ABC Medicine Corner

ABC Medicine Corner We CARE our Peoples thus we provide BEST quality of medicines and others items.

08/11/2016

Happy Learning:25>>
লিভার পরিষ্কার রাখতে কী কী খাবেন জেনে নিন
লিভার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। কথাটি সবারই জানা। লিভার দেহের শক্তি ও পুষ্টির জোগায়। লিভার পরিষ্কার থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো লিভার পরিষ্কার রাখতে বেশ কার্যকর।

জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশ করা হয়েছে এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।

লিভার পরিষ্কার রাখতে প্রথমে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি খেতে হবে সবজির জুস ও ফল। এতে লিভার থেকে বিষাক্ত পদার্থগুলো দূর হবে।
লিভার ভালো রাখতে খেতে পারেন লালচালের ভাত, ওটমিল খেতে পারেন। এ ছাড়া খেতে পারেন আঁশ জাতীয় খাবার। কাঁচা সবজি ও ফলে রয়েছে আঁশ, ভিটামিন ও মিনারেল। তবে যে ফল খাবেন সেটি যেন সতেজ হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি তেলওয়ালা মাছ, ওয়ালনাট এগুলো খেতে পারেন লিভার পরিষ্কারের জন্য।

প্রক্রিয়াজাত খাবার, কৌটাজাত খাবার, ফাস্টফুড ইত্যাদি খাবার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। তাই এসব খাবার এড়িয়ে চলুন। এ ছাড়া মদ্যপান লিভারের জন্য খুব ক্ষতিকর। তাই লিভার ভালো রাখতে এটিও এড়িয়ে চলুন। ভারী খাবার খাবেন না। পাশাপাশি সকালের খাবার যেন বাদ না যায় সেদিকে খেয়াল রাখুন। রাতে হালকা খাবার খান। এই বিষয়গুলো লিভারের পাশাপাশি পুরো স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে কাজে দেবে।

12/10/2016

Daer Viewers,

ABC bkash agent No. +8801709 672 573
You can easily cash In and Cash Out at ABC Medicine Corner.
ABC is your trusted point.

12/10/2016

Happy Learning:24>>
চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে?
১. মাথায় টাক পড়ে যাচ্ছে? জেনে নিন ৪টি সহজ সমাধান :
ছেলেরা বরাবরই শরীরের যত্নের ব্যাপারে উদাসীন। সেই সাথে চুল ও ত্বকের ব্যাপারেও। সপ্তাহে ১ টি দিনও তেল দেয়া কিংবা শ্যাম্পু করা হয়ে ওঠে না অনেকেরই। কিন্তু এতে করে মাথার ত্বক এবং চুলের ফলিকলের অনেক ক্ষতি হয়। যার ফলে চুল পড়া শুরু হয় যা শেষ পর্যায়ে টাকে গড়ায়। তাই ছেলেদের কিছু যত্ন নেয়া উচিৎ চুলের প্রতি এই টাক থেকে মুক্তি পেতে চাইলে। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কম সময়ে টাকের সমস্যা থেকে মুক্তি ও নতুন চুল গজানোর কিছু টিপস।
অলিভ অয়েল, মধু ও দারুচিনির হেয়ার মাস্ক

চুলের ঘনত্ব ও দৈর্ঘ্য অনুযায়ী অলিভ অয়েল গরম করে নিন। এরপর এতে ১-২ চা চামচ মধু এবং ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো দিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই হেয়ার মাস্ক চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। ১৫-২০ মিনিট চুলে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের গোঁড়া মজবুত হবে এবং টাক পড়ার সম্ভাবনা একেবারেই কমে যাবে।
মেহেদী এবং সরিষার তেলের হেয়ার মাস্ক

এই মাস্কটি তৈরি করতে লাগবে মেহেদী পাতা ১০০ গ্রাম এবং সরিষার তেল ২৫০ গ্রাম। একটি প্যানে সরিষার তেল ঢেলে গরম হতে দিন। এরপর এতে মেহেদী পাতাগুলো দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। ৫-৭ মিনিট ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে তেল ঠাণ্ডা হতে দিন। মেহেদী পাতা ছেঁকে নিয়ে এই তেল চুলের গোঁড়ায়, মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। ১ ঘণ্টা বাদে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। বেঁচে যাওয়া বাকি তেলটুকু বোতলে ভরে রেখে দিন। এই মাস্কটি প্রতিদিন ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।
জবা ফুল ও লেবুর রসের হেয়ার মাস্ক

১ গ্লাস পানি একটি পাত্রে নিয়ে ফুটতে দিন। পানি ফুটে উঠলে এতে ২ টি জবাফুল দিয়ে ৩/৪ মিনিট আরও ফুটিয়ে নিন। এরপর পানি ঠাণ্ডা হতে দিন। পানি ঠাণ্ডা হয়ে এলে ছেঁকে নিয়ে এতে কএয়ক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে মিশিয়ে নিন। চুল শ্যাম্পু করে ধোয়ার পর এই মিশ্রণটি যেখানে টাক পড়া শুরু করেছে সেখানে লাগিয়ে রাখুন। জবা ফুলের রস নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।
নিমপাতার ব্যবহার

৩/৪ গ্লাস পানি নিয়ে এতে ১০/১২ টি নিম পাতা ফুটতে দিন। পানি ফুটে অর্ধেক হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানি ঠাণ্ডা হলে চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহার করুন। সপ্তাহে দুবার ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।

২. পুরুষের টাক সমস্যা প্রতিরোধের ৬টি কার্যকরী উপায়

বিশ্বের প্রায় এক তৃতীয়াংশ পুরুষ টাক সমস্যায় ভুগে থাকেন। নানান কারনে পুরুষেরা এই সমস্যার শিকার হন। চুল পড়ার হার বৃদ্ধি পেয়ে সৃষ্টি হয় টাকের। দিনে প্রায় ১০০টি চুল পড়াকে মোটামুটি স্বাভাবিক ধরা হয়ে থাকে। কারন নতুন চুল গজানোর জন্যও চুল পড়ে। কিন্তু এর চেয়ে বেশী চুল পড়া শুরু হলে এবং নতুন চুল না গজালে তা অবশ্যই লক্ষণীয় ব্যাপার। টাক সমস্যা ছেলেদের জন্য একটি অস্বস্তিকর ও কষ্টদায়ক একটি সমস্যা। কারন মাথায় চুল কমে গেলে অনেকেই নিজেকে নিয়ে একটু হীনমন্যতায় ভুগে থাকেন।

কিন্তু ছেলেরা চাইলে একটু সতর্কতা অবলম্বন করে এই সমস্যা প্রতিরোধ করতে পারেন। এর জন্য শুধু ছেলেদেরকে অনুসারী হতে হবে মেয়েদের। ছেলেদের একটি বদঅভ্যাস হলো দেহ, চুল, ত্বক এসবের প্রতি তেমন যত্নশীল না হওয়া। আর এরই প্রভাব পড়ে দেহের ওপর। সুতরাং ভাগ্যকে দোষ দিয়ে লাভ নেই, নিজে সতর্কতার সাথে একটু যত্নশীল হন। দেখে নিন টাক থেকে বাঁচার কিছু উপায়।
নিয়মিত হালকা শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিস্কার রাখুন

ছেলেরা গোসল খুবই তাড়াহুড়ো করে করেন। চুল কম বলে সপ্তাহে ২ বারও শ্যাম্পু ব্যবহার করেন না। কিন্তু এটা খুবই ক্ষতিকর আপনার চুলের জন্য। প্রতিদিন না হলেও ১ দিন পরপর শ্যাম্পু করুন চুলে।

আর এক্ষেত্রে বেছে নিন কোন হালকা শ্যাম্পু বা বেবি শ্যাম্পু। চুলের গোড়ায় ময়লা জমতে দেবেন না কোনো ভাবেই। ময়লা জমলেই চুল পড়া বেড়ে যায়।
তেল ব্যবহার করুন

ছেলেদের মধ্যে চুলে তেল দেয়ার ব্যাপারটি একদমই দেখা যায় না। কিন্তু চুলের গোড়া শক্ত করার জন্য চুলে তেল দেয়া খুব জরুরী। রাতের বেলা একটু তেল নিয়ে বসে যান চুল ম্যাসাজ করতে। সারারাত রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুলের গোড়া মজবুত হবে। নারকেল তেল, বাদাম তেল কিংবা অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন। সরিষার তেল থেকে দূরে থাকুন।
পেঁয়াজ বা রসুন কিংবা লেবুর রস ব্যবহার করুন

চুলের প্রতি একটু যত্নশীল হন। চুলে পেঁয়াজ বা রসুন কিংবা লেবু- যে কোনো একটি চিপে নিয়ে রস চুলে লাগান। নিয়মিত ১ সপ্তাহ ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হবে। টাকের হাত থেকে বাঁচবেন।
গ্রিন টী ব্যবহার করুন

চুলে গ্রিন টীর ব্যবহার নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। ব্যবহার করা গ্রিন টীর টী-ব্যগ কিংবা চিনি ছাড়া তৈরি গ্রিন টী চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার করুন। চুল পড়া বন্ধ করবে ও নতুন চুল গজাবে।
চুল শুকোতে দিন

চুল ছোট বলে গোসল করে বের হবার পর মাথায় তোয়ালে ঘষে ঘষে চুল শুকোতে দেখা যায় অনেককেই। এই ব্যাপারটি সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলুন। তোয়ালে মাথায় ঘোষলে চুলের গোড়া নরম হয়। চুল আপনা আপনি শুকোতে দিন। এতে চুলের গোড়ায় আদ্রর্তা ঠিক মত বজায় থাকবে।
ধূমপান বন্ধ করুন

যদি দেখেন আপনার চুল পড়ে যাচ্ছে কিন্তু নতুন চুল গজাচ্ছে না তাহলে জেনে রাখবেন এটা আপনার ধূমপানের অভ্যাসের সাথে সম্পর্কিত। ধূমপানের কারনে নতুন চুল গজানো বন্ধ হয়ে যায়। যে চুল গুলো পড়ে যায় তার জন্য নতুন করে চুল না গজালে টাক পরা অবশ্যম্ভাবী। তাই ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন।
চুল পরা রোধের কিছু টিপস

•দিনে ৬-৮ গ্লাস পানি পান করুন।
•ভেজা চুল আঁচড়াবেন না।
•ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার খান।
•ব্যায়াম করুন।
•অতিরিক্ত স্টাইলিং থেকে দূরে থাকুন।
•যতটা সম্ভব মানসিক চাপ মুক্ত থাকুন।

৩. টাক পড়ে গিয়েছে মাথায়? জেনে নিন নিজেকে কীভাবে আকর্ষণীয় দেখাবেন :
টাক পড়ে গেলে অনেকেই মনে করেন দেখতে বিশ্রী দেখাচ্ছে। আমাদের সমাজে টাক মাথা মানুষের কদর একটু কমই। বিশেষ করে বিয়ের পাত্র হিসেবে টাক মাথা ছেলেরা তো একেবারেই বেমানান বলে মনে করেন অনেকেই। আসলে কিন্তু তা নয়।

তবুও একেকজন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি একেকরকম হওয়াতেই এতো ঝামেলা। যাদের অল্প বয়সে টাক পড়ে যাচ্ছে তাদের এই নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। দয়া করে ঝেড়ে ফেলুন সকল দুশ্চিন্তা। জেনে নিন টাক মাথাতেও কিভাবে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন তার কিছু টিপস।

(১) যখন দেখবেন মাথায় বেশ ভালো মতোই টাক পড়া শুরু হয়েছে এবং তা থেকে মুক্তির কোনো উপায় নেই, তখন সেভাবেই বাকি চুল না রেখে পুরো মাথা কামিয়ে ফেলুন। পুরো মাথা কামিয়ে ফেললে এবং সেই হিসেবে স্টাইল করলে দেখতে খারাপ দেখাবে না একেবারেই।

(২) মাথা কামিয়ে ফেললে যে আপনার হেয়ার প্রোডাক্ট কেনার ঝামেলা শেষ হয়ে গেলো তা কিন্তু নয়। অনেক ধরনের ময়েসচারাইজিং জেল পাওয়া যায় বাজারে যা আপনার মাথায় লাগাতে পারেন। এতে করে চকচকে একটি ভাব থাকবে যা আকর্ষণীয় হবে। এছাড়াও আরও নানা প্রোডাক্ট পাওয়া যায় যা মাথার ত্বকের ঝামেলা থেকে মুক্তি দেবে আপনাকে। সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

(৩) পুরো মাথা কামিয়ে এর সাথে ফ্রেঞ্চ কাট দাড়ি রাখতে পারেন মুখে। ক্লিন মাথার সাথে ফ্রেঞ্চ কাট দাড়ি অনেক মানিয়ে যায়। এছাড়াও দাড়ি নিয়ে আপনি নিজেই কিছুটা পরীক্ষা চালিয়ে দেখতে পারেন। যেটাতে আপনাকে মানিয়ে যায় সেটাই চেষ্টা করুন।

(৪) খুব বুদ্ধি করে পোশাক নির্বাচন করবেন। যা আপনার সাথে মানিয়ে যায়। যদি তা আপনার বিপরীতেও যায় তাও নিজেকে নিয়ে একটু এক্সপেরিমেন্ট করে দেখতে পারবেন।

(৫) এর পাশাপাশি লক্ষ্য রাখবেন মাথা যেন ভালো করে ক্লিন থাকে। সপ্তাহে অন্তত একটিবার রেজর দিয়ে নিজে কামিয়ে নিতে পারেন। অথবা সেলুনে চলে যান। এতে করে নিজের লুকটা ধরে রাখতে পারবেন।

12/10/2016

Happy Learning:23>>
যেভাবে করবেন ড্রাইভিং লাইসেন্স, ঝামেলামুক্ত সহজ উপায়ে
কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে আমরা বেশিরভাগই সাধারনত নানান ঝক্কির মধ্যে পড়ি। কি করবো কোথায় যাবো, কোনটা আগে কোনটা পড়ে এমন নানা চিন্তায় কেটে যায় বেশ কিছুদিন। এরপর অভিজ্ঞদের তেল মাখানো , এর ওর কাছে জানতে চাওয়ার সাথে আছে বিভিন্ন অফিসে ছোটা ছুটি। অথচ জানা থাকলে এই ‘ মহাযজ্ঞ’ নিজেই সাধন সম্ভব। লাইসেন্স করতে গিয়ে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ ঝক্কি -ঝামেলার মধ্যে পড়েন , আবার অনেকেই দালালের পাল্লায় পড়ে হন ক্ষতিগ্রস্থ।

নিয়মকানুন মেনে গাড়ি চালানোর জন্য দরকার প্রশিক্ষণ ও কিছু দরকারি কাগজপত্র। ড্রাইভিং লাইসেন্স সঙ্গে থাকলে চালক রাস্তার ট্রাফিক সংকেতগুলো সম্পর্কে জানেন ও মানেন বলে ধরে নেওয়া হয়। কারণ লাইসেন্স দেওয়ার আগে বিআরটিএ তিনস্তরের পরীক্ষার মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদান করে।

একবার লাইসেন্স করলে তা দিয়ে সারাজীবন গাড়ি চালানো যায় না। নির্দিষ্ট সময় পর পর নবায়ন করতে হয়। চালকের সঙ্গে ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে পুলিশ আইন অনুযায়ী মামলা করতে পারে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য প্রথমে বিআরটিএ’র ওয়েবসাইট থেকে লার্নার বা শিক্ষানবিস ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে। বিআরটিএ অফিসেও বিনামূল্যে লার্নার ফর্ম দেওয়া হয়। এটি পূরণ করে লার্নার অর্থাৎ শিক্ষানবিস লাইসেন্সের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাংকে সরকার নির্ধারিত ফি জমা দিতে হয়।

কেমন হবে খরচ
বিআরটিএ সূত্রমতে , মোটরসাইকেল ও গাড়ির লাইসেন্স ফি একই। তবে মোটরসাইকেলের কোনো পেশাদার লাইসেন্স দেওয়া হয় না।

শিক্ষানবিস ফিএকটি যানের জন্য ৩৪৫ টাকা(১৫% ভ্যাটসহ)।দু’টি (গাড়ি ও মোটরসাইকেল) যানের জন্য ৫১৮ টাকা (১৫% ভ্যাটসহ)।লার্নার নবায়ন ফি ৮৭ টাকা (১৫% ভ্যাটসহ)।শিক্ষানবিস থেকে পূর্ণমেয়াদের লাইসেন্স পাওয়ার জন্য নির্ধারিত পরীক্ষা দিতে হয়। এর জন্যও রয়েছে আলাদা ফি।অপেশাদার লাইসেন্স ফি : ২,৩০০ টাকা (১৫% ভ্যাটসহ)।পেশাদার লাইসেন্স ফি : ১,৪৩৮ টাকা (১৫% ভ্যাটসহ)।

অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া
প্রথমে লার্নার বা, শিক্ষানবিস ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে।এ তিনটি ধাপে পাশ করলে লাইসেন্স দেওয়া হয়।
আবেদনকারীর স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানা বিআরটিএ’র যে সার্কেলের আওতাভূক্ত তাকে সেই সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। সার্কেল অফিস কর্তৃপক্ষ তাকে একটি শিক্ষানবিস বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করে, যা দিয়ে আবেদনকারী ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন।
প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তাকে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেটের তত্ত্ববধানে পরীক্ষা নেওয়া হয়। ঢাকা জেলা সার্কেলের পরীক্ষা দিতে হলে যেতে হবে কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়ায়।
নির্ধারিত কেন্দ্রে লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্টে অংশগ্রহণ করতে হয়। ট্রাফিক আইন, ট্রাফিক সংকেত সম্পর্কিত বিষয়ে সংক্ষিপ্ত উত্তর লিখতে হয়। ফিল্ড টেস্টে সামনে-পেছনে, ডানে-বাঁয়ে ও পরীক্ষকের নির্দেশনা মতো গাড়ি চালিয়ে দেখাতে হয়।

শিক্ষানবিস ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে যেসব কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে
১. নির্ধারিত ফরমে আবেদন।

২. রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট।

৩. ন্যাশনাল আইডি কার্ডের সত্যায়িত ফটোকপি।

৪. নির্ধারিত ফি জমাদানের রশিদ।

৫. সদ্য তোলা ৩ কপি স্ট্যাম্প ও ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

তিনটি পরীক্ষায় পাশ করার পরনির্ধারিত ফর্মে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি দিয়ে স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।নির্ধারিত দিনে গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙুলের ছাপ) দেওয়ার জন্য উপস্থিত হতে হয়। এসব প্রক্রিয়া শেষে বিআরটিএ স্মার্ট কার্ড ইস্যু করে।
স্মার্ট কার্ড পাওয়ার তারিখ এসএমএস-এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণ করতে হলে আরও কিছু নিয়মকানুন অনুসরণ করা হয়।

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সপেশাদার হালকা (মোটরযানের ওজন ২৫০০ কেজি’র নিচে) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২০ বছর হতে হবে।
পেশাদার মধ্যম (মোটরযানের ওজন ২৫০০ থেকে ৬৫০০ কেজি) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২৩ বছর হতে হবে।
পেশাদার ভারী (মোটরযানের ওজন ৬৫০০ কেজির বেশি) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২৬ বছর হতে হবে।
এছাড়া পেশাদার ভারী ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য প্রার্থীকে প্রথমে হালকা ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে হবে। এর ন্যূনতম তিন বছর পর তিনি পেশাদার মিডিয়াম ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
আর মিডিয়াম ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার কমপক্ষে তিন বছর পর ভারী ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হয়।

লাইসেন্সের মেয়াদঅপেশাদার হলে ১০ বছর, পেশাদার হলে ৫ বছর।ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নলাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হয়। বিআরটিএ-তে নির্ধারিত ফি দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়।

নবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
১. নির্ধারিত ফরমে আবেদন।

২. রেজিস্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সাটিফিকেট।

৩. ন্যাশনাল আইডি কার্ড এর সত্যায়িত ফটোকপি।

৪. নির্ধারিত ফি জমাদানের রশিদ।

৫. পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর ক্ষেত্রে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন।

৬. সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট ও ১ কপি স্ট্যাম্প সাইজ ছবি।

প্রয়োজনে আবেদনের মাধ্যমে লাইসেন্স এক এলাকার লাইসেন্স অন্য এলাকায় স্থানান্তর করা যায়।

অপেশাদার হলে
প্রথমে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিআরটিএ’র নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র ও সংযুক্ত কাগজপত্র ঠিকভাবে পাওয়া গেলে একইদিনে গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙুলের ছাপ) গ্রহণ করা হয়। স্মার্ট কার্ড প্রিন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএস-এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়।

পেশাদার হলে
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে পুনরায় ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষায় সফল হওয়ার পর গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট সার্কেল অফিসে উপস্থিত হতে হয়।

এবার দেখে নিন ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে কিংবা ছিঁড়ে গেলে কি করতে হবে আপনাকে-

নির্ধারিত ফরমে সাদা কাগজে প্রয়োজনীয় ফিস পোস্ট অফিসে জমা দিয়ে লাইসেন্সের পূর্ণ বিবরণাদি উল্লেখপূর্বক যে লাইসেন্সিং অথরিটি কর্তৃক ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছিল তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে লাইসেন্সিং অথরিটির কাছে তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবিসহ আবেদন দাখিল করতে হবে।

লাইসেন্স হারিয়ে বা পুড়ে গেলে সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি এন্ট্রি) করতে হবে এবং তার একটি সত্যায়িত অনুলিপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

এ ছাড়া দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে এবং সেই বিজ্ঞপ্তির তারিখ আবেদনপত্রে উল্লেখসহ উক্ত পত্রিকার নির্দিষ্ট স্থানটি চিহ্নিত করে আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। আবেদনপত্র সঠিক বিবেচিত হলে লাইসেন্সধারীর অনুকূলে একটি প্রতিলিপি ইস্যু করা হবে।

02/10/2016

Dear Viewers,

Many thanks to visited our page.
Ypu will find health TIPS on every day in our page. Thus you have to visit our page on every day to get the update.
If you need any assistance from our end, please contact with us.
Also you can provide your feedback/ advise/query regarding our Pharmacy. We will get back to you within shortly.
Many thanks.
We care your health.

02/10/2016

Happy Learning: 22>>
৭ দিন খালি পেটে রসুন-মধু খেলে কী হয়?
কেবল মাত্র খাবার হিসেবে নয়, বহুকাল আগে থেকে রসুন garlic ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি জাতিই রসুনকে বিভিন্ন অসুখ থেকে নিরায়মের জন্য ব্যবহার করে আসছে।

আবার বিভিন্ন দেশে রোগ নিরামকারী উপাদান হিসেবে মধু honey ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২০ শতকের মাঝামাঝি এসে একে অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে তুলনা করা হয়। মধুকে সংক্রমণ প্রতিরোধী উপাদান হিসেবে ধরা হয়। এই দুটো চমৎকার জিনিস যখন একসাথে হয় তখন এর গুণ বেড়ে যায় আরো বেশি।
রসুন ও মধুর মিশ্রণ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, ঠান্ডা, জ্বর, কফ ইত্যাদি সারাতে বেশ ভালো কাজ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কেবল সাতদিন রসুন ও মধুর মিশ্রণ খেলে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে অনেকটাই রক্ষা করা যায়।

বনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট রাইস আর্থ জানিয়েছে মধু ও রসুনের এই মিশ্রণটি তৈরির প্রণালি।
উপাদান –
১/ একটি মাঝারি আকৃতির বয়াম
২/ মধু
৩/ তিন থেকে চারটি রসুন। (খোসা ছড়িইয়ে কোয়াগুলো বের করুন।)
প্রণালি –
প্রথমে বয়ামের মধ্যে রসুনের কোয়াগুলো নিন। এরপর এর মধ্যে মধু ঢালুন। বয়ামের মুখ বন্ধ করে মিশ্রণটি ফ্রিজের মধ্যে সংরক্ষণ করুন।

প্রতিদিন খালি পেটে মিশ্রণটি আধা চা চামচ করে খান। ঠাণ্ডাজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য দিনে ছয়বার আধা চা চামচ করে এটি খেতে পারেন। এটি সংক্রমণ দূর করতে কাজ করবে।

28/09/2016

Happy Learning: 21>>
হাড় খয় রোধে মেনে চলুন ৫টি নিয়ম!
রীর গঠনের জন্য সবচাইতে প্রয়োজনীয় হচ্ছে হাড়। এই হাড়ের মাধ্যমে আমাদের দেহ সঠিক আকারে দাঁড়াতে পারে। আমাদের দেহকে ধারণ করে রাখে দেহের ভেতরে হাড়ের তৈরি কঙ্কাল।

হাড়ের গঠনে কিছুটা ভিন্নতা এলেই আমরা হয়ে যেতাম জড় পদার্থ। কিন্তু এতো গুরুত্বপূর্ণ এই জিনিসটির যত্নে তেমন কিছুই করি না। এর ফলে অনেক কম বয়স থেকেই হাড়ের বিভিন্ন রোগ হাড়কে নষ্ট করে শরীরকে ধীরে ধীরে অক্ষম করে দেয়।
শিশুকাল থেকে হাড়ের যত্ন নেয়ার অভ্যাস না হলে কম বয়সেই হাড়ের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়। হাড় হয়ে পড়ে দুর্বল এবং নরম। বার্ধক্য শরীরে ভর করতে না করতেই হাঁটাচলার ক্ষমতা কমে যেতে শুরু করে। যদি কম বয়সেই অক্ষম হয়ে যেতে না চান তাহলে হাড়কে মজবুত করার কথা মাথায় রাখতে হবে। করতে হবে হাড়ের সুস্থতায় কিছু কাজ। মজবুত হাড় পেতে মেনে চলতে হবে কিছু নিয়ম।
পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে প্রতিদিন
মজবুত হাড়ের জন্য খাদ্যতালিকায় অবশ্যই ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। স্বাদের কথা ভুলে গিয়ে নজর দিতে হবে পুষ্টিকর খাবারের প্রতি। কম ফ্যাট যুক্ত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খেতে হবে প্রতিদিন। দুধ, ডিম, কাঠবাদাম, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ, সবুজ শাকসবজি, ব্রকলি, প্রচুর পরিমাণে ফলমূল রাখতে হবে খাদ্য তালিকায়। এতে করেই আপনি পেতে পারেন মজবুত হাড়।
ভিটামিন ডি অভাব দূর করতে হবে
খাবারের মাধ্যমে আমরা যে ক্যালসিয়াম দেহে নিয়ে থাকি তা হাড় দ্বারা শোষণ হয় ভিটামিন ডি এর মাধ্যমে। যদি দেহে ভিটামিন ডি এর অভাব থাকে তবে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরেও হাড়ের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যাবে না।
সুতরাং দেহে ভিটামিন ডি এর অভাব পূরণেও কাজ করতে হবে। মাছ, মাছের তেল, দুধ, সয়া দুধ, ফলমূলে রয়েছে ভিটামিন ডি। সূর্যের আলোর মাধ্যমেও দেহের ভিটামিন ডি এর চাহিদা পূরণ সম্ভব। সকাল ৯ টার আগে মাত্র ১০ মিনিট সূর্যের আলোতে বসেই আপনি দেহের ভিটামিন ডি এর অভাব পূরণ করতে পারেন খুব সহজে।

নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করার অভ্যাস করতে হবে
হাড়ের সুস্থতায় নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। যারা একটানা বসার কাজ করেন তাদের দেহের হাড়ের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়। যারা একেবারেই শারীরিক পরিশ্রম করেন না তাদের হাড় অপেক্ষাকৃত নরম ও দুর্বল হয়ে পড়ে দ্রুতই।
তাই নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করুন। শারীরিক ব্যায়াম, খেলাধুলা, নাচ, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা ইত্যাদি বেশ ভালো শারীরিক পরিশ্রম যা হাড়কে মজবুত করে তোলে।

ধূমপান ও মদ্যপান বন্ধ করুন
ধূমপান ও মদ্যপান হাড়ের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ধূমপানের ফলে হাড়ের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়। যারা নিয়মিত ধূমপান ও মদ্যপান করেন তাদের দেহ খাবারের পুষ্টি সঠিকভাবে দেহে সরবরাহ করতে পারে না।
খাবার খাওয়ার পরেও পুষ্টি সঠিকভাবে হাড়ে না পৌঁছানোর কারণে হাড় হয়ে যায় দুর্বল ও নরম। দেহের অন্যান্য সমস্যার সাথে দেখা দেয় হাড়ের সমস্যা। তাই ধূমপান ও মদ্যপান বন্ধ করে দিন আজই।

মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলুন
অনেকে ভাবতে পারেন মানসিক চাপের সাথে হাড়ের কী ধরণের সম্পর্ক থাকতে পারে, কিন্তু মানসিক চাপের সাথে হাড়ের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।

মানসিক চাপে থাকলে আমাদের দেহে নিঃসরণ হয় কারটিসোল নামক একটি হরমোনের যা হাড়ের ক্ষয়ের জন্য বিশেষভাবে দায়ী। তাই মানসিক চাপটাকে যতোটা সম্ভব দূর করার চেষ্টা করুন। মন ভালো থাকার সাথে সাথেই হাড় থাকবে মজবুত।

28/09/2016

Happy Learning:20>>
লিভার নষ্ট হওয়ার এই ১০টি কারণ
আমাদের দেহের প্রধান অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর মধ্যে লিভার অন্যতম। দেহের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় লিভারের সুস্থতা অনেক জরুরী। সে হিসেবে আমাদের দেহের সুস্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে লিভারের উপরেই!!!
লিভার নষ্ট হবার প্রধান ১০ কারণ:

-রাতে খুব দেরিতে ঘুমাতে যাওয়া ও সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা।
-সকালে মূত্রত্যাগ ও পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
-অতিরিক্ত খাবার খাওয়া।
-সকালে নাস্তা না করা।
-মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবন করা।
-প্রিজারভেটিভ, ফুড কালার ও খাবার মিষ্টি করতে কৃত্রিম সুইটেনার ব্যবহার করা খাবার বেশি খাওয়া।
-রান্নায় অস্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহার করা।
-ভাজা-পোড়া জাতীয় খাবার বেশী খাওয়া ও ভাজার সময় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করা।
-মাত্রাতিরিক্ত যে কোন কিছুই ক্ষতিকর। খুব বেশি পরিমাণে কাঁচা খাদ্য খাওয়ার অভ্যাসও লিভারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

21/09/2016

Happy Learning:19>>
যে ৬টি ভুলে আপনি নিজেই নষ্ট করে ফেলছেন দেহের কিডনি দুটি - See more at: http://www.bdallnews24.com/bn/article/51409/ .W4vn4ipF.dpuf

আমাদের শরীরের নানা বর্জ্য পদার্থ, অব্যবহৃত খাদ্য এবং বাড়তি পানি নিষ্কাশনে সাহায্য করে কিডনি। দেহের নানা বর্জ্য পদার্থের ক্ষতিকর টক্সিন থেকে আমাদের

20/09/2016

Dear Viewers,
Many thanks for visited our page.
If you need any assistance from our end, please contact with us.
Also you can provide your feedback/ advise/query regarding our Pharmacy.
We will get back to you within shortly.

20/09/2016

Happy Learning:18>>
ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে সর্দি-কাশি হওয়া খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। কিন্তু সর্তকতার সাথে চলতে পারলে এই স্বাভাবিক ব্যাপারটিও রুখে দেয়া সম্ভব। খাদ্যতালিকায় কিছু খাবার যোগ করে শীতের সর্দি-কাশি থেকে খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারেন। জেনে নিই শীতের সর্দি-কাশির বিরুদ্ধে কাজ করে এমন খাবার সম্পরকে......
শীতের সর্দি-কাশি সারাতে ৫ টি খাবারঃ
১.রসুনঃ
কাঁচা রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সাধারণ ঋতু পরিবর্তনের সর্দি-কাশির বিরুদ্ধে সবচাইতে ভালো কাজ করে। তাই প্রতিদিন ১-২ কোয়া কাসা রসুন খাওয়ার অভ্যাস করুন।
২.আদা চাঃ
আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং গরম গরম চা সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে বেশ ভালো কাজ করে।
৩.মিষ্টি আলুঃ
শীতের খাবারের মধ্যে মিষ্টি আলুর রয়েছে শীতকালের নানা ফ্লু জনিত রোগের হাত থেকে মুক্তির ক্ষমতা। এর ভিটামিন এ আমাদের দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করতে বেশ কার্যকরী।
৪.মাশ্রুমঃ
মাশরুমে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট,ভিটামিন,পটাশিয়াম এবং ফাইবার যা সর্দি-কাশি রোধের পাশাপাশি দেহের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
৫.মাছঃ
আমরা মাছে ভাতে বাঙ্গালী। তাই এই ঐতিহ্য আমাদেরকে সুরক্ষাও করবে। কারণ মাছের ফ্যাটি অ্যাসিড আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে। ফলে সাধারণ সর্দি-কাশি দেহে বাসা বাঁধতে পারে না।
নিজেও সুস্থ থাকুন, অন্যকেও সুস্থ থাকতে সাহায্য করুন।

20/09/2016

Happy Learning:17>>
যে খাবার খেলে যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়

বর্তমানকার দিনে অনেক পুরুষের যৌন জীবন ততোটা সুখকর নয়। এর প্রধান কারণ নিজের মনের দুর্বলতা, অবৈধ যৌনজীবন চর্চা এবং পর্যাপ্ত খাদ্য খাবারের ঘাটতি।আজ আপনার ডক্টরের আর্টিকেল যে খাবার খেলে পুরুষের লিঙ্গ মোটা হয় তার উপর।

দুধ

বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগুলিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

ঝিনুক

আপনার যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌন-ইচ্ছা বাড়ায়। ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অ্যাসপারাগাস

আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়াতে চাইলে যেসব প্রাকৃতিক খাবার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে সেগুলি খাওয়া উচিত। যৌনতার ক্ষেত্রে সবসময় ফিট থাকতে চাইলে অ্যাসপারাগাস খেতে শুরু করুন।

কলিজা

অনেকেই কলিজা খেতে একদম পছন্দ করে না। কিন্তু আপনার যৌন জীবনে খাদ্য হিসেবে কলিজার প্রভাব ইতিবাচক। কারণ, কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। আর এই জিঙ্ক শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে। যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শরীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া জিঙ্ক এর কারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে পরিণত হতে সাহায্য করে। এস্ট্রোজেনও আপনার যৌনতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হরমোন।

ডিম

ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবং যৌন ক্ষমতা (testosterone) বৃদ্ধি পাবে।

রঙিন ফল

যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গবেষণা অনুযায়ী একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শরীরে যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তারা যৌন উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলু শুধু শর্করার ভালো বিকল্পই না, মিষ্টি আলু খুব ভালো ধরনের একটি ‘সেক্স’ ফুড। আপনার শরীর কোনো সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন পেলে তা ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত করে। এই ভিটামিন-এ নারীদের যোনি এবং ইউটেরাসের আকার ভালো রাখে। তাছাড়া এটা সেক্স হরমোন তৈরিতেও সহায়তা করে।

কফি

কফি আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌনতার মুড ঠিক রাখে।

ডার্ক চকোলেট

ডার্ক চকোলেটে আছে ফেনিলেথ্যালামাইন নামক একটি উপাদান যা শরীরে বাড়তি যৌন উদ্দীপনা তৈরী করে। গবেষণায় জানা গেছে যে ডার্ক চকোলেট খেলে সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণবোধও বেড়ে যায়। এছাড়াও ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই প্রতিদিন শতকরা ৭০ ভাগ কোকোযুক্ত ডার্ক চকোলেটের ২ ইঞ্চির একটি টুকরো খেয়ে নিন। মাত্র ১০০ ক্যালরী আছে এই আকৃতির একটি টুকরোতে যা আপনার যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

ট্রাফল (এক ধরনের ছত্রাক)

ট্রাফলে পুরুষের যৌন হরমোনের মত একধরনের উপাদান থাকে। কিছু কিছু খাবারে ট্রাফলের এই বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। যার ফলে, নারীদের পুরুষের প্রতি লিবিডো বা যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। যেমন ম্যাশড পটেটোতে ট্রাফলের ব্যবহার করা হয়।

জয়ফল

ভারতীয় গবেষকদের মতে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।

তৈলাক্ত মাছ

তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড DHA O EPA শরীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

গরুর মাংস

কলিজার মত গরুর মাংসেও প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি যৌন জীবনকে আরো আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।

অ্যাভোকাডো

অ্যাভোকাডোকে এর আকৃতির কারণে একে নারী ফল হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। তবে শুধু এর আকৃতিই আকর্ষণীয় না, এতে প্রচুর ভিটামিন বি-সিক্স এবং পটাসিয়াম থাকে। এর ফলে এটা খেলে আপনার যৌন ইচ্ছা এবংযৌন সামর্থ্য বৃদ্ধি পায়। এই ফলের এই নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যটির কারণে একে স্প্যানিশ প্রিস্টরা নিষিদ্ধ করেছিল।

ওটমীল

ওটমিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। যেসব দানাজাতীয় শশ্যে আবরণ থাকে তাদের মধ্যে এই গুণটি রয়েছে। যেমন গম, চাল, রাই ইত্যাদি। ফাইটোস্ট্রজেন আপনার যৌন জীবনের জন্য খুবই কার্যকরী।

পালং শাক ও অন্যান্য সবজি

পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। জাপানের গবেষকদের মতে শরীরে রক্ত চলাচল বাড়লে যৌন উদ্দীপনাও বাড়ে। পালং শাক ও অন্যান্য বিভিন্ন রকম শাক,ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান।

বাদাম ও বিভিন্ন বীজ

কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শরীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করে। সেক্স হরমোন গুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনার যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। শিমের বীচিতে প্রচুর ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। এটা আপনার যৌন ইচ্ছা এবং যৌন সামর্থ্য বাড়ায়। জাপানিরা যৌন ইচ্ছা বাড়ানোর জন্য খাবারে প্রচুর শিমের বীচি ব্যবহার করে থাকে। চীনা বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। এই জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শক্তিশালী শুক্রাণু তৈরি করে। জিঙ্ক কম থাকলে শরীরে শতকরা ৩০ ভাগ কম বীর্য তৈরি হয়।

যারা খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে কম জিঙ্ক গ্রহণ করে তাদের বীর্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটিই কমে যায়। ওটমিল এবং কুমড়ার বীচির মত সূর্যমুখীর বীজ হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে আপনার যৌন আকাঙ্ক্ষাও বাড়ে। সূর্যমূখীর বীজে যে তেল থাকে তা এই কাজটি করে। কুমড়ার বীচি জিঙ্ক-এর অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক উৎস। এই জিঙ্ক টেস্টোস্টেরোনের (Testosterone)মাত্রা বাড়ায়। আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে কুমড়ার বীচির কার্যকারিতা অনেক।
আপনার যে কোন স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্যের জানান দিতে আপনার ডক্টর রয়েছে আপনার পাশে।জীবনকে সুস্থ্য, সুন্দর ও সুখময় করার জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন আমাদের সাইটে।মনে না থাকলে আপনি সাইট আপনার ব্রাউজারে সেভ করে রাখুন।ধন্যবাদ

Address

45, North Baridhara, Kalachandpur School Road
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 08:00 - 11:00
Tuesday 08:00 - 11:00
Wednesday 08:00 - 11:00
Thursday 08:00 - 11:00
Friday 08:00 - 11:00
Saturday 08:00 - 11:00
Sunday 08:00 - 11:00

Telephone

+8801673340845

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ABC Medicine Corner posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ABC Medicine Corner:

Share

Category