this is ahad

this is ahad Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from this is ahad, Travel and transport, Dhanmondi, Dhaka.

16/06/2025

True love

16/06/2025

LOVE

06/06/2025
03/05/2025

অল্পর জন্য রক্ষা পেল শত প্রান

03/05/2025

KALATOLI ROAD COX BAZAR

08/03/2025

নতুন কৌশলে প্রতারণা, সতর্ক থাকতে হবে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের
প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কৌশলে সাইবার অপরাধীরা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের বোকা বানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও অর্থ চুরি করছে। সম্প্রতি ‘কল ফরওয়ার্ডিং’ কৌশল কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধীরা ব্যবহারকারীদের ফোন কল অন্য নম্বরে স্থানান্তর করে বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা চালাচ্ছে।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই নতুন কৌশলে দূর থেকে অপরাধীরা ব্যবহারকারীর কল ফরওয়ার্ডিং সেটিংস পরিবর্তন করে দেয়। এর ফলে, ওই নম্বর থেকে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য পরিবর্তন, মোবাইল ওয়ালেট থেকে অর্থ লেনদেন এবং একবার ব্যবহারযোগ্য পাসওয়ার্ড (ওটিপি) নিজেদের নম্বরে সরিয়ে নেয়া হয়। পরিচিত ব্যক্তিরা যখন সেই নম্বরে কল করেন, তখন অপরিচিত কণ্ঠ শুনলেও তারা তা নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে মনে করে, ফলে প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা বুঝতে পারেন না তারা প্রতারিত হচ্ছেন।

কল ফরওয়ার্ডিং মূলত একধরনের টেলিকম সুবিধা যা ব্যবহারকারীদের ফোন কল নির্দিষ্ট নম্বরে স্থানান্তর করে। তবে, সাইবার অপরাধীরা ফিশিং লিংক, অজানা কোড ডায়াল বা ম্যালওয়্যার ইনস্টল করে ব্যবহারকারীদের অজান্তে এই সুবিধা চালু করে দেয়। কল ফরওয়ার্ডিং চালু থাকলে, সংশ্লিষ্ট নম্বরে আসা ফোন কলসহ ওটিপি কোডগুলো প্রতারকদের কাছে চলে যায়, যা তাদের জন্য ব্যক্তির ব্যাংক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা সহজ করে তোলে।

সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, “সিম কার্ড হলো ডিজিটাল অ্যাকাউন্টগুলোর চাবি। সাইবার অপরাধীরা কল ফরওয়ার্ডিং ব্যবহার করে সহজেই আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে পারে।”

এই ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে, স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কল ফরওয়ার্ডিং সুবিধা চালু আছে কিনা তা যাচাই করতে হবে। এজন্য ডায়াল অপশনে গিয়ে * #২১ # ডায়াল করতে হবে। কল ফরওয়ার্ডিং চালু থাকলে, পর্দায় কল স্থানান্তরের নম্বর দেখাবে। যদি নম্বরটি অজানা হয়, তবে দ্রুত # #০০২ # ডায়াল করে কল ফরওয়ার্ডিং বন্ধ করতে হবে। এরপর, ফোনের কল ফরওয়ার্ডিং সেটিংস থেকে সন্দেহজনক নম্বরটি মুছে ফেলতে হবে।

সাইবার অপরাধীদের এই নতুন কৌশল থেকে নিরাপদ থাকতে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।

বৃহত্তর খুলনা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা   গতকাল শুক্রবার (১ নভেম্বর-২০২৪) বিকাল ৪টায় বৃহত্তর খ...
04/11/2024

বৃহত্তর খুলনা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

গতকাল শুক্রবার (১ নভেম্বর-২০২৪) বিকাল ৪টায় বৃহত্তর খুলনা সমিতি, ঢাকার বার্ষিক সাধারণ সভা সমিতির নিজস্ব কার্যালয় মিরপুর সুন্দরবন ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার ‍বিশ্বাস আখতার হোসেন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মো: রেজাউল হক রেজা। এজিএম এর সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ড. মো: সহিদুল ইসলামকে আহবায়ক করে একটি সাব কমিটি গঠিত হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন যথাক্রমে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, আব্দুর রহমান, মাসুম বিল্লাহ, মাহতাব হোসেন মনি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সৈয়দ দীদার বখত ও সাবেক সভাপতি কাজী মাজহার আলী এবং সাবেক সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং ট্রেজারারদের মধ্যে অনেকে।
সমিতির নির্বাহী কমিটির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি অধ্যাপক ডা. বিশ্বাস আখতার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, মো. রেজাউল হক রেজা, কোষাধ্যক্ষ মো. মন্জুরুল হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, কাজী মইনুল হক, সাংগাঠনিক সম্পাদক জনাব শেখ মো. ওয়ালিউল ইসলাম, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জনাব এ্যাড কে এম ফুরকান আলী, দপ্তর সম্পাদক, মো. আব্দুর রহমান, প্রচার সম্পাদক শেখ আব্দুল হান্নান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মাসুম, বিল্লাহ, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে আলহাজ্ব সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, মো. আজিজুল ইসলাম জমাদ্দার, কাজী ছিদ্দিকুর রহমান, হাফেজ সুলতান আহমেদ, এ্যাড মো. শামছুজ্জামান, ড. কাজী মো. মনিরুজ্জামান, এম এ আলম, ড. মো. সহিদুল ইসলাম, মো. খুরশীদ আলম জাহাঙ্গীর, এ্যাড এ এস এম মুস্তাফিজুর রহমান, এ্যাড হুমায়ুন কবির বুলবুল, মো. আফসার আলী, মাহতাব হোসেন মনি, মো: রেজাউল করীম এবং এস এম শাহেদ হাসান। এছাড়াও প্রায় ৫ শতাধিক জীবন সদস্য উপস্থিত থেকে বর্তমান কমিটির কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এদিন ২০২৫-২৬ মেয়াদে নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত ভোটার তালিকা এবং নির্বচনের তফসিল ঘোষনা করা হয়।
তফসিল নিন্মরূপ
নির্বাচন ২০২৫-২০২৬ সদস্য হওয়ার শেষ তারিখ ১৫.১০.২০২৪, মঙ্গলবার
খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ ১৮.১০.২০২৪, শুক্রবার
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫.১০.২০২৪, শুক্রবার
বার্ষিক সাধারণ সভা ০১.১১.২০২৪, শুক্রবার
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলের তারিখ ২৭, ২৮ ও ২৯ নভেম্বর, ২০২৪, বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার; সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত
প্রার্থীর খসড়া তালিকা প্রকাশ ৩০ নভেম্বর ২০২৪, শুক্রবার
প্রার্থীতা প্রত্যাহারের তারিখ ০২ ডিসেম্বর ২০২৪, সোমবার
প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার
নির্বাচন ২০ ডিসেম্বর ২০২৪ শুক্রবার
সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত
নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ ২০ ডিসেম্বর ২০২৪ শুক্রবার বিকালে ভোট গগণা শেষ হলে
অফিস বেয়ারার নির্বাচন ও ফলাফল প্রকাশ ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪ বিকাল ৫টায়
অফিস বেয়ারার নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪ বিকালে ভোট গগণা শেষ হলে
নির্বাচনের স্থান সুন্দরবন ভবন, ৭/৩/এ , বড়বাগ, মিরপুর-২, ঢাকা ১৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত ইসি মিটিং এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০২৫-২০২৬ মেয়াদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন ফি ৫,০০০/- এবং ফরমের মূল্য ৫০০/- মোট ৫,৫০০/- টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে যা অফেরতযোগ্য। উক্ত ৫,৫০০/- জমা দিয়ে মনোনয়ন ফরম গ্রহণ করতে হবে এবং মুল রশিদ ফরমের সাথে জমা দিতে হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০১৩ সালের ৮ নভেম্বর তারিখে সংশোধিত গঠনতন্ত্র মোতাবেক।
তফসিল ঘোষনা অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব করেন জীবন সদস্য নং ২৬৬ লায়ন খান আকতারুজ্জামান

23/10/2024

‘ফ্যাসিজম’ বা ‘ফ্যাসিবাদ’ কী?
প্রকৃতপক্ষে ‘ফ্যাসিস্ট’ শব্দটি কোথা থেকে এসেছ।

ইতালিয় শব্দ 'ফ্যাসিমো' এসেছে 'ফ্যাসিও' থেকে। অন্যদিকে 'ফ্যাসিও' শব্দটি এসছে ল্যাটিন শব্দ 'ফ্যাসেস' থেকে। এর অর্থ হচ্ছে, লাঠি, কাঠ বা রডের আটি, যেটি একত্রে বেধে রাখা হয়।

'ফ্যাসেস' থেকে ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক দলের নামকরণ হয়েছে। ঐক্য বোঝাতে এ ধরণের প্রতীক ব্যবহার করা হয়। এর অর্থ হচ্ছে, এক বান্ডেল কাঠ ও রড যখন একসাথে বেঁধে রাখা হয় তখন সেটিকে ভাঙ্গা যায়না। কিন্তু একটি রড বা কাঠ ভেঙ্গে ফেলা যায়।

এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকায় বলা হয়েছে, ‘ফ্যাসিজম’ হচ্ছে একটি রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং গণআন্দোলন, যেটি ১৯১৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সদর্প উপস্থিতি ছিল।

‘ফ্যাসিজম’ বা ‘ফ্যাসিবাদ’ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে উগ্র-ডানপন্থী জাতীয়তাবাদের আবির্ভাব ঘটে ইউরোপে। এই মতাদর্শে বিরোধীদের কোন জায়গা ছিল না। কর্তৃত্বময় শাসন ক্ষমতাই ছিল ‘ফ্যাসিবাদ’ এর মূলমন্ত্র।

‘ফ্যাসিবাদ’ সবসময় মন করতো যে রাষ্ট্রই সব, এখানে ব্যক্তি স্বাতন্ত্রের কোন স্থান নেই। এর মাধ্যমে তারা ব্যক্তি স্বাধীনতাকে হরণ করতো, ক্ষমতাকে একটি কেন্দ্রে আবদ্ধ রাখতো।

ফ্যাসিবাদের উৎপত্তি কীভাবে?

‘ফ্যাসিজম’ বা ‘ফ্যাসিবাদ’ ধারণাটির উৎপত্তি হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ইটালিতে। এরপর এই মতবাদ ছড়িয়ে পড়ে জার্মানি এবং ইউরোপের আরো নানা দেশে।

জার্মানিতে হিটলারের নেতৃত্বে ‘নাৎসিজম’ বা ‘নাৎসিবাদ’ – এর উত্থান হয়। এটি ছিল ‘ফ্যাসিজম’ এর একটি রূপ।

‘ফ্যাসিবাদ’ উত্থানের মধ্য দিয়ে ইউরোপে হিটলার ও মুসোলিনির মতো বিতর্কিত নেতার উদ্ভব হয়।

ইটালি ও জার্মানীতে ফ্যাসিবাদ

ইউরোপের প্রথম ফ্যাসিস্ট নেতা ছিলেন ইটালির বেনিতো মুসোলিনি। ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক দলগুলো অবশ্য একটি আরেকটির চেয়ে আলাদা। যদিও তাদের কিছু বৈশিষ্ট্য একই রকম।

যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনির্ভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও ইতিহাসবিদ ২০০৪ সালে প্রকাশিত রবার্ট পেক্সটন তার এনাটমি অব ফ্যাসিজম বইতে লিখেছেন, ১৯১৯ সালের ১৫ই এপ্রিল এক বৈঠকের পর মুসোলিনির একদল বন্ধু ও সহচর মিলে ইটালির মিলান শহরে অবস্থিত সমাজতন্ত্র সমর্থিত একটি পত্রিকা অফিসে আক্রমণ করে।

মুসোলিনি ১৯১২ থেকে ১৯১৪ সালে নিজেই সে পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। সে হামলায় চারজন নিহত হয়। এই ঘটনা এবং তার পরবর্তীতে সমাজতন্ত্রী ও বুর্জোয়াদের বিরুদ্ধে সহিংসতার মাধ্যমে ইটালির 'ফ্যাসিজম' মতবাদ ইতিহাসে তাদের অস্তিত্ব জানান দেয়।

তাদের যুক্তি ছিল দেশের ভালোর জন্যই তারা এসব করছে। পত্রিকা অফিসে হামলার সে ঘটনার তিন বছর পরেই মুসোলিনির ফ্যাসিস্ট পার্টি ইটালির রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে। তার এগারো বছর পর আরেকটি ফ্যাসিস্ট পার্টি জার্মানির রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে।

মুসোলিনি ছিলেন এক স্কুল শিক্ষক, একজন প্রথাবিরোধী লেখক, সমাজতন্ত্রের পক্ষে একজন বক্তা এবং পত্রিকার সম্পাদক।

ক্ষমতার আসার ১৬ বছর পর্যন্ত মুসোলিনির মধ্যে ইহুদি-বিরোধী কোন মনোভাব ছিল না। বড় শিল্পপতিদের মধ্যে যারা ইহুদি ছিলেন এবং অনেক জমির মালিক ছিলেন তারা শুরুর দিকে মুসোলিনিকে সহায়তা করেছিল।

ফ্যাসিজমকে মনে করা হতো পুঁজিবাদ বিরোধী। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ফ্যাসিস্ট পার্টি ক্ষমতা নেবার পর পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে তেমন কিছুই করেনি। তারা বেশি চড়াও হয়েছে সমাজতন্ত্রীদের ওপর।

ক্ষমতায় আসার পর ফ্যাসিস্টরা ধর্মঘট নিষিদ্ধ করে, শ্রমিক সংগঠনগুলো ভেঙ্গে দেয় এবং অস্ত্র বানানোর খাতে প্রচুর অর্থ দিতে থাকে।

ক্ষমতায় আসার পরে ফ্যাসিস্টরা রাজনৈতিক বিরোধী, বিদেশি এবং ইহুদিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্যাসিস্ট মতাদর্শ ধারণ করা ইউরোপের বড় রাজনৈতিক দলগুলো ভেঙ্গে যায়। ইতালি এবং জার্মানিতে ফ্যাসিস্ট দলকে নিষিদ্ধ করা হয়।

হিটলারের ন্যাশনাল সোশালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পাটিও ফ্যাসিস্ট পার্টি হিসেবে পরিচিতি ছিল।

ফ্যাসিস্টদের বৈশিষ্ট্য কী ছিল

অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, ফ্যাসিজম-এর সর্বজনীন কোন সংজ্ঞা নেই।

ফ্যাসিস্টরা মার্ক্সবাদীদের বিরোধী ছিল। শুধু বিরোধীতা নয় মার্ক্সবাদীদের রীতিমতো ঘৃণা করতো ফ্যাসিস্টরা। এই দুটোর মধ্যে বিরোধ থাকলেও অনেক পর্যবেক্ষক বলছেন, ফ্যাসিস্ট এবং সোভিয়েত কমিউনিজমের মধ্যে অনেক মিল ছিল।

ফ্যাসিজম এবং সোভিয়েত কমিউনিজম – দুটোই এসেছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ভঙ্গুর অর্থনৈতিক দশা, গণআন্দোলন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে।

ক্ষমতা গ্রহণের পরে তারা উভয় একচ্ছত্র আধিপত্য সৃষ্টি করেছিল। তবে অনেক বিশ্লেষক বলছেন এ দুটোর মধ্যে খুব বেশি মিল খোঁজার চেষ্টা করা ঠিক হবে না।

ফ্যাসিস্টরা সংসদীয় গণতন্ত্রের বিরোধী ছিল। কিন্তু ক্ষমতায় আসার আগে হিটলার ও মুসোলিনি দুজনেই নির্বাচনের রাজনীতিতে জড়িত হবার আগ্রহী ছিলেন।

ফ্যাসিস্টরা চায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় একচ্ছত্র আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ। যেমন হিটলার ক্ষমতা নেবার পর শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতাই নিয়ন্ত্রণ করতে চাননি, এর পাশাপাশিতিনি রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেও কর্তৃত্ব স্থাপন করেছিলেন। এসব প্রতিষ্ঠান একসময় স্বাধীন হিসেবে বিবেচিত হতো। যেমন – চার্চ, আদালত, বিশ্ববিদ্যালয়, সামাজিক ক্লাব, খেলাধুলার প্রতিষ্ঠান – সবকিছুতেই নিজের কর্তৃত্ব স্থাপন করেছিলেন হিটলার।

ফ্যাসিস্ট দলগুলোর আরেকটি বৈশিষ্ট্য ছিল জনসমাবেশ করে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করা করা। এর মাধ্যমে তারা দেখাতে চাইতো যে জনগণ তাদের পাশে আছে। সেজন্য তারা প্রায়শই বড় আকারের জনসমাবেশ, প্যারেড আয়োজন করতো।

ইটালির মুসোলিনি, জার্মানির হিটলার এবং পর্তুগালের সালজার সরকার জনসভার আয়োজন করতো।

ফ্যাসিস্ট দলগুলো সবসময় এক ব্যক্তির সর্বময় কর্তৃত্ব ও শাসনে বিশ্বাস করতো। তার মনে করতো যে রাজনৈতিক দলের প্রধান এবং রাষ্ট্রের প্রধান একই ব্যক্তি থাকবেন, যার হাতে সর্বময় ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব থাকবে। যেমন হিটলার ও মুসোলিনি যেটা মনে করতেন সেটাই সবাইকে মানতে হবে।

তরুণদের শক্তি সামর্থ্যকে সবসময় প্রশংসা করতো ফ্যাসিস্টরা। তারা তরুণদের বোঝাতে চাইতেন যে সবকিছু দেশের জন্য হচ্ছে। তারা নানা বিষয় নিয়ে তরুণ প্রজন্মকে মাতিয়ে রাখার চেষ্টা করতেন।

ফ্যাসিস্টরা সবসময় তাদের সমালোচনার জবাব দিতেন শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে।

দেশে যে কোন ধরণের সমস্যার জন্য ফ্যাসিস্টরা অন্যের ওপর দোষ চাপাতে পছন্দ করতেন। এজন্য তারা কাউকে না কাউকে বলির পাঠা বানাতেন। যে কোন সমস্যার উদ্ভব হলেই সেটি মার্ক্সবাদী, অভিবাসীদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হতো।

মার্কিন রাষ্ট্র বিজ্ঞানী লরেন্স ব্রিট-এর মতে 'ফ্যাসিবাদ' এর ১৪ টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর মধ্যে কিছু বৈশিষ্ট্য হচ্ছে নিম্নরূপ:

জাতীয়তাবাদের ক্রমাগত প্রচার : ফ্যাসিস্ট শাসনামলে দেখা যায়, দেশাত্মবোধক এবং জাতীয়তাবাদী গান, শ্লোগান কিংবা প্রতীক ক্রমাগত ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে তারা মানুষকে দেখাতে চায় যে দেশকে তারা কতটা ভালোবাসে।

মানবাধিকার হরণ: রাষ্ট্রের নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে ফ্যাসিস্টরা মানবাধিকারকে অবজ্ঞা করে। তারা মনে করে ‘প্রয়োজনের স্বার্থে’ মানবাধিকার উপেক্ষা করা যায়।

সেনাবাহিনীকে সুবিধা দেয়া: দেশের ভেতরে নানা সংকট থাকলেও ফ্যাসিস্টরা সেনাবাহিনীর পেছনে অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি খরচ করে। তাদের নানা সুবিধা দেয়া হয়। সেনাবাহিনীর চাকরিকে গ্ল্যামারাইজ করা হয়।

গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ: অনেক সময় তারা গণমাধ্যমকে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। এক্ষেত্রে সরাসরি চাপ করা হয়, এবং বিভিন্ন আইন-কানুনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ চাপানো হয়।

কর্পোরেট স্বার্থ: ফ্যাসিস্টদের শাসনামলে দেখা যায় সরকারে সাথে কিছু ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের বিশেষ সম্পর্ক তৈরি হয়। তারা একে অপরের স্বার্থ বিবেচনা করে। অনেক ব্যবসায়ীরা সরকারের ভেতরে নেতা বা মন্ত্রীদের ক্ষমতায় বসায়, যারা তাদের স্বার্থ দেখবে।

Address

Dhanmondi
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when this is ahad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share