25/04/2026
হজ্জের মূল কার্যক্রম ৮ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত ৫ দিন ধরে চলে যা মিনা,আরাফাত ও মুযদালিফায় সম্পন্ন হয়।
হজের ধারাবাহিক আনুষ্ঠানিকতা :
৮ই জিলহজ (মিনায় অবস্থান): মক্কায় অবস্থানকারী হাজীগণ ইহরাম বেঁধে যোহরের সালাতের পূর্বেই মিনার উদ্দেশে রওয়ানা হবেন। সেখানে যোহর, আসর, মাগরিব, এশা এবং ৯ জিলহজ ফজরসহ মোট ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা সুন্নাত।
৯ জিলহজ (আরাফাতের ময়দান) :
সকালে মিনা থেকে আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে রওয়ানা হবেন। এখানে যোহর ও আসর সালাত একসাথে আদায় করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন এবং আল্লাহর কাছে দুআ করবেন। এটি হজের অন্যতম প্রধান ফরজ। আরাফাতে অবস্থান করাই হজ।
৯ জিলহজ দিবাগত রাত মুযদালিফায় অবস্থান :
সূর্যাস্তের পর মাগরিব না পড়ে মুযদালিফার উদ্দেশে রওনা করবেন। সেখানে গিয়ে মাগরিব ও এশা একসাথে আদায় করবেন। এখানে রাত্রিযাপন করা এবং ১০ তারিখ সকালে ফজরের পর সূর্যোদয়ের আগে পর্যন্ত অবস্থান করা সুন্নাত।
১০ জিলহজ):
কঙ্কর নিক্ষেপ: মুযদালিফা থেকে ফিরে মিনায় শুধু বড় জামারায় (জমারাতুল আকাবা) ৭টি কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন ।
দমে শোকর বা কোরবানি : কঙ্কর নিক্ষেপের পর হজে তামাত্তু ও কিরান পালনকারীরা কোরবানি করবেন।
মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা : কোরবানি শেষে মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করে ইহরাম ভঙ্গ করবেন ।
তাওয়াফে ইফাদা ও সায়ী : মক্কায় গিয়ে কাবা শরীফ তাওয়াফ (তাওয়াফে ইফাদা) করবেন এবং সাফা-মারওয়ায় সায়ী করবেন। এটি হজের ফরজ।
১১-১২ জিলহজ (মিনায় রাত্রি যাপন ও কঙ্কর নিক্ষেপ): মিনায় অবস্থান করে প্রতিদিন দুপুরের পর তিনটি জামারায় (ছোট, মধ্যম ও বড়) ৭টি করে কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন।
১২ জিলহজ (মক্কা প্রত্যাবর্তন) : ১২ জিলহজ কঙ্কর নিক্ষেপ শেষে সূর্যাস্তের আগে মিনা ত্যাগ করবেন। যদি ১২ জিলহজ মিনা ত্যাগ না করেন, তবে ১৩ জিলহজও পাথর নিক্ষেপ করতে হবে।
বিদায়ী তাওয়াফ : বাংলাদেশসহ বাইরের দেশের হাজীদের মক্কা ত্যাগের আগে সর্বশেষ কাজ হলো বিদায়ী তাওয়াফ করা।