14/08/2026
ইসলামে সুদ (রিবা) সম্পূর্ণ হারাম ও কবিরা গুনাহ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা সুদ সম্পর্কে স্পষ্ট ও কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। নিচে কুরআনের আলোকে সুদের বিধান ও নির্দেশনাগুলো তুলে ধরা হলো:
১. ব্যবসা হালাল, সুদ হারাম
আল্লাহ তাআলা ব্যবসাকে বৈধ করেছেন এবং সুদকে নিষিদ্ধ করেছেন।
"আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।"
— সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৭৫
২. সুদের অবশিষ্ট অংশ বর্জনের নির্দেশ
ঈমানদারদের লক্ষ্য করে আল্লাহ তাআলা সুদের পাওনা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
"হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সুদের যা অবশিষ্ট আছে তা ছেড়ে দাও, যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাকো।"
— সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৭৮
৩. আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধের শামিল
সুদের লেনদেন ছেড়ে না দিলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত ভয়ানক সতর্কবার্তা।
"যদি তোমরা তা না করো (সুদ না ছাড়ো), তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে নাও।"
— সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৭৯
৪. সুদে বরকত বিনষ্ট হয়
বাহ্যিকভাবে সুদে সম্পদ বাড়ছে মনে হলেও আল্লাহ সুদের সম্পদ ধ্বংস করেন এবং সদকায় বরকত বৃদ্ধি করেন।
"আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দান-সদকাকে বৃদ্ধি করেন।"
— সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৭৬
৫. চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খাওয়া নিষিদ্ধ
ইসলামে সুদের ওপর সুদ বা চক্রবৃদ্ধি সুদের কঠোর বিরোধিতা করা হয়েছে।
"হে ঈমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।"
— সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ১৩০
প্রিয় বন্ধুরা,
তোমরা এখনও যারা সুদের সাথে সম্পর্ক, দ্রুত সুদ বিহীন জীবন গড়ার কাজে মনোনিবেশ করো।আল্লাহ সকল কিছুই অবলোকন করেন।