Foster ECO Tourism

Foster ECO Tourism Foster ECO Tourism is a professional travel service that can help you arrange your next holiday. We will assist you in locating your ideal holiday.

Foster ECO Tourism is a professional tour agent that can help you arrange your next holiday.
• Tour package
• Visa processing
• Air Ticketing
* India Medical Consultancy Our responsibilities include matching customers to destinations and vacation hubs you'll appreciate, as well as providing activities you may do while on vacation. We're here to create excellent products and link travelers and our

partners. We use our platform and technological skills to deliver the best travel experiences on a local and global scale. We assist our travelers and partners in exploring the millions of different paths to the greatest possible result.

আমাদের সেবা সমূহ :* ভারতের বিখ্যাত হাসপাতাল ও ডাক্তারের পরামর্শ,* অ্যাপয়েন্টমেন্ট,* একাধিক হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা খরচের ...
10/03/2025

আমাদের সেবা সমূহ :
* ভারতের বিখ্যাত হাসপাতাল ও ডাক্তারের পরামর্শ,
* অ্যাপয়েন্টমেন্ট,
* একাধিক হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা খরচের আনুমানিক হিসাব ও মতামত , * টেলিমেডিসিন,
* মেডিক্যাল ভিসা সহায়তা,
* বিমান টিকেট,
* রেল টিকেট,
* ভারতে বিমান বন্দর,রেল স্টেশন,বাস স্টান্ড থেকে পিকআপ এবং ড্রপ, * স্থানীয় সহায়তা,
* হাসপাতালের সহায়তা,
* হোটেল বা গেস্ট হাউস সহায়তা,
* সার্বিক চিকিৎসা সহায়তায়,

'ফস্টার মেডিকেল কনসালটেন্সি' আমরা ২৪ ঘন্টা আপনাদের সেবায় ।।
Our services :
* Indian best hospitals and Doctors consultancy,
* Doctor appointment,
* treatment budget from different hospitals,
* Telemedicine,
* Medical Visa,
* Air ticket,
* Train ticket
* Pick up & Drop facilities from Airport,Rail station & Bus stand,
* Local help,
* Hospital help,*Hotel & guest house booking,
* overall treatment HELP.

Foster Overseas Consultancy is 24/7 at your Services 🇧🇩 🇮🇳

যোগাযোগঃ
01911261881
(হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার,ইমো)
[email protected]

✈️০৫ মার্চ ২০২৫ থেকে  ইউরোপের শেনজেন ভুক্ত দেশ বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, ...
05/03/2025

✈️০৫ মার্চ ২০২৫ থেকে ইউরোপের শেনজেন ভুক্ত দেশ বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া এবং সুইডেন ভিসা আবেদন করা যাবে ঢাকার সুইডেন এম্বাসি থেকে।
তাছাড়া পর্তুগাল রোমানিয়া বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া তারা তাদের নিজস্ব অফিস নিয়ে ০৫ মার্চ তারিখ থেকে বসবে রাজধানী ঢাকাতে ইউরোপ গামী প্রত্যাশীদের জন্য যা অনেক ভালো সংবাদ।
মোট ৯টি দেশে জন্য✈️

✅অনলাইনে আবেদনের লিংক
https://azinfobd.com/europe-work-permit-visa/

ওয়াচটাওয়ারচর কুকরি-মুকরি,চরফ্যাশন ভোলা।
06/02/2025

ওয়াচটাওয়ার
চর কুকরি-মুকরি,
চরফ্যাশন ভোলা।

🇹🇭 স্বল্প খরচে থাইল্যান্ড ভ্রমণ:থাইল্যান্ড,তার অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্র সৈকত,ঐতিহ্যবাহী মন্দির এবং মুখরোচক খাব...
16/01/2025

🇹🇭 স্বল্প খরচে থাইল্যান্ড ভ্রমণ:
থাইল্যান্ড,তার অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্র সৈকত,ঐতিহ্যবাহী মন্দির এবং মুখরোচক খাবারের জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়।এখন বাংলাদেশ থেকে খুব সহজেই এবং স্বল্প খরচে থাইল্যান্ডে ভ্রমণ করা সম্ভব।
🌐 স্বল্প খরচে ভ্রমণ: কম খরচে হোটেল,খাবার, এবং পরিবহন সুবিধা।
🌐 বিনোদনের বৈচিত্র্য: সমুদ্র সৈকত, শপিং, রিসোর্ট, এবং পার্টির জন্য জনপ্রিয়।
🌐 ভিসা সহজলভ্যতা: অনলাইন বা এয়ারপোর্টে পৌঁছে ভিসা (Visa on Arrival) পাওয়া যায়।

🇹🇭 থাইল্যান্ডের দর্শনীয় স্থান।
🌐 ব্যাংকক: রাজ প্রাসাদ, ফ্লোটিং মার্কেট, এবং আধুনিক শপিং মল।
🌐 পাটায়া: বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত এবং নাইট লাইফ।
🌐 ফুকেট: শান্ত সমুদ্র এবং বিলাস বহুল রিসোর্ট।
🌐 চিয়াং মাই: ঐতিহ্যবাহী মন্দির এবং পাহাড়ি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

🇹🇭 থাইল্যান্ড ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া
🌐 Visa on Arrival (VOA):

🌐 থাইল্যান্ডে পৌঁছে বিমানবন্দরে ভিসা সংগ্রহ করা সম্ভব। এটি সবচেয়ে সহজ এবং দ্রুত পদ্ধতি।
🌐 প্রয়োজনীয় নথি: বৈধ পাসপোর্ট (৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।
🌐 থাইল্যান্ডে ১৫ দিনের মধ্যে ফিরে আসার রিটার্ন টিকিট।
🌐 হোটেল বুকিংয়ের প্রমাণ।
🌐 ১০,০০০ থাই বাহত (প্রায় ৩০,০০০ টাকা) অর্থ প্রদর্শন।
🌐 একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
🌐 VOA ফি: প্রায় ২,০০০ থাই বাহত।
🌐 অনলাইন ই-ভিসা আবেদন:
থাইল্যান্ড ই-ভিসা প্ল্যাটফর্ম থেকে আগে থেকে আবেদন করতে পারেন।
🌐 আবেদন লিংক: থাইল্যান্ড ই-ভিসা পোর্টাল https://www.thaievisa.go.th/

🇹🇭 থাইল্যান্ড ভ্রমণে আনুমানিক খরচ
🌐 ফ্লাইট টিকিট: ঢাকা থেকে ব্যাংকক (往返) ২০,০০০-২৫,০০০ টাকা।
🌐 হোটেল: প্রতিরাত ১,৫০০-৩,০০০ টাকা।
🌐 খাবার: জনপ্রতি প্রতিদিন ৫০০-৭০০ টাকা।
🌐 স্থানীয় পরিবহন: বাস, টুকটুক, বা মোটরসাইকেল রেন্ট।
🌐 প্রবেশ ফি: মন্দির এবং পার্কের জন্য ২০০-৫০০ টাকা।

🇹🇭 থাইল্যান্ড ভ্রমণের টিপস
🌐 অফ-পিক সিজনে যান: অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি তুলনামূলক কম খরচ।
🌐 সস্তা শপিং: চাতুচাক মার্কেট এবং পাতায়ার স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখুন।
🌐 স্থানীয় খাবার: রাস্তায় বিক্রি হওয়া খাবার সস্তা এবং সুস্বাদু।
🌐 স্থানীয় সিম কার্ড: মোবাইল ডেটার জন্য সস্তায় পাওয়া যায়।

থাইল্যান্ডে ভ্রমণ সাশ্রয়ী এবং উপভোগ্য হতে পারে। ভিসার সহজলভ্যতা, মনোরম স্থান এবং কম খরচের কারণে এটি বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য একটি আদর্শ গন্তব্য। সঠিক পরিকল্পনা করে, অল্প খরচে এবং কম সময়ে এই অসাধারণ অভিজ্ঞতা অর্জন করুন।


🇳🇵বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নেপালের ভিসা ফ্রি!🇳🇵বাংলাদেশি নাগরিকরা প্রতি বছর একবার নেপালের ফ্রি ভিসা পেতে পারেন।🇳🇵প্রথমবা...
16/01/2025

🇳🇵বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নেপালের ভিসা ফ্রি!
🇳🇵বাংলাদেশি নাগরিকরা প্রতি বছর একবার নেপালের ফ্রি ভিসা পেতে পারেন।
🇳🇵প্রথমবার ফ্রি, দ্বিতীয়বার ভিসা ফি দিতে হবে।
🔻 ভিসার মেয়াদ: ৬ মাস (৩০ দিনের ভ্রমণ অনুমতি)।
ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
🔻 পাসপোর্ট (মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস)।
🔻 ২ কপি ছবি (সাইজ: ৩.৫x৪.৫ সেমি)।
🔻 জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি (NID)।
🔻 ব্যাংক স্টেটমেন্ট: শেষ ৩ মাসের।
🔻 এনওসি বা ট্রেড লাইসেন্স: চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ীদের জন্য।
🔻 হোটেল বুকিং ডকুমেন্টস।
🔻 বিমানের রাউন্ড ট্রিপ টিকিট।
🔻 আবেদন ফর্ম।

🇳🇵প্রসেসিং টাইম এবং ঠিকানা

🔻 ঠিকানা: নতুন বাজার, আমেরিকান এম্বাসির পেছনে, নেপাল এম্বাসি।
🔻 আবেদন জমা: সকাল ৯:০০ – দুপুর ১২:৩০।
🔻 ডেলিভারি টাইম: দুপুর ২:০০ – বিকাল ৪:০০।
🔻 প্রসেসিং টাইম: মাত্র ৩ দিন।

🇳🇵অতিরিক্ত তথ্য :
🔻 শিশুদের জন্য বাবা-মায়ের পাসপোর্ট ও স্কুলের NOC জমা দিতে হবে।
🔻 ভিসার তারিখ নির্ধারণের সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী সঠিক দিন উল্লেখ করুন।
🔻 ফ্রি ভিসার সুবিধা বছরে মাত্র একবার প্রযোজ্য।
🔻 ট্যুরিজমের জন্য অক্টোবর-ডিসেম্বর সেরা সময়।
বিশেষ পরামর্শ ⚠️:
🔻 নেপালে হিমালয় অঞ্চলে ঘোরার জন্য গাইড রাখুন।
🔻 পর্যাপ্ত নেপালি রুপি নিয়ে নিন, কারণ সব জায়গায় কার্ড চলে না।
🔻 পরিবার নিয়ে ভ্রমণে সবাইকে আলাদা ডকুমেন্টস নিতে হবে।

যারা থাইল্যান্ডের ই-ভিসার জন্য আবেদন ঘরে বসেই করতে চান তাদের জন্য নিচে পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো:  প্রথম ধাপ:প্...
12/01/2025

যারা থাইল্যান্ডের ই-ভিসার জন্য আবেদন ঘরে বসেই করতে চান তাদের জন্য নিচে পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো:
প্রথম ধাপ:
প্রথমে আপনাকে নীচের এই ওয়েবসাইট তে ভিজিট করতে হবে:
[https://www.thaievisa.go.th](https://www.thaievisa.go.th)
১. এখান থেকেই আপনাকে রেজিস্ট্রেশন এবং আবেদন সম্পুর্ণ করতে হবে।
২. একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন:
- একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সর্বোচ্চ ১০ জনের আবেদন জমা দেওয়া যাবে।
- পাসপোর্ট বায়োডাটা পেজ এবং ছবি আপলোড করুন (jpg File 3 MB এর মধ্যে হতে হবে)।
- পাসপোর্ট থেকে তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফর্মে আসবে। এর পরেও তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করে নিবেন।
৩. তথ্য এবং ডকুমেন্টস আপলোড করুন:
- প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস যেমন ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বা বর্তমান অবস্থানের প্রমাণ আপলোড করুন।
৪. ভিসার ধরন নির্বাচন করুন:
ভিসা ফি (টাকা):
- ট্যুরিস্ট ভিসা (সিঙ্গেল এন্ট্রি): 3,500
- ট্যুরিস্ট ভিসা (মাল্টিপল এন্ট্রি): 17,000
আপনি যদি অন্য ধরণের ভিসার আবেদন করতে চান যেমন মেডিকেল / বিজনেস ইত্যাদি তবে সেখানেই অর্থাৎ অন্যান্য সেই সকল ভিসার বিস্তারিত ফি ও তথ্য ওয়েবসাইটে পাবেন।
৫. এম্বেসি নির্বাচন করুন:
- বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীরা শুধুমাত্র ঢাকার রয়্যাল থাই এম্বেসির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

২য় ধাপ: পেমেন্ট প্রক্রিয়া
১. পেমেন্ট ইনফো সামারি (P*S) শীট:
- আবেদন জমা দেওয়ার পর QR কোড এবং রেফারেন্স নাম্বার সম্বলিত একটি শীট পাবেন।
২. পেমেন্ট করুন: [Commercial Bank of Ceylon](https://www.combank.net.bd/thaievisa)-এর ওয়েবসাইটে যান।
- ভিসা ফি জমা দেওয়ার পর P*S শীটটি পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মে আপলোড করুন।
- পেমেন্ট নিশ্চিত হলে ই-রিসিপ্ট ই- মেইলে পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ: ভিসা অনুমোদন
১. প্রসেসিং সময়:
- আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য মিনিমাম ১০ কার্যদিবস সময় লাগবে।
- এম্বাসি প্রয়োজন মনে করলে অতিরিক্ত ডকুমেন্ট চাইতে হতে পারে।
২. ই-ভিসা গ্রহণ:
- যদি আবেদন এপ্রোভাল হয় তবে ই- মেইলের মাধ্যমে অনুমোদিত ভিসা পেয়ে যাবেন।
- ই-ভিসা প্রিন্ট করে থাই ইমিগ্রেশনে দেখান।
আবেদন পত্র সম্পুর্ণ হলো কিনা তা নিশ্চিত হতে পারবেন।
কী প্রাপ্তি ও সময়সূচি(পয়েন্ট আকারে)
★রেজিস্ট্রেশন:
- অ্যাকাউন্ট এবং পাসওয়ার্ড পাবেন।
★আবেদন জমা দেওয়ার পর:
- P*S শীট (QR কোড এবং পেমেন্ট তথ্য সহ) পাবেন।
★পেমেন্টের পর: ই-রিসিপ্ট
★অনুমোদনের পর:
- ই-ভিসা / অতিরিক্ত তথ্যের অনুরোধ / আবেদন প্রত্যাখ্যান সংক্রান্ত ই-মেইল পাবেন।
সহজেই আবেদন করুন, নিরাপদে ভ্রমন করুন থাইল্যান্ড।

11/01/2025

#সন্ধ্যাকূড়ারাবারবাগান
#ঝিনাইগাতিশেরপুর

সেন্টমার্টিনের ''রিপ কারেন্ট ও বিপদজ্জনক বিচ" যা সম্পর্কে আমাদের সকলের জানা থাকা দরকার।বাংলাদেশের একমাত্র নীল পানির দ্বী...
11/01/2025

সেন্টমার্টিনের ''রিপ কারেন্ট ও বিপদজ্জনক বিচ" যা সম্পর্কে আমাদের সকলের জানা থাকা দরকার।
বাংলাদেশের একমাত্র নীল পানির দ্বীপ বা সৈকতের জন্য সেন্টমার্টিন জনপ্রিয়। প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটকের পদ চারণায় মূখরিত হয় যার পুরো প্রান্তর। অনেক জল্পনা কল্পনার শেষে, এই বছর আবারো শুরু হয়েছে সেন্টমার্টিনের সাথে সকল রুটের জাহাজ চলাচল। কেউ হয়তো প্রথমবার, কেউ হয়তো অসংখ্য বারের মতন আবারো ছুটবেন সেন্টমার্টিনের পথে। কিন্তু কিছু কথা সেন্টমার্টিন নিয়ে অন্তত প্রতি সিজেনের শুরুতে না বললেই হয়তো নয়। সেন্টমার্টিন ভ্রমণ যাতে কারো কাছে বিষাদের বিষয়-বস্তুুতে পরিনত না হয় তাই সেন্টমার্টিন যাবার পূর্বেই জেনে নেয়া দরকার।

মনে আছে, কিছুদিন আগে ভাইরাল হওয়া নেটওয়ার্ক এর বাইরে - নাটকের কথা। কিংবা বহু বছর আগে সেন্টমার্টিনে আহ‌্ছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের দুঃখজনক মৃত্যুর কথা। আজ বলবো কিছু কথা সেই বিষয়েই।

যদি সেন্টমার্টিন এর ম্যাপ দেখেন আর যে প্রান্তে সর্বাধিক মৃত্যু ঘটে তা দেখেন তবে দেখবেন, সেন্টমার্টিনের মাথা বা কোনার দিকের এই ঘটনা বেশি ঘটে। বিস্তারিত ২ নাম্বার ছবিতে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের একটা ছবি যেইটায় একটা কোনার মত অংশ বেরিয়ে আছে।

বাংলাদেশের সাথে পৃথিবীর অন্য সৈকতের মানুষ মারা যাওয়ার একটা পার্থক্য হলো, ভাটার সময় কোন দেশে আপনাকে নামতেই দিবেনা। কিন্তু, বাংলাদেশে অনেক মানুষ, ভাটার সময় পানিতে নেমে ভেসে যায়, এই অজ্ঞানতার কারনে অনেক জীবন বিনষ্ট হচ্ছে। এই জন্যে কক্সবাজার বা কুয়াকাটায় যাওয়ার আগে গুগল করে। জোয়ার ভাটার সময় জেনে যেতে পারেন।

ভাটার সময় মানুষের ভেসে যাওয়া বাদেও আর একটা বিপদজনক ইস্যু আছে। যেটা সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা অনেক কম।
একে বলা হয়, রিপ কারেন্ট। সোজা বাংলায় আমরা সুবিধার জন্যে এর নাম দিতে পারি উলটো স্রোত।
সমুদ্র সৈকতে ৮০% মৃত্যু এই রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের জন্যে হয়। এমনকি অস্ট্রেলিয়াতেও প্রতি বছর গড়ে ২২ জন মারা যায় রিপ কারেন্টের কারণে।

আমাদের দেশেও সমুদ্র সৈকতে যেই সব মৃত্যু হয়, তার বেশীর ভাগ এই রিপ কারেন্টের জন্যেই হওয়ার কথা। এবং সেন্টমার্টিনের মাথার দিকে যে সরু অংশ তাও রিপ কারেন্টের একটা বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে।
🚩রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতঃ
এইটা এক ধরনের ঢেউ যা সমুদ্রের তটে ধাক্কা খেয়ে, উল্টো দিকে প্রবাহিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে, এই ধাক্কা খেয়ে ফিরে যাওয়া ঢেউ বাতাসের কারনে বা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে চিকন একটা পথ ধরে, সমুদ্রে ফিরে যেতে পারে। এবং এর ফলে সেই সরু পথে যদি কেউ থাকে তবে ঢেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে গভীর সমুদ্রে নিয়ে ফেলতে পারে। এই সরু পথের ঢেউটাকেই বলা হয়, রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত।

এইটা যে কোন স্থানে হতে পারে। যে কোন সমুদ্রে হতে পারে, কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারনে নিয়মিত রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত নিয়মিত হতে পারে।
🚩কিভাবে রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত চিনবেন ?
রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের একটা ভয়ঙ্কর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এইটা দেখতে মনে হয় খুব শান্ত। এবং উপর থেকে একে গাঢ় নীল দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের সময়ে দেখবেন কিছু না কিছু ভেসে সাগরের দিকে যাচ্ছে বা আশে পাশের ঢেউ এর মধ্যে ঢেউ এর মাথা দেখা যাচ্ছে না। ছবিগুলো খেয়াল করেন, রিপ কারেন্ট যখন প্রবাহিত হয় তখন সে ফেরার পথে ঢেউয়ের মাথা ভেঙ্গে দেয়।

ফলে সেই স্থানটা বেশী শান্ত দেখায়।
🚩উল্টো স্রোতে কিভাবে বাঁচতে হবে ?
যারা সাঁতার জানেন তারা রিপ কারেন্টে পড়লে, উলটো দিকে তীরের দিকে না গিয়ে সৈকতের সমান্তরাল ভাবে উলটো স্রোত থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। কারণ, সাগরের স্রোত যখন টান দিবে তখন শক্তি দিয়ে স্রোতের বিপরীতে ফেরা যাবেনা।
🚩কয় ধরনের রিপ কারেন্ট আছে ?
তিন ধরনের রিপ কারেন্ট আছে। একটা ফিক্সড আর একটা হঠাৎ আর একটা টপোগ্রাফিক যার মধ্যে অন্যতম একটা হচ্ছে হেডল্যান্ড এর কারনে রিপ কারেন্ট। ফিক্সডটা হয় কিছু কিছু এলাকায় যেমন যেইখানে ব্রিজ আছে, যেইখানে কোন গভীর গর্ত আছে। হঠাৎ যেইটা হয়, সেইটা যে কোন জায়গায় বাতাসের কারনে হতে পারে।

🎯সেন্ট মার্টিনের এই অংশটা একটা হেডল্যান্ড বৈশিষ্ট্যের এলাকায় যেইখানে রিপ কারেন্ট ঘন ঘন হবে প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে।
কারণ বাতাসের কারণে দুই দিকের পানি ধাক্কা দিয়ে এর মাথায় বা তার দুই পাশেই একটা রিপ কারেন্ট তৈরি করতে পারে। এইটা একটা মৃত্যুফাঁদ। এইখানে প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে অনেক বড় বড় চ্যানেল তৈরি হয়েছে যেইগুলো দিয়ে ঘন ঘন উল্টো স্রোত বা রিপ কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার চান্স বেশী। যা শান্ত পানি দেখে নামা পর্যটকদের ভাসিয়ে নিয়ে যায়। তাই অবশ্য জেটি ঘাটে নেমেই উত্তরের বিচে ছবিতে চিহ্নিত স্থানে ভুল করেও নামতে যাবেন না। যদিও সেন্টমার্টিন এর পানিতে নামার জন্য সব থেকে আকর্ষণীয় বিচ উত্তর বিচ। কিন্তু উত্তর-পূর্বের এই অংশেই আছে ভয়ংকর রিপ কারেন্ট। সেন্টমার্টিনের এলাকাবাসি জানে এই এলাকায় সাঁতার কাটতে নাই। তাই সামনে কাউকে দেখলে এরা মানা করে। কিন্তু সেইটা সবার জানার সুযোগ হয় না। এই ভাবেই সামান্য অসাবধানতার কারণে অনেক পর্যটক মারা যায়।

সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে হেডল্যান্ড ধরনের টপোগ্রাফিক রিপ কারেন্ট কিন্ত নিয়মিত একটা বৈশিষ্ট্য। এই স্থানে যদি একটা মৃত্যুও ঘটে আমরা তাকে দুর্ঘটনায় বলতে পারিনা। এইগুলো হয় আত্নহত্যা নয়তো হত্যার পর্যায় পড়ে। কারন আমাদের সকলের উচিত এসকল স্থান সম্পর্কে জানা ও অন্যকে জানানো। যাতে না জানার জন্য আর কোন মৃত্যু না হয়।

বলে রাখা ভালো রিপ কারেন্ট পৃথিবীর সব সৈকতে হয় এবং এই জন্যে সতর্কতা নিতে হয়। রিপ কারেন্টের ভয়ে সমুদ্রযাত্রা বন্ধ করার দরকার নাই। কিন্তু সতর্কতা গুলো নিতে হবে।
* দেশবাসী ট্যুরে যান, ট্রেকিং এ যান। যেখানে মন চায় যান, যেভাবে মন চায় যান। কিন্তু প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কিছুই করবেন না প্লিজ *

লেখা ও ছবি সংগৃহীত

29/12/2024

#সন্ধ্যাকূড়া রাবার বাগান
#নলকূড়া ঝিনাইগাতি শেরপুর

04/12/2024


30/11/2024

#করমজল
#সুন্দরবন


Address

Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 08:00 - 18:00
Tuesday 08:00 - 18:00
Wednesday 08:00 - 18:00
Thursday 08:00 - 18:00
Friday 08:00 - 18:00
Saturday 08:00 - 18:00
Sunday 08:00 - 18:00

Telephone

+8801911261881

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Foster ECO Tourism posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Foster ECO Tourism:

Share