Ghurantis-ঘুরান্তিস

Ghurantis-ঘুরান্তিস Eat. Sleep. Play. See. Shop. Wonder. Wander. See the world with ghurantis. www.ghurantis.com

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের জন্য বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের হোটেলগুলোতে ৩৬ শতাংশ এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের টিকি...
11/08/2026

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের জন্য বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের হোটেলগুলোতে ৩৬ শতাংশ এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের টিকিটে ৫০ শতাংশ মূল্যছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। একই সঙ্গে তাঁদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে জুলাই শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

স্লিপ ট্যুরিজম বা ঘুমকেন্দ্রিক পর্যটন এমন একধরনের ভ্রমণ, যেখানে ভালো ঘুমই হয়ে ওঠে ভ্রমণের মূল বিষয়। দর্শনীয় স্থান বা বিল...
11/08/2026

স্লিপ ট্যুরিজম বা ঘুমকেন্দ্রিক পর্যটন এমন একধরনের ভ্রমণ, যেখানে ভালো ঘুমই হয়ে ওঠে ভ্রমণের মূল বিষয়। দর্শনীয় স্থান বা বিলাসবহুল হোটেল নয়, এখানে মূল হিসেবে থাকে ঘুমের মান উন্নত করা।

বেড়াতে গিয়ে কেউ বেছে নিচ্ছেন বিশেষ রিট্রিট, ঘুম ভালো হওয়ার কৌশল শেখার জন্য। আবার কেউ স্পা, মেডিটেশন অথবা নানা ধরনের প্রশান্তিমূলক সেবা পাওয়া যাবে, এমন জায়গা বেছে নিচ্ছেন ভ্রমণের জন্য।

ভারতীয় বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান এইচটিএফ মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে স্লিপ ট্যুরিজমের বাজার ৬৯০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। ২০২৮ সালের মধ্যে এতে আরও ৪০০ বিলিয়ন ডলার যোগ হতে পারে।

কেন বাড়ছে এই প্রবণতা?
ব্রিটিশ ঘুম ও স্বপ্নবিষয়ক বিশেষজ্ঞ, লেখক ও শিক্ষক চার্লি মর্লে মনে করেন, ‘মানুষ অনেক দিন ধরেই খাবার ও শরীরের সুস্থতার দিকে নজর দিচ্ছে, বিশেষ করে শরীরচর্চার মাধ্যমে। এখন সুস্থতার পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে উঠছে ঘুম।’

মর্লে মেক্সিকোর তুলুমের নোমাদে হোটেল (ওয়েলনেস ও বুটিক হোটেল, যেখানে ঘুম, বিশ্রাম ও সুস্থতাকেন্দ্রিক বিভিন্ন অভিজ্ঞতার আয়োজন করা হয়) এবং লন্ডনের কিম্পটন ফিটজরয়সহ বেশ কয়েকটি হোটেলের সঙ্গে ঘুম ও স্বপ্নকেন্দ্রিক বিভিন্ন আয়োজন ও কর্মসূচিতে কাজ করেছেন।

তাঁর মতে, হোটেলগুলোও বিষয়টি এখন বুঝতে শুরু করেছে। কাজ কিংবা সন্তানদের দায়িত্ব থেকে কিছুদিন দূরে থাকার এই সময়টাকে মানুষ ভালোভাবে ঘুমাতে চান। এটাই তাঁদের জন্য হলিডে বা ভ্যাকেশন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম ও প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ আশ্বা...
11/08/2026

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম ও প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ আশ্বাস দেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস লিস্টিওওয়াতি।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, “যা করা প্রয়োজন মিশন তা অবশ্যই করবে। আমাদের স্লট ...
10/08/2026

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, “যা করা প্রয়োজন মিশন তা অবশ্যই করবে। আমাদের স্লট আগে প্রতিদিন খুলতো। রোগীদের অনেক অসুবিধা হতো। সেটাকে আমরা এক সপ্তাহ করে দিয়েছিলাম। সেটার অভিজ্ঞতা অনেক ভালো হয়েছে। এবার সেটাকে আমি ১৫ দিন করেছি।”

তিনি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে যে, যারা ভিসার আবেদন করছেন, তাদের ন্যূনতম সমস্যা না হয়। এটাই আমাদের অগ্রাধিকার।”

#ভিসা

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে উঠে এসেছে যে, গাইড মোহাম্মদ মামুন, সই সোঁ মারমা, তৌহিদ এবং তাদের সহযোগীরা থানচিতে দীর্ঘদিন ধরে একট...
09/08/2026

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে উঠে এসেছে যে, গাইড মোহাম্মদ মামুন, সই সোঁ মারমা, তৌহিদ এবং তাদের সহযোগীরা থানচিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তারা নিজেদের আইন প্রণেতা ভেবে পর্যটকদের ওপর বেআইনি ‘মোরাল পুলিশিং’ চালিয়ে যাচ্ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই চক্রের বিরুদ্ধে বারবার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দেওয়ার পরও তাদের স্থায়ীভাবে অপসারণ না করা এবং প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতা দেখে আমাদের সংগঠনের সবার মনে তীব্র সন্দেহ দানা বেঁধেছে যে, এই সন্ত্রাসী সিন্ডিকেটের পেছনে খোদ স্থানীয় প্রশাসনেরই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ইন্ধন রয়েছে।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) সদস্যদের বিদেশ ভ্রমণের প্যাকেজ বিক্রির বিপরীতে দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশ...
09/08/2026

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) সদস্যদের বিদেশ ভ্রমণের প্যাকেজ বিক্রির বিপরীতে দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে টাকায় অর্থ সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট বিদেশি সেবা প্রদানকারীদের কাছে সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার ইস্যু করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনার আওতায় বিদেশি ট্যুর অপারেটর, হোটেল অথবা ডেস্টিনেশন ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি বা ব্যবসায়িক সমঝোতা থাকা টোয়াব সদস্য ট্যুর অপারেটররা এ সুবিধা পাবেন। অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো আবাসন, পরিবহনসহ বিদেশে ভ্রমণসংক্রান্ত প্রকৃত সেবার বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে পারবে।

নতুন ব্যবস্থায় নিয়মিত বার্ষিক ভ্রমণ কোটার বাইরে একজন ভ্রমণকারীর জন্য প্রতি ক্যালেন্ডার বছরে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ইউএস ডলার পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানো যাবে। এজন্য ট্যুর অপারেটরদের ভ্রমণকারীর পাসপোর্ট নম্বরের বিপরীতে লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি অন্য কোনো ট্যুর অপারেটরের মাধ্যমে নির্ধারিত বার্ষিক সীমা অতিক্রম করা হয়নি—এ মর্মে ভ্রমণকারীর কাছ থেকে ঘোষণাও নিতে হবে।

তবে ৩ হাজার ইউএস ডলারের বেশি অর্থ পাঠানোর সুযোগও রাখা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে প্যাকেজের মূল্য আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রায় সংগ্রহ করতে হবে। এ ধরনের লেনদেনে এডি ব্যাংকগুলো অ্যাকোয়ারিং সেবা দিতে পারবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, প্রতিটি বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ইনভয়েস, চুক্তি, বিস্তারিত ভ্রমণসূচি, ভ্রমণকারীদের তালিকা এবং টাকায় অর্থ গ্রহণের প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করতে হবে। এছাড়া এডি ব্যাংকগুলোকে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর সাত দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে সংশ্লিষ্ট বিবরণী দাখিল করতে হবে।

ব্যবসায় সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশ ব্যাংকের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, টাকায় বিদেশ ভ্রমণের প্যাকেজ কেনার সুযোগ চালু হওয়ায় গ্রাহকদের জন্য লেনদেন আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে। একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্ত দেশের আউটবাউন্ড ট্যুরিজমের বিকাশ এবং ট্যুর অপারেটিং ব্যবসার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউসবোট চালাতে মানতে হবে ১১টি নির্দেশনা১. টাঙ্গুয়ার হাওরের ইসিএ ঘোষিত এলাকায় পর্যটকবাহী নৌযান প্রবেশ ও চ...
04/08/2026

টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউসবোট চালাতে মানতে হবে ১১টি নির্দেশনা

১. টাঙ্গুয়ার হাওরের ইসিএ ঘোষিত এলাকায় পর্যটকবাহী নৌযান প্রবেশ ও চলাচল নিষিদ্ধ।

২. পর্যটকদের জন্য আচরণবিধি হাউসবোটের দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে এবং এর প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে। ট্যুর শুরুর আগেই আচরণবিধি পর্যটকদের কাছে উপস্থাপন করবে।

৩. উচ্চস্বরে গান-বাজনা, মাইক বাজানো ও কোনো পার্টি আয়োজন করা যাবে না।

৪. হাউসবোটে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বহন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। প্রতিটি নৌযানে নিরাপদ পানীয় জলের জন্য পানি বিশুদ্ধকারী ফিল্টার রাখতে হবে।

৫. সকল হাউসবোটের দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ১০০ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

৬. জেলা/উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, হাসপাতাল ইত্যাদিসহ জরুরি নম্বর পর্যটকদের অবহিত করতে হবে এবং দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।

৭. প্রতিটি হাউসবোট/নৌযানে পর্যাপ্ত সংখ্যক লাইফ জ্যাকেট, লাইফবয় রিং, অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্র সংরক্ষণ করতে হবে এবং গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

৮. পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতিটি হাউসবোট/ নৌযানে বাধ্যতামূলকভাবে সেপটিক ট্যাংক স্থাপন করতে হবে। এ ছাড়া অন্যান্য বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য কমপক্ষে দুইটি ডাস্টবিন রাখতে হবে এবং কোনো ধরনের বর্জ্য হাওর বা জলাশয়ে ফেলা যাবে না।

৯. হাউসবোট/নৌযানের মালিক ও ট্যুর অপারেটর প্রতিটি ট্যুরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

১০. দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পর্যটক পরিবহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে। আকস্মিক ঝড়, প্রবল বৃষ্টিপাত বা বজ্রপাতের আশংকাকালীন পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

১১. ১০ আগস্টের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জেলা প্রশাসক, সুনামগঞ্জ বরাবর তালিকাভুক্তি ও নিবন্ধনের জন্য আবেদন দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে সংশ্লিষ্ট হাউসবোট/নৌযান/ট্যুর অপারেটরকে পর্যটন কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না এবং প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আবেদন সংক্রান্ত বিষয়ে নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি), সুনামগঞ্জ (মোবাইল: ০১৭৩০-৩৩১১০৬)-এর সাথে যোগাযোগ করা যাবে।
#হাউসবোট #হাওর #সুনামগঞ্জ #ভ্রমণ

প্রশ্ন: পর্বতারোহী হওয়ার আগে আপনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে গুর্খা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, পরে ২০০৯ সালে স্পেশাল বোট সা...
03/08/2026

প্রশ্ন: পর্বতারোহী হওয়ার আগে আপনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে গুর্খা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, পরে ২০০৯ সালে স্পেশাল বোট সার্ভিসে (এসবিএস) যোগ দেন। সামরিক জীবনের কোন অভিজ্ঞতাগুলো পাহাড়ে আপনাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে?

নির্মল পুরজা: সামরিক জীবনে শেখা বেশির ভাগ দক্ষতাই অন্য ক্ষেত্রেও কাজে লাগে। পৃথিবীর সফল মানুষদের দিকে তাকালেই দেখবেন, তাঁদের মানসিকতা অনেকটা একই রকম। তাঁরা ভোরে ওঠেন, অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ভুল হন এবং সব সময় ইতিবাচক মনোভাব, দৃঢ়সংকল্প ও শক্ত চরিত্র বজায় রাখেন।

এই গুণগুলো এক পেশা থেকে আরেক পেশায় সহজেই প্রয়োগ করা যায়। তাই সেনাবাহিনীতে যা শিখেছি, তার অনেক কিছুই পর্বতারোহণে কাজে লেগেছে। বিশেষ করে স্পেশাল ফোর্সের প্রশিক্ষণ আমাকে অত্যন্ত চাপপূর্ণ পরিবেশে কাজ করতে শিখিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। পাহাড়েও ঠিক একই বিষয় প্রযোজ্য। নেতৃত্বের যে শিক্ষা আমি সামরিক জীবন থেকে পেয়েছি, সেটিই পাহাড়ে আমার সবচেয়ে বড় সম্পদ।

প্রশ্ন: সামরিক অভিযান ও পর্বতারোহণ অভিযানের মধ্যে কী ধরনের মিল রয়েছে?

নির্মল পুরজা: সবচেয়ে বড় মিল হলো—সবকিছু খুব বিস্তারিতভাবে পরিকল্পনা করা এবং কী কী ভুল হতে পারে, তা আগেভাগেই কল্পনা করা।
তবে এটাও বলতে হবে, উচ্চতায় পর্বতারোহণ সামরিক জীবনের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জগৎ। পাহাড়ে ওঠেন বলে সবাই সেনাবাহিনীতে সফল হবেন না, আবার সেনাবাহিনীতে সফল হলেই যে বড় পর্বতারোহী হওয়া যাবে, তাও নয়। বিশাল পর্বত আরোহনের জন্য আলাদা দক্ষতা লাগে। এ কারণেই একজন পর্বত গাইডের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে সাধারণত ছয় বছর সময় লাগে।

প্রশ্ন: ২০১২ সালে আপনি ৬ হাজার ১১৯ মিটার উচ্চতার লোবুচে ইস্টে আরোহণ করেন, যা ছিল আপনার প্রথম বড় সাফল্য। তখনই কি বুঝেছিলেন, পর্বতারোহণ আপনার জীবনের বড় অংশ হয়ে উঠবে?

নির্মল পুরজা: হ্যাঁ। তবে শুধু লোবুচে ইস্টে ওঠার কারণেই নয়।
যখন আমরা ট্রেকিং করে নামচে বাজার পেরিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন প্রথমবার বিশাল আকৃতির আমা দাবলাম শৃঙ্গটি দেখেছিলাম। আমার কাছে এটি হিমালয়ের সবচেয়ে সুন্দর ও প্রতীকী পর্বত। এরপর একে একে এভারেস্ট ও লোৎসেও চোখে পড়ে।
সেই পুরো পরিবেশ আমাকে অন্যরকম আনন্দ দিয়েছিল। যেন আমি নিজের সুখের এক জগতে চলে গিয়েছিলাম। এভারেস্ট অঞ্চলে সেই প্রথম সফরই আমাকে আরও বেশি পাহাড়ে ওঠার স্বপ্ন দেখিয়েছিল।

প্রশ্ন: ২০১৪ সালে আপনি ধৌলাগিরিতে আরোহণ করেন। এটি ছিল আপনার প্রথম আট হাজার মিটারের পর্বত এবং আপনি খুব দ্রুত সময়ে সেটি সম্পন্ন করেছিলেন। সেই অভিযানের কী স্মৃতি সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে?

নির্মল পুরজা: ওই অভিযানে আমি বুঝতে পেরেছিলাম, আমি আসলে কতটা শক্তিশালী। শীর্ষচূড়ায় ওঠার পথে প্রায় ৬৫ থেকে ৭৫ শতাংশ পথ আমিই প্রথম খুলে দিয়েছিলাম। সেই অভিজ্ঞতাই আজও আমার সবচেয়ে আনন্দের স্মৃতিগুলোর একটি।

প্রশ্ন: ধৌলাগিরির পর কি আপনার মনে হয়েছিল যে শারীরিক ও মানসিক—দুই দিক থেকেই আপনি উচ্চতায় পর্বতারোহণের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত?

নির্মল পুরজা: হ্যাঁ। তখনই বুঝেছিলাম, আমি খুব দ্রুতগতিতে কাজ করতে পারি। উচ্চতায় সফলভাবে পর্বতারোহণের ক্ষেত্রে গতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্পেশাল ফোর্সে থাকার কারণে আমি আগেই খুব ভালো শারীরিক সক্ষমতা অর্জন করেছিলাম। পাশাপাশি আমার কিছু বিশেষ শারীরবৃত্তীয় সুবিধাও আছে, যা আমাকে উচ্চতায় কার্যকরভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। এই দুইয়ের সমন্বয়ই আমাকে এগিয়ে নিয়েছে।

প্রশ্ন: ২০১৯ সালের এপ্রিলে আপনি প্রজেক্ট পসিবল শুরু করেন—এক বছরের মধ্যে বিশ্বের ১৪টি আট হাজার মিটারের সব শৃঙ্গ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে। শুরু করার সময় কি বিশ্বাস ছিল যে আপনি সফল হবেন?

নির্মল পুরজা: ২০১৯ সালের মার্চে আমি সেনাবাহিনীর চাকরি, পেনশন—সবকিছু ছেড়ে দিয়েছিলাম। এটা ছিল বিশাল এক ঝুঁকি।
কিন্তু আমি সব সময় বিশ্বাস করেছি, কাউকে না কাউকে এই চ্যালেঞ্জ নিতে হবে, যাতে বিশ্ব বুঝতে পারে যে উচ্চতায় পর্বতারোহণে 'অসম্ভব' বলে কিছু নেই।
সবচেয়ে কঠিন বিষয় ছিল অর্থায়ন। পুরো প্রকল্পের জন্য আমার হাতে ছিল মাত্র ১৫ শতাংশ অর্থ। প্রায় কেউই বিশ্বাস করত না যে এটা সম্ভব। অথচ অর্থই ছিল প্রকল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তারপরও আমি নেপালে চলে যাই। কারণ আমার বিশ্বাস ছিল, আমি যেভাবে বলেছি সেভাবে যখন একের পর এক পর্বত আরোহণ শুরু করব, তখন মানুষও বিশ্বাস করতে শুরু করবে।
এটা অবশ্যই বড় ঝুঁকি ছিল—আমার জন্যও, আমার দলের জন্যও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা সেটাকে বাস্তবে রূপ দিতে পেরেছি।

প্রশ্ন: ২০১৯ সালের অক্টোবরে আপনি তিব্বতের শিশাপাংমায় আরোহণ করে প্রজেক্ট পসিবল সম্পন্ন করেন। চ্যালেঞ্জটি শেষ করার পর আপনার অনুভূতি কেমন ছিল?

নির্মল পুরজা: অবশ্যই আমি খুব খুশি ছিলাম যে চ্যালেঞ্জটি শেষ করতে পেরেছি। তবে সেটি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি আমার দ্বিতীয় মিশনে নেমে পড়ি।
আমার লক্ষ্য ছিল কাঠমান্ডুতে বাবা–মায়ের জন্য একটি বাড়ি কেনা, যাতে তাঁরা একই ছাদের নিচে থাকতে পারেন। তখন আমার মা কাঠমান্ডুতে ভাড়া করা একটি ছোট ঘরে থাকতেন, আর বাবা থাকতেন চিতওয়ানে। তাই তাঁদের একসঙ্গে রাখাই ছিল আমার পরবর্তী লক্ষ্য।
কিছুটা সময় লেগেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমি তাঁদের জন্য কাঠমান্ডুতে একটি বাড়ি কিনতে সক্ষম হই। এখন তাঁরা একসঙ্গে থাকতে পারেন।

প্রশ্ন: ২০১৯ সালে এই অভিযানের সময় আপনি একাধিক পর্বতারোহণের রেকর্ড গড়েছিলেন। প্রজেক্ট পসিবল–এর সবচেয়ে কঠিন অংশ কোনটি ছিল?

নির্মল পুরজা: সবচেয়ে কঠিন ছিল অর্থায়ন নিশ্চিত করা।
তবে যদি আরোহণের দিক থেকে বলি, তাহলে সবচেয়ে কঠিন অভিজ্ঞতা ছিল কাঞ্চনজঙ্ঘায়। সেখানে ৮ হাজার ৪৫০ মিটার উচ্চতায় আমরা দুজন পর্বতারোহীকে বাঁচানোর জন্য নিজেদের অক্সিজেন ছেড়ে দিয়েছিলাম।
যারা উচ্চতায় পর্বতারোহণের শারীরবৃত্তীয় বাস্তবতা বোঝেন, শুধু তাঁরাই উপলব্ধি করতে পারবেন—এত ওপরে কোনো সমস্যা দেখা দিলে পরিস্থিতি কতটা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

প্রশ্ন: আপনি প্রায়ই হিমালয়ে অতিরিক্ত অক্সিজেন ছাড়া আরোহণ করেন। কিন্তু শিশাপাংমায় অক্সিজেন ব্যবহার করেছিলেন। বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতগুলোতে কখন অক্সিজেন ব্যবহার করবেন, সেই সিদ্ধান্ত কীভাবে নেন?

নির্মল পুরজা: হ্যাঁ, প্রজেক্ট পসিবল–এর সময় আমি উচ্চ ক্যাম্পগুলো থেকে অক্সিজেন ব্যবহার করেছি। এর কারণ খুবই বাস্তব।
আমরাই প্রথম পথ তৈরি করছিলাম, দড়ি স্থাপন করছিলাম। যারা উচ্চতায় পর্বতারোহণ সম্পর্কে তেমন জানেন না, তাঁদের জন্য বলি—কোমরসমান তুষার ভেঙে পথ তৈরি করা এবং একই সঙ্গে দড়ি স্থাপন করা, এমনকি অক্সিজেন ব্যবহার করেও, অনেক বেশি কঠিন। অন্যদিকে আগে থেকে তৈরি করা পথ ধরে এবং স্থাপিত দড়ি ব্যবহার করে অক্সিজেন ছাড়া ওঠা তুলনামূলক সহজ।
আমি দুই ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই গেছি। তাই পার্থক্যটা আমি নিজে জানি।

প্রশ্ন: ২০২১ সালের জানুয়ারিতে আপনি আরও নয়জন নেপালি পর্বতারোহীকে সঙ্গে নিয়ে ইতিহাস গড়েন। প্রথমবারের মতো শীতকালে কে–টু জয় করেন। বছরের সবচেয়ে ঠান্ডা সময়ে কে–টুর চূড়ায় দাঁড়ানোর অনুভূতি কেমন ছিল?

নির্মল পুরজা: অনুভূতিটা ছিল অবিশ্বাস্য।
আমাদের নেপালি দলের ১০ জন একসঙ্গে কে–টুর চূড়ায় পৌঁছেছিল। এটা ছিল সম্পূর্ণ একটি দলগত অর্জন। মানবসভ্যতা ও পর্বতারোহণের ইতিহাসের অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত।
আমরা বিশ্বকে দেখাতে চেয়েছিলাম—ইতিবাচক মানসিকতা, দৃঢ়সংকল্প এবং দলগত কাজ থাকলে অসম্ভব বলে কিছু থাকে না।

প্রশ্ন: শীতকালে কে–টু আরোহণ অন্য আট হাজারি পর্বতের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন, কারণ সেখানে প্রচণ্ড বৈরী আবহাওয়া ও তীব্র বাতাস থাকে। আপনার অভিযানের সময় একটি ক্যাম্পও ঝড়ে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। সেই অভিযানের সবচেয়ে কঠিন দিক কী ছিল?

নির্মল পুরজা: এ বছরের আবহাওয়া ছিল অত্যন্ত কঠিন।
আমরা যে আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাচ্ছিলাম, বাস্তবে তার সঙ্গে কোনো মিল ছিল না। আপনি যেমন বললেন, আমাদের একটি ক্যাম্প ঝড়ে ধ্বংস হয়ে যায়। সেই সঙ্গে আমি আমার স্পিডফ্লাইং–এর সরঞ্জামও হারিয়েছিলাম। পরিকল্পনা ছিল কে–টুর চূড়া থেকে স্পিডফ্লাই করব, কিন্তু সেটা আর সম্ভব হয়নি।
আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল অভিযানের নেতা হিসেবে আমার দায়িত্ব। সবাই জানত, শীতকালীন কে–টু ছিল আট হাজারি পর্বতগুলোর মধ্যে শেষ, সবচেয়ে কঠিন এবং সবচেয়ে চরম চ্যালেঞ্জ। তাই সেখানে থাকা প্রতিটি পর্বতারোহী নিজের এবং নিজের দেশের জন্য ইতিহাস গড়তে চাইছিলেন।
আমার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছিল পুরো অভিযান পরিকল্পনা করা, সেই প্রচণ্ড চাপ ও প্রত্যাশা সামাল দেওয়া এবং আমার দলকে এমনভাবে নেতৃত্ব দেওয়া, যাতে ১০ জন নেপালি একসঙ্গে ইতিহাস গড়ে কে–টুর চূড়ায় দাঁড়াতে পারেন।

প্রশ্ন: শীতকালে কে–টুতে আপনি অতিরিক্ত অক্সিজেন ছাড়াই আরোহণ করেছিলেন। আপনার দলের মধ্যে একমাত্র আপনিই এটি করেছিলেন। অক্সিজেন ছাড়া আট হাজার মিটারের কোনো পর্বতে আরোহণ কতটা কঠিন?

নির্মল পুরজা: পৃথিবীতে সব সময়ই এমন কিছু মানুষ থাকবে, যারা আপনি যা-ই করুন না কেন সমালোচনা করবে।
আমি প্রজেক্ট পসিবল শুরু করার আগে কেউ বিশ্বাসই করেনি যে ১৪টি আট হাজারি শৃঙ্গ মাত্র ছয় মাসের একটু বেশি সময়ে আরোহণ করা সম্ভব। কিন্তু সেটা করার পর মানুষ অক্সিজেন ব্যবহার নিয়ে আলোচনা শুরু করল।
আসলে যারা নিজেরা এসব পর্বতে ওঠেন, যারা সত্যিকার অর্থে এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন, কেবল তাঁরাই বিষয়টি পুরোপুরি বুঝতে পারবেন।

প্রশ্ন: আপনার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতগুলোতে নিরাপদভাবে আরোহণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী?

নির্মল পুরজা: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের প্রতি সম্পূর্ণ সৎ থাকা।
যদি অহংকারের বশে নিজেকে অতিরিক্ত চাপ দেন, অন্যরা পেরেছে বলে আপনিও জোর করে আরোহণের চেষ্টা করেন, অথচ নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে সৎ না থাকেন—তাহলে আপনি বড় বিপদে পড়বেন।
নিজের ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সৎ থাকুন।

প্রশ্ন: ১৯৮৭ সাল থেকে শীতকালে কে–টু জয়ের একাধিক চেষ্টা হলেও সবই ব্যর্থ হয়েছিল। পুরোপুরি নেপালি একটি দলের সঙ্গে সেই চূড়ায় দাঁড়াতে পারা কি বিশেষ এক মুহূর্ত ছিল?

নির্মল পুরজা: অবশ্যই।
নেপালি পর্বতারোহীরাই সব সময় আট হাজারি পর্বতগুলোর প্রকৃত অগ্রদূত। সেই দলের নেতৃত্ব দিতে পারা এবং ১০ জন নেপালি সদস্যকে একই সময়ে কে–টুর চূড়ায় পৌঁছে দিতে পারা ছিল এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
আমি কখনোই একজন মানুষের ব্যক্তিগত গৌরবে বিশ্বাস করি না। আমি চেয়েছিলাম, এই অর্জনের অংশীদার সবাই হোক। কারণ প্রত্যেকেই সমান পরিশ্রম করেছে।
আরেকটি বিষয়ও ছিল। আমরা যখন কে–টুতে ছিলাম, তখন সারা বিশ্বে করোনা মহামারির কারণে কঠিন সময় চলছিল। আমি বিশ্বকে ঐক্যের শক্তির বার্তা দিতে চেয়েছিলাম। বড় সংকট মোকাবিলা করতে হলে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে—এটাই ছিল আমার মূল বার্তা।

প্রশ্ন: বর্তমানে হিমালয়ে পশ্চিমা কোম্পানিগুলো নেপালি শেরপাদের সহায়তায় গাইডিং সেবা পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতে কি এই পরিস্থিতি বদলাবে বলে মনে করেন? শেরপাদের পরিচালনায় আরও বেশি পর্বতারোহণ কোম্পানি কি গড়ে উঠবে?

নির্মল পুরজা: হ্যাঁ। এখন থেকেই আমরা ধীরে ধীরে সেই পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি।
আমি মনে করি, ভবিষ্যতে শেরপাদের পরিচালিত কোম্পানি এবং আমাদের বিদেশি বন্ধুদের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সুন্দর ভারসাম্য তৈরি হবে।
এই মুহূর্তে সেই ভারসাম্য নেই—এটা আমি স্পষ্টভাবেই বলব। তবে সময়ের সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্ব ও নেপালের মধ্যে আরও ন্যায্য ও সমতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই আমরা সেই দিকেই এগোচ্ছি।

প্রশ্ন: বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতগুলোতে আরোহণের সবচেয়ে ভালো দিক কী?

নির্মল পুরজা: আমার কাছে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতগুলোতে আরোহণের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো—সেখানে আমি নিজেকে সত্যিকার অর্থে জীবন্ত অনুভব করি।
সমুদ্রপৃষ্ঠে নেমে এলে পৃথিবীটাকে অনেক সময় বিশৃঙ্খল ও স্বার্থপর মনে হয়। কিন্তু পাহাড়ে আমি শান্তি খুঁজে পাই। পৃথিবীর সর্বোচ্চ স্থানগুলোতে থাকলে আমি সবচেয়ে বেশি জীবন্ত বোধ করি, কারণ তখন আমি শুধু সেই মুহূর্তটিতেই বেঁচে থাকি।

প্রশ্ন: বর্তমানে নেপালের মানুষের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?

নির্মল পুরজা: এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো মহামারি। অবশ্য এটি শুধু নেপালের নয়, পুরো বিশ্বেরই সমস্যা।
আশা করি, খুব শিগগির নেপালে আবার পর্যটন ফিরে আসবে এবং আমরা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারব।
________________________________________
ঈষৎ সংক্ষেপিত

#নির্মলপুরজা

২৪ জুলাই বিকেলে বান্দরবানের থানচির দুর্গম তিন্দু বড়পাথর এলাকায় সাঙ্গু নদে একটি নৌকা ডুবে জাওয়াদ-উল ইসলাম মাহিয়ান নামে এক...
25/07/2026

২৪ জুলাই বিকেলে বান্দরবানের থানচির দুর্গম তিন্দু বড়পাথর এলাকায় সাঙ্গু নদে একটি নৌকা ডুবে জাওয়াদ-উল ইসলাম মাহিয়ান নামে এক পর্যটক নিখোঁজ হয়েছেন। আজ শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত তাঁর সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ পর্যটকের বাড়ি ময়মনসিংহ সদরের মাসকান্দায়।

নিউইয়র্কে নীল পরি হয়ে ঘুরছেন মেহজাবীন চৌধুরী
22/07/2026

নিউইয়র্কে নীল পরি হয়ে ঘুরছেন মেহজাবীন চৌধুরী

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ghurantis-ঘুরান্তিস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ghurantis-ঘুরান্তিস:

Shortcuts

Share

Category