National Bikers

Call Directions Website Contact the business

National Bikers Community
(1)

🏍️ বাইকের জেল ব্যাটারি কী?জেল ব্যাটারি সাধারণত   Maintenance-Free (MF) ধরনের। এতে পানি বা অ্যাসিড আলাদাভাবে টপ-আপ করার প...
28/08/2026

🏍️ বাইকের জেল ব্যাটারি কী?
জেল ব্যাটারি সাধারণত Maintenance-Free (MF) ধরনের। এতে পানি বা অ্যাসিড আলাদাভাবে টপ-আপ করার প্রয়োজন হয় না। ব্যাটারির ভেতরের ইলেক্ট্রোলাইট জেল অবস্থায় থাকায় এটি তুলনামূলকভাবে লিক-প্রতিরোধী।
🔋 জেল ব্যাটারির সুবিধা
লিকেজের ঝুঁকি কম — তরল অ্যাসিডের মতো সহজে ছড়িয়ে পড়ে না।
Maintenance কম — নিয়মিত পানি/অ্যাসিড যোগ করার প্রয়োজন নেই।
ভাইব্রেশন সহনশীল — বাইকের কম্পনেও ভালোভাবে কাজ করতে পারে।
সেলফ-ডিসচার্জ তুলনামূলক কম — দীর্ঘদিন বাইক না চালালেও চার্জ কিছুটা ধরে রাখতে পারে।
সিলড ডিজাইন — স্বাভাবিক ব্যবহারে ব্যাটারি থেকে অ্যাসিড বের হওয়ার সম্ভাবনা কম।
বাইক স্টার্টিং ও ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমে নির্ভরযোগ্য পাওয়ার দিতে পারে, যদি সঠিক স্পেসিফিকেশনের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়।
⚠️ কিছু অসুবিধাও আছে
১. দাম বেশি হতে পারে
সাধারণ ব্যাটারির তুলনায় জেল ব্যাটারি অনেক সময় বেশি ব্যয়বহুল।
২. ভুল চার্জিং ক্ষতিকর
জেল ব্যাটারির জন্য নির্ধারিত চার্জিং ভোল্টেজের বেশি হলে ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
৩. অতিরিক্ত গরমে কর্মক্ষমতা কমতে পারে
বাংলাদেশের মতো গরম আবহাওয়ায় ব্যাটারির তাপমাত্রা বেশি হলে আয়ু কমে যেতে পারে।
৪. সম্পূর্ণ ডিসচার্জ করে ফেলা ভালো নয়
বারবার ব্যাটারি একেবারে খালি হয়ে গেলে এর আয়ু কমে যেতে পারে।
🔧 জেল ব্যাটারি ভালো রাখার নিয়ম
বাইকের চার্জিং সিস্টেম/রেক্টিফায়ার-রেগুলেটর ঠিক আছে কি না পরীক্ষা করুন।
ব্যাটারির সঠিক Ah ও ভোল্টেজ ব্যবহার করুন।
দীর্ঘদিন বাইক বন্ধ থাকলে মাঝে মাঝে ব্যাটারি চার্জ দিন।
জেল ব্যাটারির জন্য উপযুক্ত স্মার্ট/অটোমেটিক চার্জার ব্যবহার করুন।
ব্যাটারির টার্মিনালে অতিরিক্ত মরিচা বা ঢিলাভাব থাকলে পরিষ্কার করে শক্ত করুন।
বাইকে অতিরিক্ত LED, হর্ন, অ্যাম্প্লিফায়ার ইত্যাদি লাগালে চার্জিং সিস্টেমের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে কি না দেখুন।
🔋 জেল বনাম MF ব্যাটারি
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—সব MF ব্যাটারি জেল ব্যাটারি নয়।
সাধারণত বাজারে “MF Battery” বলতে AGM/VRLA ধরনের ব্যাটারিও বোঝানো হয়। তাই শুধু ব্যাটারির গায়ে “Maintenance Free” লেখা দেখে সেটিকে জেল ব্যাটারি ১০০% ধরে নেয়ার সুযোগ নাই।





🏍️ রাইডার ও পিলিয়ন—দুজনেরই হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক 🪖মোটরসাইকেলে চলাচলের সময় রাইডার ও পিলিয়ন—উভয়কেই মানসম্মত হেলমেট পরতে হ...
27/08/2026

🏍️ রাইডার ও পিলিয়ন—দুজনেরই হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক 🪖
মোটরসাইকেলে চলাচলের সময় রাইডার ও পিলিয়ন—উভয়কেই মানসম্মত হেলমেট পরতে হবে। শুধু হেলমেট মাথায় রাখলেই হবে না, হেলমেটটি সঠিকভাবে মাথায় পরতে হবে এবং স্ট্র্যাপ ভালোভাবে বেঁধে নিতে হবে। National Bikers

⚖️ বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী—

🔹 ধারা ৪৯(১)(চ): মোটরসাইকেলের চালক ও সহযাত্রীর হেলমেট ব্যবহারের বিধান রয়েছে।

🔹 ধারা ৯২(১): এই বিধান অমান্য করলে সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

🔹 চালকের ক্ষেত্রে ১ দোষসূচক পয়েন্ট কর্তনের বিধানও রয়েছে।

⚠️ মনে রাখবেন: হেলমেট কোনো ফ্যাশন নয়—এটি আপনার জীবন রক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা ব্যবস্থা।

✅ নিজে হেলমেট পরুন
✅ পিলিয়নকেও হেলমেট পরান
✅ হেলমেটের স্ট্র্যাপ সঠিকভাবে বাঁধুন
✅ ট্রাফিক আইন মেনে চলুন

🏍️ নিরাপদে রাইড করুন, আইন মেনে চলুন।
❤️ Ride Safe or Stay Home

🏍️ আপনি যদি একজন বাইকার হন,
National Bikers Follow করে আমাদের পরিবারের সাথে থাকুন। ❤️





🏍️ রেজিস্ট্রেশনবিহীন বাইক চালাবেন না ⚠️বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ১৬(১) অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন সনদ ছাড়া সড়ক,...
25/08/2026

🏍️ রেজিস্ট্রেশনবিহীন বাইক চালাবেন না ⚠️
বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ১৬(১) অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন সনদ ছাড়া সড়ক, মহাসড়ক বা পাবলিক প্লেসে মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ।
⚖️ শাস্তি: ধারা ৭২ অনুযায়ী
🔸 সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড, অথবা
🔸 সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা জরিমানা, অথবা
🔸 উভয় দণ্ড হতে পারে।
📌 তাই বাইক চালানোর আগে নিশ্চিত করুন—
✅ বাইকের বৈধ রেজিস্ট্রেশন আছে
✅ রেজিস্ট্রেশন সনদ/প্রযোজ্য কাগজপত্র ঠিক আছে
✅ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ রয়েছে
আইন মেনে চলুন—নিজে নিরাপদ থাকুন, অন্যকেও নিরাপদ রাখুন। National Bikers
🏍️ Ride Safe or Stay Home 🏍️



🏍️ বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেল চালাবেন না ⚠️বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী, বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়...
24/08/2026

🏍️ বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেল চালাবেন না ⚠️

বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী, বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া বা মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়ে মোটরসাইকেল চালানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

📌 প্রযোজ্য আইন:
🔹 ধারা ৪(১) — বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া বা প্রযোজ্য ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান বা বাইক চালানো নিষিদ্ধ।

⚖️ শাস্তি:
🔸 ধারা ৬৬ অনুযায়ী—
➡️ সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড, অথবা
➡️ সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা জরিমানা, অথবা
➡️ উভয় দণ্ড হতে পারে।

✅ তাই বাইক চালানোর আগে নিশ্চিত করুন—
✔️ আপনার নিজের নামে বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে
✔️ লাইসেন্সের মেয়াদ বৈধ আছে
✔️ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আছে

🚦 আইন মেনে চলুন, নিজে নিরাপদ থাকুন এবং অন্যকেও নিরাপদ রাখুন। National Bikers

🏍️ Ride Safe or Stay Home 🏍️





21/08/2026

Adventure, without compromise.

The 450MT combines authentic adventure capability, intuitive handling, accessible performance and premium featuires into a motorcycle that inspires confidence from the very first ride.

More than an adventure bike. An invitation to explore.


🚫 নিষিদ্ধ স্থানে বাইক পার্কিং করবেন না 🚫প্রিয় National Bikers Family, ❤️সড়কে চলাচলের সময় আমাদের একটি ছোট ভুল অনেক বড়...
18/08/2026

🚫 নিষিদ্ধ স্থানে বাইক পার্কিং করবেন না 🚫

প্রিয় National Bikers Family, ❤️

সড়কে চলাচলের সময় আমাদের একটি ছোট ভুল অনেক বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। যেখানে "No Parking" নির্দেশনা রয়েছে বা পার্কিং নিষিদ্ধ, সেখানে মোটরসাইকেল পার্কিং করা শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়—এটি অন্য যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলেও বিঘ্ন সৃষ্টি করে।

মনে রাখুন— ✅ ফুটপাতের ওপর বাইক পার্ক করবেন না।
✅ রাস্তার মোড়, ইউ-টার্ন, জরুরি প্রবেশ বা বের হওয়ার পথের সামনে বাইক রাখবেন না।
✅ এমন স্থানে পার্কিং করবেন না, যেখানে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়।
✅ ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত No Parking এলাকায় মোটরসাইকেল পার্কিং থেকে বিরত থাকুন।

⚖️ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী নির্ধারিত পার্কিং বিধি অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা, জরিমানা বা অন্যান্য শাস্তির সম্মুখীন হতে হতে পারে।

একজন সচেতন বাইকার হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করুন। সঠিক স্থানে পার্কিং করুন, আইন মেনে চলুন এবং অন্যের চলাচলের অধিকারকে সম্মান করুন।

নিরাপদ সড়ক গড়তে আপনার সচেতনতাই সবচেয়ে বড় অবদান। 💚🏍️

Ride Safe, Park Right.
Ride Safe Or Stay Home.

🏍️ বাইক মডিফাই করার আগে আইন জানুন—নিজের নিরাপত্তা ও অন্যের অধিকার রক্ষা করুন! ⚖️প্রিয় National Bikers Family, ❤️বাইককে ন...
17/08/2026

🏍️ বাইক মডিফাই করার আগে আইন জানুন—নিজের নিরাপত্তা ও অন্যের অধিকার রক্ষা করুন! ⚖️
প্রিয় National Bikers Family, ❤️
বাইককে নিজের পছন্দ অনুযায়ী সাজানো বা মডিফাই করা অনেকেরই শখ। কিন্তু মনে রাখতে হবে—এমন কোনো পরিবর্তন করা যাবে না, যার ফলে বাইকটি আইন, অনুমোদিত কারিগরি বৈশিষ্ট্য বা রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে যায়।
বিশেষ করে অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী সাইলেন্সার, অননুমোদিত হর্ন, অতিরিক্ত শব্দের যন্ত্রাংশ, অনুমোদন ছাড়া কারিগরি/বাহ্যিক পরিবর্তন এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অনুমোদন ছাড়া রং পরিবর্তন আইনগত জটিলতা তৈরি করতে পারে।
⚖️ প্রযোজ্য আইন: সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮
🔹 ধারা ৪০(৪): কারিগরি, অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক পরিবর্তন
রেজিস্ট্রেশনকৃত মোটরযানের কারিগরি, অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক কোনো পরিবর্তন করতে হলে কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত পদ্ধতিতে অনুমোদন গ্রহণের বিধান রয়েছে।
অর্থাৎ, বাইকে এমন পরিবর্তন করা উচিত নয়, যার কারণে রেজিস্ট্রেশন বা অনুমোদিত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে অসঙ্গতি তৈরি হয়। পরিবর্তনের ধরন অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
🔹 ধারা ৪০(৫): রং পরিবর্তন
সরকার বা কর্তৃপক্ষ যদি কোনো বিশেষ ধরনের মোটরযানের জন্য নির্দিষ্ট রং নির্ধারণ করে, তাহলে অনুমোদন ছাড়া সেই নির্ধারিত রং পরিবর্তন করা যাবে না।
👉 তাই বাইকের রং পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আপনার নির্দিষ্ট মোটরসাইকেলের জন্য প্রযোজ্য কর্তৃপক্ষের বিধান ও রেজিস্ট্রেশন তথ্য অনুসরণ করা জরুরি।
🔹 ধারা ৪৫: অতিরিক্ত শব্দ ও অননুমোদিত হর্ন
সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৫ অনুযায়ী—
❌ নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত উচ্চমাত্রার শব্দ সৃষ্টি করা যাবে না।
❌ অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টি করে এমন কোনো যন্ত্র, যন্ত্রাংশ বা হর্ন মোটরযানে স্থাপন, পুনঃস্থাপন বা ব্যবহার করা যাবে না।
❌ নীরব এলাকায় হর্ন বাজানোর ক্ষেত্রেও আইনগত নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
👉 তাই হুটার, হাইড্রোলিক হর্ন বা অন্যান্য অননুমোদিত/অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। BRTA-এর বিধানিক তথ্যভাণ্ডারেও অননুমোদিত হর্ন ব্যবহারের বিষয়ে পরিপত্র প্রকাশিত হয়েছে।
🔹 সাইলেন্সার পরিবর্তন ও অতিরিক্ত শব্দ
সাইলেন্সার পরিবর্তন করে যদি বাইক থেকে আইন নির্ধারিত শব্দমাত্রার অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টি হয়, তাহলে তা ধারা ৪৫-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। তাই শুধু শব্দ বেশি হওয়ার জন্য সাইলেন্সার পরিবর্তন না করে অনুমোদিত ও আইনসম্মত সাইলেন্সার ব্যবহার করুন।
🚨 আইন ভঙ্গ করলে কী শাস্তি হতে পারে?
ধারা ৪০-এর বিধান লঙ্ঘনের জন্য ধারা ৮৪ অনুযায়ী—
🔸 ন্যূনতম ১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা
🔸 সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা
🔸 কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড—উভয় দণ্ড হতে পারে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ধারা ৮৪ সরাসরি ধারা ৪০ লঙ্ঘনের দণ্ড নির্ধারণ করে। তাই বাইকের কোনো নির্দিষ্ট পরিবর্তন সত্যিই ধারা ৪০-এর আওতায় পড়ে কি না, সেটি পরিবর্তনের প্রকৃতি ও সংশ্লিষ্ট বিধি/অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।
🏍️ National Bikers Family-এর জন্য আমাদের পরামর্শ
✅ বাইকের মডিফিকেশন করার আগে আইন ও BRTA-এর অনুমোদিত বিধান যাচাই করুন।
✅ অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টি করে এমন সাইলেন্সার ব্যবহার করবেন না।
✅ অননুমোদিত হর্ন, হুটার বা হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করবেন না।
✅ বাইকের কারিগরি, অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিন।
✅ নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে রং পরিবর্তনের আগে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিষয় নিশ্চিত করুন।
✅ ফগলাইট বা অতিরিক্ত লাইট লাগানোর ক্ষেত্রেও এমন কোনো সেটআপ করবেন না, যা অনুমোদিত স্পেসিফিকেশন, নিরাপত্তা বা অন্য সড়ক ব্যবহারকারীর জন্য ঝুঁকি তৈরি করে।
⚠️ মনে রাখবেন
বাইক আপনার—কিন্তু রাস্তা সবার।
আপনার শখ যেন অন্যের নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং জনস্বাভাবিক চলাচলের জন্য সমস্যা না হয়।
আইন মেনে বাইক মডিফাই করুন, নিরাপদে রাইড করুন এবং অন্য রাইডারদেরও সচেতন করুন।
❤️ ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও সৃজনশীলতায় বিশ্বাসী—National Bikers Family
🏍️ Ride Safe Or Stay Home 🏍️








আইনি নোট: পোস্টে সবচেয়ে নির্ভুলভাবে বলা উচিত যে ফগলাইট লাগানোকে সরাসরি সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর একটি নির্দিষ্ট ধারায় সর্বজনীনভাবে নিষিদ্ধ বলা যায় না—তবে আলোটি যদি অনুমোদিত বিন্যাস/নিরাপত্তা বিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয় বা অন্য সড়ক ব্যবহারকারীর জন্য ঝুঁকি তৈরি করে, তখন সংশ্লিষ্ট বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। একইভাবে রং পরিবর্তনের নিষেধাজ্ঞা ধারা ৪০(৫)-এ “বিশেষ ধরনের মোটরযানের জন্য নির্ধারিত রং”-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; তাই সব মোটরসাইকেলের রং পরিবর্তনকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধ বলা ঠিক হবে না। �

🚨 মদ্যপ বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাইক চালাবেন না 🚨🏍️ National Bikers পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি অনুরোধ—❌ মদ্যপান বা কোনো ধর...
16/08/2026

🚨 মদ্যপ বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাইক চালাবেন না 🚨

🏍️ National Bikers পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি অনুরোধ—

❌ মদ্যপান বা কোনো ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করে মোটরসাইকেল চালাবেন না।
❌ নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নিজের জীবন তো ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেনই, পাশাপাশি অন্য নিরপরাধ সড়ক ব্যবহারকারীর জীবনও বিপন্ন করতে পারেন।

⚖️ বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী—

📌 ধারা ৪৯(১)(ক):
কোনো চালক অ্যালকোহল বা নেশাজাতীয় দ্রব্যের প্রভাবে মোটরযান চালাতে পারবেন না।

📌 ধারা ৯২(১):
ধারা ৪৯-এর প্রথম অংশের কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং শাস্তি হতে পারে—

🔴 সর্বোচ্চ ৩ (তিন) মাসের কারাদণ্ড, অথবা
🔴 সর্বোচ্চ ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা জরিমানা, অথবা
🔴 কারাদণ্ড ও জরিমানা—উভয় দণ্ডই হতে পারে।

➕ এছাড়া, অপরাধী যদি মোটরযানের চালক হন, তাহলে ১ (এক) ডিমেরিট পয়েন্ট কর্তনের বিধানও রয়েছে।

⚠️ অর্থাৎ, মদ্যপ বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাইক চালালে শুধু জরিমানা নয়—কারাদণ্ডও হতে পারে।

---

🚑 নেশাগ্রস্ত অবস্থায় দুর্ঘটনা ঘটলে শাস্তি আরও গুরুতর হতে পারে!

যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় চালানোর কারণে দুর্ঘটনা ঘটে এবং কোনো ব্যক্তি গুরুতর আহত বা নিহত হন, তাহলে বিষয়টি শুধু ধারা ৪৯ ও ৯২-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে।

📌 সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ১০৫ অনুযায়ী, মোটরযান দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তি গুরুতর আহত বা নিহত হলে সংশ্লিষ্ট অপরাধ Penal Code, 1860-এর প্রাসঙ্গিক বিধান অনুযায়ী বিবেচিত হতে পারে।

এছাড়া, বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত বা মৃত্যু ঘটলে ধারা ১০৫-এর বিধান অনুযায়ী—

🔴 সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর কারাদণ্ড, অথবা
🔴 সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা জরিমানা, অথবা
🔴 কারাদণ্ড ও জরিমানা—উভয় দণ্ড হতে পারে।

⚖️ Penal Code, 1860-এর ধারা ৩০৪A অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির মৃত্যু যদি এমন কোনো বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত কাজের কারণে ঘটে, যা culpable homicide নয়, তাহলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃতি ও প্রমাণের ভিত্তিতে অন্যান্য ফৌজদারি ধারাও প্রযোজ্য হতে পারে।

---

🛑 মনে রাখবেন—

🍺 মদ্যপান করেছেন? বাইক চালাবেন না।
💊 নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করেছেন? বাইক চালাবেন না।
😴 নিজেকে চালানোর উপযুক্ত মনে হচ্ছে না? বাইক চালাবেন না।

👉 প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে বাইক রেখে দিন।
👉 একজন সুস্থ ও দায়িত্বশীল চালকের সহায়তা নিন।
👉 নিজের জীবন ও অন্যের জীবন—দুটোকেই নিরাপদ রাখুন।

❤️ একটি ভুল সিদ্ধান্ত একটি পরিবারকে সারাজীবনের জন্য কাঁদাতে পারে।

🏍️ Ride Safe or Stay Home
❤️ National Bikers is not just a biker group, it is a family.








📵🏍️ বাইক চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না 🏍️📵প্রিয় National Bikers Family,বাইক চালানোর সময় কল করা, মেসেজ লেখা, মো...
15/08/2026

📵🏍️ বাইক চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না 🏍️📵

প্রিয় National Bikers Family,
বাইক চালানোর সময় কল করা, মেসেজ লেখা, মোবাইলের স্ক্রিন দেখা কিংবা এমন কোনো মোবাইল ফোন বা অনুরূপ সরঞ্জাম ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

⚠️ মাত্র কয়েক সেকেন্ডের অসতর্কতাই ঘটাতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
📱 একটি কল বা মেসেজ আপনার জীবনের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⚖️ বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী

ধারা ৪৯(১)-এর দ্বিতীয় অংশের (ক) অনুযায়ী—
মোটরযান চালক মোটরযান চালনারত অবস্থায় মোবাইল ফোন বা অনুরূপ সরঞ্জাম ব্যবহার করতে পারবেন না।

অর্থাৎ বাইক চালানোর সময় হাতে মোবাইল নিয়ে—
❌ কল করা
❌ মেসেজ লেখা বা পড়া
❌ মোবাইলের স্ক্রিন দেখা
❌ মোবাইল ব্যবহার করে এমন কাজ করা, যাতে চালনার সময় মনোযোগ ব্যাহত হয়
—এসব থেকে বিরত থাকা উচিত।

📌 শাস্তির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৯(১)-এ মোটরযান চলাচলের সাধারণ নির্দেশাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ধারা ৯২(১)-এ ধারা ৪৯(১)-এর প্রথম অংশের বিধান লঙ্ঘনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ মাসের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড, এবং চালকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১ দোষসূচক পয়েন্ট কর্তনের বিধান রয়েছে।

⚠️ তাই মোবাইল ফোন ব্যবহারের জন্য ধারা ৯২(১)-এর এই শাস্তিকে সরাসরি প্রযোজ্য বলে উল্লেখ করা আইনগতভাবে সঠিক হবে না, কারণ ধারা ৯২(১)-এর ভাষায় এটি ধারা ৪৯(১)-এর প্রথম অংশের লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

🛑 আমাদের পরামর্শ

বাইক চালানোর সময় ফোন ব্যবহার করতেই হলে—
➡️ নিরাপদ স্থানে বাইক থামান।
➡️ তারপর কল বা মেসেজের উত্তর দিন।
➡️ রাইডিংয়ের সময় মোবাইল হাতে নেবেন না।
➡️ কমিউনিকেটর ব্যবহার করলেও এমনভাবে ব্যবহার করবেন না, যাতে রাস্তায় মনোযোগ কমে যায় বা নিরাপদে বাইক চালানো ব্যাহত হয়।

মনে রাখবেন—
🏍️ Ride Safe Or Stay Home
📵 Don't Text & Ride
🛑 ফোন নয়, আগে জীবন।

National Bikers Family
ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও সৃজনশীলতায় বিশ্বাসী ❤️






🏍️🚨 বাইক চালানোর সময় অননুমোদিত হর্ন ও অতিরিক্ত লাইট ব্যবহার করবেন না 🚨🏍️প্রিয় National Bikers পরিবার,নিরাপদ ও দায়িত্বশীল...
14/08/2026

🏍️🚨 বাইক চালানোর সময় অননুমোদিত হর্ন ও অতিরিক্ত লাইট ব্যবহার করবেন না 🚨🏍️

প্রিয় National Bikers পরিবার,
নিরাপদ ও দায়িত্বশীল রাইডিং নিশ্চিত করতে মোটরসাইকেলে হুটার, হাইড্রোলিক হর্ন ও অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী অননুমোদিত হর্ন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

📌 আইন অনুযায়ী বিষয়টি জেনে রাখুন

বিষয়| আইনের ধারা| অপরাধ/লঙ্ঘন| শাস্তি/জরিমানা
🔊 অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন| সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৫| নির্ধারিত শব্দসীমার বেশি শব্দ সৃষ্টি করে এমন হর্ন/যন্ত্র ব্যবহার বা স্থাপন| আইনের প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা হতে পারে
🚨 হুটার/হাইড্রোলিক হর্ন| ধারা ৪৫-এর বিধান প্রাসঙ্গিক| অননুমোদিত বা অতিরিক্ত শব্দকারী হর্ন ব্যবহার| পরিস্থিতি ও প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা হতে পারে
🔇 নীরব এলাকায় হর্ন| ধারা ৪৫| সরকার ঘোষিত নীরব এলাকায় নিষিদ্ধভাবে হর্ন বাজানো| আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হতে পারে
💡 অতিরিক্ত/অননুমোদিত ফগ লাইট| সরাসরি নির্দিষ্ট ধারা উল্লেখ করা কঠিন| অনুমোদনহীন পরিবর্তন বা এমন আলো ব্যবহার, যা অন্য চালকের দৃষ্টিতে সমস্যা সৃষ্টি করে| সংশ্লিষ্ট আইন/বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা হতে পারে

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

❌ “হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করলেই ১০০ টাকা জরিমানা”—এভাবে নিশ্চিতভাবে বলা ঠিক নয়।
পুরোনো Motor Vehicles Ordinance, 1983-এর ১০০ টাকার জরিমানার বিধানকে বর্তমান সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর সরাসরি জরিমানা হিসেবে প্রচার করা উচিত নয়।

💡 একইভাবে, “বাইকে ফগ লাইট লাগালেই অমুক টাকা জরিমানা”—এমন নির্দিষ্ট বিধান সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এ সরাসরি উল্লেখ আছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা ঠিক হবে না। তবে অননুমোদিত পরিবর্তন, অতিরিক্ত তীব্র আলো বা অন্য চালকের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার মতো ব্যবহার হলে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

🏍️ National Bikers পরিবারের প্রতি অনুরোধ

✅ অনুমোদিত ও স্বাভাবিক শব্দের হর্ন ব্যবহার করুন।
✅ অপ্রয়োজনে হর্ন বাজাবেন না।
✅ নীরব এলাকায় হর্ন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
✅ অন্য চালকের চোখে সমস্যা সৃষ্টি করে এমন অতিরিক্ত তীব্র আলো ব্যবহার করবেন না।
✅ বাইকের কোনো পরিবর্তন করার আগে তা আইনসম্মত ও অনুমোদিত কি না নিশ্চিত করুন।

❤️ আইন মেনে চলুন—নিজে নিরাপদ থাকুন, অন্যকেও নিরাপদ রাখুন।

🏍️ National Bikers পরিবার
Ride Safe or Stay Home





Address

Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when National Bikers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to National Bikers:

Shortcuts

Share