02/05/2019
ভয়ংকর রুপ নিচ্ছে ঘূর্নিঝড় ফণী.....
দিক পরিবর্তন না করলে ভারতীয় উপকূলে ৩ তারিখ, আর দিক পরিবর্তন করলে ৪/৫ তারিখ আঘাত হানতে পারে বাংলাদেশে। ঘূর্ণিঝড়ে যে কোনো ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় দেশের উপকূলীয় ১৯ জেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের আগে করনীয়-
১। ইন্টারনেটে পোস্ট দেখে আতঙ্কিত না হওয়া।
২। রেডিও এবং টিভিতে ভেরিফাইড নিউজ দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া।
৩। ডায়রিয়া, জ্বর এর জন্য স্যালাইন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহে রাখা।
৪। নিরাপদ আশ্রয় এর খোঁজ করা।
৫। পর্যাপ্ত পরিমাণে শুকনো খাবার সংগ্রহে রাখা।
৬। রেলিং এর উপর ফুলের টব, কনস্ট্রাকশন এর জিনিস না রাখা।
ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে করনীয়-
১। রাস্তায় থাকলে শপিং মল, মসজিদ, স্কুল বা যেকোনো বিল্ডিং এ আশ্রয় নিন।
২। এই সপ্তাহে জ্যামে পড়লে গাড়ির পাশে যায়গা রেখে দাঁড়ানোর চেষ্টা করুন যেন বিপদের মুহূর্তে দরজা খোলা যায়।
৩। বিল্ডিং এ কারেন্ট এবং গ্যাস এর মেইন লাইন অফ করে দিন।
৪। দরজা জানালা বন্ধ রাখুন যাতে বাইরে থেকে ময়লা বা ভারী কিছু উড়ে এসে আঘাত করতে না পারে।
৫। টিনশেড বাসা হলে বা নিচু জায়গায় হলে যদি সেইফ মনে না হয়, নিরাপদ কোথাও আশ্রয় নিন।
৬। খুব বেশি জরুরি না হলে রাস্তায় বের হওয়া যাবে না।
৭। রাস্তায় বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে তার পরে আছে কিনা খেয়াল রাখা।
৯। কল করে নেটওয়ার্ক বিজি না রেখে SMS ব্যবহার করে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করুন। ডাটা কানেকশন অফ রাখুন।
বিপদগ্রস্তকে সাহায্য করার অপশন থাকলে সাহায্য করুন। বাসার পাশের টিনশেড এর মানুষকে যায়গা দেওয়া সম্ভব হলে কার্পণ্য করবেন না। পোস্টটি নিজের টাইম লাইনে শেয়ার করে সবাইকে প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ করে দিন।
ধন্যবাদ সবাইকে।