IDEB Ramu

IDEB Ramu Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from IDEB Ramu, RAMU, Chittagong.

প্রিয় প্রকৌশলীগণ,                            আসসালামু আলাইকুম। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, আগামী ১৩/১১/২৪ইং রোজ বুধবার ডিপ...
10/11/2024

প্রিয় প্রকৌশলীগণ,
আসসালামু আলাইকুম।
আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, আগামী ১৩/১১/২৪ইং রোজ বুধবার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রাণ প্রিয় সংগঠন আইডিইবি'র ৫৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে "আইডিইবি কক্সবাজার জেলা"র পক্ষ থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। উক্ত কর্মসূচি ৯.০০ টায় "কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়" থেকে "কক্সবাজার জেলা আইডিইবি অফিস" পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হবে। এরপর "কক্সবাজার জেলা আইডিইবি অফিস" প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে।

উক্ত কর্মসূচি পালনের জন্য কক্সবাজার জেলায় অবস্থানরত সকল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীকে সফল ও স্বার্থক করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

অনুরোধক্রমে

ইঞ্জিনিয়ার রমজান ইসলাম রুবেল;
সভাপতি।

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ইব্রাহিম;
সাধারণ সম্পাদক।
প্রাইভেট সেক্টর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ফেডারেশন বাংলাদেশ, কক্সবাজার জেলা।

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তির বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত খুবই নিন্দাজনক।এই ক্রান্তিলগ্নেও IDEB পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের অধিকার আ...
02/07/2020

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তির বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত খুবই নিন্দাজনক।

এই ক্রান্তিলগ্নেও IDEB পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে পাশে থাকবে ইনশাআল্লাহ।

 #ড্যাম্পপ্রুফিং কী ও কেন করা হয় ও প্রতিকার?---------------------------------------------------------------ড্যাম্পপ্রুফি...
26/05/2020

#ড্যাম্পপ্রুফিং কী ও কেন করা হয় ও প্রতিকার?
---------------------------------------------------------------

ড্যাম্পপ্রুফিং বা নির্মাণে ড্যাম্পপ্রুফ করা হলো অভ্যন্তরের জায়গাগুলিতে আর্দ্রতা যাতে না যায়, সেজন্য দেয়াল এবং মেঝে নির্মাণের জন্য এক ধরনের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার প্রয়োগ করা। ফাউন্ডেশন বা মাটির সংস্পর্শে থেকে যাতে বাসার স্ট্রাকচারাল মেম্বারগুলি, ছাদ ও দেয়ালে আর্দ্রতা না আক্রমণ করে সেজন্য আমাদেরকে ড্যাম্পপ্রুফ করতে হয়। কী কী কারণে মূলত ড্যাম্প হয় তা আসুন দেখে নেই।

#বায়ুর আর্দ্রতা

জলীয়বাষ্পের ঘনীভবন ডাবল-গ্লেজিংয়ের মতো পুরানো দালানগুলিতে বায়ুচলাচল হ্রাসকারী শক্তিসঞ্চয়ের ব্যবস্থাগুলো আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়ায়। স্নান, রান্না করা, ধোয়া-মোছা এবং আধুনিক জীবনযাপনের নানা সরঞ্জাম থেকে আর্দ্রতা উঠে, যা প্রচুর পরিমাণে জলীয়বাষ্প তৈরি করে।

#অনুপ্রবেশ ড্যাম্প

ছাদ, চিমনি, প্যারাপেটস এবং কোনো ভবনের অন্যান্য উন্মুক্ত অংশ বৃষ্টির প্রবেশের পক্ষে সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল, বিশেষত যেখানে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রবেশ কঠিন। ছাদে জংশনগুলি সম্ভাব্য সমস্যার স্পট যেমন- ত্রুটিযুক্ত সীসা ফ্ল্যাশিং, মর্টার ফিলেটস, রিজেস বা হিপসহ এরকম জয়নিং জায়গাগুলি। দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা এবং দেয়ালের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব বাজে মেন্টেনেন্সের জন্যও হতে পারে।

#স্যাঁতস্যাঁতে ভাবের দেয়ালে হেয়ারলাইন ফাটলগুলো নির্দেশ করে এবং অবিচ্ছিন্নভাবে আর্দ্রতা স্বীকার করে যে, সেখানে সিমেন্ট মর্টারটি চুনের পরিবর্তে মেরামত করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।
অভ্যন্তরীণ স্পিলেজ

উপচে পড়া স্নান বা ঝরনা, পাইপ ফেটে যাওয়া, ধীরে ধীরে পাইপের জয়েন্টগুলি ভেঙে যাওয়া, ওয়াশিং মেশিন বা ডিশ ওয়াশারগুলি থেকে লিক হওয়া এবং দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতির কারণে।

#মাটির নিচের স্যাঁতসেঁতে ভাব

এটি এখন সাধারণত এত বেশি হয় না আবার একদম হয় না এরকমও না। এই সমস্যার ফলে মেঝে স্যাঁতসেঁতে হয়ে ওঠে যেখানে নিচ থেকে আর্দ্রতার বাষ্পীভবনটি ভিনাইল শিট, রাবার-ব্যাকড কার্পেট বা অন্যান্য খসখসে আবরণ দ্বারা বাধা দেওয়া হয়।

এবার আসুন জেনে নেই এই আর্দ্রতার ফলে দালানে কী কী সমস্যা উদ্ভূত হতে পারে।

১. কাঠের সামগ্রী পচে যাওয়ার কারণ হয়।

২. মেটাল জাতীয় বস্তুতে মরিচা পড়ার কারণ হয়।

৩. ইলেক্ট্রনিক সামগ্রীর নষ্ট হওয়ার কারণ হয়।

৪. মেঝে ও দেয়ালে দাগ পড়ে।

৫. প্লাস্টার নষ্ট হয়।

৬. রং নষ্ট বা ব্লিচিং হয়।

৭. ইট, টাইলস বা পাথরের উপরের স্তর ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

৮. বসবাসকারীদের স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকারক।

৯. দালানের স্ট্রাকচারকে দূর্বল করে দেয়।

১০. উইপোকার উপদ্রব বৃদ্ধি পায়।

#কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়?

বিভিন্ন পদ্ধতিতে বাসার এই স্যাঁতস্যাঁতে ভাবের সমস্যা সমাধান করা যায়। এরমধ্যে বিভিন্ন ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করে অথবা নির্মাণকালেই বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে বাসাবাড়িতে ড্যাম্পপ্রুফিং করা হয়। আসুন জেনে নেই কী কী উপায়ে বাসাবাড়িতে ড্যাম্পপ্রুফিং করা সম্ভব হয়।

#মেমব্রেন ড্যাম্প প্রুফিং

এই পদ্ধতিতে স্যাঁতসেঁতে উৎস এবং তার সংলগ্ন ভবনের অংশের মধ্যে একটি জল প্রতিরোধের ঝিল্লি বা ড্যাম্প প্রুফ কোর্স (D.P.C.) চালু করা হয়। ডিপিসিতে নমনীয় উপকরণ যেমন- বিটুমেন, ম্যাস্টিক অ্যাসফল্ট, বিটুমিনাস ফেল্টস, প্লাস্টিক বা পলিথিন শীট, ধাতব শীট, সিমেন্ট কংক্রিট থাকতে পারে।

ড্যাম্প প্রুফিংয়ের পদ্ধতিগুলির জন্য ডিপিসি আনুভূমিকভাবে বা উল্লম্বভাবে মেঝে, দেয়াল ইত্যাদিতে প্রবর্তন বা স্থাপন করা যেতে পারে। ড্যাম্প প্রুফিং কোর্স সরবরাহিত বেসমেন্টকে সাধারণত ‘ট্যাঙ্কিং’ বলা হয়।

ডিপিসি সরবরাহ করার সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিৎ:

১. ডিপিসির রেন্ডারিং বাদ দিয়ে দেয়ালের পুরো প্রস্থ ঢাকা থাকা উচিৎ।

২. ডিপিসির জন্য ব্যবহৃত মর্টারটি সমতল হওয়া উচিত যাতে স্যাঁতসেঁতে প্রুফ কোর্সটি ক্ষতিগ্রস্থ না হয়।

৩. ডিপিসি এমনভাবে স্থাপন করা উচিত যাতে ধারাবাহিকভাবে প্রজেকশন সরবরাহ করা হয়।

৪. জংশন এবং দেয়ালের কোণে ডিপিসি সরবরাহ করার সময়, অনুভূমিক স্যাঁতসেঁতে প্রুফ কোর্সটি অবিচ্ছিন্নভাবে স্থাপন করা উচিৎ।

৫. যখন অনুভূমিক ডিপিসি একটি উল্লম্ব মুখ অবিরত করা হয়, জংশনে ৭.৫ সেন্টিমিটার ব্যাসার্ধের একটি সিমেন্ট কংক্রিট ফিললেট সরবরাহ করা উচিৎ।

৬. মেঝে, দেয়াল বা ছাদ থেকে জল উত্তীর্ণের সম্পূর্ণ এবং অবিচ্ছিন্ন বাধা নিশ্চিত করার জন্য দুটি স্যাঁতসেঁতে প্রুফ কোর্সের মধ্যে অবিচ্ছিন্ন সঠিক সম্পর্ক বজায় রাখা উচিত।

৭. এটি নিশ্চিত করতে হবে যে, প্রাচীরের পৃষ্ঠের বাইরে কোনো স্যাঁতসেঁতে প্রুফ কোর্স নেই; অন্যথায়, এটি প্রাচীর সমাপ্তির সময় ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
অভ্যন্তরীণ ড্যাম্প প্রুফিং
ড্যাম্প প্রুফিংয়ের এই পদ্ধতিতে, কিছু ওয়াটারপ্রুফিং যৌগ কংক্রিটের মিশ্রণে যুক্ত করা হয়, যাতে এটি দুর্ভেদ্য হয়। নিচে কিছু জলরোধী যৌগিক অভ্যন্তরীণ স্যাঁতসেঁতে প্রুফিংয়ের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। চক, টালক, ফুলারস আর্থ থেকে তৈরি যৌগগুলি, যা যান্ত্রিক কর্ম নীতির অধীনে কংক্রিটের শূন্যস্থান পূরণ করতে পারে।

সাবান, পেট্রোলিয়াম, তেল, ফ্যাটি অ্যাসিড যৌগিক যেমন স্টেরেটস ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি জলের বিকর্ষণ নীতিতে কাজ করে। এই যৌগটি একটি মিশ্রণের সাথে মিশ্রিত হয়ে গেলে কংক্রিটটি জলের প্রতিরোধে পরিণত হয়।

বাণিজ্যিকভাবে উপলভ্য যৌগগুলি যেমন পাবলো, পারমো এবং সিলকা ইত্যাদি সিমেন্টে যুক্ত রাসায়নিক যৌগের পরিমাণ নির্মাতার সুপারিশের উপর নির্ভর করে। সাধারণ ওয়াটারপ্রুফিং কাজের জন্য মর্টার বা কংক্রিটের জলরোধী রেন্ডার করতে সিমেন্টের এক ব্যাগ প্রতি ১ কেজি রাসায়নিক যৌগ।

#সারফেস ট্রিটমেন্ট

অভ্যন্তরীণ ফিনিশে, আর্দ্রতা ফিনিশিংয়ে ব্যবহৃত উপাদানগুলির ছিদ্রগুলির মধ্যে দিয়ে তার পথ সন্ধান করে। ছিদ্রগুলিতে আর্দ্রতার প্রবেশ রোধ করতে তাদের অবশ্যই পূরণ করতে হবে। পৃষ্ঠের আর্দ্রতা প্রবেশ সীমাবদ্ধ করতে জলপৃষ্ঠ থেকে দূষিত পদার্থ বা যৌগের একটি স্তর এই পৃষ্ঠগুলিতে প্রয়োগ করা হয়, যার মাধ্যমে আর্দ্রতা প্রবেশ করে।

#ক্যাভিটি দেয়াল

ক্যাভিটি দেয়াল নির্মাণের পদ্ধতি স্যাঁতসেঁতে প্রতিরোধের একটি কার্যকর পদ্ধতি। এর মধ্যে প্রধান বাহ্যিক প্রাচীরটি বাইরের ত্বকের প্রাচীর দ্বারা রক্ষা করা হয়, উভয়ের মধ্যে গহ্বর রেখে। গহ্বরটি দেয়ালের মধ্যে একটি ফাঁক ফেলে দেয় যা আর্দ্রতাটিকে বাইরের থেকে অভ্যন্তরের প্রাচীরের দিকে যাত্রা করতে বাধা দেয়।

#গুনিট

গুনিটিং-এ, উন্মুক্ত স্যাঁতস্যাঁতে জলের চাপ প্রতিরোধের জন্য জলরোধী বা পাইপ, জলাশয় ইত্যাদির জন্য উন্মুক্ত পৃষ্ঠগুলির উপর চাপের মধ্যে সমৃদ্ধ সিমেন্ট মর্টারের একটি অভেদ্য স্তর দিয়ে কভার করা হয়।

গুনিটিং মেশিনের গুটিং বা মিক্স অপারেশনের স্প্রেটি সিমেন্ট বন্দুক হিসাবে পরিচিত একটি মেশিন ব্যবহার করে বাহিত হয়। এই সিমেন্ট বন্দুক মেশিনে ৫০ মিমি ডায়া নমনীয় পায়ের পাতার মোজাবিশেষ পাইপের মাধ্যমে চাপের মধ্যে মিশ্রণটি চাপানোর জন্য মেশানো উপকরণ এবং একটি সংকোচকের ব্যবস্থা রয়েছে। একটি অগ্রভাগ পায়ের পাতার মোজাবিশেষের মুক্ত প্রান্তে স্থির করা হয় যেখানে একটি পৃথক সংযোগের মাধ্যমে চাপের মধ্যে জল সরবরাহ করা হয়।

এভাবে বাসায় DPC করা হয়।।

(পোস্টটি শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন)

26/05/2020

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য গুরোত্বপূর্ণ কিছু নলেজ..........................
এস্টিমেট সম্পর্কিত প্রয়োজনীয়
তথ্যাবলী..........
(1)এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে
প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।
(2)এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত
ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি
(3) এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে
মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।
(4) এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক
ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।
(5) এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের
ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১
টি।
(6)এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির
প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার
(7)এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের
হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের
প্রয়োজন=৫২ টি।
(8)এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য
চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার
(9)ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর
পরিমাণ=৩৫%
(10)এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ....
(11)এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট
ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের
প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি
(12)ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ
সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি
ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
(13)এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০
কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
(14)এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি
এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
(15)এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০
কেজি
(16)আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য
ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬%
হওয়া উচিত।
(17)১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং
এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
(18)আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার
এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২
কেজি।
(19)এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার
জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড়
সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
(20)আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি
এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/
d×d মিটার
(21)নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা
দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫
মিটার।
(22)কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং
২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক
ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
(23)জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির
অনুপাত=৭:২:২
(24)সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ
৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১
মিটার।
(25)সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি
এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫
মিটার।
(26)কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম
এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
(27)ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব
বলে।
(28)ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য:
(১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ
০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮
মি.মি
(29)এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের
ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
(30)একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায়
সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
(31)একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায়
ইট বহন করে 333 টি।।।।

02/05/2020
08/04/2020

শোক সংবাদ!!

অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আইডিইবি চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান "জনাব আয়ুব আলী" স্যার অদ্য ৮-৪-২০২০খ্রিঃ তারিখে সকাল ১০ঃ৩০ ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল হাসপাতাল এ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। আইডিইবি রামুর পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

আইডিইবি'র জরুরী নোটিশ :----------------------------আইডিইবি'র সম্মানিত সদস্য প্রকৌশলীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আই...
08/04/2020

আইডিইবি'র জরুরী নোটিশ :
----------------------------
আইডিইবি'র সম্মানিত সদস্য প্রকৌশলীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আইডিইবি কেনিক,জেনিক, সার্ভিস এসোসিয়েশন এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সাথে অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সে যৌথ আলোচনা সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস এর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আইডিইবি ভবনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কন্ট্রোল রুম স্হাপন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।আইডিইবি'র সদস্য প্রকৌশলী/ জরুরী সেবা কার্যে নিয়োজিত বিশেষ করে: বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস,ফায়ার সার্ভিস,টেলিযোগাযোগ,হাসপাতাল, ত্রাণ) প্রভৃতি সেক্টর সমূহে কর্মরত সদস্য সদস্য প্রকৌশলীদের সাথে অব্যাহত যোগাযোগ রাখা, পরামর্শ প্রদান করা, সর্বোপরি সরকার কে সহযোগিতা করার লক্ষ্যে কন্ট্রোল রুম স্হাপন করা হয়। নিম্নে কন্ট্রোল রুমের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা গণ সমূহের নাম সহ ফোন নাম্বার দেয়া হয়েছে। সকাল ০৯:০০ ঘটিকা হতে রাত ০৯:০০ ঘটিকা পর্যন্ত উক্ত কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে।
হটলাইন নম্বর : ০২-৮৩৯১৯৮১
১.প্রকৌ. নাজিমুদ্দিন পাটোয়ারী
মোবা:০১৯২৬-১৪৪৭৮৪
২.প্রকৌ.মহিউদ্দিন ইতি
মোবা:০১৭৬২-৮৪৮৩৫৩
৩. প্রকৌ. মোঃ শরীফুল হক
মোবা :০১৬৮৬-২৯৩৪৯০
অথবা মেইল করতে পারেন [email protected]
[email protected]

06/04/2020

শোক সংবাদ!!

আইডিইবি'র প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক জনাব জাফরুল হাসান স্যার, আজ ০৬ এপ্রিল ২০২০ইং বেলা ১২ ঘটিকায় রাজধানীর এপোলো হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)‌।

আইডিইবি রামু এর পক্ষ থেকে আমরা গভীর শোকাহত প্রকাশ করছি এবং সেই সাথে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

04/04/2020

বাড়ি নির্মাণ: সয়েল টেস্ট কী, কেন, কীভাবে
সয়েল টেস্ট

‘Soil Test’ কথাটির আভিধানিক অর্থ হলো ‘মাটি পরীক্ষা’। নিজের জমিতে যেকোনো ধরনের স্থাপনার কাজে যখন যাবেন, একজন প্রশিক্ষিত স্থপতি এবং প্রকৌশলী আপনার কাছে প্রথমেই দুটি জিনিস চাইবেন। এর একটি হচ্ছে জমির ডিজিটাল সার্ভে। আর দ্বিতীয়টি হলো এই ‘সয়েল টেস্ট’।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিভাষায় একে কখনো বলা হয় Soil Test আবার কখনো বলা হয় Sub Soil Investigation। যেকোনো ধরনের স্থাপনার কাজের আগে জমির সয়েল টেস্ট বা মাটি পরীক্ষা করে নেওয়া বাধ্যতামূলক। শুধুমাত্র ভবন তৈরিই নয়, ব্রিজ বা কালভার্ট, হাইওয়ে বা দুই লেন বা তার চেয়ে বেশি চওড়া পাকা রাস্তা, রেলপথসহ সব ধরনের কাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও মাটি পরীক্ষা অপরিহার্য। যেকোনো স্থপতিই আপনাকে জানাবেন যে নকশার কাজে হাত দেবার পূর্বে অবশ্যই সয়েল টেস্ট করাতে হবে। কিন্তু কেন এই পরীক্ষণ এতটা গুরুত্বপূর্ণ?

প্রথমত, মাটির Bearing Capacity বা ভার বহনের ক্ষমতা নকশার আগেই বুঝে নিতে হয়। এই Soil Test এর মাধ্যমেই এই ক্ষমতা সম্পর্কে সুক্ষাতিসুক্ষ ধারণা পাওয়া সম্ভব।
দ্বিতীয়ত, ভবনে ঠিক কী ধরনের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা হবে সে ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেয়া যায় জমির মাটি পরীক্ষার ফলাফল থেকেই। মাটির ক্ষমতা বেশি হলে অনেক ক্ষেত্রে অগভীর ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা হয়। যদি ক্ষমতা কম হয় সেক্ষেত্রে পাইলিংয়ের মতো গভীর ফাউন্ডেশন ব্যাবহার করা হতে পারে।

Bearing Capacity এবং Foundation type দুটিই ফলাফলে উল্লেখ করা থাকে। এর সাথে SPT, মাটির ধরন, মাটির বিভিন্ন স্তরের বিবরণ, মাটিতে উপাদানের উপস্থিতিসহ বোরিং পয়েন্ট লে-আউট ও উল্লেখ থাকে এই ফলাফলে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এই পরীক্ষণ না করলে ফাউন্ডেশনের নকশা করা প্রায় সম্ভব। সঠিক ফাউন্ডেশনের অভাবে ভবনের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:

স্থাপনা মাটিতে দেবে যাবার সম্ভাবনা।
ফাউন্ডেশন দেবে বা বেকে যাওয়ার ফলে বা অতিরিক্ত চাপের কারণে ফাটল তৈরি হতে পারে।
ভূমিকম্পের প্রভাবে মাটি সরে যাওয়া সম্পর্কে ধারণা বা জ্ঞান এর অভাব রয়ে যেতে পারে।
বন্যার সম্ভাবনা ও মাটিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি সম্পর্কেও জ্ঞান না থাকতে পারে।
বাংলাদেশে সাধারণভাবে মাটির ভার বহন ক্ষমতা প্রতি বর্গমিটারে ৯-১০ টন হয়ে থাকে। অনেকে ছোট ভবনের ক্ষেত্রে মাটি পরীক্ষা না করেই ভবন তৈরি করতে চাইতে পারেন, কারণ, ভবনের ভার এর চেয়ে বেশি হওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে ভবিষ্যৎ নির্মাণ এর সম্ভাবনা ও নিরাপত্তার স্বার্থে অবশ্যই এই পরীক্ষণ করানো উচিত। একটি Soil testing set এ এই পরীক্ষাগুলি সাধারণত পাওয়া যায়:

Soil classification,
Particle size distribution
Moisture content determination
Specific gravity
Liquid limit and plastic limit test
Moisture content
particle size and specific gravity tests
সাধারণত Soil Testing এর জন্য আলাদা কোম্পানি থাকে। অনেক ক্ষেত্রে জমির সার্ভে কোম্পানি লাইসেন্স থাকা সাপেক্ষে এটি করতে পারেন। আপনি আপনার জমির নকশায় নিযুক্ত স্থপতি ও প্রকৌশলীর কাছ থেকে এরকম দক্ষ কোম্পানির সন্ধান পেতে পারেন। বাংলাদেশে জমির মাটি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তার নাম ‘ওয়াশ বোরিং’ পদ্ধতি। এখানে যা যা করা হয় তা অনেকটা এরকম:

পানির সাহায্যে দুই ইঞ্চি ব্যাসের একটি নলকে চাপ প্রয়োগ করে মাটিতে প্রবেশ করানো হয়।
প্রতি পাঁচ ফিট বা দেড় মিটার পর পর ঘাত সংখ্যা ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
প্রতি পাঁচ ফিট পর পরবর্তী দেড় ফিট পাইপ মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করাতে যে পরিমাণ আঘাত করতে হয় তা সাধারণত বিবেচনায় নেয়া হয় না। এর পরের ১২ ইঞ্চি মাটির ভিতরে পাইপ প্রবেশ করাতে প্রয়োজনীয় আঘাত এর সংখ্যাকেই বলা হয় N এর মান।
সাধারণত N এর মান ১৫ এর কম হয়ে থাকে। তবে ১৫ এর বেশি হলে মাটি শক্ত বলে বিবেচনা করা হয়। N এর মান অনুসারে মাটির ভার বহন ক্ষমতা অনেকটা এরকম

>
> ২ বা কম খুবই নরম মাটি ( মাটির ভার বহন ক্ষমতা ২-৫ টন/প্রতি বর্গ মিটারে)

> ৫-৯ মাঝারি মাটি ( মাটির ভার বহন ক্ষমতা ৫-১০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে )

> ৯-১৭ শক্ত মাটি ( মাটির ভার বহন ক্ষমতা 1০-২০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে )

> ১৭-৩৩ খুবই শক্ত মাটি ( মাটির ভার বহন ক্ষমতা ২০-৪০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে )
> ৩৩ বা উপরে কঠিন মাটি ( মাটির ভার বহন ক্ষমতা
৪০ টন/প্রতি বর্গ মিটারে বা বেশি )

জমির মালিক হিসাবে সচেতন থাকা উচিত যেন জমির মাপ অনুসারে সুষমভাবে সঠিক সংখ্যায় বোরিং হোল করার মাধ্যমে soil test এর মান নিয়ন্ত্রন করা হয়। জমির মাপ অনুসারে বোরিং হোলের সংখ্যা হবে
জমির মাপ বোরিং হোল এর সংখ্যা
তিন কাঠা পর্যন্ত ৩টি
তিন থেকে পাঁচ কাঠার মধ্যে ৫টি
পাঁচ থেকে ১০ কাঠার মধ্যে ৮টি
১০ কাঠার উপরে ১২টি
স্বাভাবিকভাবে কিছু বিষয় Soil Tester বা Surveyor খেয়াল রাখছেন কিনা তাও নিশ্চিত হয়ে নিন:

চাপ প্রয়োগকারী হাতুড়ির ওজন ৬৩.৫ কেজি হতে হবে।
কমপক্ষে ৩০ ইঞ্চি উচ্চতা থেকে এটিকে আঘাতের সময় নামিয়ে আনতে হবে।
প্রতি ৫ ফিট পর পর আলাদা নমুনা সংগ্রহ করতে হবে এবং তাদের আলাদা আলাদা প্যাকেটে সংরক্ষণ করতে হবে।
প্রতিটি ক্ষেত্রে N এর মান আলাদাভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
মাটি ভাল থাকলেও কমপক্ষে ৬০ ফিট পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করতে হবে।

খরচপাতি
বাড়তি খরচের ভয়ে অনেক জমির মালিকই Soil Test করতে চান না। অথচ মোট নির্মাণ ব্যয় এর তুলনায় Soil Testing এর খরচ প্রায় নগণ্য। ধরে নিন আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে ও আপনি FAR বা MGC মেনে যদি একটি ছয় তলা বাড়ি তৈরি করতে চেষ্টা করেন আপনার নির্মাণ ব্যয় হতে পারে চার থেকে সাড়ে চার কোটি টাকার মতো। অথচ বাংলাদেশে খুব ভালো মানের কোম্পানির মাধ্যমে Soil test করাতে আপনার খরচ হতে পারে সর্বোচ্চ ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। এই খরচের কারণেই নিশ্চিত হতে পারে আপনার ভবনের নিরাপদ ভবিষ্যৎ ও সঠিক ফাউন্ডেশনের যাচাই ও বাছাইয়ে প্রকৌশলীর যথাযথ আস্থা।

লিজেন্ড অফ বাংলাদেশ 💖💖৩রা এপ্রিল ১৯২৯;এই দিনে জন্ম গ্রহণ করেন ‘বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলী’ এর অভিধায় ভূষিত বিশ্বখ্যাত ব...
04/04/2020

লিজেন্ড অফ বাংলাদেশ 💖💖

৩রা এপ্রিল ১৯২৯;
এই দিনে জন্ম গ্রহণ করেন ‘বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলী’ এর অভিধায় ভূষিত বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশী স্থপতি ও পুরকৌশলী, যাকে ‘স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আইনস্টাইন’ বলা হয়, সেই ড. ফজলুর রহমান খান ( ৩ এপ্রিল, ১৯২৯ – ২৭ মার্চ, ১৯৮২ ) ।

বুয়েট (তৎকালীন আহসানুল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ) থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং সমাপ্ত করে ১৯৫২ সালে তিনি সরকারী বৃত্তি এবং ফুলব্রাইট বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন। ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয় অ্যাট আরবানা শ্যাম্পেইন থেকে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং তত্ত্বীয় ও ফলিত মেকানিক্সে যুগ্ম এমএস করার পর ফজলুর রহমান ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে।

সিয়ার্স টাওয়ার, মালিকানা বদলের কারণে বর্তমান নাম উইলিস টাওয়ার। ১১০ তলা বিশিষ্ট এ ভবনটি ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত শুধু শিকাগো শহরের নয়, পুরো পৃথিবীর উচ্চতম ভবন ছিলো। আর সেই সর্বোচ্চ ভবনটির রূপকার ছিলেন তিনি। শুধু উইলিস টাওয়ার নয়, তার অদূরে আরেকটি শততল ভবন ‘জন হ্যানকক সেন্টার’, এর সাথেও মিশে আছে এফ আর খানের নাম। এ দুটো গগনচুম্বী প্রজেক্টই তাকে এনে দেয় বিরল সম্মান আর বাংলাদেশের জন্য অশেষ গর্ব। উইলিস টাওয়ারের যখন কাজ চলছে পুরো দমে, ১৯৭২ সালে তিনি ‘ইঞ্জিনিয়ার নিউজ রেকর্ড’-এর ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’ মনোনীত হন। ১৯৭৩ সালে এফ আর খান যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল একাডেমি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১৯৭৪ সালে আমেরিকার ‘নিউজ উইক ম্যাগাজিন’-এর কভার ফিচারে তাঁকে মার্কিন স্থাপত্যের শীর্ষে অবস্থানকারী ব্যক্তি হিসেবে অভিহিত করা হয়। এছাড়া ‘ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ড’ ম্যাগাজিন তাঁকে পাঁচবার (৬৫, ৬৮, ৭০, ৭১ এবং ৭৯ সাল) স্থাপত্য শিল্পে ‘সর্বোচ্চ অবদানকারী ব্যক্তিত্ব’ হিসেবে ঘোষণা করে। মুসলিম স্থাপত্য শিল্পে তাঁর গবেষণা আর বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ‘আগা খান স্থাপত্য পুরষ্কার’ লাভ করেন।

কম্পিউটার এইডেড ডিজাইন বা CAD-এর সূচনাও তাঁর হাত ধরে। ষাট-সত্তরের দশকে যখন পশ্চিমা প্রকৌশলীদের কাছেও কম্পিউটার খু্ব বেশি পরিচিত ছিলো না, তখন এই বাংলাদেশী প্রকৌশলীর হাত ধরেই পরিচিতি পায় ক্যাড। প্রকৌশলের আধুনিকায়নে তাঁর এ পদক্ষেপ ছিলো যুগান্তকারী।

Address

RAMU
Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IDEB Ramu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to IDEB Ramu:

Share