25/06/2026
উঁহু, আগে ধ'র্ষ'ণ করা হইসে, এরপর মারা হইসে।
অথচ দেখেন, আজ মা-মেয়েসহ ৩ জনকে খু'ন করা ঘাতকের নাম কয়টা মিডিয়ায় আসছে? একটাতেও আসে নাই!
কারণ ঘাতকের নাম—অন্তর মজুমদার।
হ্যাঁ, এদেশে ভাজা মাছ উল্টায়া খাইতে না জানা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তর মজুমদার।
মেথর কার্তিক মজুমদারের পোলা অন্তর মজুমদার ভ্যানে কইরা রায়পুরে ফল বেচতো।
মাঝেমধ্যে পানির মিস্ত্রী হিসেবে এদিক ওদিক টুকটাক ক্ষেপ মারতো।
কাহিনী হচ্ছে, নিহতদের মধ্যে বড় মেয়ে সায়মা আক্তার ছিলো ঢাবির শিক্ষার্থী।
আর যেই বাড়িতে তারা ভাড়া থাকতো, একই বাড়িতে এই মেথরের পোলাও এককালে ভাড়া থাকতো।
অন্তর বিবাহিত হইলেও সেখানে প্রায় সময়েই সায়মাকে উত্যক্ত করতো ও বাড়িতেই মেথর স্ত্রী-সহ মদপান করতো।
একপর্যায়ে এই নিয়ে পাড়া-মহল্লায় জলঘোলা ও বাড়াবাড়ি হইলে অন্তর মজুমদার উক্ত বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়।
এতদ্বসত্ত্বেও তার উপদ্রব কমে তো নাই-ই, উল্টা পরবর্তীতে দলবল নিয়ে নাটকীয়ভাবে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে সায়মাদের বাসায় হাজির হয়।
সায়মার পরিবার স্বাভাবিকভাবেই এমন মাদকাসক্ত, উত্যক্তকারী ও ব'খা'টে'র প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে।
ক্রুদ্ধ হয়ে সেই বৈঠকেই সায়মাকে গ'ণধ'র্ষ'ণ ও দেখে নেওয়ার হু'ম'কি দেয় অন্তর মজুমদার।
অতঃপর?
আজ সকালে সে কৌশলে 'বাসার পানির পাইপ ঠিক করার' অজুহাত দেখিয়ে বিল্ডিং এর ভেতর প্রবেশ করে।
তার সাথে ধারালো অ'স্ত্র থাকলেও পানির মিস্ত্রী বেশে যাওয়ায় কেউ সন্দেহ করেনি।
এরপর ভেতরে ঢুকেই প্রথমে সায়মাকে কো'প দিয়ে আ'হ'ত করে ধ'র্ষ'ণ করে।
মেয়েকে রক্ষা করতে মা এগিয়ে আসলে মদ্যপ অন্তর মজুমদার এক নাগাড়ে সায়মা, তার মা এবং দুই বোনকে কু'পি'য়ে জখম করে।
পরের এপিসোড তো সবারই জানা।
মুহূর্তের মধ্যে সায়মা, তার মা ও ছোট বোন একসাথে মৃত্যুমুখে ঢলে পড়ে।
হসপিটাল নেয়ার পথে গুরুতর আহত মেজো বোনও শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে এম্বুলেন্সেই।
স্থানীয়দের তথ্যানুসারে—রায়পুরের তান্ত্রিক সর্বানন্দ নাথের আস্তানায় নিয়মিত আসা যাওয়া ছিলো অন্তর মজুমদার ও অজিস রায়দের।
তান্ত্রিক সর্বানন্দসহই মদপান করতো তারা একসাথে।
এই হ'ত্যা'কা'ন্ডে'র পিছে নারীকেন্দ্রীক ঘটনা ছাড়াও নর ব'লি সংশ্লিষ্ট ইস্যু আছে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে।
ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হইলো—ঘাতক অন্তর মজুমদারকে স্থানীয় জনতা ইতিমধ্যেই পিটাইয়া পরপারে পাঠায়া দিসে; পুলিশের দাবি এমনটাই।
যদিও এখানে এলাকাবাসীর কাছে ধোঁয়াশা বিদ্যমান—এইটা কী আসলেই অন্তর মজুমদার, নাকি অন্য কেউ?
কারণ বিগত সময়ে আমরা দেখেছি কীভাবে স্রেফ 'সংখ্যালঘু' হবার দরুণ পাহাড়সম অপরাধ করেও তারা নাটকীয়ভাবে পার পেয়ে যায়।
আজ পর্যন্ত কয়টা হে'দুর ফাঁ'সি হয়েছে এদেশে, বলতে পারবেন?
যাইহোক।
প্রশ্ন হইতেসে—এই অন্তর মজুমদারগংয়ের এহেন আস্কারা ও শক্তির উৎস কী?
ঘা'ত'কে'র নাম-পরিচয় লুকানো পশ্চিমাপন্থী প্রথমাল্লো-স্টারদের ভূমিকা কী অস্বীকারযোগ্য এই শক্তির উৎসে?