Dey's Days

Dey's Days Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dey's Days, Barrackpore.

বিভিন্ন কাজের চাপে আমরা সবসময় একসাথে বসে খেতে পারি না। কিন্তু সে দিন একটু সময় নিয়ে একসাথে কাজ করছিলাম, তারপর একসাথে ব...
17/10/2025

বিভিন্ন কাজের চাপে আমরা সবসময় একসাথে বসে খেতে পারি না। কিন্তু সে দিন একটু সময় নিয়ে একসাথে কাজ করছিলাম, তারপর একসাথে বসে চা আর টোস্ট খেয়েছিলাম। খাবারটা যতটা না বিশেষ ছিল, তার থেকেও বেশি সুন্দর ছিল একসাথে কাজ করার সেই অভিজ্ঞতা।
স্বামী-স্ত্রীর জীবনে আসল সুখ এই একসাথে থাকা, ছোট ছোট সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে সত্যিকারের ভালোবাসা।
আমাদের জীবনের ঝুলিতে এই একটুখানি সুখই যেন অনেক বড় আনন্দের সমান। ❤️

💑
❤️
💕
☕🍞
🫖
💖
🌸
👩‍❤️‍👨
🌼
😊
💫
🌷
💞
💝

জন্মাষ্টমীতে সাজানো গোপালকে আজ ভীষণ ভালো লাগছে 🌸🪔👶💙
16/08/2025

জন্মাষ্টমীতে সাজানো গোপালকে আজ ভীষণ ভালো লাগছে 🌸🪔👶💙

নালদেহরায় প্রথম ঘোড়ায় ওঠা – এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা 🐎❤️🏔️নালদেহরা, হিমাচলের এক ছোট্ট কিন্তু দারুণ সুন্দর জায়গা। সেখানেই আম...
22/07/2025

নালদেহরায় প্রথম ঘোড়ায় ওঠা – এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা 🐎❤️🏔️

নালদেহরা, হিমাচলের এক ছোট্ট কিন্তু দারুণ সুন্দর জায়গা। সেখানেই আমি আর আমার স্বামী প্রথমবার ঘোড়ায় উঠেছিলাম। রাইড শুরু হতেই আমার খুব ভয় লাগতে শুরু করে। ঘোড়ার পিঠে বসেই মনে হচ্ছিল বুঝি এখনই পড়ে যাব। ভয় লুকাতে পারছিলাম না, কিন্তু তবু চেষ্টা করছিলাম নিজেকে সামলাতে। ঘোড়াটা একবার সামনে দৌড় দিচ্ছিল, আবার হঠাৎ থেমে যাচ্ছিল – তখন মনে হচ্ছিল আমার হাত-পা অবশ হয়ে গেছে। চারপাশে পাহাড় আর খাড়া পথ দেখে মনে হচ্ছিল জীবন-মরণের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছি। একটা সময় মনে হচ্ছিল, এবার আর পারব না, নিচে পড়ে যাব। আবার পরের মুহূর্তেই সাহস করে ভাবলাম, না, আমাকে পারতেই হবে। ঠিক যেমন আমাদের জীবন – ভয় থাকে, ঝুঁকি থাকে, কিন্তু থেমে গেলে চলবে না। আমাদের গাইড আমাদের সঙ্গে ছিলেন, ঘোড়াটা তিনিই কন্ট্রোল করছিলেন। তিনিই আমাদের একটা সুন্দর মুহূর্তের ছবি তুলে দিয়েছিলেন, যেখানে আমি আর আমার স্বামী ঘোড়ার পিঠে বসে আছি। অভিজ্ঞতাটা ছিল ভয়, উত্তেজনা আর ভালোবাসার এক মিশ্র স্মৃতি। সেই রাইড আমাকে শেখালো – ভয় পেলেও থেমে গেলে চলবে না, সামলে নিতে শিখতে হয়।


🛕 বশিষ্ঠ মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে—প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর হারিয়ে যাওয়া শান্তির সাক্ষীমানালির পাহাড় ঘেরা প্রাচীন বশিষ্ঠ মন্দি...
18/07/2025

🛕 বশিষ্ঠ মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে—প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর হারিয়ে যাওয়া শান্তির সাক্ষী

মানালির পাহাড় ঘেরা প্রাচীন বশিষ্ঠ মন্দিরে গিয়ে আমি যেমন ইতিহাস ছুঁয়ে দেখার আশা করেছিলাম, তেমনই চেয়েছিলাম কিছু সময় প্রকৃতির নীরবতা আর প্রশান্তি উপভোগ করতে। কিন্তু বাস্তবে গিয়ে দেখলাম, জায়গাটির ঐতিহ্য আর সৌন্দর্য এখনও অটুট থাকলেও, আগের মতো শান্ত পরিবেশ আর নেই। পর্যটকদের ভিড়ে মন্দির চত্বরের নিঃশব্দতা হারিয়ে গেছে।

মন্দিরটি ঋষি বশিষ্ঠের নামাঙ্কিত, যিনি এখানে তপস্যা করেছিলেন বলে প্রচলিত রয়েছে। কাঠ আর পাথরের মিশ্রণে তৈরি এই স্থাপত্য নিঃসন্দেহে প্রাচীনত্বের ছাপ বহন করে। পাশে থাকা গরম জলের ঝর্ণা অনেকের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু যেভাবে জায়গাটি এখন ভিড় আর কোলাহলে ঢেকে যাচ্ছে, তাতে মনে হলো প্রকৃতির সঙ্গে একান্তে থাকা বা নিজের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলার সুযোগ আর থাকছে না।

আমি সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে কয়েকটা ছবি তুলেছিলাম—হয়তো সেটা চিরস্মৃতি হয়ে থাকবে, কিন্তু মনের মধ্যে একটা আফসোসও রয়ে গেল। এমন একটা জায়গা, যা একসময় ছিল আত্মশুদ্ধির কেন্দ্র, আজ সেখানে মানুষ ভিড় করে শুধু ছবি তোলার জন্য। সেই নিঃশব্দতা, সেই ধ্যানের আবহ আর অনুভব করা যায় না।





কালকা থেকে শিমলার পথে: এক অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতা১০ই অক্টোবর,২০২৪, আমরা ঠিক করেছিলাম কালকা থেকে সেই বিখ্যাত টয় ট্রেন ধরবো ...
17/07/2025

কালকা থেকে শিমলার পথে: এক অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতা

১০ই অক্টোবর,২০২৪, আমরা ঠিক করেছিলাম কালকা থেকে সেই বিখ্যাত টয় ট্রেন ধরবো — ছোট্ট, টিনটিনে ধোঁয়া ছেড়ে ছুটে চলা পাহাড়ি ট্রেন, যা আমাদের স্বপ্নের গন্তব্য শিমলা নিয়ে যাবে। আমার আর আমার স্বামীর মনে ছিল অদ্ভুত উত্তেজনা— ঠিক যেন সিনেমার কোন রোম্যান্টিক সিনের শুরু!

কিন্তু কে জানত, একটা ছোট্ট যান্ত্রিক ত্রুটি আমাদের সেই রূপকথার যাত্রাকে মুহূর্তেই রূপান্তর করে দেবে এক অস্থির, দুঃস্বপ্নময় অ্যাডভেঞ্চারে?

স্টেশনে পৌঁছেই আমাদের জানা গেল, যেই বগিতে আমরা উঠব বলে জানতাম, সেই কোচটাই নাকি বাতিল হয়ে গেছে! কোথাও কোনো ঘোষণা নেই, কাউন্টার বা স্টেশন মাস্টার — কারোর কাছেই পরিষ্কার কোনো উত্তর নেই!
আমি লাগেজ নিয়ে বসে পড়েছি একপাশে — চক্ষু চড়কগাছ, মাথায় যেন বাজ পড়েছে। আর আমার স্বামী? ও তখন হন্যে হয়ে ছুটছেন এক কাউন্টার থেকে আরেক কাউন্টারে।

ঠিক তখনই, এক সিনিয়র স্টেশন মাস্টার প্রবেশ করলেন দৃশ্যপটে — যেন কোনও সিনেমার শেষে নায়ক আসে সব সমস্যার সমাধান করতে!

তিনি জানালেন, "আপনাদের কোচটি বাতিল হয়েছে, কিন্তু চিন্তা নেই — আপনাদের জন্য বিকল্প কোচ বরাদ্দ করা হয়েছে।"

বেশি ভাবার সময় ছিল না। আমরা ঝটপট লাগেজ গুছিয়ে দৌড়ে উঠলাম সেই কোচে। দরজা বন্ধ হওয়ার মিনিট খানেকের মাথায় ট্রেন ছেড়ে দিল স্টেশন। এক মুহূর্তের দেরি হলেই আমরা থেকে যেতাম স্টেশনে। আমাদের আর টয় ট্রেন চড়া হত না।

পরে দেখলাম, আমার ফোনে একটা ক্যানসেলেশন এসএমএস এসেছিল আগেরদিন, যেটা আমি একদমই মিস করে ফেলেছিলাম। আমার একটুখানি গাফিলতি আমাদের পুরো যাত্রাটাকেই বিপদের মুখে ফেলে দিয়েছিল।

কিন্তু আজ যখন ফিরে তাকাই, মনে হয় — ঐ মুহূর্তগুলোর মধ্যেই জীবনের আসল রোমাঞ্চ লুকিয়ে থাকে। ভয়, দৌড়, অস্থিরতা — সব মিলিয়ে এটা ছিল এক "ভয়ংকর সুন্দর" অভিজ্ঞতা।

Mr & Mrs – এক কাপ গল্প, হাজারটা অনুভূতি ☕❤️আমার বিবাহবার্ষিকীতে স্কুল থেকে পাওয়া Mr & Mrs কাপজোড়াটা আজও যত্ন করে সাজিয়ে ...
16/07/2025

Mr & Mrs – এক কাপ গল্প, হাজারটা অনুভূতি ☕❤️

আমার বিবাহবার্ষিকীতে স্কুল থেকে পাওয়া Mr & Mrs কাপজোড়াটা আজও যত্ন করে সাজিয়ে রেখেছি ঘরের এক কোণে। সহকর্মীদের ভালোবাসায় ভরা এই উপহারটা শুধু একজোড়া কাপ নয়—এ যেন আমার দাম্পত্য জীবনের এক নিঃশব্দ সাক্ষী। এখনও ওতে চা খাওয়া হয়নি। কারণ, আমি জানি—একা এই কাপ হাতে নেওয়া যাবে না। এই দু’টো কাপ তো আমাদের দু’জনের জন্য, একসাথে বসে এক কাপ ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়ার জন্য। কিন্তু আমার Mr. এখন মুম্বাই যাবে, কিছুদিন ওর পাশে থাকব না। তাই ভাবছি, ও ফিরলেই প্রথমবার এই কাপ দু’টোয় চা ঢালব। ওর হাতে “Mr”, আমার হাতে “Mrs”—আর একসাথে প্রথম চুমুকে ভরে উঠবে অপেক্ষা, ভালোবাসা আর অগণিত অনুভব। সেই দিনটা এখনো আসেনি, কিন্তু আমি জানি—এই কাপজোড়া ঠিক সেই মুহূর্তের অপেক্ষায় রয়ে গেছে।








আমার শাশুড়িমা যখন সকালের আলোয় বাগানে যান, তখন প্রথমেই উনি যে ফুলটি তুলেন, সেটা হল জবা ফুল। অবাক করার মতো বিষয়, আমাদের...
15/07/2025

আমার শাশুড়িমা যখন সকালের আলোয় বাগানে যান, তখন প্রথমেই উনি যে ফুলটি তুলেন, সেটা হল জবা ফুল। অবাক করার মতো বিষয়, আমাদের বাড়ির জবা ফুলগুলো অন্যদের তুলনায় অনেক বড়সড় আর উজ্জ্বল। এই ফুলগুলোকে বিশেষভাবে যত্ন করেন আমার শ্বশুরমশাই। প্রতিদিন জল দেওয়া, আগাছা পরিষ্কার, মাঝে মাঝে জৈব সার দেওয়া — সবই তার নিয়মিত কাজ। এই ভালোবাসা আর যত্নেই ফুলগুলো যেন প্রাণ পায়, হাসে, আর আমাদের জীবনকেও রাঙিয়ে তোলে। এই জবা ফুল শুধু পূজার জন্য নয়, আমাদের পরিবারের বন্ধনের এক জীবন্ত প্রতীক হয়ে উঠেছে।



















একটা খালি শরবতের গ্লাস…Ubique হোটেলে এক গ্লাস ব্লু লেগুন নিয়ে বসে ছিলাম।খাচ্ছিলাম… আর ভাবছিলাম –জীবনের প্রতিটা জিনিস, এম...
14/07/2025

একটা খালি শরবতের গ্লাস…

Ubique হোটেলে এক গ্লাস ব্লু লেগুন নিয়ে বসে ছিলাম।
খাচ্ছিলাম… আর ভাবছিলাম –
জীবনের প্রতিটা জিনিস, এমনকি একটা পানীয়ও,
কীভাবে যেন জীবনের গল্পের সঙ্গে মিলে যায়।

ঠিক যেমন আমার শুরুর দিনগুলো ছিল – ফাঁকা, অথচ সম্ভাবনায় ভরা।প্রতিদিন একটু একটু করে পরিশ্রমের রস ঢেলেছি তাতে।মাঝে মাঝে মনে হয়েছে, বোধহয় গ্লাস ভরবে না কখনও।কিন্তু হাল ছাড়িনি।
ঘাম, কষ্ট, হার না মানা জেদ – সবই মিশেছে সেই শরবতে।আজ যখন গ্লাসটা চোখে পড়ে, মনে হয় –
এই ফাঁকা অবস্থাটাই তো আমার পথচলার প্রেরণা ছিল।

এই গ্লাসটা এক সময় ভরতি ছিল…
আজ খালি।
তাই বলে কি শেষ? না, বরং এখান থেকেই নতুন শুরু।
মানুষের জীবনও তো এমনই—
ভরবে, উপচে পড়বে,
আবার ফাঁকা হবে, ভাঙবে…
তবু থেমে থাকবে না,
আবার গড়বে, আবার ভরবে।
কারণ জীবন মানেই পরিবর্তন, আর পরিবর্তন মানেই সম্ভাবনা।
এই খালি গ্লাসটাই তাই আমার আগামী দিনের প্রতিশ্রুতি!"

সফলতা মানে শুধু পুরস্কার নয়,
বরং সেই খালি গ্লাসটাকে ভরার গল্পটাই আসল!



হিমাচলের জঙ্গলে মানালির বনবিহারে – ক্যামেরা হাতে এক অভিজ্ঞতার বিবরণহিমাচলের পাহাড়ি জঙ্গলে এক অপার্থিব বিকেল নেমে এসেছিল।...
13/07/2025

হিমাচলের জঙ্গলে মানালির বনবিহারে – ক্যামেরা হাতে এক অভিজ্ঞতার বিবরণ

হিমাচলের পাহাড়ি জঙ্গলে এক অপার্থিব বিকেল নেমে এসেছিল।আমি আর আমার স্বামী, দু’জনেই হাঁটছিলাম নিঃশব্দ বনপথে।হাতের ক্যামেরায় আমি ধরছিলাম আলো-ছায়ার খেলা।ওর চোখে ছিল অনুসন্ধান, আর আমার চোখে ছিল বিস্ময়।গাছের ফাঁক দিয়ে সূর্যের সোনালি আভা গায়ে এসে পড়ছিল।ঝিরঝিরে হাওয়ায় পাতা কাঁপছিল, ঠিক যেন নীরব সংগীত।
আমি এক ঝাঁক পাখির ছবি তুললাম, ও তাকিয়ে হাসল।নদীর পাশে দাঁড়িয়ে ও আমার ছবিটা তুলল মন দিয়ে।কোনো কথা ছিল না, তবুও অনেক কিছু বলা হয়ে গিয়েছিল।আমাদের ছায়া পাশাপাশি পড়ে ছিল বনপথের ধুলোয়।প্রকৃতি যেন বুঝে গিয়েছিল—এই মুহূর্তটা আমাদের জন্য।হাসিমুখে আমি ক্যামেরা ওর হাতে তুলে দিই, আবার আমিও নিই।
ফ্রেমে ফ্রেমে জমা হচ্ছিল আমাদের একান্ত বিকেল।
পাহাড়ের আড়ালে সূর্য হারিয়ে গেল, আলো নরম হয়ে এলো।আর আমরা, হাতে ক্যামেরা, মনে স্মৃতি – ফিরে চললাম ধীরে ধীরে।



13/07/2025

Address

Barrackpore
700120

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dey's Days posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share