Nahda International

Nahda International Nahda International is committed to making your trip enjoyable. We provide Air Ticket, Hotel & Visas.

উমরাহ-র নিয়ত করার পর আমাদের মাথায় প্রথম যে প্রশ্নগুলো আসে—"বাজেট কেমন লাগবে?", "হোটেল কি হারাম শরীফের কাছে?" আর "ফ্লাইট ...
01/06/2026

উমরাহ-র নিয়ত করার পর আমাদের মাথায় প্রথম যে প্রশ্নগুলো আসে—"বাজেট কেমন লাগবে?", "হোটেল কি হারাম শরীফের কাছে?" আর "ফ্লাইট কি ডিরেক্ট নাকি ট্রানজিট?"

আপনার বাজেট ও সুবিধার কথা চিন্তা করে Nahda International এই ৩টি প্রধান সমস্যার সমাধান নিয়ে সাজিয়েছে জুলাই ২০২৬-এর এই উমরাহ স্কোয়াড।

প্যাকেজে কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকছে?
ভিসা, হেলথ ইন্স্যুরেন্স, গ্রাউন্ড ট্রান্সপোর্ট থেকে শুরু করে মক্কা-মদিনার ঐতিহাসিক স্থানসমূহ জিয়ারতের ব্যবস্থা—সবকিছুই আমাদের অভিজ্ঞ গাইডলাইনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

⚠️ মনে রাখবেন: শেষ মুহূর্তের টিকিট এবং হোটেল বুকিং জটিলতার কারণে আসন সংখ্যা খুবই সীমিত।

বাকি পুরো গাইডলাইন ও বুকিং প্রসেস জানতে চান? আপনার উমরাহ-র মাস এবং কোন প্যাকেজটি আপনার পছন্দ (তাওবাহ নাকি কবুলিয়াত) তা আমাদের ইনবক্সে লিখে এখনই একটা টেক্সট করুন।

অথবা 💬 Comment করুন "INFO" — আমরা সাথে সাথে যোগাযোগ করব ইনশাআল্লাহ।

প্যাকেজ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে পেইজে অথবা নিচের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে মেসেজ করুন।

📞 হটলাইন (হোয়াটসঅ্যাপ): 01581-191074
📍 অফিস: ৩ডি (৪র্থ তলা), আজাদ সেন্টার, ৫৫ পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

ঈদুল আযহা মোবারক: ত্যাগের মহিমায় আল্লাহর নৈকট্য অর্জনকিছু জার্নি আমাদের এই পৃথিবীর সৌন্দর্যকে আরও কাছ থেকে দেখতে শেখায়, ...
27/05/2026

ঈদুল আযহা মোবারক: ত্যাগের মহিমায় আল্লাহর নৈকট্য অর্জন

কিছু জার্নি আমাদের এই পৃথিবীর সৌন্দর্যকে আরও কাছ থেকে দেখতে শেখায়, প্রকৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। কিন্তু কুরবানীর মতো কিছু ত্যাগ, কিছু আত্মোৎসর্গ আমাদের সরাসরি আল্লাহর আরশের কাছাকাছি নিয়ে যায়, মালিকের সাথে আমাদের আত্মিক সম্পর্ককে মজবুত করে।

ঈদুল আযহা কেবলই একটি আনন্দের দিন নয়। এটি আমাদের ভেতরের অহংকার, লোকদেখানো মানসিকতা আর পশুবৃত্তিকে কোরবানি দিয়ে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণের এক মহান শিক্ষা। কাবার গিলাফ ছুঁয়ে উমরাহ বা হজ্বের যে আধ্যাত্মিক সফর আমরা করি, ঠিক তেমনি নিজের প্রিয় বস্তুকে আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দেওয়ার এই ত্যাগও মুমিনের জন্য এক অনন্য আত্মিক সফর।

আমরা যখন ইখলাস ও তাকওয়ার সাথে আল্লাহর নামে পশু যবেহ করি, তখন মূলত আমরা আমাদের ভালোবাসার প্রমাণ দিই তাঁরই দরবারে। আল্লাহর কাছে সেই পশুর গোশত বা রক্ত পৌঁছায় না, পৌঁছায় কেবল আমাদের অন্তরের পবিত্র নিয়ত।

পবিত্র এই উৎসবের দিনে আপনার কুরবানী যেন শুধু একটি সামাজিক রেওয়াজ না হয়ে প্রকৃত অর্থেই আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাধ্যম হয়, সেই কামনাই করি।

নাহদা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল এজেন্সি-এর পুরো টিমের পক্ষ থেকে আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ঈদ মোবারক! আপনার প্রতিটি ত্যাগ ও ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হোক। আমীন।

কুরবানী নিয়ে আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা ও সঠিক সত্য ঈদুল আযহা বা কুরবানীর ঈদ মানেই শুধু একটা উৎসব নয়, এটি মূলত ...
27/05/2026

কুরবানী নিয়ে আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা ও সঠিক সত্য

ঈদুল আযহা বা কুরবানীর ঈদ মানেই শুধু একটা উৎসব নয়, এটি মূলত আল্লাহর প্রতি আমাদের ভালোবাসা, আনুগত্য আর সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের এক মহান ইবাদত। কিন্তু যুগ যুগ ধরে সঠিক জ্ঞানের অভাবে আমাদের সমাজে কুরবানী নিয়ে বেশ কিছু ভুল ধারণা বাসা বেঁধে আছে।

কখনও লোকদেখানো মানসিকতা, আবার কখনও না জানার কারণে আমরা এই মহান ইবাদতের মূল উদ্দেশ্য থেকেই দূরে সরে যাই। আসুন, আজ কুরবানী নিয়ে আমাদের সমাজের সবচেয়ে সাধারণ কিছু ভুল ধারণা এবং ইসলামের সঠিক নির্দেশনাগুলো এক নজরে জেনে নিই:

১. কুরবানী কার ওপর ওয়াজিব এবং সামর্থ্যের হিসাব:
ভুল ধারণা: কুরবানী শুধু কোটিপতি বা ধনীদের জন্য, মধ্যবিত্তদের দরকার নেই।

সঠিক সত্য: শরীয়তের নির্ধারিত নিসাব পরিমাণ (প্রয়োজনাতিরিক্ত সাড়ে সাত তোলা সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা সমমূল্যের) সম্পদের মালিক হলে সে ধনী হোক বা মধ্যবিত্ত, তার ওপর কুরবানী ওয়াজিব।

ভুল ধারণা: ঋণ থাকলে কোনো অবস্থাতেই কুরবানী দিতে হয় না।

সঠিক সত্য: সবসময় এমনটা নয়। আপনার ঋণ পরিশোধের ডেডলাইন যদি পরে হয় এবং ঋণ বাদ দেওয়ার পরও আপনার কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ উদ্বৃত্ত থাকে, তবে আপনার ওপর কুরবানী ওয়াজিব হতে পারে।

ভুল ধারণা: পরিবারের যেকোনো একজন কুরবানী দিলেই সবার পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যায়।

সঠিক সত্য: এটি ভুল। পরিবারের একাধিক প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য যদি প্রত্যেকে আলাদাভাবে নিসাবের মালিক হন, তবে প্রত্যেকের ওপর আলাদা আলাদা কুরবানী ওয়াজিব।

২. নিয়ত, ইখলাস ও পশুর যোগ্যতা:
ভুল ধারণা: পশু যত বড় আর মোটা হবে, কুরবানী তত বেশি কবুল হবে!

সঠিক সত্য: আল্লাহর কাছে পশুর আকার বা গোশত পৌঁছায় না, পৌঁছায় আমাদের মনের ‘তাকওয়া’ ও ইখলাস। অবশ্যই সামর্থ্য অনুযায়ী ত্রুটিমুক্ত ও সুস্থ পশু কেনা উত্তম, কিন্তু শুধু অহংকার বা দেখানোর উদ্দেশ্যে বড় পশু কিনলে তা কবুলের যোগ্যতা হারায়।

ভুল ধারণা: একটু অসুস্থ বা চোখে-কানে বড় ত্রুটি থাকা পশু দিয়েও কুরবানী হয়ে যাবে।

সঠিক সত্য: না। অন্ধ, খঞ্জ, অতিরিক্ত দুর্বল বা স্পষ্ট বড় খুঁত থাকা পশু দিয়ে কুরবানী করা শরীয়তে জায়েজ নেই।

৩. কুরবানীর গোশত ও চামড়ার বণ্টন:
ভুল ধারণা: কুরবানীর গোশত নিজে খাওয়া যাবে না, সব গরিবকে দিয়ে দিতে হবে।

সঠিক সত্য: কুরবানীর গোশত নিজে খাওয়া, আত্মীয়-স্বজনকে দেওয়া এবং গরিবদের মাঝে বণ্টন করা—সবই জায়েজ ও উত্তম। সাধারণত এটিকে তিন ভাগে বণ্টন করা মুস্তাহাব।

ভুল ধারণা: পশুর চামড়া বিক্রি করে সেই টাকা নিজের যেকোনো প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়।

সঠিক সত্য: চামড়া বিক্রির টাকা নিজের কোনো ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ হারাম। এই টাকা বাধ্যতামূলকভাবে গরিব-মিসকিন বা সদকার হকদারদের দিয়ে দিতে হবে।

৪. অন্যান্য কিছু সামাজিক বিভ্রান্তি:
ভুল ধারণা: টাকা গরিবকে দান করে দিলেই কুরবানীর সমান সওয়াব হবে, পশু জবাইয়ের দরকার নেই।

সঠিক সত্য: কুরবানী একটি নির্দিষ্ট ও স্বতন্ত্র ইবাদত। পশু যবেহ করার মাধ্যমেই কেবল এই ইবাদত সম্পন্ন হয়। কোটি টাকা সদকা করলেও কুরবানীর বিকল্প হবে না।

ভুল ধারণা: নারীদের ওপর কুরবানী নেই।

সঠিক সত্য: কোনো নারী যদি নিজের মালিকানাধীন সম্পদের কারণে নিসাবের অধিকারী হন, তবে পুরুষদের মতোই তার ওপরও কুরবানী ওয়াজিব।

ভুল ধারণা: অনলাইনে বা অন্য কাউকে দায়িত্ব দিলে (ওয়াকিল বানালে) কুরবানী হয় না।

সঠিক সত্য: এটি পুরোপুরি ভুল। বিশ্বস্ত কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে প্রতিনিধি বানিয়ে দূর দেশে বা অন্য কোনো গ্রামেও কুরবানী করানো সম্পূর্ণ জায়েজ।

কুরবানী মানে শুধু গোশত খাওয়া বা সামাজিক আভিজাত্য প্রকাশ করা নয়। এটি আমাদের শেখায় কীভাবে আল্লাহর হুকুমে নিজের ভেতরের পশুত্ন ও অহংকারকে কোরবানি দিতে হয়।

আসুন, লোকদেখানো মানসিকতা পরিহার করে বিশুদ্ধ নিয়তে এবং সঠিক নিয়মে আমাদের কুরবানী সম্পন্ন করি। আল্লাহ আমাদের সবার কুরবানীকে কবুল ও মঞ্জুর করে নিন। আমীন।

📥 পোস্টটি শেয়ার করে আপনার পরিচিতজনদেরও এই ভুল ধারণাগুলো থেকে সচেতন হতে সাহায্য করুন।

আজকে ক্ষমার দিন, আজকে চেয়ে নেয়ার দিন, আজকেই আগামী এক বছরের আর বিগত এক বছরের গুনাহ মাফ করিয়ে নেয়ার দিন...।।আজকের আকাশে-বা...
27/05/2026

আজকে ক্ষমার দিন, আজকে চেয়ে নেয়ার দিন, আজকেই আগামী এক বছরের আর বিগত এক বছরের গুনাহ মাফ করিয়ে নেয়ার দিন...।।

আজকের আকাশে-বাতাসে যেন এক অন্যরকম পবিত্র সুর প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। পবিত্র আরাফার ময়দানে আজ লাখো হাজীর কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে মহান আল্লাহর একত্ববাদের এই ঘোষণা। সাদা ইহরামের কাপড়ে মোড়ানো সেই রহমতের পাহাড় জাবালে রহমতের দৃশ্য দেখে দূর দূরান্ত থেকে আমাদের চোখও আজ ভিজে উঠছে এক অপার্থিব আকুলতায়।

আজ বাংলাদেশে আমাদের জন্য সেই কাঙ্ক্ষিত এবং পরম সৌভাগ্যের আরাফাহ এর দিন।

বছরের বাকি দিনগুলো যেমনই কাটুক না কেন, আজকের এই একটি দিন মহান আল্লাহর দরবারে নিজেকে সম্পূর্ণ সঁপে দেওয়ার দিন। আজ সেই বিশেষ দিন, যার একটি মাত্র রোজা আমাদের জীবনের বিগত এক বছর এবং আগামী এক বছরের ছোটখাটো সব গুনাহ খাতার কাফফারা হয়ে যায়। আজ সেই দিন, যেদিন আকাশের মেঘমালার চেয়েও দ্রুত গতিতে বান্দার তাওবা আর চোখের পানি আরশে আজীমে পৌঁছে যায়।

আমরা যারা দূর প্রবাসে বা নিজ নিজ ঘরে বসে আজ রোজা রেখেছি, ইবাদত করছি—আসুন, আজকের এই মূল্যবান বিকেলটুকুকে আমরা কোনোভাবেই অবহেলা বা অলসতায় হারিয়ে না ফেলি। বিশেষ করে জোহর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়টুকু হাত তুলে কান্নাকাটি করার শ্রেষ্ঠ সময়।

পবিত্র আরাফার ময়দানে হাজীদের যে ক্ষমাশীল দৃষ্টিতে আল্লাহ তাআলা দেখছেন, আমাদের বিশ্বাস—সেই একই রহমতের চাদর দিয়ে তিনি আজ আমাদের এই জনপদের ইবাদতকারী বান্দাদেরও ঢেকে নেবেন।

আসুন, আজ মন খুলে নিজের জন্য, মা-বাবার জন্য এবং পুরো মুসলিম উম্মাহর শান্তির জন্য দোয়া করি। আল্লাহ আমাদের আজকের দিনের সমস্ত রোজা, তওবা এবং মোনাজাত কবুল করে নিন। আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিন। আমীন।

বছরের সবচেয়ে মহিমান্বিত দিন ‘আরাফা দিবস’ আমাদের দোরগোড়ায়। এই বিশেষ দিনটির আমল ও নিয়মাবলী নিয়ে আমাদের মনে প্রায়ই কিছু সাধ...
26/05/2026

বছরের সবচেয়ে মহিমান্বিত দিন ‘আরাফা দিবস’ আমাদের দোরগোড়ায়। এই বিশেষ দিনটির আমল ও নিয়মাবলী নিয়ে আমাদের মনে প্রায়ই কিছু সাধারণ প্রশ্ন উঁকি দেয়। উম্মাহর সুবিধার্থে এমন ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও হাদীসসম্মত উত্তর নিচে দেওয়া হলো:

১. প্রশ্ন: আরাফা দিবসের রোজা রাখার ফযীলত কী?
উত্তর: এই দিনের একটি রোজা বিগত এক বছর এবং আগামী এক বছরের গুনাহের কাফফারা বা ক্ষমা হিসেবে গণ্য হয়। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি যে, তিনি এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী এক বছর এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।" (সহীহ মুসলিম: ১১৬২)

২. প্রশ্ন: এই রোজা কি ছোট-বড় সব গুনাহ মাফ করে দেয়?
উত্তর: ওলামায়ে কেরামদের মতে, আরাফার দিনের রোজার মাধ্যমে মূলত সগীরা (ছোট) গুনাহগুলো ক্ষমা হয়। কবীরা (বড়) গুনাহ মাফের জন্য আল্লাহর কাছে খাঁটি মনে আলাদাভাবে 'তওবা' করতে হয় এবং মানুষের অধিকার বা হকের সাথে জড়িত কোনো গুনাহ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে ক্ষমা করিয়ে নিতে হয়।

৩. প্রশ্ন: বাংলাদেশ থেকে আমরা কোন দিন রোজা রাখব?
উত্তর: এই বিষয়টি নিয়ে দুটি গ্রহণযোগ্য মতামত রয়েছে। প্রথমত, অনেক ওলামাদের মতে, আরাফা একটি নির্দিষ্ট স্থানের নাম (আরাফার ময়দান) এবং হাজীরা যেদিন সেখানে সমবেত হন, সেটাই আরাফার দিন। তাই বৈশ্বিকভাবে সৌদির তারিখের সাথে মিলিয়ে রোজা রাখা উত্তম। দ্বিতীয়ত, অনেক ওলামার মতে, নিজ নিজ দেশের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে জিলহজ মাসের ৯ তারিখে রোজা রাখা নিয়ম। এই দুই মতের বরকত পেতে এবং ঝুঁকি এড়াতে সচেতন মুসলিমরা ২৬ এবং ২৭ মে—পরপর দুই দিনই রোজা রাখছেন।

৪. প্রশ্ন: যারা হজ্বে গিয়েছেন (হাজীগণ), তারা কি আরাফার দিন রোজা রাখবেন?
উত্তর: না, যারা স্বশরীরে হজ্বে আছেন এবং আরাফার ময়দানে অবস্থান করছেন, তাদের জন্য এই রোজা রাখা সুন্নাহসম্মত নয়। নবীজি (সাঃ) আরাফার ময়দানে রোজা রাখেননি, যাতে হাজীরা ক্লান্ত না হয়ে পূর্ণ শক্তি দিয়ে ইবাদত ও দোয়া করতে পারেন। এই রোজাটি মূলত অ-হাজীদের জন্য।

৫. প্রশ্ন: আরাফা দিবসের সেরা আমল বা জিকির কোনটি?
উত্তর: এই দিনের অন্যতম সেরা আমল হলো বেশি বেশি ইস্তিগফার করা এবং একটি বিশেষ দোয়া পড়া। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবীগণ আরাফার দিনে যে সর্বোত্তম বাক্যটি বলেছি, তা হলো—

'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর'।" (সুনানে তিরমিযী)

৬. প্রশ্ন: তাকবীরে তাশরীক কখন থেকে শুরু এবং শেষ হয়?
উত্তর: ৯ই জিলহজ ফজর নামায থেকে শুরু করে ১৩ই জিলহজ আসর নামায পর্যন্ত (মোট ২৩ ওয়াক্ত) প্রতিটি ফরয নামাযের সালাম ফেরানোর পর পুরুষদের জন্য উচ্চস্বরে এবং নারীদের জন্য মনে মনে একবার তাকবীরে তাশরীক পড়া ওয়াজিব।

তাকবীর: "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।"

৭. প্রশ্ন: আরাফার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ সময় কোনটি?
উত্তর: আরাফা দিবসের পুরোটা সময়ই দোয়ার জন্য বরকতময়। তবে বিশেষ করে দুপুরের পর (যোহর) থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত (মাগরিব) পর্যন্ত সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে মহান আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বান্দার দোয়া কবুল করেন।

৮. প্রশ্ন: পিরিয়ড বা ঋতুস্রাবের কারণে নারীরা রোজা ও নামাজ না পারলে কীভাবে আমল করবেন?
উত্তর: বোনেরা নামাজ ও রোজা না রাখতে পারলেও এই দিনের মূল বরকত থেকে বঞ্চিত হবেন না। তারা দিনভর মুখে মুখে তওবা-ইস্তিগফার করতে পারেন, তাকবীরে তাশরীক বলতে পারেন, তাসবীহ-তাহলীল পাঠ এবং বেশি বেশি দরুদ শরীফ পড়তে পারেন। এছাড়া সাধ্যমতো দান-সদকা করেও সওয়াব অর্জন করা সম্ভব।

৯. প্রশ্ন: আরাফার দিন কি নফল নামাজ পড়ার বিশেষ কোনো নিয়ম আছে?
উত্তর: আরাফার দিনের জন্য নির্দিষ্ট করে আলাদা কোনো কাঠামোর নফল নামাজ (যেমন এত রাকাত বা এই সূরা দিয়ে) হাদীসে বর্ণিত হয়নি। তবে সাধারণ নফল নামাজ, চাশতের নামাজ বা তাহাজ্জুদ বেশি বেশি পড়া অত্যন্ত উত্তম। নামাযের সেজদায় গিয়ে নিজের ভাষায় আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করা অত্যন্ত ফলদায়ক।

১০. প্রশ্ন: আরাফার দিন আল্লাহ কত মানুষকে ক্ষমা করেন?
উত্তর: এটি বছরের সবচেয়ে বড় ক্ষমার দিন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "আরাফার দিনের চেয়ে অন্য কোনো দিন আল্লাহ তাআলা এত বেশি বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন না। তিনি বান্দাদের খুব কাছাকাছি হন এবং ফেরেশতাদের সামনে গর্ব করে বলেন, দেখ আমার বান্দারা কী চায়!" (সহীহ মুসলিম: ১৩৪৮)

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই মহিমান্বিত দিনটির গুরুত্ব বোঝার এবং বেশি বেশি আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

📥 পোস্টটি আপনার ওয়ালে শেয়ার করে রাখুন এবং অন্য ভাই-বোনদের জানার সুযোগ করে দিন।

একটু ভেবে দেখুন, বছরের সেরা একটি দিন আমাদের দোরগোড়ায়। যে দিনটির একটিমাত্র রোজা বিগত এক বছর এবং আগামী এক বছরের গুনাহ খাতা...
25/05/2026

একটু ভেবে দেখুন, বছরের সেরা একটি দিন আমাদের দোরগোড়ায়। যে দিনটির একটিমাত্র রোজা বিগত এক বছর এবং আগামী এক বছরের গুনাহ খাতার কাফফারা হয়ে যায়, সেই আরাফার দিন নিয়ে আমাদের মাঝে প্রতি বছরই একটা দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হয়। সৌদি আরবের সাথে মিলিয়ে আমরা কি ২৬ তারিখে আমল ও রোজা রাখব, নাকি আমাদের দেশের তারিখ অনুযায়ী ২৭ তারিখে?

এই মহিমান্বিত দিনের বরকত ও রহমত থেকে যেন আমরা কোনোভাবেই বঞ্চিত না হই, সেজন্য আমাদের দেশের অনেক সচেতন এবং ইবাদতপ্রিয় মুসলিমরা ২৬ এবং ২৭ তারিখ—এই দুটি দিনই রোজা রাখেন এবং বিশেষ আমলগুলোতে মগ্ন থাকেন। এতে করে যেমন কোনো কারণে হিসাবের অমিল হলেও আমাদের আরাফার দিনের মূল রোজাটি মিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে না, ঠিক তেমনি জিলহজ মাসের এই দিনগুলোতে পরপর দুটি রোজা ও ইবাদতের সওয়াবও বহুগুণ বেড়ে যায়।

আরাফার এই বিশেষ দিনটিতে আমাদের কী কী আমল করা উচিত, তা সংক্ষেপে নিচের ব্যানারে তুলে ধরা হয়েছে। আসুন এই আমলগুলোর গুরুত্ব হাদীসের আলোকেই জেনে নিই:

১. রোজা রাখা (যারা হজ্বে নেই): রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি যে, তিনি এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী এক বছর এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন" (সহীহ মুসলিম: ১১৬২)। তাই যারা হজ্বে যাননি, তাদের জন্য এই রোজাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২. বেশি বেশি তওবা ও ইস্তিগফার করা: আরাফার দিন হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে সাধারণ ক্ষমার দিন। হাদীসে এসেছে, "আরাফার দিনের চেয়ে অন্য কোনো দিন আল্লাহ তাআলা এত বেশি বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন না" (সহীহ মুসলিম: ১৩৪৮)। তাই এই দিনে নিজের সব ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে খাঁটি মনে তওবা করা উচিত।

৩. বেশি বেশি দোয়া করা: রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, "সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফা দিবসের দোয়া" (সুনানে তিরমিযী: ৩৫৮৫)। এই দিনে আল্লাহ তাআলা বান্দার দোয়া খুব দ্রুত কবুল করেন, তাই নিজের ও পুরো উম্মাহর কল্যাণ চেয়ে দীর্ঘ সময় দোয়া করা উচিত।

৪. বেশি বেশি জিকির করা: নবীজি (সাঃ) আরাফার দিনে একটি বিশেষ জিকির বেশি বেশি পড়তেন। তিনি বলেছেন, "আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবীগণ আরাফার দিনে যে সর্বোত্তম বাক্যটি বলেছি, তা হলো—

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর" (সুনানে তিরমিযী)।

৫. তাকবীরে তাশরীক পড়া: ৯ই জিলহজ ফজর থেকে শুরু করে ১৩ই জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রতিটি ফরয নামাযের পর পুরুষদের জন্য উচ্চস্বরে এবং নারীদের জন্য মনে মনে একবার তাকবীরে তাশরীক (আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ) বলা ওয়াজিব।

৬. নফল নামাজ পড়া: ফরজ নামাযের পাশাপাশি এই দিনগুলোতে বেশি বেশি নফল নামায ও তাহাজ্জুদের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায়। নামাযের প্রতিটি সেজদায় আল্লাহর কাছে মনের আকুতি প্রকাশ করা অত্যন্ত বরকতময়।

৭. দান-সদকা করা: জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিনের যেকোনো নেক আমল আল্লাহর কাছে বছরের অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রিয়। তাই এই দিনে সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষদের সাধ্যমতো দান-সদকা করা উচিত।

৮. দরুদ শরীফ বেশি বেশি পড়া: নবীজি (সাঃ)-এর প্রতি মহব্বত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম হলো দরুদ শরীফ। এই বরকতময় দিনগুলোতে বেশি বেশি দরুদ পাঠ আমাদের আমলনামাকে সমৃদ্ধ করবে এবং অন্তরকে শান্ত করবে।

যাঁরা আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় জীবনের গুনাহগুলো মাফ করিয়ে নেওয়ার আকুলতা নিয়ে এই দিনগুলোতে আমল ও রোজা রাখার নিয়ত করেছেন, আল্লাহ তাআলা আমাদের সবার সেই নেক নিয়ত এবং প্রচেষ্টাকে কবুল করে নিন। আমীন।

জুলাই ২০২৬ উমরাহ অফার:বাইতুল্লাহর গিলাফ ছুঁয়ে জীবনের সব পাপের জন্য ক্ষমা চাওয়া আর মদিনার শান্ত বাতাসে বুক ভরে নিঃশ্বাস ন...
24/05/2026

জুলাই ২০২৬ উমরাহ অফার:

বাইতুল্লাহর গিলাফ ছুঁয়ে জীবনের সব পাপের জন্য ক্ষমা চাওয়া আর মদিনার শান্ত বাতাসে বুক ভরে নিঃশ্বাস নেওয়া—জুলাইয়ের এই গরমে আপনার সেই পবিত্র সফরকে সহজ করতে আমরা নিয়ে এলাম দুটি বিশেষ উমরাহ প্যাকেজ।

উমরাহ-র নিয়ত করার পর আমাদের মাথায় প্রথম যে প্রশ্নগুলো আসে—"বাজেট কেমন লাগবে?", "হোটেল কি হারাম শরীফের কাছে?" আর "ফ্লাইট কি ডিরেক্ট নাকি ট্রানজিট?"

আপনার বাজেট ও সুবিধার কথা চিন্তা করে Nahda International এই ৩টি প্রধান পেইন পয়েন্টের সমাধান নিয়ে সাজিয়েছে জুলাই ২০২৬-এর এই উমরাহ স্কোয়াড:

১. তাওবাহ প্যাকেজ (বাজেট ফ্রেন্ডলি সফর):

মূল্য: মাত্র ১,২৭,০০০ টাকা (১৩ রাত ১৪ দিন)

ফ্লাইট: ট্রানজিট ফ্লাইট

হোটেল: মক্কায় ৫০০-৮০০ মিটার এবং মদিনায় ৭০০-৯০০ মিটার। (যারা একটু সাশ্রয়ী মূল্যে উমরাহ করতে চান, তাদের জন্য সেরা)।

২. কবুলিয়াত প্যাকেজ (প্রিমিয়াম ও আরামদায়ক সফর):

মূল্য: ১,৬০,০০০ টাকা (১৩ রাত ১৪ দিন)

ফ্লাইট: সম্পূর্ণ ঝামেলামুক্ত ডিরেক্ট ফ্লাইট (ঢাকা-মদিনা, জেদ্দা-ঢাকা)

হোটেল: মক্কায় ৩০০-৪০০ মিটার এবং মদিনায় মাত্র ২০০-৩০০ মিটার। (যারা বয়স্ক মা-বাবা বা ফ্যামিলি নিয়ে হাঁটাহাঁটি কমিয়ে আরামে উমরাহ করতে চান, তাদের জন্য বেস্ট)।

প্যাকেজে কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকছে?
ভিসা, হেলথ ইন্স্যুরেন্স, গ্রাউন্ড ট্রান্সপোর্ট থেকে শুরু করে মক্কা-মদিনার ঐতিহাসিক স্থানসমূহ জিয়ারতের ব্যবস্থা—সবকিছুই আমাদের অভিজ্ঞ গাইডলাইনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

⚠️ মনে রাখবেন: শেষ মুহূর্তের টিকিট এবং হোটেল বুকিং জটিলতার কারণে আসন সংখ্যা খুবই সীমিত।

বাকি পুরো গাইডলাইন ও বুকিং প্রসেস জানতে চান? আপনার উমরাহ-র মাস এবং কোন প্যাকেজটি আপনার পছন্দ (তাওবাহ নাকি কবুলিয়াত) তা আমাদের ইনবক্সে লিখে এখনই একটা টেক্সট করুন।

অথবা আপনার ফোন নম্বরটি কমেন্ট/ইনবক্সে দিয়ে রাখুন, আমাদের উমরাহ এক্সপার্ট টিম সম্পূর্ণ ফ্রী-কনসালটেশনের জন্য সরাসরি আপনাকে কল করবে। ইনশাআল্লাহ।

প্যাকেজ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে পেইজে অথবা নিচের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে মেসেজ করুন।

📞 হটলাইন (হোয়াটসঅ্যাপ): 01581191074

📍 অফিস: ৩ডি (৪র্থ তলা), আজাদ সেন্টার, ৫৫ পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

চোখটা বন্ধ করলেই কি কখনো আপনার মনে হয়—আপনি পবিত্র  #কাবা কালো গিলাফটা হাত দিয়ে ছুঁয়ে আছেন, আর দুই চোখ বেয়ে অঝোরে জল ঝরছে...
21/05/2026

চোখটা বন্ধ করলেই কি কখনো আপনার মনে হয়—আপনি পবিত্র #কাবা কালো গিলাফটা হাত দিয়ে ছুঁয়ে আছেন, আর দুই চোখ বেয়ে অঝোরে জল ঝরছে? 🥹❤️

নিঝুম রাতে কিংবা অবসরে আমাদের মনটা হঠাৎ করেই কেমন যেন ব্যাকুল হয়ে ওঠে। মনে হয়, পৃথিবীর সব কোলাহল ছেড়ে যদি এখনই মদিনার সেই শান্ত-স্নিগ্ধ চত্বরে গিয়ে একটু বসতে পারতাম! সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে নবীজি (সাঃ)-এর রওজায় দাঁড়িয়ে একটা বার বলতে পারতাম—"আস-সালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ"।

আমরা জানি, এই চাতক পাখির মতো তৃষ্ণা শুধু আপনার একার নয়। উমরাহ করার এই তীব্র ব্যাকুলতা প্রতিটি মুমিনের মনের সবচেয়ে বড় এবং সুন্দর এক লুকানো স্বপ্ন।

কারও স্বপ্ন হয়তো বুড়ো মা-বাবার হাত ধরে প্রথমবার #বাইতুল্লাহর আঙিনায় কদম রাখা, কারও স্বপ্ন জীবনসঙ্গীকে সাথে নিয়ে কাবার সামনে দাঁড়িয়ে যৌথ জীবনের দোয়া করা, আবার কারও স্বপ্ন জীবনের সব ভুলত্রুটির জন্য কাবার #গিলাফ ধরে একা একা কেঁদে বুক ভাসানো।

আজ আমরা আপনার সেই পবিত্র স্বপ্নের কথা শুনতে চাই...

👇 আজকের কমেন্ট বক্সে কোনো দ্বিধা ছাড়া লিখে ফেলুন—বাইতুল্লাহ নিয়ে আপনার মনের সেই লালিত উমরাহ স্বপ্নের কথা।

আপনি কার সাথে, কীভাবে আপনার প্রথম উমরাহ সফরটি করতে চান? কে জানে, হয়তো আপনার এই মনের আকুতি আর আমাদের সবার " #আমীন" দোয়ার উসিলাতেই আল্লাহ তাআলা খুব দ্রুত আপনার জন্য উমরাহ-র দরজা খুলে দিতে পারেন!

আল্লাহ আমাদের সবার মনের নেক আশা কবুল করুন। আমীন। ✨

সস্তা অফারের ফাঁদ নাকি নিরাপদ উমরাহ সফর? 🕋✨কম খরচে উমরাহ করানোর লোভনীয় অফার দেখে টাকা জমা দিলেন, অথচ শেষ মুহূর্তে গিয়ে শ...
20/05/2026

সস্তা অফারের ফাঁদ নাকি নিরাপদ উমরাহ সফর? 🕋✨

কম খরচে উমরাহ করানোর লোভনীয় অফার দেখে টাকা জমা দিলেন, অথচ শেষ মুহূর্তে গিয়ে শুনলেন আপনার ভিসাটাই হয়নি!" — ফেসবুক স্ক্রল করলেই আজকাল এমন অসংখ্য উমরাহ কেলেঙ্কারির খবর চোখের সামনে ভেসে ওঠে, যা যেকোনো উমরাহ প্রত্যাশীর মনকে আতঙ্কে কাঁপিয়ে তোলে। 😰💔

পবিত্র কাবার সামনে দাঁড়িয়ে ইবাদত করার স্বপ্ন নিয়ে মানুষ তার জীবনের কষ্টার্জিত সঞ্চয় এজেন্সির হাতে তুলে দেয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, কিছু অসাধু ও অনভিজ্ঞ এজেন্সির সস্তা লোভের ফাঁদে পড়ে প্রতি বছর শত শত মানুষ এয়ারপোর্টে গিয়ে প্রতারিত হচ্ছে, পোহাতে হচ্ছে নিম্নমানের হোটেল আর ভুল গাইডের চরম ভোগান্তি।

আপনার উমরাহ সফর যেন কোনো দুঃস্বপ্ন না হয়, বরং জীবনের সেরা একটি আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা হয়—সেই লক্ষ্যেই Nahda International কাজ করে যাচ্ছে শতভাগ স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সাথে।

Nahda International-এর সাথে আপনার সফর কেন সম্পূর্ণ নিরাপদ?

১০০% স্বচ্ছ প্রসেস: লুকানো কোনো খরচ (Hidden Charges) নেই। যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে, কাগজে-কলমে ঠিক সেটাই নিশ্চিত করা হবে।

অনুমোদিত ও নির্ভরযোগ্য সাপোর্ট: ভিসা প্রসেসিং থেকে শুরু করে ফ্লাইট এবং মক্কা-মদিনার হোটেল বুকিং—সবকিছুই সরাসরি অফিশিয়াল ও লাইসেন্সড পোর্টালের মাধ্যমে করা হয়।

অভিজ্ঞ গাইডলাইন টিম: সফরের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত আমাদের অভিজ্ঞ টিম সার্বক্ষণিক আপনার সাথে থাকবে, যেন কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে আপনাকে একা ভুগতে না হয়।

সস্তার প্রলোভনে পড়ে আপনার বা আপনার মা-বাবার পবিত্র সফরের স্বপ্নকে ঝুঁকির মুখে ফেলবেন না। সঠিক সিদ্ধান্ত নিন, বিশ্বস্ত এজেন্সির সাথে নিরাপদভাবে আপনার উমরাহ পরিকল্পনা করুন। 🤝

চলতি মৌসুমের উমরাহ প্যাকেজ, ভিসা প্রসেসিং বা সরাসরি আমাদের অফিস ভিজিট করার জন্য আজই ইনবক্স করুন অথবা কল করুন আমাদের অফিশিয়াল নম্বরে।

📞 হটলাইন: 01581-191074

🌐 ওয়েবসাইট: https://nahdaint.com/

📍 অফিস ঠিকানা: ৩ডি (৪র্থ তলা), Azad Center, ৫৫ পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

19/05/2026

উমরাহ নিয়ে সাধারন ১০টি জিজ্ঞাশা

Address

3D (3rd Floor), Azad Center, 55 Purana Palton
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nahda International posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nahda International:

Share