Mashiat & Firoj Lifestyle Blog

Mashiat & Firoj Lifestyle Blog সদা প্রবল আনন্দে থাকা দুটো মানুষের জী?

 #হাওড়ে_ভ্রমণ_২০২২ #নিকলী_মিঠামইন_ইটনা_অষ্টগ্রাম #হাওড়ে_একদিনঅনেক বছর ধরেই ইচ্ছা ছিল ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম মহাসড়ক দেখার...
19/08/2022

#হাওড়ে_ভ্রমণ_২০২২
#নিকলী_মিঠামইন_ইটনা_অষ্টগ্রাম
#হাওড়ে_একদিন

অনেক বছর ধরেই ইচ্ছা ছিল ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম মহাসড়ক দেখার। ব্যাটে বলে মিলছিলোনা দেখে আর যাওয়াই হচ্ছিলো না। অবশেষে ১ দিনের বন্ধে হুট করেই কাঁথা-বালিশ গুছিয়ে রওনা দিলাম কিশোরগঞ্জের পথে। কিভাবে গেলাম কেমন দেখলাম সেটাই আজ লিখে রাখছি।

যাতায়াতঃ
আমরা প্রাইভেট কার রিসার্ভ করে গিয়েছি এসেছি।১৭ তারিখ রাত ১১ টায় রওনা দিয়ে ভোর ৩ টায় পৌঁছিয়েছি।আবার ১৮ তারিখ রাত ১ টায় রওনা দিয়ে ভোর ৪ টায় পৌঁছাতে পেরেছি। যাওয়ার দিন রাস্তায় কয়েক দফা থামায় ১ ঘন্টা লেগেছে। মূলত ঢাকা-কিশোরগঞ্জ ৩ ঘন্টার মধ্যেই পৌঁছানো যায়। আপনারা চাইলে ট্রেনে যেতে পারেন আবার মহাখালী আর সায়েদাবাদ থেকে বাস ছাড়ে, বাসেও যেতে পারেন।

হাওড় ভ্রমণঃ

কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও ইটনা উপজেলার প্রায় সবটুকু এলাকাজুড়ে বিস্তৃত নিকলী হাওর। হাওড়ের মধ্যে মধ্যে আছে ছোট্ট ছোট্ট দ্বীপের মতন গ্রাম। ২-৩ টা বাড়ি নিয়ে একটা ছোট্ট পাড়া আর কি! আর হঠাৎ হঠাৎ করেই চোখে পড়ে অর্ধ ডোবা হিজলের সারি। জুন- আগস্ট হাওড় দেখার ভালো সময়। কিন্তু আমার সফরসঙ্গী পানি ভয় পাওয়ায় এবং সাম্প্রতিক কালে সিলেটের বন্যার ভয়াবহতা দেখে সে ঠিক করেছে যখন পানি অনেক ও না আবার অল্প ও না এমন সময়ে হাওড় দেখবো। তবে ভরা বর্ষার মধ্যে হাওড় দেখার মজাই আলাদা।তা যাই হোক, আমরা সি এন জি ভাড়া করে কিশোরগঞ্জ শহর থেকে প্রথমে গিয়েছি নিকলী জিরো পয়েন্টে। সেখান থেকেই নৌকা নিয়ে আপনি চাইলে মিঠামইন যেতে পারবেন কিন্তু সময়সাপেক্ষ হওয়ায় আমরা ওখান থেকে আর যাইনি। ফিরে এসেছি বালিখলা ঘাটে। সি এন জি তে ঘুরে ঘুরে যেতে ৪০-৪৫ মিনিট সময় লেগেছে রাস্তা কিছু ভাঙা থাকায়। বালিখলা এসে আমরা বড় ট্রলার রিসার্ভ করে নিয়েছি। আসা যাওয়া ২০০০/- টাকায় ভাড়া করেছি। এরপর শুরু হলো আমাদের মূল হাওড় ভ্রমণ। ঝকঝকে আকাশ, চারিদিকে অথই পানি,দিগন্ত জোড়া সবুজের মাঝে হাওড় দেখতে অসাধারণ। বালিখলা থেকে মিঠামইন যেতে ১ ঘন্টা মতন লাগে। আমরা মিঠামইন পর্যন্ত ট্রলারে গিয়েছি। এরপর মিঠামইন উঠেই আমরা অটো রিসার্ভ করে নিয়েছি অষ্টগ্রাম জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত। আসা যাওয়া ৩০০/- টাকায় ঠিক করেছি। মিঠামইন থেকে হাতের ডানে অষ্টগ্রাম আর বায়ে ইটনা। অটোচালক মামা বললো ইটনার রাস্তায় ঘরবাড়ি পাবেন আর অষ্টগ্রামের রাস্তায় শুধু হাওড় আর হাওড়। তাই আমরা ঠিক করলাম অষ্টগ্রামেই যাই। এরপর শুরু হলো ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে চলা। পুরো দৃশ্যটা স্বর্গীয় লাগছিলো। ক্ষণে ক্ষণে আকাশ রঙ বদলাচ্ছিলো, সেই সাথে হাওড়ের পানির ঢেউ। একদম অষ্টগ্রাম বাজারের আগের পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত গিয়ে আমরা ফিরে এসেছি। এখানে বলে রাখা ভালো আপনারা চাইলে ট্রলার নিয়েই আপনারা সম্পূর্ণ নিকলী-মিঠামইন-ইটনা-অষ্টগ্রাম ঘুরতে পারেন,একদম সারাদিন হাওড়ে কাটাতে খুব একটা খারাপ লাগবেনা। আমরা 2 in 1 ট্যুর করতে চেয়েছি তাই হাফ ট্রলার হাফ অটো নিয়ে ঘুরেছি। আর ছাতিরচর এ যেতে ভুলবেন না যেন! এটা অনেক টা রাতারগুলের মতন, সারি সারি করচের বন। আপনি নৌকা নিয়ে আগাবেন আর গলা ডোবানো গাছের সারি দেখতে দেখতে যাবেন।

খাবারঃ
নিকলীতে আসলে তেমন নামকরা কোন ভালো হোটেল নেই। ছোট ছোট খাবারের হোটেল আছে। হাওড়ের মাছ খেতে পারবেন তাতে। তাছাড়া জিরোপয়েন্ট গুলাতে ফুচকা-চটপটি-আইসক্রিম সহ স্ট্রীট ফুড পাবেন হালকার উপর ঝাপসা।

দর্শনীয় স্থানঃ

মূলত কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন গুলো হলো বাংলার বারো ভুঁইয়াদের অন্যতম ইশা খাঁর বাড়ি, প্রথম বাঙালি মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর শিবমন্দির, ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ, ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ, মহামান্য রাষ্ট্রপতি এডভোকেট আবদুল হামিদ এর পৈতৃক নিবাস, ৪০০ বছরের পুরোনা পাঁচ গম্বুজ বিশিষ্ট কুতুবশাহ মসজিদ আর হাওড়ের মধ্যে ছাতিরচর গ্রাম ইত্যাদি ঘুরতে পারবেন। হালের ফ্যাশনে মিঠামইনে চেয়্যারম্যান গেস্ট হাউজ আর হাওড়ের মধ্যে প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট চালু হয়েছে। বলে রাখা ভালো শীতকালে যখন হাওড়ে পানি থাকেনা তখন প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট এ আপনি অটো করে যেতে পারবেন তবে পানির সিজনে ওখানে যেতে চাইলে নৌকা করে যেতে হবে।

তো এই ছিলো আমাদের হাওড় ভ্রমণ। একদিনের মধ্যেই দেখে ঘুরে ফিরে আসতে পারা যায় দেখে ভাবলাম বাসায় বসে শুয়ে বসে পার না করে একটু প্রকৃতির কাছে কাটিয়ে আসি। কারণ আমি বিশ্বাস করি যত আপনি প্রকৃতির সাথে সময় কাটাবেন তত মন সতেজ থাকবে,মনের মধ্যে পজিটিভিটি গ্রো করবে, ভালো কাজে মন বসবে আর খারাপ চিন্তা ভাবনা থেকে দূরে থাকতে পারবেন।❤️

 #হাওয়া #বাংলাদেশি_সিনেমা_২০২২ #চঞ্চল_চৌধুরী #নাসিরউদ্দীন_খান #শরীফুল_রাজ #নাজিফা_তুশি #মেজবাউর_রহমান_সুমন #সাদা_সাদা_কা...
29/07/2022

#হাওয়া
#বাংলাদেশি_সিনেমা_২০২২
#চঞ্চল_চৌধুরী
#নাসিরউদ্দীন_খান
#শরীফুল_রাজ
#নাজিফা_তুশি
#মেজবাউর_রহমান_সুমন
#সাদা_সাদা_কালা_কালা
্পয়লার_রিভিউ

মুক্তির প্রথম দিনই সিনেমাহলে গিয়ে দেখে আসলাম "হাওয়া"। সিনেমা নিয়ে বলার শুরুতেই বলতে চাই হাওয়া নিয়ে মানুষের উন্মাদনার কথা! একে তো চঞ্চল চৌধুরী,নাসিরউদ্দীন খান আর শরীফুল রাজের পর্দায় তুমুল জনপ্রিয়তা তার উপর "সাদা সাদা কালা কালা" গান নিয়ে বেশ কদিন ধরেই মানুষ ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত উপরি পাওনা শুক্রবার রিলিজ; টিকেট না পাওয়ার যত কারণ লাগে সবই আছে এই সিনেমায়! বাংলাদেশী সিনেমা নিয়ে যখনই মানুষের উত্তেজনা ঝিমিয়েই পড়েছিলো বলতে গেলে ঠিক তখনই ২০২২ সালের সিনেমা গুলো বাজি মেরে দিলো! ঠিক কতওওওওদিন পরে বাংলাদেশী সিনেমা আমাদের এভাবে হলমুখী করলো গুণে বলতে পারবোনা! ৫ দিন আগে টিকেট কেটে আজ দেখতে হয়েছে। আজকে যারা আগে থেকে টিকেট না কেটে এসেছিলেন সিনেমা দেখতে কেউই বলতে গেলে দেখতে পারেন নি যদি খুব ভুল বলে না থাকি! এই জিনিসটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দিয়েছে।

এবার আসি হাওয়ার কথায়। রূপকথার গল্পের আলোকেই মূলত চিত্রনাট্যটা সাজানো।গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে আসা মাঝিদের জীবনযাত্রা আর তার সাথে জড়িয়ে যাওয়া এক রহস্যময়ী মেয়ের কাহিনী নিয়েই সিনেমাটা। মূল টুইস্ট খুব সাধারণ হলেও অসাধারণ ভাবে চিত্রনাট্য লেখা হয়েছে। সিনেমার ইন্টারভ্যালের আগ পর্যন্ত ছিল কিছুটা হাস্যরস আর কিছুটা রহস্যের বুনন।ইন্টারভ্যালের পর থেকেই মূলত টুইস্ট খুলতে শুরু করে আর পরিণতির দিকে আগাতে থাকে। আমি ভেঙে ভেঙে কিছু বিষয় নিয়ে বলবো।

ডায়লগ,সাউন্ড,সিনেমাটোগ্রাফি:

এই সিনেমার সংলাপ গুলো চমৎকার লেগেছে,হাস্যরসাত্মক সংলাপ আছে অনেক। কখন কার কি বলতে হবে,কোন চরিত্রের সাথে কোন ডায়লগ মানায়, গালিগুলোও এমনভাবে দেয়া যা আমাদের সাধারণ মানুষের কাছে তা অশোভনীয় মনে হলেও জেলেদের জীবনে এগুলো খুবই সাধারণ বুলি! শুধুমাত্র সমুদ্রের দৃশ্য দিয়েই এই সিনেমা মানুষের মন কেড়ে নিতে পারবে, এখানে না আছে কোন বিদেশী স্পট(!) , না আছে অন্য কোন স্পটের কিছু! যতদূর চোখ যায় গভীর সমুদ্র! কালার গ্রেডিং যথেষ্ট ভালো ছিল যার কারণে সমুদ্র অনুভব করতে পারবেন। যার ভালো ও লাগবেনা সেও কালার গ্রেডিং এর প্রশংসা করতে বাধ্য হবে! সবার মেক ওভার বিশেষ করে আমাদের চান মাঝি চঞ্চল চৌধুরীর টা তো সেই রকম ছিল! দাঁত গুলা কি, বাবাহ! এক জায়গায় বসে মাত্র একটা গান আর অল্প কিছু মারামারি দিয়েও কি চমৎকার ভাবে একটা সিনেমা দাঁড় করানো যায় মেজবাউর রহমান সুমন তা দেখিয়ে দিলেন! তবে শেষ টা আরেকটু অন্য কিছু করা যেত কি? ছোট গল্পের মতন লাগলো খানিকটা ,"শেষ হইয়াও হইলো না শেষ! "

অভিনয়:

এই সিনেমার সবচেয়ে শক্তিশালী দিক এর অভিনয়। প্রত্যেকটা চরিত্রের অভিনয় সুন্দর। খুব ছোট্ট অংশ ও যাকে দেয়া হয়েছে সেও মনে হয় জান ঢেলে দিয়েছে। সিনেমার কিছু দৃ্শ্যের অভিনয় দেখে আমার মনেই হয়নি এটা সিনেমা চলছে,মনে হয়েছে সত্যি সত্যি কোন ফিশিং ট্রলারের উপর ক্যামেরা ফিট করে দিয়েছে! চঞ্চল চৌধুরীর অভিনয় নিয়ে বলার কিছু নেই,১০০ তে ১০০...এই সিনেমার মূলই সে।শরীফুল রাজের অভিনয় পোক্ত তবে তার চরিত্র রহস্যময়ী নারীর সাথে জড়িয়ে যাওয়ায় vital মনে হলেও এটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়।সুমন আনোয়ার ও অল্প দৃশ্যে থাকলেও ফুটিয়ে তুলেছে তার গুরত্ব।কিন্তু নাসিরুদ্দিন খান! ভাইরে ভাই! এ কে রে ভাই! এ কোথা থেকে এসেছে! এ তো বাংলাদেশের নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী! গ্ল্যামারলেস বস! অভিনয় কি রে এর! মূলত হাস্যরসাত্মক অংশগুলো নাসির ভাই এরই অবদান! ইঞ্জিনরুমে তার ছড়াটা অশ্লীলতা ছাপিয়ে গিয়ে কমেডিতে রুপ নিয়েছে! তাকে আরেকটু গুরুত্ব দেয়া যেত মনে হয়! তবে তাও ঠিক আছে। আর নাজিফা তুশির কাজ এই প্রথম দেখলাম। যেটুকু রহস্য তার থাকার দরকার ছিল মোটামুটি ভালোই তুলে ধরেছে।তবে চর্চায় কি না হয়। নিশ্চয়ই আরো ভালো হবে সামনে সেই সম্ভাবনা তার আছে। সবার ডায়লগ ডেলিভারি অস্থির লেগেছে।

নেগেটিভ কিছু কথা:
সিনেমার প্রথম অংশ অনেকের কাছে একটু স্লো মনে হবে যেমন আমার কাছে লেগেছে। কিছু কিছু জায়গায় দীর্ঘায়িত না করে আরেকটুশ খানি স্পিড দেয়া যেত! যেদিকে তাকাই শুধু সাগর এটা অনেকের কাছে একটু বিরক্তিকর মনে হতে পারে! তবে নদীর অঞ্চলের মেয়ে আমি ,আমার ভালোই লেগেছে! এরপর আরেকটা জিনিস হলো, টুইস্ট টা একদম ফট করে দিয়ে দিসে! এইটার দৃশ্যায়ন থাকলে ভালো হতো! মোস্ট ইম্পর্ট্যান্টলি অশ্লীলতা তেমন না থাকলেও বেশ কিছু গালাগালি আছে ,বিপ ইউজ করা হয়নি তাই বাচ্চাদের নিয়ে দেখতে যাওয়ার আগে একটু ভেবে নিবেন!

পার্সোনাল রেটিং: ৯/১০
সামনে আরো ভালো করার সুযোগ আছে তাই ১ নিজের পকেটে রাখলাম।

এরচেয়ে ভালো বাংলাদেশি সিনেমা হয়নি এটা বিতর্কিত কথা! আমাদের বরং বলা উচিৎ এরকম ভালোমানের বাংলাদেশি সিনেমা আরো হোক।বাংলাদেশি সিনেমার জয় হোক।দেশী সিনেমা সবাই হলে গিয়েই দেখি।❤️

এডিটেডঃ যারা সিনেমা না দেখে শুধু কাহিনী জানতে চান তাদের জন্যে বলছি, "চঞ্চল চৌধুরীর ছেলে শরীফুল রাজ যার প্রেমিকা নাজিফা তুশি। কিন্তু তুশির বিরাট মাছ ব্যবসায়ী বাবা গরীব রাজকে মেনে নেন নি,শেষ পর্যন্ত বিসিএস ক্যাডার ছেলের সাথেই বিয়ে দিয়ে দেয়!" 😜😜😜

 #কক্সবাজারে_কয়দিন ❤️ #পার্ট_৩আজকের পার্টে আমি শুধু খাবারের রিভিউ দিবো। ৪.৫ দিনের ট্যুরে আমরা প্রতিবেলায় চেষ্টা করেছি নত...
17/07/2022

#কক্সবাজারে_কয়দিন ❤️
#পার্ট_৩

আজকের পার্টে আমি শুধু খাবারের রিভিউ দিবো। ৪.৫ দিনের ট্যুরে আমরা প্রতিবেলায় চেষ্টা করেছি নতুন নতুন রেস্টুরেন্টে যেতে,সেখানের ফুড এক্সপ্লোর করতে। আমরা শুধু একটা রেস্টুরেন্টে দুইবার গিয়েছি বাকিসব গুলায় একবার একবার করেই গিয়েছি। আমরা মোটমাট কোথায় কোথায় খেয়েছি তা বলছি।
১. পেবল স্টেশন
২. পালংকি রেস্টুরেন্ট
৩. কোরাল স্টেশন
৪. মারমেইড বীচ রিসোর্ট
৫. শালিক রেস্টুরেন্ট
৬. প্রাসাদ প্যারাডাইস
৭. নিসর্গ হোটেল
৮. পৌষী রেস্টুরেন্ট
৯. ওশ্যেন প্যারাডাইস
১০. ঢাকা এবং কক্সবাজারের এয়ারপোর্ট লাউঞ্জে।...

৪.৫ দিনে এর চেয়ে বেশি খাবার আর রেস্টুরেন্টে যাওয়া সম্ভব হয়নি!...😜

প্রথমেই আসি এয়ারপোর্ট লাউঞ্জের কথায়। নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড (প্লাটিনাম/গোল্ড/ভিসা) হোল্ডার দের জন্যে দুই এয়ারপোর্টের ই দোতলায় চমৎকার লাউঞ্জ আছে। সেখানে আপনি free of cost snacks buffet পাবেন। খাবারগুলো বেশ ভালো, বাসা থেকে খেয়ে বের হতে না পারায় আমরা দুইজনই ব্রেকফাস্ট করে নিয়েছিলাম লাউঞ্জে বসে।

এরপর আসি যে দুই হোটেলে থেকেছি সেখানের খাবার নিয়ে। দুই হোটেলেই আমরা শুধু ব্রেকফাস্ট করেছি। পেবল স্টোনের ব্রেকফাস্টে পরোটা,ডিম,সবজি,খিচুড়ি, মুরগী ভুনা,আপেল,সেমাই,১টা জ্যুস,পানি ছিল। খাবার একেবারেই চলে টাইপ। আমি শুধু অল্প একটু খিচুড়ি আর জ্যুস খেয়েছিলাম। আইটেম poor, বারবার নিয়ে খাবেন সেরকম কিছুই না!...রান্নাও একদম এভারেজ!..খাবার জায়গাটাও অত পরিষ্কার লাগেনি! তুলনামূলক নিসর্গ হোটেলের খাবার খুব ভালো। সেখানেও মেন্যুতে স্যুপ,পরোটা,খিচুড়ি, সালাদ,অমলেট,সবজি,মুরগী ভুনা,মুরগীর লটপটি,জ্যুস,ফ্রুটস, সেমাই/পায়েস ছিল। খাবার ভালো ছিল, রান্না ভালো লেগেছে। খাবার মজা প্লাস পরিষ্কার রেস্টুরেন্ট।

এখন আসি পালংকি রেস্টুরেন্টে, ইনানী বীচ থেকে টেকনাফের দিকে যেতে ১৫-২০ মিনিট দূরত্বে। রেস্টুরেন্ট টা নিচতলা,ছিমছাম,সামনে সিটিং স্পেস আছে। বসে সাগরের ঢেউ দেখতে দেখতে খেতে পারবেন। খাবার মোটামুটি রিজন্যাবল আর যথেষ্ট মজা। এরকম খাবার আমি "ভোজ কোম্পানি" নামের এক কলকাতার রেস্টুরেন্টে খেয়েছি এজন্যে একেবারে out of the world বলতে গিয়েও বলতে পারলাম না! নইলে আর কোথাও এমন টেস্টের খাবার পাইনি কখনো। আমরা অষ্টভুজা ভর্তা থালি,পাহাড়ি মোরগ ভুনা,ঘন ডাল,ভেটকি পাতুরি,কুলফি নিয়েছিলাম। মেন্যুচার্ট দিয়ে দিয়েছি। খাবার যথেষ্ট ভালো লেগেছে,ওয়েটারদের ব্যবহার ও চমৎকার। এসি একদম ঠান্ডা হলে ১০/১০ দিতাম,এসি ঠান্ডা হচ্ছিলো না দেখে ১০/৯.৫ দিলাম।

এরপর আসি ইনানী থেকে কিছুটা দূরে পাটুয়ারটেকের পাশেই Coral Station এ। এই রেস্টুরেন্ট নিয়ে অনেক নেগেটিভ রিভিউ শুনেই আমরা গিয়েছিলাম। খাবার ভালোনা,দাম বেশি এসব শুনেই গিয়েছি! অবাক করা হলেও এটাই সত্যি এই ৪.৫ দিনে একটা রেস্টুরেন্টেই আমরা double time খেয়েছি। আমাদের দুইজনের কাছেই এখানের খাবার এতগুলা রেস্টুরেন্টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। আর দাম ও অনেক বেশি লাগেনি। প্রথমত মাছের দামই বেশি, দ্বিতীয়ত ওদের রান্না যথেষ্ট ভালো, তৃতীয়ত খাবারের কোয়ানটিটি বেশি, চতুর্থত ambience অনেক বড় একটা ব্যাপার।...সব মিলিয়েই কিন্তু দাম ধার্য্য করা হয়। সেসব মিলিয়ে আমাদের কাছে ভালো মনে হয়েছে। প্রথম দিন ওরা একটু ফাঁকা ছিল, দ্বিতীয় দিন ওরা ট্যুরিস্ট এর লোডে পিষ্ট ছিল, তবুও সার্ভিস ভালো দিয়েছে। ওদের দামের হিসাব প্রতি ১০০ গ্রাম হিসাব করে, সেই হিসাবে ৫০০ গ্রামের নিচে ওদের মাছই হয়না, ওই হিসাব করে অনেকে প্রাইস বেশি বলতে পারে কিন্তু এটা মূলত সীফুড আর স্টেকের রেস্টুরেন্ট, সাথে আহ্লাদ করে ভাত ভর্তা রেখেছে। তাই যাদের বিভিন্ন স্টেক হাউজ আর সীফুড রেস্টুরেন্টে যাওয়া হয় তারা দাম জাস্টিফাই করতে পারবেন। আর ছবি তুলতে পারবেন প্রচুর।জায়গাটা খুবই সুন্দর। সন্ধ্যায় ভালো ছবি আসবে,অনেক লাইটিং আছে।

এরপর আসি শালিক রেস্টুরেন্টে। খুবই হাইপড একটা রেস্টুরেন্ট। খাবার অনেক ভালো এমন না, ভর্তাগুলাও ভালো লাগেনি,খুবই ড্রাই লেগেছে। লইট্টা ফ্রাই আর রূপচাঁদা ফ্রাই ছিল ভালোই। ড্রাগন ফ্রুটের জ্যুস খেয়েছিলাম, ড্রাগন ফ্রুট কম স্ট্রবেরি আইসক্রিম বেশি মনে হয়েছে। বাকি খাবার এভারেজ।টেবিল শেয়ার করে বসতে হবে,ভিড় অনেক।

এইবার পৌষী রেস্টুরেন্টের পালা। এখানে তো ভিড়ের শেষ নেই। সেইসাথে নকলের ও শেষ নেই। আসল পৌষীর পোস্টারের ছবি দিলাম যাতে কেউ নকল টায় যেয়ে ধরা না খান। খাবার ভালো। ভর্তাভাজির প্ল্যাটার আছে। ভালো ছিল টেস্ট। রূপচাঁদা ফ্রাইটাও ফ্রেশ। চিংড়ি ভুনা ভালো লেগেছে। ওরা একটা আচার দেয় বড়ই এর, খেতে টেস্টি। ওদের ফ্রুট কাস্টার্ড টাও ভালো ছিল। সব মিলিয়ে ওদের খাবার যথেষ্ট ভালো।এখানেও টেবিল শেয়ার করে বসতে হবে,ভিড় অনেক।

প্রাসাদ প্যারাডাইসের রিভিউ তে আসি। প্রচুর ভিড়, বেশ বড় জায়গা নিয়ে রেস্টুরেন্ট। খাবারের দাম তূলনামূলক কম, রেড স্ন্যাপার গ্রিল খেয়েছিলাম, এভারেজ লেগেছে। আহামরি অনেক ভালো তা না, তবে দাম অনুপাতে ভালোই। টেস্ট করে দেখতে পারেন।ওদের সার্ভিস ফল করে মে বি পিক টাইমে,কারণ অনেকে কাস্টোমারই বসে থেকে বিরক্ত হয়ে না খেয়ে চলে গেসিলো!...

এখন বলি মারমেইড বীচ রিসোর্ট এর খাবারের কথায়!...ভাই! এখানের খাবার নিয়ে লিখতেও আমার ভয় লাগতেসে! মনে হচ্ছে লিখতে গেলেও বিল ধরায়ে দিবে!...খাবার যথেষ্টই এক্সপেনসিভ!...আমরা কিন্তু অনেক সীফুড রেস্টুরেন্টে গিয়েছি কক্স এবং ঢাকা দুই জায়গাতেই, সুতরাং কোথাকার খাবারের সাথে দামের জাস্টফিকেশন আছে সেটার মোটামুটি আইডিয়া আছে। এখানের খাবার ভালো না আমি তা বলছিনা, এভারেজ টেস্ট। আমরা যা অর্ডার করেছি তার ছবি দিয়েছি,আমাদের বিল ছিল ৩২০০+। মেইন কোর্সের জন্যে এই প্রাইস ঠিক আছে কিন্তু আমরা নিয়েছিলাম এপেটাইজার!..আমার কাছে এতগুলা রেস্টুরেন্টের সাপেক্ষে এক্সপেন্সিভ লেগেছে,সবার কাছে নাও লাগতে পারে। রাতের বেলা গেলে ছবি তুলবেন সুন্দর সুন্দর। Ambience ভালো লাগবে।

লাস্ট যেটা নিয়ে বলবো সেটা হলো Ocean Paradise. এখানের খাবার ভালো। ব্যুফেতেও যেতে পারেন, পার পার্সন ১৩০০/- আবার রুফটপের বারবিকিউ সেকশনেও যেতে পারেন। আমরা রুফটপে গিয়েছিলাম। দাম অনুপাতে খাবার বেশ ভালো, টেস্ট ও ভালো। পাঁচতারা হোটেলে শুধু খেতে চাইলে সবাইই Ocean paradise এর কথা বলে প্রথমে,এজন্যেই যাওয়া। চাইলে যেতে পারেন। নিরাশ করবেনা ওরা আপনাকে।

এছাড়া রাস্তার পাশে ডাব নিয়ে বসে থাকে,ফুচকা,চটপটি, বাদাম বুট পাওয়া যায়। মেইনস্ট্রীম বীচে না যাওয়ায় আমি স্ট্রীট সীফুড খেতে পারিনি। আরেক বেলা সময় পেলে আমি Sayeman এ খেতে যেতাম, সময়ের অভাবে পারিনি, আপনারা ট্রাই করে দেখতে পারেন।খাবার নিয়ে এই ছিল আমার টোটাল এক্সপেরিয়েন্স। আশা করি মোটামুটি গুছিয়ে বলতে পেরেছি। আপনাদের কারো কাজে আসলে ভালো লাগবে।...ভালোবাসা রইলো।❤️

 #কক্সবাজারে_কয়দিন #পার্ট_২এই পর্বটাতে আমি বীচ,হোটেল নিয়ে কথা বলি। কক্সবাজারে তো হোটেলের কোন অভাব নেই। শত সহস্র হোটেল। আ...
17/07/2022

#কক্সবাজারে_কয়দিন
#পার্ট_২

এই পর্বটাতে আমি বীচ,হোটেল নিয়ে কথা বলি। কক্সবাজারে তো হোটেলের কোন অভাব নেই। শত সহস্র হোটেল। আমার প্ল্যান ছিল মেইন সিটিতে আমি থাকবোনা কারন জ্যাম প্রচুর থাকে পিক টাইমে। ডলফিন মোড় থেকে শুরু করে একদম রেজুখাল ব্রিজ পর্যন্ত টানা ্লম্বা জ্যাম পিক টাইমে! আর ঘোরার জায়গা মূলত মেরিন ড্রাইভ রোডেই তাই থাকতে চেয়েছিলাম মেরিন ড্রাইভ রোডেই কোন জায়গায়। যেহেতু ৪.৫ দিন থাকবো তাই ২ টা হোটেল সিলেক্ট করেছি। একটা ইনানীর দিকে আরেকটা মেরিন ড্রাইভের শুরুর দিকে। তাতে হলো কি আপনি হিমছড়ির পর থেকে টেকনাফ পর্যন্ত একভাগে আবার মেইন শহর থেকে হিমছড়ি পর্যন্ত আরেক ভাগে ঘুরতে পারেন। যাদের হাতে সময় কম তারা ইনানীর দিকেই থাকতে পারেন। কারণ ইনানী বেশ নিরিবিলি ,মানুষ তুলনামূলক অনেক কম।পক্ষান্তরে কলাতলী,সুগন্ধা,লাবণী এই তিন বীচ পয়েন্টের আশেপাশে প্রচুর হোটেল আছে একদম ৫ তারা থেকে শুরু করে এভারেজ লেভেলের সব পাবেন।হোটেলের ব্যাপারে একটা কথা হলো আপনি যদি সারাদিন বাইরেই ঘুরে বেড়ান তাহলে হোটেলে রুম ভিউ তেমন ইমপর্ট্যান্ট না অত!আর যদি শুধু হোটেলেই থেকে রিল্যাক্স করতে চান তাহলে ভালো রুম ভিউ সহ চমৎকার পাঁচ তারা হোটেলগুলা চ্যুজ করতে পারেন। আমাদের জন্যে হোটেল ছিল শুধু রাতে ঘুমানোর জায়গা।তাই একটু রিজন্যাবল প্রাইসে ভালো হোটেল চ্যুজ করতে হয়েছে যেখানে সুপার কমফোর্টেবল বেড, ভালো মানের এয়ার কন্ডিশনার,আর ওয়েল ইকুইপড ওয়াশরুম থাকবে।

মেরিন ড্রাইভের প্রথম হোটেল হলো Exotica Sampan.। পাশে Sinorita রেস্টুরেন্ট,যার হোটেল রেস্টুরেন্টের পেছনে। ১০-২০ কদম সামনে গেলেই Neesorgo Hotel. Exotica তে আমি থাকিনি তাই রিভিউ দিতে পারবোনা। কিন্তু নিসর্গ হোটেলটা হলো এককথায় সিম্পলের মধ্যে গরজিয়াস! ওদের সী ভিউ রুম রেন্ট ৫০০০/- ,হিল ভিউ রুম রেন্ট ৪৫০০/-, হানিমুন রুম রেন্ট ৫৫০০/- ,প্রিমিয়াম রুম গুলাও অন্য হোটেলগুলার তুলনায় বেশ কমই দেখলাম, মোট কথা ফ্যাসিলিটি অনুযায়ী রিজন্যাবল মনে হয়েছে। তবে একটা জরুরি কথা হলো, রেন্ট খুব fluctuate করে। সীজনভেদে ভাড়া চেইঞ্জ হয়।আমি যখন গেসি তখন এই ভাড়া ছিল।এখন কমতেও পারে আবার বাড়তেও পারে!...ভাড়া ফিক্সড না। ২ তলায় রেস্টুরেন্ট,৩-৬ হিল ভিউ, ভাড়া কিঞ্চিৎ কম। ৭-৯ সী ভিউ,প্রিমিয়াম স্যুট ,ভাড়া একটু বেশি। নিচের লাউঞ্জ সিম্পল। ১০ তলায় সুইমিং পুল, ছোট্ট একটা জ্যুস কর্নার,সিটিং স্পেস, বাগান ,পাশে বারবিকিউ লাউঞ্জ,ইনডোর গেমস আর জিম সেকশন আছে। জায়গাটা সুন্দর,ছবি তোলার জন্যে বেশ ভালো। মেইনস্ট্রিম বীচ গুলার ভিড় এভয়েড করতে চাইলে এখানে থাকতে পারেন। আমরা যখন বুক করেছি সব সী ভিউ, হানিমুন রুম বুকড ছিল তাই হিল ভিউ নিতে হয়েছে কিন্তু ৫ তলায় খুব একটা খারাপ লাগেনি কারন দিনভর তো বাইরেই ছিলাম। আর এক্সোটিকা সাম্পানের সামনের জায়গাটা এত সুন্দর! বলার বাইরে সুন্দর। বিকাল বেলায় ওখানে চটপটি,ফুচকা,বাদাম বুট নিয়ে বসে। আবার Sinorita রেস্টুরেন্ট তো আছেই। হালকা স্ন্যাক্স নিয়ে বসে বসে জোয়ারের ঢেউ গুলা দেখতে খুব ভালোই লাগবে!...

এরপর আসি ইনানী বীচের একদম পাশেই থাকা Pebble Stone Resort এর কথায়। যথেষ্ট নিরিবিলি ,ভিউ খুব ভালো। ওদের টা রিসোর্ট টাইপের। দুইটা দোতলা বিল্ডিং, দুই বিল্ডিং মিলে ১৬ টা রুম। 106,107,206,207 এর রুম ভিউ অস্থির। সেড়ের উপর সোয়া সেড় হলো রুম 106.। অস্থির ভিউ!...রুম রেন্ট ৫০০০/-।নিচতলায় একটু কম। ভাড়া কমপ্লিটলি ডিপেন্ড করে সীজনের উপর। ফিক্সড থাকেনা। রুমের ফার্নিচার পছন্দ না হলেও ওদের আন্তরিকতা,পকেট স্প্রিং ম্যাট্রেস আর এসি পুষিয়ে দিয়েছে। কিন্তু যা বুঝলাম ইনানীর দিকে ভাড়া মে বি বেশি সেই তুলনায় মূল শহরে ভাড়া তূলনামূলক কম। এ্টা হতে পারে মূল শহরের ওইদিকে ভালো হোটেল অনেক বেশি এজন্যে।

ডলফিন মোড় থেকে মেরিন ড্রাইভে আসার যে কানেক্টিং রাস্তা টা ভীষণ সরু আর জ্যাম একবার লাগলে ছুটতে চায়না।আর কলাতলী বীচে তো মাশআল্লাহ দিলে মানুষে মানুষে ধাক্কাধাক্কি লেগে যায়!...সে কি বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা! আমি জাস্ট বীচ দেখার জন্যে ৩ বীচেই একদম লাঞ্চ টাইমের পরপরই যখন কেউ থাকেনা ওই সময়ে গেসিলাম, তাও যে পরিমাণ মানুষ দেখসি ভয়েই আর নামিনাই!...চাইলে এই ভিড় এভয়েড করতে পারেন আমার মতন।পরে কবিতা সরণীর বীচে নেমে সাগর তীর ধরে হেঁটে হেঁটে লাবণী বীচ পর্যন্ত আসছিলাম। খুবই চমৎকার ছিল ব্যাপারটা, সূর্যাস্তের আগ দিয়ে ডাবল সীট নিয়ে বসেছিলাম সূর্যাস্ত দেখতে।ঘন্টা প্রতি পার সীট ৩০/- নেয়। ভালো লাগবে ভীষণ । মূল ৩ বীচ এভয়েড করে আশেপাশের বীচগুলায় বসলে ভালো লাগবে বেশি। আমরা কবিতা সরণীর বীচ,এক্সোটিকা সাম্পানের সামনের বীচ,হিমছড়ি উদ্যান থেকে একটু সামনে দরিয়ানগরের ওইখানের বীচে,পাটুয়ারটেক বীচ,কোরাল স্টেশনের সামনের বীচে বসেছিলাম।সীট ছিলনা,পাথর আর GI Pipe bag এর উপর বসেছিলাম।বাতাসে মিনি বালিঝড়ের মতন হয় তাই ফেসমাস্ক আর সানগ্লাস মাস্ট। কক্সবাজারে পানিতে নামতে ভালো লাগার কথা না, প্রচুর বালি! আমার ডাস্ট এলার্জি আছে, আমার অসহ্য লেগেছে। বীচে বসে থাকতেই ভাল্লাগে। পানিতে নামতে চাইলে কলাতলী যেতে পারেন। টমটম চালক মামা বললেন কলাতলী বীচ সেইফ। আমি তো নামিনাই তেমন ,আমি এক্যুরেটলি বলতে পারবোনা।
তো এই গেলো আমার হোটেল আর বীচ এক্সপেরিমেন্স।...খুবই ডিটেইলস লিখছি কারন যাতে সবাই প্রোপার আইডিয়া নিয়ে যেতে পারে।❤️

17/07/2022
 #কক্সবাজারে_কয়দিন...❤️ #পার্ট_১এই পর্বে আমি শুধু আমাদের ক্লথিং আর যাতায়াতের কথা বলবো।প্রথমেই ঠিক করে নিতে হবে আপনার ট্য...
17/07/2022

#কক্সবাজারে_কয়দিন...❤️
#পার্ট_১

এই পর্বে আমি শুধু আমাদের ক্লথিং আর যাতায়াতের কথা বলবো।প্রথমেই ঠিক করে নিতে হবে আপনার ট্যুর আপনি কেমন করে সাজাবেন। আপনি রিল্যাক্সিং ট্যুর চান তাহলে এক জিনিস আর আপনি যদি সবকিছু ঘুরে দেখতে চান তাহলে আরেক জিনিস। আমার ট্যুর ছিল ট্র‍্যাভেলিং মোডের কারণ ১২ বছর পর কক্সে গিয়েছি সুতরাং সবকিছু নতুন আমাদের জন্যে,তাই ঘুরে ঘুরে সবটা দেখতে চেয়েছি। আমি একদম ঈদের পরদিন ১১ তারিখ সকাল ৮.৪০ এর ফ্লাইটে গিয়েছি আর এসেছি আজ অর্থাৎ ১৫ তারিখ ১২.২০ এর ফ্লাইটে। ঢাকা এবং কক্সবাজার দুই জায়গাতেই ফার্স্ট ফ্লোরে এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ আছে। নির্দিষ্ট কিছু ক্রেডিট কার্ড হোল্ডারদের জন্যে স্ন্যাকস ফ্যাসিলিটি আছে। আমার যেহেতু সকাল সকাল ফ্লাইট ছিল তাই লাউঞ্জে বসায় ব্রেকফাস্ট নিয়ে প্রবলেম হয়নি কোন। খুবই বেসিক নলেজ ,ম্যাক্সিমাম মানুষই জানেন কিন্তু তারপর ও মেসেঞ্জা্রে ক্যোয়ারি যেহেতু আসছে তাই ডিটেইলস পোস্ট লিখে দিলাম কারন আলাদা আলাদা রিপ্লাই দেয়া অলমোস্ট ইমপসিবল!
এবার আসি কক্সবাজারে কিভাবে ঘুরবেন? কক্সবাজারে ঘুরতে চাইলে সবচেয়ে সহজ হলো টমটমে করে কোথাও যাওয়া। আপনারা চাইলে গাড়ি/জীপ ও hire করতে পারেন।আমি টমটম hire করে নিয়েছি পুরো সময়ের জন্যে। ইচ্ছেমতন ঘুরেছি,প্রথম ২ দিন রাতে দিনে অন্তত ৩/৪ বার ইনানী বীচ থেকে পাটুয়ারটেক গিয়েছি।একবার শাপলারহাট পর্যন্ত গিয়েছি। ৪ দিনের জন্যে গড়ে দিনপ্রতি ২২০০/- দিয়েছি আর সাথে অল্প কিছু খাওয়া খরচ। Tamara's Kitchen by Tamanna গ্রুপের তামান্না আপুর মাধ্যমে খুব ভালো একজন টমটম চালক মামার সন্ধান পেয়েছি। উনিই সব জায়গায় ঘুরতে নিয়ে গেসেন, আপনারা কেউ গেলে ওনার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। বিশ্বস্ত মানুষ ,উনিই এক প্রকার ট্যুর গাইডের মতন কাজ করেছেন। এমন এমন জায়গায় গিয়েছি যেখানের কথা হয়তো কেউই বলেনি। আমাদের সব ছবিও তুলে দিসেন উনি। কি চমৎকার ছবি তোলেন। ওনার ফটোগ্রাফিক সেন্স খুব ভালো। ওনাকে পেয়ে আমাদের খুবই সুবিধা হয়েছে। এমনিতে কক্সবাজার তো ১০০% সেইফ প্লেস না সেন্টমার্টিনের মতন তাই বিশ্বস্ত লোকের সাথে থাকাটা খুবই দরকার। ওনার নাম তাহের। ফোন নাম্বার : 01302442849. ওনাকে আমাদের কথা বললেই হবে "ডাক্তার আপু আর ভাইয়া" বলেই চেনেন। এই গেলো যাতায়াত ।

এবার আসি ক্লথিং। যেকোন ট্যুরের জন্যে শপিং করতে আমি প্রথমেই যাই বঙ্গবাজার ,নূরজাহান মার্কেট আর বদরুদ্দোজা মার্কেট। আপনারা যদি না চিনে থাকেন এগুলা কোথায় তাহলে মনে করিয়ে দেই বংগ হলো গুলিস্থানে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের পাশে আর বাকি দুইটা ঢাকা কলেজের অপজিটে। এখানে আপনি একেবারে জিরো টু প্লাস সব সাইজের কাপড় পাবেন। নিশ্চিন্তে চলে যাবেন, দামাদামি করতে হবে অনেক আর কেনার সময় অবশ্যই খেয়াল করে কিনবেন কারন এক্সপোর্ট কোয়ালিটির ডিফেক্টেড জিনিসই মূলত থাকে , তাই প্যান্ট বা ট্রাউজার কিনলে এর সেলাই, বাটন, জিপার, পকেট ঠিক আছে কিনা দেখবেন, শার্ট বা টি শার্ট কিনলে সেলাই, বাটন, কোথাও ছেঁড়া আছে কিনা দেখে ভালো করে চেক করে কিনবেন। তাছাড়া সালওয়ার কামিজ যে ৩ টা দেখেছেন সব "Posh N Trendy" by Dr. Prantee গ্রুপের। কোয়ালিটি বেস্ট বেস্ট বেস্ট। আমার ছোট বোন যে কিনা মাত্র ইন্টার দিবে সেও ওড়না ধরে বলতেসে ,"আপু ড্রেস টা কি আড়ং এর?" একেবারে আড়ং কোয়ালিটির বেস্ট লেভেলের ড্রেস পাবেন ওইখানে,একবার কিনলে আর অন্য কোন জায়গা থেকে দেশীয় ড্রেস কিনতে মন চাবেনা!...মিন্ট ম্যাজেন্টা শাড়িটাও Dr-Ulfat Ara Prantee আপুরই। প্রত্যেকটার কোয়ালিটিই খুব চমৎকার। আর জামদানিটা তো আমার দয়িতা কথন by Mashiat এর তা তো জানেনই। মনিপুরীটা Shahanara Sultana আপু গিফট করেছেন। আল আমিন এর পাঞ্জাবিটা আর তার সাথের ট্রাউজার টা কাপড় কিনে বানানো। আমাদের জুতা Apex থেকে কেনা।জুতার জন্যে আমাদের প্রথম পছন্দ হলো এপেক্স। আর আমার বীচ স্যান্ডেল Bata থেকে কেনা, আল আমিনের টা আমার আম্মু সেন্টমার্টিনের কোনো এক বার্মিজ মার্কেট থেকে কিনে দিসিলো।এই হলো কাপড় চোপড়,জুতা স্যান্ডেল নিয়ে বিস্তারিত । আমি এত বিস্তারিত বলেছি এবং বলবো যে কেউ কোনোদিন ও কোথাও যায়নি সেও একদম প্রো লেভেলের ট্যুর দিয়ে আসতে পারবে!...😃 — with ফিরোজ আহমেদ আল আমিন.

 িবাহবার্ষিকী  #২৯জুনবিয়ের প্রতি পাঁচ বছর পরপর আমরা বিবাহ নবায়ন করবো এই চুক্তি হয়েছিলো বিয়ের রাতেই। জীবনে শত সহস্র চুক্ত...
17/07/2022

িবাহবার্ষিকী
#২৯জুন

বিয়ের প্রতি পাঁচ বছর পরপর আমরা বিবাহ নবায়ন করবো এই চুক্তি হয়েছিলো বিয়ের রাতেই। জীবনে শত সহস্র চুক্তি ভঙ্গ করলেও আল আমিন এইটা মন প্রাণ ঢেলে দিয়ে পূরণ করেছে। বিয়েতে ঠিক যে পার্লারে সেজেছিলাম সেখানে পাঠিয়ে দিয়ে নিজে বাসায় বসে এই ক্যারিকেচার করেছে!...বাইরে থেকে এসে রুমে ঢুকে আমি সত্যিই হতভম্ব হয়ে গেসি!...এতখানি প্রত্যাশা করিনি আমি তার থেকে কারন বেশ খটরমটর বিষয়ের বিশেষজ্ঞ হবার যাত্রাকালে তার রোমান্টিসিজম প্রায় পুরোটাই ভোঁতা হয়ে গেসে এই মনোভাব পোষণ করে রেখেছি এতকাল...তার সম্পর্কে আমার ধারণায় যে গলদ আছে তা সে এই চমক দিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে!...ছোট বড় বহু উপহার একে অপরকে বিবাহবার্ষিকীর মাস জুড়ে দিলেও চুক্তিভংগ না করার এই উপহার খানা আজীবন মনে রাখবো!...ভালোবাসা এভাবেই বেঁচে থাকুক দুইজনের মনে, সামনের পাঁচে আবার যেন এমন করেই উদযাপন করার সুযোগ পাই দুজনেই সেই প্রার্থনা থাকলো স্রষ্টার কাছে...❤️

16/07/2022

আমরা যেহেতু খুব ঘুরতে পছন্দ করি, তাই আমাদের ঘুরাঘুরির ছবি আর ট্যুর ডিটেইলস গুলা শেয়ার করবো খুব তাড়াতাড়ি। আপনাদের মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না যেন।...😊

16/07/2022

আস সালামু আলাইকুম। আমরা মাশিয়াত আর ফিরোজ। আমরা দুইজনই পেশায় ডাক্তার পাশাপাশি ছোটখাটো ব্যবসাও আছে আমাদের। দুইজনের প্রতিটা দিনই প্রচণ্ড কর্মব্যস্ততা আর স্ট্রেসে কাটে। তাই দৈনন্দিন রুটিনের একঘেয়েমি আর ক্লান্তি দূর করতে আমরা বাইরে খেতে, ঘুরতে,বেড়াতে পছন্দ করি। আমরা দুইজনই খুব পজিটিভ মানুষ। আশেপাশের কোন নেগেটিভিটি যাতে আমাদের স্পর্শ করতে না পারে সে ব্যাপারে খুবই সচেতন থাকি। আমি লিখতে ভালো বাসি,স্মৃতি কুড়াতে পছন্দ করি। তাই ভেবেছি নিত্যদিনের একঘেয়েমি কাটাতে আমরা যা করি, আমাদের দুইজনের জীবনের সেইসব ইভেন্টের যা কিছু আছে সব এইখানে লিখে রাখবো; যাতে করে আমরা যখন খুব বুড়ো ও হয়ে যাবো, স্মৃতিগুলো আস্তে আস্তে ফিকে হয়ে যাবে তখন ও এই পেইজটার পোস্টগুলো পড়লে সব ভেসে উঠবে চোখের সামনে!..আমাদের কথা যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে এই পেইজটা ফলো করতে পারেন।...সবার জন্যেই আমাদের নিরন্তর ভালোবাসা রইলো। ❤️

Address

Rajarbag
Dhaka
1217

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mashiat & Firoj Lifestyle Blog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share