Islamic Thought

Islamic Thought Travel, Clothes & Islamic Stories

.           ❣️ মদিনার ইতিহাসে — ০১ ❣️উম্মতের জন্য নবীজির ﷺ সেই অশ্রুভেজা সেজদা… 💔তিন দিন হয়ে গেছে…মদিনাজুড়ে শুধু একটাই প...
22/05/2026

. ❣️ মদিনার ইতিহাসে — ০১ ❣️
উম্মতের জন্য নবীজির ﷺ সেই অশ্রুভেজা সেজদা… 💔

তিন দিন হয়ে গেছে…
মদিনাজুড়ে শুধু একটাই প্রশ্ন—
“আমাদের প্রিয় নবীজি ﷺ কোথায়?”

সাহাবিদের হৃদয়ে তখন অস্থিরতা আর কান্না।
হযরত উমর ফারুক (রা.) তরবারি হাতে বলে উঠলেন—
“আমার নবীজির যদি সামান্য ক্ষতিও হয়ে থাকে, তবে উমর কাউকে ছাড়বে না!”

পরিস্থিতি শান্ত করলেন হযরত আবু বকর (রা.)।
তিনি বললেন,
“চলুন, আমরা নিজেরাই প্রিয় নবীজিকে খুঁজে বের করি…” 🤍

মদিনা ছেড়ে তাঁরা মরুভূমি পেরিয়ে এক পাহাড়ের কাছে পৌঁছালেন। সেখানে এক মেষপালক কাঁদতে কাঁদতে বলল—

“আমি তাঁকে চিনি না…
কিন্তু পাহাড়ের ওপরে একজন মানুষ সেজদায় পড়ে শুধু বলছেন—
‘ইয়া উম্মাতি… ইয়া উম্মাতি…!’
তাঁর কান্নায় আমার পশুরাও খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে…” 🥺

আবু বকর (রা.) ও উমর (রা.) পাহাড়ে উঠে দেখলেন—
রহমতের নবী ﷺ সেজদায় লুটিয়ে আছেন…
চোখের পানি মাটিকে ভিজিয়ে দিচ্ছে…
আর ঠোঁটে শুধু একটাই কথা—
“হে আমার উম্মত…” 💔

আবু বকর (রা.) কেঁদে বললেন—😭😭
“ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার সব নেকি আপনার উম্মতকে দিয়ে দিলাম… আপনি মাথা উঠান…”

উমর (রা.) বললেন—
“আমার জীবন, আমার আমল—সব উম্মতের জন্য কুরবান…”

তবুও নবীজি ﷺ মাথা উঠালেন না…

শেষে ডাকা হলো কলিজার টুকরা ফাতিমা (রা.)-কে।
তিনি ছুটে এসে বাবার সেই অবস্থা দেখে ভেঙে পড়লেন… 😭

“আব্বাজান…!
আপনি কি আপনার ফাতিমাকে ভুলে গেছেন?”

তিনি নিজের সব নেকি উম্মতের জন্য দিয়ে দিলেন…
তবুও সেজদা দীর্ঘই রইল…

পাশে ছোট্ট হাসান ও হুসাইন (রা.) কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলেন—
“নানাজান… উঠুন…” 🤲

অবশেষে ফাতিমা (রা.) কাঁদতে কাঁদতে বললেন—😭😭

“আব্বাজান…!
আপনার গুনাহগার উম্মতের মুক্তির জন্য
আমি আমার হাসান-হুসাইনকেও কুরবানি করে দিলাম…”

তখনই নবীজি ﷺ সেজদা থেকে মাথা উঠালেন… ✨

তিনি বললেন—
“মা ফাতিমা…!
তোমার দোয়া আল্লাহ কবুল করেছেন…” 🤍

🛐 শিক্ষা:
নবীজি ﷺ আমাদের এতটাই ভালোবাসতেন যে, উম্মতের মুক্তির জন্য তিনি কাঁদতেন।
আর সাহাবি ও আহলে বাইতের জীবন ছিল দ্বীনের জন্য সীমাহীন আত্মত্যাগের উদাহরণ।

💚 নবীজিকে ভালোবাসলে একটা শেয়ার করে দিবেন প্লিজ।
👉 সুবহানাল্লাহ লিখতে ভুলবেন না।
🤲 ইসলামিক পোস্ট পেতে পেইজটি সবাই ফলো করবেন।



18/05/2026

❣️ ২০২৬ ইং এর হজ্জ সফরে মদিনার হোটেল ❣️

মদীনার আগের নাম ছিল “ইয়াসরিব” (Yathrib)।

কিন্তু এই নামের সাথে জড়িয়ে ছিল বিভেদ, যুদ্ধ আর অশান্তির স্মৃতি। রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন হিজরত করে সেখানে আগমন করেন, তখন শুধু একটি শহরের নামই বদলায়নি, বদলে গিয়েছিল পুরো ইতিহাস।

ইয়াসরিব হয়ে যায় “মাদীনাতুন নবী” বা নবীর শহর।
সংক্ষেপে, আজ আমরা যাকে বলি “মদীনা”।
এই শহরেই গড়ে ওঠে ইসলামের প্রথম রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠিত হয় মুহাজির ও আনসারদের ভ্রাতৃত্ব, আর এখান থেকেই পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে ইসলামের আলো।

রাসূল ﷺ “ইয়াসরিব” নামটি অপছন্দ করতেন। কারণ আরবি “ثَرَب” শব্দ থেকে এর অর্থ দাঁড়ায় দোষারোপ, তিরস্কার বা অশুভ কিছু। তাই তিনি এ শহরের নাম রাখেন “তাইয়্যিবাহ” (পবিত্র) এবং “তাবাহ”।

পরবর্তীতে নানা বর্ণনায় ‘মদীনা’ নামটি বেশি ব্যবহৃত হয় এবং রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও এই নামই পছন্দ করতেন। কালক্রমে এই পবিত্র শহরের নাম হয়ে যায় 'মদীনা'!

With Raju Academy by রাজু আহাম্মেদ – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
15/05/2026

With Raju Academy by রাজু আহাম্মেদ – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

With Md Ahsan Habib Desh – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
15/05/2026

With Md Ahsan Habib Desh – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

15/05/2026
.     ❣️২০২৬ ইং হজ্জে মদিনায় প্রথম জুম্মা  ❣️আল্লাহ জাল্লাহ্ শানহু্ এর মেহেরবানীতে হাজরেআসওয়াদ্ হজ্জ কাফেলা, মদিনা মনোয়া...
15/05/2026

. ❣️২০২৬ ইং হজ্জে মদিনায় প্রথম জুম্মা ❣️

আল্লাহ জাল্লাহ্ শানহু্ এর মেহেরবানীতে হাজরেআসওয়াদ্ হজ্জ কাফেলা, মদিনা মনোয়ারায় প্রথম জুমায় কিছু আল্লাহর মেহেরবানদেরকে সাথে নিয়ে মসজিদে নববীতে।

🌴 মদিনা মোকাররমায় জুমার নামাজের ইতিহাসঃ—

মদিনায় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর হিজরতের পর, তাঁর মাধ্যমেই সর্বপ্রথম জুমার সালাত প্রতিষ্ঠা হয়। হিজরতের সময় তিনি মদিনার উপকণ্ঠ কুবা থেকে মদিনায় প্রবেশের পথে বনি সালেম গোত্রের উপত্যকায় (ওয়াদি আর-রানুনা) প্রথম জুমার নামাজ আদায় করেন। তবে রাসূল (সা.)-এর আগমনের আগে সাহাবী আসআদ ইবনে জুরারাহ (রা.) মদিনার আনসারদের নিয়ে প্রথম জুমার নামাজ আয়োজন করেছিলেন বলে বর্ণনা পাওয়া যায়।

💚 মূল বিষয়সমূহঃ

👉 প্রথম জুমা প্রতিষ্ঠাঃ—
রাসূল (সা.) মক্কা থেকে হিজরতের সময় জুমার দিন (৮ রবিউল আউয়াল, ৬২২ খ্রি.) বনি সালেম গোত্রের উপত্যকায় এটি অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানঃ— এই ঐতিহাসিক স্থানটি বর্তমানে 'মসজিদে জুমুআহ' (Al-Jum'ah Mosque) নামে পরিচিত।

👉 পূর্ববর্তী আয়োজনঃ-
সাহাবী আসআদ ইবনে জুরারাহ (রা.) মদিনার আনসারদের নিয়ে সর্বপ্রথম জুমার নামাজ আদায় করার আয়োজন করেছিলেন।

হাজরেআসওয়াদ্ হজ্জ কাফেলা
সুরমা হেরিটেজ, ধানমন্ডি-০৪, ঢাকা ১২০৫।
whatsApp, imo +8801712823002
[email protected]

.         ❣️ সর্বোত্তম মানুষের চেকলিষ্ট ❣️দেখুনতো, আমারাও আছি কি না? প্রিয়নবী ﷺ - এর ভাষায় সর্বোত্তম মানুষের চেকলিষ্ট —...
13/05/2026

. ❣️ সর্বোত্তম মানুষের চেকলিষ্ট ❣️

দেখুনতো, আমারাও আছি কি না?
প্রিয়নবী ﷺ - এর ভাষায় সর্বোত্তম মানুষের চেকলিষ্ট
———————————————————————

আসুন চেক করে দেখি আপনি আমি সেই লিস্টে আছি কি,,,,,, না?

🌴 ১.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ القُرْآنَ وَعَلَّمَهُ
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন
শেখে এবং অন্যকে শেখায়।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ৫০২৭)

🌴 ২.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ خِيَارَكُمْ أَحَاسِنُكُمْ أَخْلَاقًا
‘নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ৬০৩৫)

🌴 ৩.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ خِيَارَكُمْ أَحْسَنُكُمْ قَضَاءً
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের
বেলায় ভালো।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ২৩৩৫)

🌴 ৪.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যার কাছ থেকে সবাই কল্যাণ আশা করে, অনিষ্টের আশা করে না।’ (তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ২২৬৩/২৪০১)

🌴 ৫.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
‘তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি, যে তার পরিবারের
কাছে ভালো।’
(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নম্বর : ৪১৭৭)

🌴 ৬.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خِيَارُكُمْ أَطْوَلُكُمْ أَعْمَارًا وَأَحْسَنُكُمْ أَعْمَالًا
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে
বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম।
(আহমাদ ৭২১২, ৯২৩৫, সিঃ সহীহাহ ১২৯৮)

🌴 ৭.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خَيْرُ النَّاسِ أَنْفَعُهُمْ لِلنَّاسِ
সর্বোত্তম মানুষ সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।
(সহীহুল জামে’ হা/৩২৮৯, দারাকুতনী, সিঃ সহীহাহ ৪২৬)

🌴 ৮.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
مَخْمُومُ القَلْبِ صَدُوقُ اللِّسَانِ قَالُوا صَدُوقُ اللِّسَانِ نَعْرِفُهُ فَمَا مَخْمُومُ القَلْبِ
‘শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন ও মুখ সত্যবাদী।
সাহাবিরা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! সত্যবাদী
মুখ বোঝা গেল, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরের অধিকারী কে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ ও নির্মল,
মুক্তাকি, যাতে কোনো পাপ নেই, বাগাড়ম্বর বা জুলুম নেই, নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ।’
(ইবনে মাজাহ ৪২১৬, সহীহুল জামে, হাদিস : ৩২৯১)

🌴 ৯.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خَيْرُ الأَصْحَابِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِصَاحِبِهِ وَخَيْرُ الجِيرَانِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِجَارِهِ
‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে
উত্তম। আর আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।’
(তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ১৯৪৪)

🌴 ১০.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ مِنْ خِيَارِكُمْ أَحْسَنَكُمْ أَخْلَاقًا
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যার চরিত্র সবচেয়ে
বেশি সুন্দর।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৩৫৫৯)

🌴 ১১.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন
خَيْرُ النَّاسِ مَنْزِلَةً رَجُلٌ عَلَى مَتْنِ فَرَسِهِ يُخِيفُ الْعَدُوَّ وَيُخِيفُونَهُ
মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সে, যে নিজ ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে শত্রুকে সন্ত্রস্ত করে এবং শত্রুরাও তাকে সন্ত্রস্ত করে।
(সহীহুল জামিউস সাগীর ৪২৯১, সিলসিলা সহীহা ৩৩৩৩)

🌴 ১২.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ
لَمُؤْمِنٌ مُجَاهِدٌ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ فِي سَبِيلِ اللهِ
ঐ মু'মিন (শ্রেষ্ঠ) যে আল্লাহর পথে তার জান ও মাল দিয়ে যুদ্ধ করে।
(বুখারী ২৭৮৬, ৬৪৯৪, মুসলিম ১৮৮৪-১৮৯৫)

হে আল্লাহ তায়ালা ! আপনি আমাদেরকেও এদের সাথে শামিল হবার তাওফিক দান করুন।
©️

12/05/2026

হজ্জে কীভাবে মদিনা জিয়ারত !

হাজির জন্য মদিনা শরিফ যাওয়া, রাসুল (সা.)-এর রওজা শরিফ জিয়ারত করা হজের সপ্ত ওয়াজিবের অন্যতম। নবীজি (সা.) মদিনায় যে প্রধান মসজিদটি নির্মাণ করেন এর নাম ‘মসজিদে নববি’, যা মদিনা শরিফ নামেই পরিচিত। পবিত্র মক্কা শরিফের পরেই এটি শ্রেষ্ঠ স্থান।

মদিনায় প্রিয় নবীজি (সা.)-এর সমাধি, অর্থাৎ কবর বা মাকবারা অবস্থিত। একে রওজা মোবারক বা মাকবারা শরিফও বলা হয়। মদিনার সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ স্থান নবীজি (সা.)-এর রওজা শরিফ। হজরত আয়েশা (রা.)-এর হুজরার মধ্যে তাঁর মাজার শরিফ অবস্থিত। তাঁরই পাশে হজরত আবুবকর (রা.) ও হজরত উমর (রা.)-এর মাজার। এটি বর্তমানে মসজিদে নববির অন্তর্গত।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওফাত ও রওজার স্থান
নির্ধারণ=

নবী করিম (সা.) ১১ হিজরির ১২ রবিউল আউয়াল চাশতের সময় হজরত আয়েশা (রা.)-এর ঘরে তাঁরই কোলে মাথা রেখে ইন্তেকাল করেন। তখন তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। ইন্তেকালের পর সবার ঐকমত্যে হজরত আবু বকর (রা.)-কে পরবর্তী খলিফা নির্বাচন করা হয়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে কোথায় দাফন করা হবে, তা নিয়ে সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-এর মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়। কেউ বলেন জান্নাতুল বাকিতে দাফন করা হোক, কেউ বলেন মসজিদে নববীতে দাফন করা হোক, আবার কেউ প্রস্তাব করলেন হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর পাশে সমাহিত করা হোক। এ অবস্থায় হজরত আবু বকর (রা.) বলেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, নবীরা যেখানে মৃত্যুবরণ করেন, সেখানেই সমাহিত হন। ’
তাঁর এ কথা সবাই মেনে নেন এবং সবার ঐকমত্যে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে হজরত আয়েশা (রা.)-এর হুজরায়, যেখানে তিনি ইন্তেকাল করেন, সেখানেই সমাহিত করা হয়।

🌴 রওজা জিয়ারতের আদবঃ-
রওজা পাক জিয়ারতের সময় পরিপূর্ণ আদব, সম্মান ও ভক্তির সঙ্গে জিয়ারত করতে হবে। মনে থাকবে আবেগ ও ব্যাকুলতা। এরপর সুন্দর করে গোসল করে ভালো পোশাক পরিধান করে সুগন্ধি লাগিয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে মনটা রওজা পাকের দিকে রুজু করে আদবের সঙ্গে রওনা হতে হবে। রওজা পাকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করা সম্ভব না হলে প্রথমে মসজিদে নববীতে বাবে জিবরাঈল বা অন্য কোনো দরজা দিয়ে আদবের সঙ্গে প্রবেশ করতে হবে। মসজিদে নববীতে প্রবেশের পর মিম্বার ও রওজা পাকের মাঝামাঝি স্থানে দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল মসজিদ পড়তে পারলে ভালো। সময় পেলে দুই রাকাত শুকরিয়া নামাজ পড়ে প্রাণ খুলে দোয়া করতে হবে। এরপর রওজা পাকের দিকে বিনয়ের সঙ্গে এগোতে হবে। রওজা পাকে প্রবেশ করে আদব ও ভক্তির সঙ্গে পায়ের দিক থেকে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শিয়রের কাছে আসতে হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর চেহারা মোবারক বরাবর দাঁড়িয়ে রওজাকে সামনে রেখে বিনয়ের সঙ্গে ভক্তি ও ভালোবাসা নিয়ে সালাম পেশ করতে হবে। রাসুল (সা.)-এর সমীপে দরুদ ও সালাম পেশ করতে হবে এই বলে—‘আসসলাতু আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসুলাল্লাহ’। বিদায় নেওয়ার সময় আদবের সঙ্গে আস্তে আস্তে বের হতে হবে।

🌴 রওজা জিয়ারতের গুরুত্ব ও ফজিলতঃ-

মদিনা শরিফ এই মসজিদে নববি একাদিক্রমে ৪০ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে পড়ার ফজিলত সম্পর্কে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমার মসজিদে ৪০ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেছে আর কোনো নামাজ কাজা করেনি, সে মুনাফেকি থেকে মুক্ত হবে এবং দোজখের আজাব থেকে নাজাত পাবে।’
(মুসনাদে আহমদ, আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব)।

হজরত মোল্লা আলী কারি (রহ.) বলেন, কিছু লোক ছাড়া সারা বিশ্বের মুসলিমের অভিমত হলো, নবীজি (সা.)-এর রওজা পাকের জিয়ারত একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং পুণ্যময় ইবাদত। যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও নবীজি (সা.) এর রওজা পাকে এলো না, সে যেন নিজের নফসের ওপর জুলুম করল।
চার মাজহাবের প্রখ্যাত ইমামগণ এ বিষয়ে একমত যে নবীজি (সা.)-এর রওজা পাক জিয়ারতের নিয়ত করা মুস্তাহাব। কেউ কেউ ওয়াজিবও বলেছেন। হজরত ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আমার ওফাতের পর যে আমার রওজা পাক জিয়ারত করল, সে যেন জীবিত অবস্থায় আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করল। ’
(বায়হাকি : ৩৪১)

নবীজি (সা.) আরো ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে আমার রওজা জিয়ারত করবে, কিয়ামতের দিন সে আমার প্রতিবেশী হবে। আর যে (পবিত্র) মদিনায় বসবাস করে এখানের দুঃখকষ্টের ওপর সবর করবে, তার জন্য কিয়ামতের দিন আমি সাক্ষী থাকব এবং সুপারিশ করব। আর যে ব্যক্তি হারামে (পবিত্র) মক্কা অথবা হারামে (পবিত্র) মদিনায় ইন্তেকাল করবে, সে কিয়ামতের দিন নিশ্চিন্তে থাকবে। ’(তাবরানি : ৪৭২) 🇸🇦🕌🤲

Address

218, Tropical Center (11th Floor), Elephant Road (Bata Signal More)
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Thought posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share