11/05/2026
আজ মেডিকেল ভিসার জন্য IVAC-Dhaka-তে ফাইল জমা দিতে গিয়ে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানলাম, যা আগে জানা থাকলে অনেকেরই ভোগান্তি কমতো। একটি সিঙ্গেল নেইম সংক্রান্ত, অন্যটি ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও কার্ড সংক্রান্ত।
এক.
সিঙ্গেল নেইম নিয়ে আগে পোস্ট করার পর অনেকেই সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি, অনেকেই মনে করেন সিঙ্গেল নেইমে ভারত ভিসা দেয় না, যা বাস্তবে সঠিক নয়। মূল সমস্যাটি হয় এপ্লিকেশন ফরম পূরণের সময়। বাংলাদেশি পাসপোর্টে সিঙ্গেল নাম সাধারণত Surname অংশে থাকে, কিন্তু ইন্ডিয়ান ভিসা এপ্লিকেশনে বাধ্যতামূলক ঘর থাকে Given Name। এই কারণে অনেকেই বিভ্রান্ত হন। আজ জমা দেওয়ার সময় নিশ্চিত করা হলো, সিঙ্গেল নাম হলে সেটি Given Name ঘরেই দিতে হবে। যেমন কারো নাম শুধু “Saif” হলে সেটি Given Name-এ লিখতে হবে। অনেকেই একই নাম দুই ঘরে দেওয়ার কারণে পরে সংশোধন করতে হয় এবং অতিরিক্ত ফি দিতে হয়। তাই সঠিকভাবে শুরুতেই পূরণ করলে এই ঝামেলা এড়ানো সম্ভব।
দুই.
যাদের একাউন্ট এজেন্ট ব্যাংকে খোলা, তাদের স্টেটমেন্ট দেখেই SBI Card নেওয়ার জন্য পাঠানো হচ্ছে এবং ১৫০ ডলার এনডোর্সমেন্ট করতে হচ্ছে। অর্থাৎ সেই স্টেটমেন্ট গ্রহণ করা হচ্ছে না। IVAC-এর ভেতরেই State Bank of India থেকে একাউন্ট খুলে সাথে সাথে Prepaid Card দেওয়া হয়, তবে সেখানে ভিড় থাকে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় সময় লাগে। অনেক সময় সেখানেই হঠাৎ করে টাকা জোগাড় করে কাজটি করতে হয়। ১৫০ ডলার এনডোর্স করতে মোট খরচ প্রায় ২১,১৭৫ টাকা পড়েছে এবং কার্ডে পেমেন্ট করায় অতিরিক্ত ২% চার্জ যুক্ত হয়েছে। হিসাব করলে খরচটা অনেক বেশি পড়ে।
আজ ডলারের রেইট ১২৩.২৫ করে পড়েছে। ট্রাভেল কার্ড চার্জ ২৬৪৫/- টাকা যা অনেক বেশি এবং ক্যাশ কালেকশন চার্জ ৪০/- টাকাসহ মোট খরচ হলো ২১,১৭২.৫০ টাকা জনপ্রতি।
তাই যাদের এজেন্ট ব্যাংকে একাউন্ট আছে, তারা আগে থেকেই মানসিক ও আর্থিকভাবে প্রস্তুতি নিয়ে আসা ভালো। আর সম্ভব হলে অবশ্যই মূল ব্রাঞ্চে একাউন্ট খুলুন যা সুবিধাজনক, এতে যাচাই প্রক্রিয়াও দ্রুত হয়।
পরিবারসহ পাসপোর্ট জমা দিলে পরিবারের একজন সদস্য পরবর্তীতে সবার পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারে। তবে বর্তমানে স্লট পাওয়া বেশ জটিল (তদবীর ছাড়া পাওয়া কঠিন)।
সঠিক তথ্য জেনে এবং প্রস্তুতি নিয়ে গেলে সময়, খরচ এবং অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা অনেকটাই কমানো সম্ভব।
(copy)