা সম্ভব খোলা জায়গায় গিয়ে অবস্থান করুন।

বের হওয়ার সময় লিফট ব্যবহার না করাই ভালো। বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটতে পারে। তখন লিফট হয়ে উঠতে পারে মরণফাঁদ।

ভবন থেকে বের হওয়ার সময় সিঁড়ি ব্যবহার করুন। কিন্তু ভুল করেও সিঁড়িতে আশ্রয় নেবেন না। ভবন ধসে পড়লে সবার আগে সিঁড়ি ধসে পড়ার শঙ্কাই বেশি থাকে।

তাড়াহুড়ো করবেন না। যথাসম্ভব মাথা ঠাণ্ডা রাখুন।

গাড়িতে থাকলে যথাসম্ভব নিরাপদ স্থানে থাকুন। আশপাশে বড় ভবন নেই এমন জায়গায় গাড়ি পার্ক করতে পারেন। কখনো সেতুর ওপর গাড়ি থামাবেন না।

টাকা বা অলঙ্কারের মতো কোনো কিছু সঙ্গে নেওয়ার জন্য অযথা সময় নষ্ট করবেন না। মনে রাখবেন, জীবনটাই সবচেয়ে বড় সম্পদ। অধিকাংশ ভূমিকম্পই মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ভয়ংকর সর্বনাশ ঘটাতে পারে।

বড় ভূমিকম্পের পর পরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প (আফটার শক) হতে পারে। তাই একবার ভূমিকম্প থেমে গেলেই নির্ভার হবেন না। সতর্ক থাকুন এবং বেশ কিছু সময় পর্যন্ত নিরাপদ স্থানে অবস্থান করুন।

ঘটনার পর চিহ্নিত মিলিত স্থানে অবস্থান করুন, যাতে করে যেকোনো সমস্যা একসাথে মোকাবিলা করতে পারেন।

যদি ভবন ধসে আটকাও পড়েন, বেরিয়ে আসার কোনো পথ খুঁজে না পান, আশা হারাবেন না। সাহস রাখুন। সাহস আর আশাই আপনাকে বাঁচিয়ে রাখবে। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। উদ্ধারকারী পর্যন্ত আপনার চিৎকার বা সংকেত পৌঁছানো যায় কী করে, ভাবতে থাকুন।

উল্লেখ, ২০০৫ সালে পাকিস্তানে ভূমিকম্পে আটকা পড়া নকশা বিবি ৬৩ দিন ধ্বংসস্তূপের নিচে বেঁচে ছিলেন। এর আগে তেজগাঁওয়ে ফিনিক্স ভবন ধসের ১২০ ঘণ্টা পর নিখিল নামের এক জনকে উদ্ধার করা হয়।

29/04/2015

ভূমিকম্পের আগাম প্রস্তুতি

পর পর দুদিন ভূমিকম্প অনুভূত হলো বাংলাদেশে। যদিও এতে বাংলাদেশে তেমন বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে সারা দেশের মানুষের মাঝে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রতিবেশী দেশ নেপালে গতকাল ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণ নাশের ঘটনায় এ আতঙ্ক আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আর বাংলাদেশ ভূকম্পন প্রবণ এলাকার মধ্যে রয়েছে রেড অ্যালার্টে। তাই যেকোনো সময় ভূমিকম্পে বড় ধরনের বিপর্যয় হতে পারে। আর তাই ভূমিকম্প হওয়ার আগে ও কী কী প্রস্তুতি নিতে হবে তা সবারই জেনে রাখা উচিৎ। আর এসব প্রস্তুতি নেওয়ার মাধ্যমে ভূমিকম্পের বিপর্যয় থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

কোনো এলাকায় বসবাসের আগে জেনে নিন এলাকাটি ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ কি না। খোঁজ নিন আপনার ভবনে ভূমিকম্পরোধক ব্যবস্থা আছে কি না। থাকলে তা কী মাত্রার ভূমিকম্প সহ্য করতে পারবে। যদি না থাকে তবে রেট্রোফিটিংয়ের ব্যবস্থা নিন। কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পুরনো ভবনেও রেট্রোফিটিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। জাপানে ভূমিকম্প একটি নৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু তাদের ভবনগুলোয় ভূমিকম্পরোধক ব্যবস্থা থাকায় তেমন ক্ষতি হয় না।

বাড়ির ভেতরে এবং বাইরে নিরাপদ স্থানগুলো চিহ্নিত করে রাখুন। যাতে ভূমিকম্পের সময় ভাবতে না হয় কোথায় আশ্রয় নেবেন। বাসায় যারা ছোট তাদেরকে ভাল করে বুঝিয়ে দিন।

ভঙ্গুর জিনিস সবসময় বন্ধ শেলফে রাখা উচিৎ।

ভারি মালপত্র উপরে রাখবেন না, শেলফের নিচের দিকে রাখুন। ভূমিকম্পের সময় ঝাঁকুনিতে যেন এগুলো গায়ের ওপর না পড়ে।

লিক হওয়া গ্যাস লাইন, বৈদ্যুতিক লাইন মেরামত করে নিন এবং নিয়মিত পরীক্ষা করুন।

মাঝে মাঝে ভূমিকম্প ও জরুরি প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে বের হওয়ার মহড়া দিন যাতে সবাই আয়ত্ত করতে পারে।

নিজের কর্মক্ষেত্রে, বাসায় ও প্রতিবেশীদের এ বিষয়ে সচেতন করুন।

শুকনো খাবার ও জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসার কিছু সরঞ্জাম হাতের কাছে সব সময় প্রস্তুত রাখুন।

বাড়ির প্রতিটি কক্ষে ও হাতের কাছে অন্ধকারে দেখার জন্য টর্চ রাখুন।

স্কুলে স্কুলে ভূমিকম্প সম্পর্কে বাচ্চাদের শেখান। বাসাতেও আপনার সন্তানকে এ বিষয়ে সচেতন করে তুলুন।

29/04/2015

মুখের কালো দাগ দূরের উপায়

মানুষের শরীরের সবচাইতে সুন্দর অঙ্গ হচ্ছে মুখ। আর এ সুন্দর মুখে যেন কোনো কালো দাগ না পড়ে সে জন্য চেষ্টার কোনো শেষ থাকে না। কারণ কালো দাগ অনেক ক্ষেত্রেই অস্বস্তির কারণ হয়ে যায়। আবার সৌন্দর্য নষ্টের প্রধান কারণও এটি। তবে খুব সহজ কিছু উপায় রয়েছে যা নিয়ম মেনে করলে দ্রুত উপকার পাওয়া যাবে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেই সহজ উপায়গুলো:

২ চামচ বেসন, ১ চিমটে হলুদ গুঁড়ো, ১ চামচ চন্দন গুঁড়ো এবং ১ চামচ কমলার খোসা বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এবার এটা মুখে, ঘাড়ে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

একটি ছোট আকারের আপেল কেটে এটা মুখে, ঘাড়ে, গলায় লাগান। এরপর ১০ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২- ৩ বার এটি ব্যবহার করুন।

আপেল ও কমলার খোসা বাটার সঙ্গে কাঁচা দুধ, ডিমের সাদা অংশ ও কমলা রস মেশান। এবার এই মিশ্রণটা ২৫ থেকে ৩০ মিনিট ত্বকে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।

প্রতিদিন এই নিয়ম করে এগুলো ব্যবহার করলে অবশ্যই আপনার মুখের কালো দাগ দূর হয়ে যাবে

26/04/2015

নাকফুলটা বিক্রি করে আমার কাফনের কাপড় কিনে দিও
বিদ্ধাশ্রম থেকে একজন মায়ের চিঠি

আমার আদর ও ভালোবাসা নিও। অনেক দিন তোমাকে দেখি না, আমার খুব কষ্ট হয়। কান্নায় আমার বুক ভেঙে যায়। আমার জন্য তোমার কী অনুভূতি আমি জানি না। তবে ছোটবেলায় তুমি আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝতে না। আমি যদি কখনও তোমার চোখের আড়াল হতাম মা মা বলে চিৎকার করতে। মাকে ছাড়া কারও কোলে তুমি যেতে না। সাত বছর বয়সে তুমি আমগাছ থেকে পড়ে হাঁটুতে ব্যথা পেয়েছিলে। তোমার বাবা হালের বলদ বিক্রি করে তোমার চিকিৎসা করিয়েছেন। তখন তিন দিন, তিন রাত তোমার পাশে না ঘুমিয়ে, না খেয়ে, গোসল না করে কাটিয়েছিলাম। এগুলো তোমার মনে থাকার কথা নয়। তুমি একমুহূর্ত আমাকে না দেখে থাকতে পারতে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমার বিয়ের গয়না বিক্রি করে তোমার পড়ার খরচ জুগিয়েছি। হাঁটুর ব্যথাটা তোমার মাঝে মধ্যেই হতো। বাবা... এখনও কি তোমার সেই ব্যথাটা আছে? রাতের বেলায় তোমার মাথায় হাত না বুলিয়ে দিলে তুমি ঘুমাতে না। এখন তোমার কেমন ঘুম হয়? আমার কথা কি তোমার একবারও মনে হয় না? তুমি দুধ না খেয়ে ঘুমাতে না। তোমার প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। আমার কপালে যা লেখা আছে হবে। আমার জন্য তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি খুব ভালো আছি। কেবল তোমার চাঁদ মুখখানি দেখতে আমার খুব মন চায়। তুমি ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করবে। তোমার বোন.... তার খবরাখবর নিও। আমার কথা জিজ্ঞেস করলে বলো আমি ভালো আছি। আমি দোয়া করি, তোমাকে যেন আমার মতো বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে না হয়। কোনো এক জ্যোস্না ভরা রাতে আকাশ পানে তাকিয়ে জীবনের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে একটু ভেবে নিও। বিবেকের কাছে উত্তর পেয়ে যাবে। তোমার কাছে আমার শেষ একটা ইচ্ছা আছে। আমি আশা করি তুমি আমার শেষ ইচ্ছাটা রাখবে। আমি মারা গেলে বৃদ্ধাশ্রম থেকে নিয়ে আমাকে তোমার বাবার কবরের পাশে কবর দিও। এজন্য তোমাকে কোনো টাকা খরচ করতে হবে না। তোমার বাবা বিয়ের সময় যে নাকফুলটা দিয়েছিল সেটা আমার কাপড়ের আঁচলে বেঁধে রেখেছি। নাকফুলটা বিক্রি করে আমার কাফনের কাপড় কিনে নিও। তোমার ছোটবেলার একটি ছবি আমার কাছে রেখে দিয়েছি। ছবিটা দেখে দেখে মনে মনে ভাবি এটাই কি আমার সেই খোকা!’
এভাবে বেদনা ভরা একটি খোলা চিঠি ছেলের উদ্দেশে লিখেছেন মদিনা খাতুন (ছদ্মনাম)। মদিনা খাতুনের বয়স এখন আশি। ছয় বছর আগে তার আশ্রয় জুটেছে বৃদ্ধাশ্রমে।

Address

Main Met. Office, Shah Amanat Int. Airport
Patenga
4100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Masud Al Mamun posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Masud Al Mamun:

Share