05/04/2023
রোজায় পানিশূন্যতা মুক্ত থাকার উপায়.......
রোজায় দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। ফলে এমনিতেই মানুষ পানিশূণ্যতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হতে পারেন। এ কারণে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে অবশ্যই পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা পেতে এবং ফিট থাকার জন্য দিনে আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে।
পানিশূন্যতা কেন হয়.......
• দীর্ঘ সময় ধরে পানি না পান করার কারণে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে
• খাবার তালিকায় পানিসমৃদ্ধ খাবার না রাখা
• জ্বর বা ডায়রিয়ার মতো অসুস্থতাজনিত কারণে
• অতিরিক্ত ভাজা পোড়া জাতীয় খাবারের কারণেও পানিশূন্যতা হতে পারে
• ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়ে পর্যাপ্ত পানি পান না করা
• ইফতারের পর অতিমাত্রায় চা কফি খেলে
• অতিরিক্ত রোদ বা গরমে থাকার কারণে
পানিশূন্যতার লক্ষণ......
শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়লে জিহ্বা দেখে সহজে বোঝা যায় কারণ জিহ্বা শুকিয়ে যায়। অনেকের চোখ গর্তে চলে যায় এবং দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে। তাছাড়া শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা তেরি হয়।
পানিশূন্যতার কারণে হার্ট রেট ও প্রেশার কমে যেতে পারে।
পানিশূন্যতা থেকে মুক্ত থাকবেন কিভাবে....
• ইফতার ও সেহরির মধ্যকার সময়ে পর্যাপ্ত পানি পান করা
• সহজে হজম হয় এমন খাবার খাওয়া ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার কম খাওয়া, কেননা ইহা পানি শূন্যতা বৃদ্ধি করে।
• ইফতারে ফলের রস ও ফলের পরিমাণ বেশি রাখা
• প্রয়োজন ব্যতীত সরাসরি রোদে না যাওয়া
• অতিরিক্ত খাবার না খাওয়া
• প্রয়োজনে ডাবের পানি বা খাবার স্যালাইন পান করা
• হালকা শরীর চর্চা করা
অনেকেই পানি পান করতে গিয়ে ফ্রিজ থেকে বের করা ঠাণ্ডা পানি খেয়ে থাকেন যা মোটেও ঠিক নয়।
‘অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি থেকে বিরত থাকতে হবে। যাদের চা পানের অভ্যাস আছে তারা দুধ চায়ের বদলে রং চা পান করতে পারেন পরিমিত মাত্রায়। আর পর্যাপ্ত পানির পাশাপাশি খাবারে লাউ, কুমড়ো বা পেঁপে জাতীয় খাবার বেশি রাখলে শরীর পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা পাবে।
সূত্র : বিবিসি বাংলা অনলাইন।