Getsview Market

Getsview Market This is the official page of GETSVIEW Market to providing better services, latest offers, coupon code

GETSVIEW Market is a complete e-commerce platform where sellers can use the platform to open a shop in the name of their own brands and start selling their products. GETSVIEW MARKET gives everything a seller needs to start selling once they have registered. With powerful product management, a seller can add and arrange products in no time and manage product options, such as price, product images, stock, offer, coupon, details, review and many more features easily.

অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে আমাদের নিয়মিত ডেলিভারি কিছুদিনের জন্য বন্ধ ছিল। আলহামদুলিল্লাহ্‌, এখন থেকে পুনরায় নিয়মিত ডেলিভারি চাল...
19/12/2023

অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে আমাদের নিয়মিত ডেলিভারি কিছুদিনের জন্য বন্ধ ছিল। আলহামদুলিল্লাহ্‌, এখন থেকে পুনরায় নিয়মিত ডেলিভারি চালু হয়েছে। আপনার পচ্ছন্দের ফলের চারা দ্রুত ডেলিভারি পেতে আজই অর্ডার করে ফেলুন 🌿

বৈঁচি ফলআরো কিছু নামঃ টিপফল, লুকলুকি, পলাগোটা, পানিয়ালা, পানি আমলা, পাইন্না, পাইন্যাগুলা, কাঁটাবহরী , বেহুই।বৈঁচি /বেউঁ...
28/09/2023

বৈঁচি ফল

আরো কিছু নামঃ টিপফল, লুকলুকি, পলাগোটা, পানিয়ালা, পানি আমলা, পাইন্না, পাইন্যাগুলা, কাঁটাবহরী , বেহুই।

বৈঁচি /বেউঁচ / বেঁঁচি /ভেমুজ–যে নামেই ডাকিনা কেন, বাংলার পথে , ঘাট প্রান্তরে, উঁচু পতিত জমিতে এটি যথেষ্ট পাওয়া যেত এক সময়। এখন বিলুপ্তির পথের পথিক এই ফল।
গাছটার বৈজ্ঞানিক নাম Flacourtia indica, Syn. Flacourtia ramontchi.
ছোট বনজঙ্গল এ জন্মানো কাঁটাযুক্ত গাছ, ডগার কচিপাতা লালচে। শীতের শুরুতে থেকে গ্রীষ্মের শেষ দিকে মধ্যে ফুল ও ফল ধরে। মটর দানার আকারের ফল, কাঁচায় সবুজ, পাকলে উজ্জ্বল বেগুনি রঙ। পাকা ফলের শাঁসের অপূর্ব স্বাদ।
পরবর্তী লেখা :- সুধাঙ্কর ঘোষ এর !!
এর উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা নেই কারো জানা থাকলে জানাবেন প্লিজ
বৈচির রয়েছে নানাবিধ ঔষধি গুণ।
যেমন –
ফলের প্রায় ৬০ ভাগই রয়েছে আয়রন।
এছাড়া এতে রয়েছে সালফার, ফসফেট ও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি।
গাছের শেকড় দাঁতব্যথা উপশমে ব্যবহার করা হয়।
এটি ডায়রিয়া রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হতো প্রাচীন কালে।
পাকা ফল হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
এছাড়া লিভারের রোগেও ফল উপকারী।
এই ফল হৃদরোগীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী। কারণ এতে রয়েছে রক্ত তরল করার উপাদানসমূহ।
ফলের ভিটামিন সি খাবারের প্রতি রুচি বাড়িয়ে মুখের ক্ষত/ঘা/জিভে ঘা সারাতে কার্যকর ।
এসিডিটির সমস্যা থাকলে তা দ্রুত দূর করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

 #মাটির_ধরণ 🌿মাটিতে তিন ধরনের কণা থাকে: বালি, পলি, এবং কর্দম। বালির কণা সবচেয়ে বড়, পলির কণা মাঝারি আকারের, এবং কর্দমের...
22/09/2023

#মাটির_ধরণ 🌿

মাটিতে তিন ধরনের কণা থাকে: বালি, পলি, এবং কর্দম। বালির কণা সবচেয়ে বড়, পলির কণা মাঝারি আকারের, এবং কর্দমের কণা সবচেয়ে ছোট। মাটির ধরন নির্ভর করে এই তিন ধরনের কণার অনুপাতের উপর।

#বালুকাময় মাটি: বালুকাময় মাটিতে বালির কণার অনুপাত বেশি থাকে। এই ধরনের মাটিতে পানি দ্রুত প্রবাহিত হয়, কিন্তু জলধারণ ক্ষমতা কম।

#দোআঁশ মাটি: দোআঁশ মাটিতে বালি, পলি, এবং কর্দমের কণার অনুপাত সমান থাকে। এই ধরনের মাটিতে পানি ধারণ ক্ষমতা ভালো এবং বায়ু চলাচল সুবিধাজনক।

#এঁটেল মাটি: এঁটেল মাটিতে কর্দমের কণার অনুপাত বেশি থাকে। এই ধরনের মাটিতে পানি ধারণ ক্ষমতা ভালো, কিন্তু জল নিষ্কাশন ক্ষমতা কম।

এছাড়াও পিএইচ অনুসারে মাটিকে তিনভাগে আলাদা করা হয়ঃ

#অম্লীয় মাটি: এই ধরনের মাটির পিএইচ ৭ এর নিচে থাকে। অম্লীয় মাটিতে অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি থাকে।

#ক্ষারীয় মাটি: এই ধরনের মাটির পিএইচ ৭ এর উপরে থাকে। ক্ষারীয় মাটিতে ক্ষারের পরিমাণ বেশি থাকে।

#নিরপেক্ষ মাটি: এই ধরনের মাটির পিএইচ ৭ থাকে।

উপরে উল্লেখিত শ্রেণীবিভাগগুলির মধ্যে, দোআঁশ মাটি সবচেয়ে উপযুক্ত মাটি। দোআঁশ মাটিতে পানি ধারণ ক্ষমতা ভালো এবং বায়ু চলাচল সুবিধাজনক। তাই বেশিরভাগ ফসল দোআঁশ মাটিতে ভালো জন্মায়।

🎯 পরের পোস্টগুলোতে আমরা কোন ধরণের মাটি কোন কোন ফলের চারা রোপণের জন্য উপযুক্ত এই নিয়ে ধারাবাহিক পোস্ট করবো।

 #সার১০১ইউরিয়া সার একটি রাসায়নিক সার যা নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ। এটি জমিতে প্রয়োগ করে মাটির নাইট্রোজেন উপাদান বাড়ানো যায়।...
21/09/2023

#সার১০১

ইউরিয়া সার একটি রাসায়নিক সার যা নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ। এটি জমিতে প্রয়োগ করে মাটির নাইট্রোজেন উপাদান বাড়ানো যায়। ইউরিয়া সারের প্রধান ব্যবহার হলো ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করা। এটি উদ্ভিদের সবুজ অংশ বৃদ্ধি, ফুল ও ফল ধরা, এবং ফলের আকার ও ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।

ইউরিয়া সার বিভিন্ন ধরনের ফসলে ব্যবহার করা হয়, যেমন ধান, গম, পাট, আলু, ভুট্টা, সরিষা, মটরশুঁটি, এবং অন্যান্য শাকসবজি। এটি জমিতে ছিটিয়ে, মাটির সাথে মিশিয়ে, বা জলে গুলে প্রয়োগ করা যায়।

ইউরিয়া সারের ব্যবহারের কিছু সুবিধা হলো:

# এটি সহজেই জলে দ্রবীভূত হয় এবং উদ্ভিদ দ্বারা শোষিত হয়।
# এটি তুলনামূলকভাবে সস্তা।
# এটি বিভিন্ন ধরনের ফসলে ব্যবহার করা যায়।

ইউরিয়া সারের ব্যবহারের কিছু অসুবিধা হলো:

#এটি অতিরিক্ত ব্যবহার করলে উদ্ভিদের পাতা পুড়ে যেতে পারে।
#এটি মাটিতে জমে গেলে মাটির গুণাগুণ নষ্ট হতে পারে।

ইউরিয়া সার ব্যবহারের কিছু নিয়মকানুন হলো:

#ইউরিয়া সার ছিটিয়ে প্রয়োগ করলে পাতা ও ফুলের সাথে সরাসরি সংস্পর্শে আসতে দেওয়া যাবে না।
#ইউরিয়া সার প্রয়োগের পর পানি দিয়ে ভালোভাবে সেচ দিতে হবে।
#ইউরিয়া সার মাটির গভীরে প্রয়োগ করা উচিত নয়।

পরিশেষেঃ
ইউরিয়া সার ব্যবহারের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করা গেলেও, এর অপরিকল্পিত ও অতিরিক্ত ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই ইউরিয়া সার ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

#মাটি #রাসায়নিক #বৃক্ষ #গাছ

ভিয়েতনামি মাল্টা (বারোমাসি) এবং বারি-১ মাল্টা চারার নিয়মিত সারাদেশে ডেলিভারি হচ্ছে 🌿অর্ডার লিঙ্কঃ ভিয়েতনামি মাল্টা (বারো...
24/08/2023

ভিয়েতনামি মাল্টা (বারোমাসি) এবং বারি-১ মাল্টা চারার নিয়মিত সারাদেশে ডেলিভারি হচ্ছে 🌿

অর্ডার লিঙ্কঃ
ভিয়েতনামি মাল্টা (বারোমাসি) - https://www.getsview.com/market/shop/vietnam-malta-plant/
বারি-১ মাল্টা - https://www.getsview.com/market/shop/bari-1-malta-plant/

#বৃক্ষ #চারা #কলম #মাল্টা

 #ছাদ_বাগানে টবের জন্য মাটি তৈরির সহজ কৌশলছাদ বাগানে টবের জন্য মাটি তৈরির সহজ কৌশল নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে। অনে...
27/07/2023

#ছাদ_বাগানে টবের জন্য মাটি তৈরির সহজ কৌশল

ছাদ বাগানে টবের জন্য মাটি তৈরির সহজ কৌশল নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে। অনেক বাগানী বন্ধু বিভিন্ন সময়ে মাটি তৈরি বিষয়ে লেখার অনুরোধ করেন।

এ প্রেক্ষিতে এসব নিয়ে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করেছি। আজ অভিজ্ঞতার আলোকে বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরছি। ছাদ বাগানে টবের জন্য মাটি তৈরি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সঠিকভাবে মাটি তৈরি করতে পারলে গাছ প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় এতে ফলনও ভালো হয়।

১। এটেল বা বালি মাটি মেশানো: আপনার মাটি যদি এটেল (শক্ত মাটি) হয়, তাতে বালি মাটি মিশাতে হবে। আর মাটি যদি বালি হয়, তাতে এটেল মাটি মেশাতে হবে। মোট কথা যেকোন প্রকার মাটিকে দোআঁশ মাটিতে রুপান্তর করতে হবে। মাটি ঝুরঝুরে হলেই তা দোআঁশ মাটি হয়েছে বুঝবেন।

২। জৈব সার মিশানো: মাটি এটেল বা বালি হোক, উভয়ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণে জৈব সার মিশাতে হবে। স্বাভাবিক মাটির সাথে কমপক্ষে চারভাগের একভাগ জৈবসার মিশাতে হবে। এতে করে মাটিতে অবস্থিত জীবাণু সক্রিয় থাকবে।

এটেল বা বালি মাটি হলে এই পরিমাণ আরো বাড়াতে হবে। মাটির অর্ধেক পরিমাণ হলে ভালো হয়। জৈব সার হিসেবে ভার্মিকম্পোস্ট সবচেয়ে ভালো। বাড়ীতে তৈরি আবর্জনা পচা সার বা পচা গোবর সারও দেয়া যায়।

৩। রাসায়নিক সার মিশানো: ছাদের জন্য হাফ ড্রাম এবং মাটির জন্য ২.০ ফুট × ২.০ ফুট × ১.৫ ফুট আকারের গর্তের হিসেব এখানে বলছি। হাফ ড্রামে প্রায় ১২০-১৫০ কেজি (৩-৪ বস্তা প্রায়) মাটি ধরে।

উভয়ক্ষেত্রে মাটির সাথে ৩০-৫০ কেজি জৈব সার, ১২০-১৫০ গ্রাম (৩-৪ মুঠ প্রায়) টিএসপি, ৮০-১০০ গ্রাম (২-৩ মুঠ প্রায়) পটাশ, ৪০-৫০ গ্রাম (১.০-১.৫ মুঠ প্রায়) জিপসাম, ১০-১৫ গ্রাম (১.৫- ২.০ চা চামচ প্রায়) করে বোরণ ও দস্তা সার ভালোভাবে মিশিয়ে ১৫ দিন ঢেকে রাখবেন। পনের দিন পর পুনরায় মাটি ভালোভাবে মিশিয়ে কয়েকঘন্টা খোলা রেখে চারা রোপণ করবেন।

৪। মাটি শোধন করা: মাটি তৈরির সময় শোধনের কাজটি সেরে নেয়া যেতে পারে। এজন্য উপরোক্ত পরিমাণ মাটির সাথে ১০ গ্রাম (১.০-১.৫ চা চামচ) হারে দানাদার কীটনাশক এবং কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক মিশিয়ে দেয়া যেতে পারে।

এতে করে নেমাটোড/কৃমি এবং ছত্রাক দমন করা সম্ভব হবে। দানাদার কীটনাশকের পরিবর্তে জৈব কীটনাশক বায়োডার্মা সলিড প্রয়োগ করা যেতে পারে।

সেক্ষেত্রে প্রতি কেজি ভার্মিকম্পোস্টের সাথে ১-২ গ্রাম হারে বায়োডার্মা মিশিয়ে ১৫ দিন রেখে দিতে হবে। পনের দিন পর সার মিশ্রিত মাটির সাথে বায়োডার্মা মিশ্রিত ভার্মিকম্পোস্ট মিশাতে হবে।

*** এভাবে আদর্শ মাটি তৈরি করা যেতে পারে: সময় হাতে থাকলে এভাবে মাটি তৈরি করে চারা লাগানো ভালো। হাতে সময় না থাকলে শুধুই জৈব সার মিশিয়ে চারা লাগানো যায়। সেক্ষেত্রে নিয়মিতভাবে সঠিকমাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হবে।

*** ইউরিয়া সার চারা রোপণের পর ভালোভাবে লেগে গেলে কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে।

***শুধুই জৈব সার মিশিয়ে চারা রোপণের ক্ষেত্রে সার মাটিতে সরাসরি বা পানির সাথে গুলিয়ে প্রয়োগ করা যায়। সেক্ষেত্রে “সার প্রয়োগের সহজ পদ্ধতি” অনুসরণ করা যেতে পারে। ‍এই পদ্ধতি আমার ছাদ বাগানে বাস্তবে অনুসরণ করা পদ্ধতি। বই-পুস্তকের সাথে এ মাত্রা নাও মিলতে পারে।

লেখক: কৃষিবিদ মুহাম্মদ শাহাদৎ হোসাইন সিদ্দিকী, উপজেলা কৃষি অফিসার (এল.আর) ও পিএইচডি ফেলো, বিএসএমআরএইউ, গাজীপুর। কর্মজীজনের শুরু থেকেই কৃষি প্রতিবেদন তৈরি ও ছাদবাগানে উদ্বুদ্ধ করতে নানা ধরণের পরামর্শমূলক তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে দেশের কৃষির উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন তিনি।

 #ব্ল্যাকবেরি ফল 🍇ব্ল্যাকবেরি বা কালোজাম অধিক জনপ্রিয় একটি ফল। গ্রীষ্মকালে আম এর মতই এর জনপ্রিয়তা। কালচে বেগুনি রঙের এ...
12/07/2023

#ব্ল্যাকবেরি ফল 🍇

ব্ল্যাকবেরি বা কালোজাম অধিক জনপ্রিয় একটি ফল। গ্রীষ্মকালে আম এর মতই এর জনপ্রিয়তা। কালচে বেগুনি রঙের এই ফলটি খেতেও যেমন সুস্বাদু, তেমনই পুষ্টিগুণে ভরপুর । ছোট বড়ো সকলেরই এই ফল বেশ পছন্দের। আর যদি আপনি এই ফল পছন্দ না করেন তবে এর উপকারিতা জানলে আপনি নিজেও এই ফল পছন্দ করবেন। তাই আজকের আমাদের আলোচনার বিষয় হলো কালোজাম।
আলোচনার শুরুতেই জেনে নেব কালোজামএ কি কি আছে?এতে প্রচুর পরিমানে বিভিন্ন উপকারি উপাদান যেমন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, সোডিয়াম, এছাড়াও ভিটামিন এ, সি, বি-৬, ও আরও আনেক উপকারী উপাদান থাকে। যা শরীরকে ভালো রাখার জন্য প্রতিদিন দরকার। হয়তো জানলে অবাক হবেন শুধু ফলই নয়, এর পাতা ও বীজ বিভিন্ন চিকিত্‍সার কাজে ব্যবহার করা হয়।
চলুন এবার এই কালো জামের গুনাগুন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নি -
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে -
অনেকেই হয়তো জানেন না কালো জাম অনেকদিন ধরেই ডায়াবেটিসের চিকিত্‍সার জন্য ব্যবহৃত হয়। কালো জামের মধ্যে আছে এমন কিছু উপাদান যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভীষণ ভাবে সাহায্য করে। বিশেষ করে এর বীজ রক্তের সুগার লেবেল কমানোতে একটি প্রমাণিত সমাধান। আর তাই কালো জামকে ডায়াবেটিস বিরোধী বলা হয়। সুতরাং ডায়াবেটিস মুক্ত থাকতে আপনি কিন্তু প্রতিদিন আপনার খাদ্যাভ্যাসে কালোজাম কে স্থান দিতেই পারেন।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তৈরী
কালো জাম হল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার। তাই শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তৈরি করার জন্য কালোজামের জুড়ি মেলা ভার। অন্যান্য যেকোনো ফল বা সব্জি যেগুলি সাধারণত আমরা রোজ খেয়ে থাকি সেগুলির থেকে কালো জামে সবথেকে বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। আর আমাদের রোজকার জীবনে এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খুবই প্রয়োজনীয়। কারন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের শরীরকে ভেতর থেকে ফিট রাখে।
তাই ভালবেশে খান কালোজাম।
হজমে সহায়ক-
কালো জাম হজম করতে সাহায্য করে। হজমের কারণে হওয়া অ্যালসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত কালো জাম খেলে পেটের গোলমাল থেকেও রক্ষা পাবেন আপনি।
দাঁত ভালো রাখে
কালোজাম দাঁত ভালো রাখতে সাহায্য করে। হ্যাঁ এটা খাওয়ার সময় হয়তো আপনার দাঁত কালো হয়ে যেতেও পারে কিন্তু আপনার দাঁতের গোড়া মজবুত করতে এর বিকল্প নেই।সাথে সাথে স্পাইরিয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।
ত্বককেও ভালো রাখে
কালোজাম ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন বার্ধক্য জনিত সমস্যা, বা নানান রকম rash ইনফেকশন দূর করতে নিয়মিত খাওয়া শুরু করুন কালোজাম।
ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে-
আগে হাতেগোনা কিছু মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হতেন। কিন্ত আমাদের অনিয়মিত লাইফস্টাইলের ফলে আজ ক্যান্সারের ঝুঁকি ভীষণভাবে বেড়ে গেছে । আর কালো জাম ক্যান্সার প্রতিরোধে ভীষণভাবে সাহায্য করে। এতে থাকা প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে কান্সারে আক্রান্ত হবার হাত থেকে রক্ষা করে। কালো জাম শরীরে ক্যান্সার ছড়িয়ে পরতে দেয় না। এছাড়া এটি প্রস্টেট ক্যান্সার সারিয়ে তুলতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। তাই নিজেকে সুস্থ্য রাখতে খেতে হবে কালোজাম।
মানসিক স্বাস্থ্য
একটু অবাক লাগলেও এটা কিন্তু সত্যি আমরা সব সময় মানসিক দিক থেকে সবাই সুস্থ থাকি না। কিন্ত কালোজাম এমন একটি ফল
যা শরীরকে ভালো রাখার সাথে সাথে মনকে ভালো রাখতেও সাহায্য করে। এতে থাকা গ্লুকোজ কাজ করার শক্তি বাড়ায়। ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। তার ফলে মস্তিষ্ক দ্রুত চলতে থাকে। স্ট্রেসকে কমাতে সাহায্য করে। যার ফলে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
হার্টকে ভালো রাখে
কালো জাম হার্টকে ভালো রাখতেও সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন সি, বি-৬, ফাইবার, রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমান কমায়। তার ফলে হার্ট সুস্থ থাকে ও হার্টের অসুখে আক্রান্ত হবার সম্ভবনা থাকে না।
এছাড়াও এটি শরীরে দুষিত কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমান কমায়। এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও বিশেষ ভাবে সাহায্য করে।
ধরুন আপনার অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাচ্ছে। কি করবেন কিছুই বুঝতে পারছেন না? কিছু খেতে ভয় পাচ্ছেন? তাহলে আপনাকে বলব আপনি কালোজাম খাওয়া শুরু করুন। কারণ ওজন কমাতে কিন্তু কালোজাম সাহায্য করে।
সর্দিকাশি থেকে চিরতরে মুক্তি
এগুলি ছাড়াও কালো জাম সর্দি কাশি কমাতে সাহায্য করে। যদি খুব সর্দিকাশিতে ভোগেন তাহলে রোজ কালোজাম খান। এতে থাকা ভিটামিন এ, সি, বি-৬ শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ায়। আর রোগ-প্রতিরোধক্ষমতা বারলে সর্দি-কাশি লাগার সম্ভাবনা কমে যায়। আর ধীরে ধীরে সর্দি-কাশি একেবারে চলে যায়।
বহুমূত্র রোগ নিরাময়
বহুমূত্র রোগ কত বড় সমস্যা এটা শুধুমাত্র যাদের আছে তারা উপলব্ধি করতে পারবেন। অনেক চেষ্টা করেছেন কমানোর কিন্তু কিছুতেই কমছে না? ডাক্তার দেখিও কোন ফোন নেই ….
তাহলে জেনে রাখুন
জামের বীজ বহুমুত্র রোগ নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়। নিয়মিত খেলে এই সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পেটে পারেন সহজে।
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে
২০০৯-এর একটি সমীক্ষা করা হয়েছিল। সেখানেই কিছুসংখ্যক ইঁদুরকে কালোজাম খাওয়ানো হয়েছিল আর কিছু সংখ্যক ইঁদুরকে কালোজাম খাওয়ানো হয়নি।দেখা গেছে যে ব্ল্যাকবেরি খাওয়ানো ইঁদুরগুলি কোন ইঁদুর দের তুলনায় জ্ঞানীয় এবং মোটর দক্ষতার উন্নতি করেছিল।সমীক্ষার লেখকরা পরামর্শ দিয়েছিলেন যে ব্ল্যাকবেরিতে থাকা পলিফেনল নামক রাসায়নিকের কারণে এটি হতে পারে।
এতক্ষণ ব্ল্যাকবেরি কেন খাবেন সে সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। চলুন এবার একটু জেনে নেই কি কি সর্তকতা অবলম্বন করবেন ব্ল্যাকবেরি খাওয়ার সময়। যদি শরীরে এলার্জি প্রবণতা থাকে তাহলে এই ব্ল্যাকবেরি আপনাকে পরিহার করতে হবে। তাই এই বিষয়টিতে সচেতন হয় নিয়মিত খাওয়া শুরু করে দিন ব্ল্যাকবেরি।

লাল জামরুল 🌿
06/07/2023

লাল জামরুল 🌿




ঈদ পরবর্তী আমাদের চারার ডেলিভারি শুরু হয়ে গিয়েছে। আপনার কাংখিত দেশী অথবা বিদেশি ফলের চারা পেতে অর্ডার করুন Green Nurse...
05/07/2023

ঈদ পরবর্তী আমাদের চারার ডেলিভারি শুরু হয়ে গিয়েছে। আপনার কাংখিত দেশী অথবা বিদেশি ফলের চারা পেতে অর্ডার করুন Green Nursery 🌿 তে
https://www.getsview.com/market/store/green-nursery/




Address

Khalil Market, Miabari Road, Gozariapara
Gazipur
1703

Opening Hours

Monday 11:00 - 19:00
Tuesday 11:00 - 19:00
Wednesday 11:00 - 19:00
Thursday 11:00 - 19:00
Friday 11:00 - 19:00
Saturday 11:00 - 19:00
Sunday 11:00 - 19:00

Telephone

+8801953901447

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Getsview Market posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Getsview Market:

Share

About GETSVIEW Market

Overview

The Internet has opened up a new horizon for trade and commerce, namely electronic commerce (e-commerce). E-commerce entails the use of the Internet in marketing, identification, payment, and delivery of goods and services.

Bangladesh is not backward in this journey of e-commerce. Over the past few years, there have been numerous e-commerce sites in Bangladesh and people are being self-reliant by this business day after day. The reason behind this is the unending contribution of the government, the availability of the Internet, the enrichment of information technology. But there are still some problems in the e-commerce world of Bangladesh. One of them is the lack of a proper payment system, the cost of building infrastructure, the lack of skilled manpower and the ignorance of people in this sector.

In view of the overall importance of e-commerce in Bangladesh, we started a different site GETSVIEW MARKET. Where users can use our platform to open a shop in the name of their own brands and sell their products without monthly and no entry fee, (conditions apply).