Tour bd 365

Tour bd 365 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tour bd 365, Travel and transport, Chittagong.

10/07/2022

তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম সালিহাল আ'মাল।

 #নোটিশবান্দরবান যেতে  যাত্রীদের টিকেট নেয়ার সময় জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি দেখাতে হবে।শিক্ষার্থীদের নিজ...
18/11/2018

#নোটিশ
বান্দরবান যেতে যাত্রীদের টিকেট নেয়ার সময় জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি দেখাতে হবে।শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় পত্র দেখালেও চলবে।

আলী আমজদের ঘড়িসুরমা নদীর উপরে কীন ব্রিজের ডানপার্শে আলী আমজদের ঘড়ি।আলী আমজদের ঘড়ি (আলী আমজাদের ঘড়ি নামেও পরিচিত) বাং...
03/11/2018

আলী আমজদের ঘড়ি

সুরমা নদীর উপরে কীন ব্রিজের ডানপার্শে আলী আমজদের ঘড়ি।
আলী আমজদের ঘড়ি (আলী আমজাদের ঘড়ি নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের সিলেট শহরে অবস্থিত ঊনবিংশ শতকের একটি স্থাপনা, যা মূলত একটি বিরাটাকায় ঘড়ি, একটি ঘরের চূড়ায় স্থাপিত।

সুরমা নদীর তীর ঘেঁষে সিলেট সদর উপজেলায় অবস্থিত এই ঘড়ির ডায়ামিটার আড়াই ফুট এবং ঘড়ির কাঁটা দুই ফুট লম্বা। যখন ঘড়ির অবাধ প্রচলন ছিল না, সেসময় অর্থাৎ ১৮৭৪ খ্রিস্টাব্দে সিলেট মহানগরীর প্রবেশদ্বার (উত্তর সুরমা) কীন ব্রিজের ডানপার্শ্বে সুরমা নদীর তীরে এই ঐতিহাসিক ঘড়িঘরটি নির্মাণ করেন সিলেটের কুলাউড়ার পৃত্থিমপাশার জমিদার আলী আমজদ খান। লোহার খুঁটির উপর ঢেউটিন দিয়ে সুউচ্চ গম্বুজ আকৃতির স্থাপত্যশৈলীর ঘড়িঘরটি তখন থেকেই আলী আমজদের ঘড়িঘর নামে পরিচিতি লাভ করে।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন হানাদার বাহিনীর গোলার আঘাতে এই প্রাচীন ঘড়িঘর বিধ্স্ত হয়। স্বাধীনতার পর সিলেট পৌরসভা ঘড়িটি মেরামতের মাধ্যমে সচল করলেও কিছুদিনের মধ্যেই ঘড়ির কাঁটা বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে আলী আমজদের ঘড়ি মেরামত করে পুনরায় চালু করা হয়। এসময় ঘড়িটি চালু করার পর ঢাকার একটি কোম্পানীর কারিগররা ঘড়িটি চালু রাখার জন্য রিমোট কন্ট্রোলের ব্যবস্থা করে দেয়। পৌর চেয়ারম্যানের অফিসকক্ষ থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ঘড়ির কাঁটা ঘুরতো। কিন্তু দুই-চার বছর যেতে না যেতেই ঘড়ির কাঁটা আবার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর সিজান কোম্পানীর দ্বারা ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে ঘড়িটি পূনরায় চালু করা হয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই ঘড়িটির কাঁটা আবারও বন্ধ হয়ে যায়। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এই ঘড়িটিকে পূণরায় মেরামত করলে তা আবার দৈনিক ২৪ ঘন্টাব্যাপী সচল রয়েছে।

এই ঘড়িকে কেন্দ্র করে একটি স্থানীয় প্রবাদ চালু ছিল এরকম:

চাঁদনী ঘাটের সিড়ি, আলী আমজদের ঘড়ি, জিতু মিয়ার বাড়ি, বঙ্কু বাবুর দাড়ি।

সূত্র উইকিপিডিয়া
ছবি TOUR BD 180°

হাতিরঝিলে ময়লা কুড়ালেন ইইউ রাষ্ট্রদূত
18/10/2018

হাতিরঝিলে ময়লা কুড়ালেন ইইউ রাষ্ট্রদূত

রাজধানীর হাতিরঝিল লেক এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাফাকুমে বেড়াতে গিয়ে পানিতে ডুবে পর্যটক নিখোঁজ।এই সব অঞ্চলে যারা ভ্রমনে যাবেন, দয়া করে সবাই লাইফ জ্যাকেট ব্য...
17/10/2018

বান্দরবানের নাফাকুমে বেড়াতে গিয়ে পানিতে ডুবে পর্যটক নিখোঁজ।এই সব অঞ্চলে যারা ভ্রমনে যাবেন, দয়া করে সবাই লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করবেন।

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম রেমাক্রি বাজার থেকে নাফাকুম যাওয়ার পথে আজ বুধবার সকালে এক যুবক পানিতে ডুবে নিখ....

 ্রেইলবড় দারোগার হাট,সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম।অসাধারণ, মুগ্ধকর এবং সেই সাথে রোমাঞ্চকর। সবগুলো কথার অর্থ এক সাথে আপনি খুঁজে প...
16/10/2018

্রেইল
বড় দারোগার হাট,সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম।

অসাধারণ, মুগ্ধকর এবং সেই সাথে রোমাঞ্চকর। সবগুলো কথার অর্থ এক সাথে আপনি খুঁজে পাবেন এই কমলদহ ট্রেইলে এসে এবং হারিয়ে যাবেন লোকালয় থেকে কয়েক ঘন্টার জন্য গহীন পাহাড়-পর্বত আর ঝর্ণায় ঘেরা সবুজ প্রকৃতির মাঝে। সীতাকুণ্ড থেকে মিরসরাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি।এই অঞ্চলের প্রকৃতি সত্যিই বিচিত্র খেয়ালে নিজেদের সাজিয়ে রেখেছে।মন ভোলানো আর অস্থির করা সব ঝর্ণার দেখা পাওয়া যায় এই অঞ্চলে।

শুরুতেই আপনি যে ঝর্নাটি দেখতে পাবেন তার নাম কমলদহ।এটি আসলে বড় একটি ক্যাসকেড।এই ক্যাসকেডের আপস্ট্রিমে অনেকগুলো ছোট বড় ঝর্না সহ অনেকগুলো ছোট বড় ক্যাসকেড দেখতে পাবেন।মূলত কমলদহর আপস্ট্রিমে গিয়ে যত ভেতরে প্রবেশ করবেন ততই মুগ্ধ হবেন।
কমলদহর প্রায় ৪৫/৫০ ফুট উপরে উঠে চড়াই উতরাই পেরিয়ে সোজা হেটে যাবেন ঝিরিপথ ধরে।১৫/২০ মিনিট হাটার পর ঝিরি পথের মুখ দেখতে পাবেন।সামনের ঝিরি পথ ধরে না গিয়ে বাম দিকের ঝিরি পথ ধরে যেতে হবে।কিছুদূর গেলে ডান দিকে আরেকটি ঝিরি পথের মুখ দেখতে পাবেন।কিন্তু ভাল হয় ফিরতি পথে এই ঝিরি পথে গেলে।তাই একদম সোজা যেতে থাকুন।কিছুক্ষন পর আপনি ছাগলকান্দা ঝর্ণায় পৌছে যাবেন।ফিরতি পথে যাওয়ার পথে ডান দিকের ঝিরি পথ এবার বাম দিকে দেখতে পাবেন।বাম দিকের ঝিরি পথ ধরে এগিয়ে যান।একটি ক্যাসকেড পাবেন।ক্যাসকেডের পাস দিয়ে উপরে উঠে পড়ুন।সামনে এগুলে আবারো ২টি ঝিরিপথের দেখা পাবেন।এই ২টি ঝিরিপথের শেষে পাবেন ২টি সুন্দর ঝর্ণা।ঝর্ণা দেখে ফিরে আসুন একদম প্রথম ঝিরি পথের মুখে।এবার যেতে হবে বাম দিকের রাস্তায়।ডান দিকে গেলে কমলদহের মুখ।

বামে ঝিরি পথ ধরে সামনে এগিয়ে যাবেন।যাবার পথে আপনাদের ডিংগাতে হবে অসংখ্য ছোট বড় অনেকগুলো ক্যাসকেড।কোথাও গিয়ে দেখবেন রাস্তা শেষ। তখন আবার পাহাড় বেয়ে রাস্তা বের করে এগিয়ে যেতে হবে।।যতই এগিয়ে যাবেন সামনে ততই উপরের দিকে উঠতে হবে আপনাদের।একদম শেষ ভাগে যে ক্যাসকেড পাবেন তার উপর উঠে বাম দিক দিয়ে উঠতে থাকবেন। এভাবেই অস্থির একটা ট্রেকিং শেষ করে পেয়ে যাবেন একটি চিপা ঝর্ণা। ঝিরি পথের মুখ থেকে আনুমানিক ৫০ মিনিট সময় লেগে যাবে এই ঝর্ণাটির কাছে আসতে।এই ঝর্ণার উচ্চতা প্রায় ৪০/৪৫ ফুটের মত।

ঝিরি পথের মাঝ দিয়ে যখন আপনারা হেঁটে যাবেন তখন পাহাড়ের অদ্ভুত নির্জনতা, পাখিদের কিচির মিচির ডাক তার সাথে ঝিরি পথে পানির কলকল সব্দ সব মিলেয়ে অনাবিল এক মায়াবিনী পরিবেশ আপনাদের অবশ্যই শিহরিত করে তুলবে।মুগ্ধতায় মেতে থাকবেন সারাটা পথ।
শেষ প্রান্তে পৌছাতে আপনার সাহসিকতার পরিচয় দিতে হবে।অনেক বেশি নির্জন তাই ৫/৭ জন এক সাথে যাওয়াটাই ভাল।

যেভাবে যাবেনঃ

ঢাকা থেকে গেলে চট্টগ্রামগামী যে কোন বাসে (ভাড়া মানভেদে ৪০০-১২০০টাকা) সীতাকুন্ডের বড় দারোগার হাট বাজারে নামতে হবে। এছাড়া ট্রেনে ফেনী বা চট্রগ্রাম থেকে বড় দারোগার হাট আসতে পারেন।মেইল ট্রেনে করে সীতাকুন্ডেও সরাসরি আসতে পারেন।

চট্রগ্রামের কদমতলি, বা অলংকার থেকে চয়েস বাসে যেতে পারেন, ভাড়া ৮০ টাকা।লোকাল বাস, লেগুনা,রাইডারে করেও যেতে পারেন।ভাড়া নিবে ৩০/৪০ টাকা। বড় দারোগার হাট নেমে পূর্ব দিকের ইট ভাটার রাস্তা ধরে রেললাইন পেরিয়ে বাম দিকে হাটতে থাকবেন।বামদিকের রাস্তার শেষ প্রান্তে ছরা ধরে ১৫ মিনিট এগিয়ে গেলেই পৌছে যাবেন প্রথম সুন্দরীর কাছে।

কোথায় থাকবেনঃ

মিরসরাইতে থাকার জন্য ভালো কোন আবাসিক হোটেল নেই, তাই আপনাকে সীতাকুন্ডে থাকতে হবে। যদিও সীতাকুন্ডেতেও তেমন ভালো মানের আবাসিক হোটেল নেই। বাজারের ভিতরে কয়েকটি আবাসিক হোটেল আছে।

হোটেল সাইমুন, ভাড়া ৩০০-৫০০ টাকা। যোগাযোগঃ ০১৮২৭৩৩৪০৮২, ০১৮২৫১২৮৭৬৭।

সরকারী প্রতিষ্ঠানের ডাকবাংলো আছে। এছাড়া বারৈয়ারহাট থাকতে পারবেন । গোল্ডেন নামে একটি আবাসিক হোটেল ও জাহেদ নামে একটি বোর্ডিং আবাসিক আছে। একটু ভাল মানে থাকতে চাইলে ভাটিয়ারী থাকতে পারবেন। এখানে দুইটি আবাসিক হোটেল আছে। সিঙ্গেল রুম নন এসি ৬০০ টাকা। দুই বিছানার এসি রুম ১২০০ টাকা।

কোথায় খাবেনঃ

সীতাকুন্ডে কয়েকটি খাবার হোটেল আছে। আল আমীন হোটেলটির খাবারের মান ভাল।

#ভ্রমনের_জায়গাটিতে_ময়লা_আবর্জনা_ফেলে_এসে_এর_পরিবেশ_এবং_সৌন্দর্য_নষ্ট_করবেন_না।

ডিনস্টন সিমেট্রি, শ্রীমঙ্গল শ্রীমঙ্গল উপজেলায় জেমস ফিনলে টি কোম্পানির একটি বাগান খেজুরিছড়া। রাজঘাট ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ...
13/10/2018

ডিনস্টন সিমেট্রি, শ্রীমঙ্গল

শ্রীমঙ্গল উপজেলায় জেমস ফিনলে টি কোম্পানির একটি বাগান খেজুরিছড়া। রাজঘাট ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত এ বাগানেই রয়েছে শত বছরের স্মৃতিবিজড়িত ডিনস্টন সিমেট্রি। এ সিমেট্রি দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন আসেন শ্রীমঙ্গলে। চা-বাগান সূত্রে জানা গেছে, ১৮৫৭ সালে মালনীছড়া চা-বাগান স্থাপনের মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে চা শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। এর ঠিক ২৩ বছর পর ১৮৮০ সালে শ্রীমঙ্গলে ব্রিটিশরা বাণিজ্যিকভাবে চা চাষাবাদ শুরু করে।সে সময় ব্রিটেন থেকে নিয়ে আসা হয় অভিজ্ঞ ‘টি প্লান্টার’দের। ১৮৮৫ সাল ও তৎপরবর্তী সময়ে উপমহাদেশ ব্রিটেনের দখলে থাকাবস্থায় যেসব ব্রিটিশ ‘টি প্লান্টার’ বিভিন্ন কারণে মৃত্যুবরণ করেন তাদের সমাহিত করা হয় শ্রীমঙ্গলের খেজুরিছড়া ফ্যাক্টরির পাশে ডিনস্টন সিমেট্রিতে। এই সিমেট্রিতে শায়িত আছেন মোট ৪৬ জন।

মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে যে সব স্থানে বেড়াতে যাবেন

⭕ চা বাগান
⭕ বাংলাদেশ চা গবেষনা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই)
⭕ টি মিউজিয়াম
⭕ বধ্যভুমি ৭১
⭕ হটেল গ্রান্ড সুলতান
⭕ লেমন টি গার্ডেন
⭕ জান্নাতুল ফেরদৌস মসজিদ
⭕ হরিণ ছরা খ্রিস্টান পল্লী
⭕ হরিণ ছরা গল্ফ ফিল্ড
⭕ ডিনস্টন সিমেট্রি খেজুরি ছরা
⭕ সীতেস বাবুর মিনি চিড়িয়াখানা
⭕ খাসিয়া পানপুঞ্জি
⭕ মনিপুরী পাড়া
⭕ লাউয়াছড়া উদ্যান
⭕ রেমা –কালেঙ্গা রিজার্ভ ফরেস্ট
⭕ বর্ষিজোড়া ইকো পার্ক
⭕ মাধবপুর লেক
⭕ ভাড়াউড়া লেক শঙ্কর টিলা
⭕ হাকালুকি হাওর মৌলভীবাজার কুলাউড়া
⭕ বাইক্কা বিল
⭕ হাইল হাওর
⭕ হামহাম জলপ্রপাত
⭕ মাধবকুন্ড জলপ্রপাত মৌলভীবাজার বড়লেখা
⭕ পরিকুণ্ড ঝর্ণা মৌলভীবাজার বড়লেখা
⭕ রাবার বাগান
⭕ আনারস বাগান

✅ নীলকন্ঠ টি কেবিন (৮ রঙের চা'য়ের জন্য)

যেভাবে যাবেন

দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে বাস বা ট্রেনে করে শ্রীমঙ্গল আসবেন।শ্রীমঙ্গল থেকে সিএনজি, টমটম বা রিকশায় করে পৌছে যাবেন ডিনস্টন সিমেট্রি।ব্যক্তিগত যানবাহনে করে সরাসরি চলে যেতে পারেন ডিনস্টন সিমেট্রি।

বেড়াতে গিয়ে যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলে পরিবেশ এবং দর্শনীয় স্থানের সৌন্দর্য নষ্ট করবেন না।

সাগরকন্যা কুয়াকাটাঅপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকটা যা পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত। কুয়াকাটা দক্ষিণ এশিয়ায় একটি ম...
10/10/2018

সাগরকন্যা কুয়াকাটা

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকটা যা পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত। কুয়াকাটা দক্ষিণ এশিয়ায় একটি মাত্র সমুদ্র সৈকত যেখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করা যায়। সমুদ্রের পেট চিরে সূর্য উদয় হওয়া এবং সমুদ্রের বক্ষে সূর্যকে হারিয়া যাওয়ার দৃশ্য অবলোকন করা নিঃসন্দেহে দারুন ব্যপার।

কুয়াকাটা বেরী বাঁধ পেরিয়ে সমুদ্র সৈকতের দিকে যেতেই বাম দিকে ব্যক্তিগত উদ্দ্যোগে মিউজিয়াম স্থাপন করা হয়েছে। এরপরই কয়েক গজ দক্ষিণে “ফার্মস এন্ড ফার্মস” এর রয়েছে বিশাল নারিকেল বাগানসহ ফল ও ফুলের বাগান। এ বাগানের মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে বেশ কয়েকটি পিকনিক স্পট, এ পিকনিক স্পট পরিদর্শনের পরেই রয়েছে কাংখিত ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের বিশাল সমুদ্র সৈকত। এ সৈকতের পূর্ব দিকে এগুলোই প্রথমে দেখা যাবে নারিকেল বাগান, সুন্দর আকৃতির ঝাউ বাগান। বন বিভাগের উদ্দ্যোগে বিভিন্ন প্রজাতির ঝাউগাছ লাগিয়ে সমুদ্র সৈকতের শোভা বর্ধন করা হয়েছে। এ নারিকেল ও ঝাউবাগানের মধ্যেও রয়েছে পিকনিক স্পট যেখানে পর্যটকরা দল বেঁধে বনভোজনের অনাবিল আনন্দে নিজেদের একাকার করে তোলে। তার থেকে একটুই পূর্ব দিকে আগালেই চর-গঙ্গামতির লেক, সেখান থেকে একটু ভিতরে দিকে এগুলেই সৎসঙ্গের শ্রী শ্রী অনুকূল ঠাকুরের আশ্রম ও মিশ্রীপাড়া বিশাল বৌদ্ধ বিহার। সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম দিকে লেম্বুপাড়ায় প্রতি বছর আশ্বিন থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত জেলেরা প্রাকৃতির উপায়ে গড়ে তুলে শুটকী পল্লী। এ শুটকী পল্লীতে সাগরের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ প্রাকৃতিক উপায়ে শুটকীতে রূপান্তরিত করে সারা দেশে সরবরাহ করে।

কুয়াকাটায় সূর্যোদয় দেখার জন্য ঝাউবনে যাওয়াই ভালো। সেখান থেকেই সূর্যাস্ত ভালো দেখা যায়, সমুদ্রের পেট চিড়ে কিভাবে সূর্য উঠে তা দেখার জন্য আপনার মতো আরও অনেক লোকই আপনার আগে চলে যাবে সেখানে সন্দেহ নেই। সকাল বেলা হেটে হেটে ঝাউবনে যেতে সময় লাগবে ২০ মিনিট। আর ভ্যানে গেলে লাগবে ১০ মিনিট। সেখানে সারি সারি গাছ ভালো লাগবে। এই বনটি সরকার বনায়ন পরিকল্পনার অধীনে তৈরী করেছে। কারো কারো কাছে সূর্যোদয়ের চেয়ে সূর্যাস্তের দৃশ্যটা বোধহয় বেশি চমৎকার লাগে। সুর্যটা সমুদ্রে ডুবে যাওয়ার সময় রংয়ের পরিবর্তনটা আপনি স্পষ্টই দেখতে পাবেন।

সমুদ্রের গর্জন দিনের বেলা সাধারণত আশে পাশের শব্দের কারনে শোনা যায় না। সমুদ্রের যে একটা ভয়ংকর রূপ আছে তা বোঝা যায় রাতে। যদি রাতে সমুদ্রের গর্জন শুনতে চান তবে অবশ্যই যেতে পারেন সেখানে। নিরাপত্তা জনিত কোন ভয় নেই সেখানে। তবে সাবধানে থাকাই ভালো। সত্যি কথা বললে রাতের সমুদ্রের গর্জন সত্যিই ভয়ংকর। সৈকতের কাছাকাছি কোন হোটেলে থাকলে গর্জন হোটেল থেকেও শোনা যেতে পারে।

দর্শণার্থী ও ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য এই সৈকতে আছে ভাড়ায় চালিত মটর সাইকেল ও ঘোড়া। ভাড়া সাধারণত দূরত্ব ও সময় অনুযায়ী হয়। কুয়াকাটার আশে পাশের বেশ কয়েকটি চর আছে। সেগুলি দেখতে আপনি যেতে পারেন স্পিডবোট ও ট্রলার কিংবা ইঞ্জিন চালিত বড় নৌকায় করে। কুয়াকাটায় সমুদ্র সৈকতের আশেপাশে বেশ কয়েকটি পিকনিক স্পট রয়েছে। সেগুলিতে রান্না করার সকল ব্যবস্থা আছে। চুলা, খড়ি, হাড়ি, পাতিল থেকে বাবুর্চি পর্যন্ত।

সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য রয়েছে- সমুদ্র ভ্রমণকারী জাহাজ ও ট্রলার এবং স্পিড বোট। এসব জাহাজ ও ট্রলারে উঠে পর্যটকরা সুন্দরবনের অংশ বিশেষ ফাতরার চর, সোনার চর, কটকা, হাঁসার চর, গঙ্গামতির লেক ও সুন্দরবন সহ গভীর সমুদ্রে বিচরণ করে অফুরস্ত আত্মতৃপ্তিতে নিজেদের ভরে তোলে। সমুদ্র ভ্রমণকারী জাহাযে থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা রয়েছে।

কুয়াকাটায় সীমিত সংখ্যক দোকান আছে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় ও সৌখিন জিনিসপত্র ক্রয় করতে পারবেন সেসব দোকান থেকে। দাম অপেক্ষাকৃত একটু বেশি হলেও অনেক নতুন নতুন আইটেম পাবেন। কুয়াকাটায় দেখার আরেক আকর্ষণ শুঁটকিপল্লি। কুয়াটায় শুটকি পল্লী থাকায় এখানে অনেক কম দামে বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের শুটকি পাবেন। ইলিশ, রূপচাঁদা, হাঙর, লইট্যা, শাপলাপাতাসহ অসংখ্য প্রজাতির মাছ রোদে শুকিয়ে শুঁটকি বানিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা হয়। বিশাল এলাকায় চ্যাঙ বানিয়ে শুঁটকি তৈরির পদ্ধতি দেখা আরেক মজার অভিজ্ঞতা।

রাখাইন পল্লী

কলাপাড়া উপজেলার পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সৈকতের মনোরম দৃশ্য উপভোগের সাথে পর্যাটকদের জন্য রয়েছে বারতি আকর্ষন আদিবাসী রাখাইনদের স্থাপথ্য নিদর্শন। রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রায় দুইশত বছরের পুরানো ঐতিহ্য রয়েছে। “গৌতম বুদ্ধের” বিশাল আকৃতির মূর্তি দেখতে পারেন। দেশের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ মন্দিরটির অবস্থান কুয়াকাটা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে রাখাইন পল্লীতে। গৌতম বুদ্ধের এই ধ্যানমগ্ন মূর্তিটি ৩৬ ফুট উঁচু এবং এর ওজনসাড়ে ৩৭ মন। কুয়াকাটা থেকে সেখানে যাওয়ার জন্য মটর সাইকেল প্রধান বাহন। জানা গেছে, মন্দিরের নির্মান সৌন্দর্য চীনের স্থাপত্য অনুসরন করা হয়েছে।দেখে মনে হবে থাইল্যন্ড বা মিয়ানমারের কোন মন্দির।মন্দিরের ভিতরের ভাব গম্ভীর পরিবেশ।

আরাকান রাজ্য থেকে বিতারিত হয়ে আসা রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকেরা তাদের রাজা মং এর নেতৃত্বে সাগর পাড়ি দিয়ে প্রথমে চট্রগ্রাম এবং পরে পটুয়াখালীর এ জঙ্গলাকীর্ণ এলাকায় তাদের বসতি স্থাপন করে। নিজস্ব ঐতিহ্য ও কৃষ্টে গড়ে তোলে নিজেদের আবাসস্থল। তৎকালীন সরকার রাখাইন সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওই সময় ৩ একর এবং তাদের নিজস্ব পল্লীব জন্যে ১২ একর করে সম্পত্তি প্রদান করেন। এখনও তাদের ঐতিহ্যবাহী কলাপাড়ায় বিদ্যমান আছে।

ইকোপার্ক ও জাতীয় উদ্যান

সমুদ্র সৈকতের একেবারে কোল ঘেঁষে প্রায় ২০০ একর জায়গায় ষাটের দশকে পরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠা নারিকেল কুঞ্জ, ঝাউবন, গঙ্গামতি সংরক্ষিত বন , পশ্চিমদিকের ফাতরার বন ও মহিপুরের রেঞ্জের বনাঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠেছে ইকোপার্ক ও জাতীয় উদ্যান । সমুদ্রের অব্যাহত ও অপ্রতিরোধ্য ভাঙ্গনে ইতিমধ্যেই নারিকেল কুঞ্জ অনেক খানিই বিলিন হয়েছে । এর পূর্ব দিকে বনবিভাগ কর্তৃক ১৫ হেক্টর বালুভূমিতে তৈরি করা হয়েছে মনোলোভা ঝাউবন । মানব সৃষ্ট হলেও গোধূলী বেলায় সমুদ্র সৈকতে দাড়িঁয়ে ও বিশেষ করে পূর্ণ চন্দ্রালোকিত জ্যোৎস্না রাতে যখন বেলাভূমি থেকে নারিকেল বীথি ও ঝাউবাগানের দিকে দৃষ্টি নিপতিত হয় তখন নিতানত্দ বেরসিক দর্শকের কাছে ও তা এক অমলিন স্বর্গীয় আবেদন সৃষ্টি করে । আর দিনে ঝাউবনের ভিতর দিয়ে যখন সমুদ্রের নির্মল লোনা বাতাস বয়ে যায় তখন বতাসের শোঁ শোঁ আওয়াজ এক নিরবিচ্ছিন্ন ঐক্যতান করে শ্রোতার কানে আনে অনির্বাচনীয় মাদকতা।

চরগঙ্গামতি

কুয়াকাটার মূল ভূখন্ডের পূর্বদিকে ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পর্যাটক আকর্ষনের আর একটি লোভনীয় স্থান চর গঙ্গামতি। এখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায় । এখানে একবার ভ্রমনে আসলে গঙ্গামতির লেকের স্বচ্ছ জলাধার, যার একতীরে ক্রমশ ঢালু হয়ে সাগরের বুকে নেমে যাওয়া ভাঁজপড়া বালিয়াড়ি আর অন্যতীরের সমতলভুমি পেরিয়ে বিসত্দির্ন বনের মনোলোভা দৃশ্য ভোলা যায় না। এখানে কেওড়া , গেওয়া , ছৈলা , খৈয়া , ইত্যাদি হরেক রকমের গাছগাছালি ছাড়াও আছে বুনোশুয়োর , বন মোরগ , আর বানরের কিচির মিচির শব্দ । এছাড়াও এর কাছেই রয়েছে রাখাইনদের বৌলতলীপাড়া।

কিভাবে যাবেন??

খুলনা থেকে সরাসরি বাস ছাড়ে তিনটি পরিবহনের। 7star, kuakata Express & BRTC। বাস ভাড়া ৪৫০-৫০০ টাকা। বাস ছাড়ে সোনাডাংগা থেকে রাত ১০ টার দিক।

কোথায় থাকবেন??

কুয়াকাটায় আছে দুইটি ডাক বাংলো এবং সাগর কন্যা পর্যটন হলিডে হোমস। এলজিইডির রয়েছে দুটি, সড়ক ও জনপথের একটি, জেলা পরিষদের দুটি রাখাইন কালচার একাডেমীর একটি রেস্ট হাউস। এসকল স্থানে থাকতে হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পূর্ব অনুমতি নিতে হয়। এছাড়া ব্যক্তিগত উদ্দ্যোগে এ পর্যটন নগরীতে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় প্রায় অর্ধশতাধিক আবাসিক হোটেল, মোটেল। আধুনিক মান সম্মত হোটেল গুলোর মধ্যে রয়েছে- হোটেল নীলঞ্জনা, হোটেল বি-ভিউ, হোটেল গোল্ডেন প্যারেজ, হোটেল বীচ-ভেলী, হোটেল ফ্যামিলী হোমস, কুয়াকাটা গেষ্ট হাউজ, হোটেল সাগর কন্যা, হোটেল আল হেরা, হোটেল আকন, হোটেল সি-গার্ডেন, হোটেল স্মৃতি সহ আরো বেশ কিছু হোটেল ও মোটেল।

১. হলিডে হোমস (পর্যটন করপোরেশন), কুয়াকাটা
ফোন : ০১৭১৫-০০১১৪৮৩
ভাড়াঃ নন এসি টুইন : ১১০০ টাকা ও ইকোনমি : ৮০০ টাকা

২. ইয়োথ ইন (পর্যটন করপোরেশন), কুয়াকাটা
ফোন : ০৪৪২৮-৫৬২০৭
ভাড়াঃ নন এসি টুইন : ১৫০০ টাকা ও এসি টুইন : ২৫০০ টাকা

৩. হোটেল স্কাই প‌্যালেস, পর্যটন এরিয়া, কুয়াকাটা
ফোনঃ ০১৭২৭-৫০৭৪৭৯, ০১৭২৭-০৩০২৪৮, ০১৭১৬-৭৪৯০২৭
ভাড়াঃ নন এসি কাপল : ১২০০ টাকা ও নন এসি টুইন : ১৪০০ টাকা

৩. হোটেল বনানী প‌্যালেস, পর্যটন এরিয়া, কুয়াকাটা
ফোনঃ ০১৭১-৩৬৭৪১৯২, ০১৯১১-৬৭২১৩৫, ০১৭১২-৮৪৯৩৭৩
ভাড়াঃ নন এসি টুইন/কাপল : ১২৫০ টাকা (নীচতলা), ১৬৫০ টাকা (উপরের তলা), ডরমেটরী : ৪০০০ টাকা (৮ বেড)

৪. হোটেল নীলাঞ্জনা, রাখাইন মার্কেট, কুয়াকাটা
ফোনঃ ০১৭১২-৯২৭৯০৪
ভাড়াঃ নন এসি সিঙ্গেল : ৮৫০ টাকা, নন এসি টুইন : ১৪৫০ টাকা

৫. বিশ্বাস সি প‌্যালেস হোটেল, বেড়ি বাধ, কুয়াকাটা
ফোনঃ ০১৭৩-০০৯৩৩৫৬
ভাড়াঃ নন এসি টুইন : ১৮০০ টাকা, ৩ বেডেড রুম : ২০০০ টাকা

৬. সাগর কণ্যা রিসোর্ট লিমিটেড, পশ্চিম কুয়াকাটা, কুয়াকাটা
ফোনঃ ০১৭১১-১৮১৭৯৮
ভাড়াঃ নন এসি কাপল : ১২০০ টাকা (নীচতলা), ১৫০০টাকা (উপরের তলা) , নন এস টুইন : ১৮০০ টাকা

৭. হোটেল কুয়াকাটা ইন, সদর রোড, কুয়াকাটা
ফোনঃ ০১৭৫-০০০৮১৭৭
ভাড়াঃ ইকোনমি টুইন/কাপল : ১৫০০ টাকা , ইকোনমি ফ্যামিলি রুম : ১৮৫০ টাকা (১ ডাবল, ১ সিঙ্গেল)

৮. কিংস হোটেল, সাগর পাড়, কুয়াকাটা
ফোনঃ ০১৭১৩-২৭৭৬৩০
ভাড়াঃ ইকোনমি ডাবল : ৬০০ টাকা, নন এসি ডিলাক্স : ৮০০ টাকা

কোথায় খাবেনঃ

ঘরোয়া পরিবেশে মান সম্মত খাবারের জন্য হোটেল সেফার্ড, খাবার ঘর-১, খাবার ঘর-২, এসব খাবারের হোটেল গুলো আপনার আবাসিক হোটেলে খাবার সরবরাহ করে থাকে। এছাড়া পর্যটন এলাকায় ছোট ছোট অনেক খাবারের হোটেল রয়েছে- কলাপাড়া হোটেল, হোটেল মান্নান, হোটেল বরিশাল ইত্যাদি। এসব হোটেলে কম খরচে মান সম্মত খাবার পাওয়া যায় ও সরবরাহ করা হয়।

Address

Chittagong
4100

Telephone

+8801683590039

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tour bd 365 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tour bd 365:

Share