Bismillah Hajj & Umrah Services

Bismillah Hajj & Umrah Services Trusted Agency for Umrah and Hajj

কাবা শরিফের ভেতরে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর নামাজের স্থানকাবা শরিফের ভেতরে মেঝেতে একটি বিশেষ নকশা দেখা যায়, যা দেখতে অনেকটা জায়না...
26/08/2026

কাবা শরিফের ভেতরে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর নামাজের স্থান

কাবা শরিফের ভেতরে মেঝেতে একটি বিশেষ নকশা দেখা যায়, যা দেখতে অনেকটা জায়নামাজের মতো।

বর্ণিত আছে, মক্কা বিজয়ের দিন রাসুলুল্লাহ ﷺ কাবা শরিফের ভেতরে প্রবেশ করে এই স্থানের কাছাকাছি নামাজ আদায় করেছিলেন।

আজও কাবার ভেতরে সেই স্থানটি চিহ্নিত করে রাখা হয়েছে।
Bismillah Hajj & Umrah Services

26/08/2026

কেমন হতো সে সকাল, কেমন হতো সে দুপুর, কেমন হতো সে রাত, যদি আপনি শুনতে পেতেন নবীজি আর পৃথিবীতে নেই!

পৃথিবীর বুকে তখন আপনার চেয়ে শোকগ্রস্ত ব্যক্তি আর দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া যেত কি?

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:“প্রতি চন্দ্র মাসে ১৩, ১৪ এবং ১৫ তারিখের রোজা সারা বছর রোজা রাখার সমতুল্য।” (আবু দাউদ: ২৪৪৯)নবীজি...
26/08/2026

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:

“প্রতি চন্দ্র মাসে ১৩, ১৪ এবং ১৫ তারিখের রোজা সারা বছর রোজা রাখার সমতুল্য।” (আবু দাউদ: ২৪৪৯)

নবীজির এই হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহকে জীবিত করতে হারামাইন টাচের-এর আহ্বান—আসুন আমরা এই বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার রোজা রেখে আইয়ামে বিজের নফল ইবাদত পালন করি।
Bismillah Hajj & Umrah Services
#আইয়ামেবিজ #সুন্নাহ োজা

মক্কায় গিয়ে আমরা জমজমের পানি পান করি।কিন্তু যে কূপ থেকে এই পানি আসে সেটি ঠিক কোথায়?আপনি হয়তো জানেন, জমজমের কূপ মসজিদুল হ...
26/08/2026

মক্কায় গিয়ে আমরা জমজমের পানি পান করি।
কিন্তু যে কূপ থেকে এই পানি আসে সেটি ঠিক কোথায়?

আপনি হয়তো জানেন, জমজমের কূপ মসজিদুল হারামের ভেতরেই।

কিন্তু ঠিক কোথায়?
কাবা শরিফের কোন পাশে?
কতটা কাছে?

আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়,
মসজিদুল হারামে দাঁড়িয়ে আমরা কেন সেই ঐতিহাসিক কূপটি দেখতে পাই না?

চলুন, একটু কাছে যাওয়া যাক।

📍 কোথায় সেই জমজম কূপ?

বীর জমজম বা জমজম কূপ মসজিদুল হারামের মাতাফ এলাকার নিচে অবস্থিত।
কাবা শরিফের পূর্বদিকে, কাবা থেকে প্রায় ২০–২১ মিটার, এবং মুলতাযামের বরাবর।

অর্থাৎ, যে জায়গায় দাঁড়িয়ে হাজিরা কাবা শরিফকে ঘিরে তাওয়াফ করেন, সেই মাতাফের একেবারে নিচেই রয়েছে সেই কূপ, যার পানি আমরা আজও পান করি।

কিন্তু আজ সেখানে গিয়ে আপনি কূপের মুখ দেখতে পাবেন না।

কেন?

এর পেছনেও রয়েছে মসজিদুল হারামের সম্প্রসারণ ও হাজিদের চলাচল সহজ করার ইতিহাস।

একসময় জমজম কূপের কাছে গিয়ে সরাসরি পানি পান করার ব্যবস্থা ছিল। কূপকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল একটি ভূগর্ভস্থ ব্যবস্থা; জমজম বেসমেন্ট।

২০০৩ সালের আগে পর্যন্ত হাজি ও উমরাহকারীরা সেই বেসমেন্টে প্রবেশ করতে পারতেন।

মাতাফ থেকে সিঁড়িপথে সেই বেসমেন্টে প্রবেশ করা যেত।
ভেতরে ছিল নারী ও পুরুষের জন্য দুটি পৃথক অংশ।
সেখানে নির্দিষ্ট পাত্র ও কাপের মাধ্যমে জমজমের পানি পান করার ব্যবস্থা ছিল।

আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়?

জমজমের কূপটিও সেই ভূগর্ভস্থ কক্ষের মধ্যেই ছিল।

অর্থাৎ, তখন হাজিরা শুধু মাতাফের পাশে কোনো dispenser থেকে জমজম পান করতেন না, তাঁরা সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে সেই ভূগর্ভস্থ ব্যবস্থার মাধ্যমে কূপের কাছাকাছি থেকেই জমজম পান করার সুযোগ পেতেন।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে হাজি ও উমরাহকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে।

মাতাফে তাওয়াফকারীদের চলাচল আরও সহজ ও নির্বিঘ্ন করার পাশাপাশি তাওয়াফের জায়গার ধারণক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন হয়।

তাই ১৪২৪ হিজরি / ২০০৩ সালে জমজম বেসমেন্টে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বেসমেন্টের প্রবেশপথ বন্ধ হলেও জমজমের পানি কিন্তু হাজিদের কাছ থেকে দূরে সরে যায়নি। বরং পান করার ফোয়ারা ও অন্যান্য সরবরাহের ব্যবস্থা মাতাফের বিভিন্ন পাশে সরিয়ে নেওয়া হয়, যাতে হাজিরা তাওয়াফের জায়গা ছেড়ে বেসমেন্টে না নেমেও সহজে জমজম পান করতে পারেন।

কূপটি বন্ধ হয়ে যায়নি।
বন্ধ হয়েছে মানুষের সেখানে যাওয়ার পথ।

আজ সেই জমজম কূপ ও পুরোনো বেসমেন্ট মাতাফের পৃষ্ঠের নিচেই রয়েছে মার্বেলের আড়ালে।

কিন্তু জমজমের পানি?

আজ আধুনিক ব্যবস্থায় কূপ থেকে জমজমের পানি পাম্প করে নেওয়া হয়। এরপর তা সংরক্ষণ, পরিশোধন ও জীবাণুমুক্ত করার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হাজি ও উমরাহকারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।

ভাবুন একবার,

আজ আপনি মাতাফে দাঁড়িয়ে কাবা শরিফের দিকে তাকিয়ে আছেন।
আপনার পায়ের নিচেই রয়েছে সেই ঐতিহাসিক কূপ।
আপনি তার মুখ দেখতে পাচ্ছেন না।
সেই পুরোনো বেসমেন্টে নামার সিঁড়িও নেই।
নারী ও পুরুষের পৃথক সেই পুরোনো পান করার স্থানও নেই।

কিন্তু সেই কূপের পানি এখনো আপনার হাতের কাপটিতে।

হাজার হাজার বছর আগে হাজেরা (আ.) তাঁর শিশু ইসমাঈল (আ.)-এর জন্য পানির সন্ধানে সাফা ও মারওয়ার মাঝে ছুটেছিলেন।

আর আল্লাহর রহমতে সেখান থেকেই প্রকাশ পেয়েছিল জমজমের পানি।
আজ সময় বদলেছে।
ব্যবস্থা বদলেছে।
মাতাফ বদলেছে।
জমজম পৌঁছে দেওয়ার পদ্ধতিও বদলেছে।

কিন্তু জমজমের কূপটি আজও সেই মক্কার মাটির নিচেই।

তাই পরেরবার যখন মসজিদুল হারামে জমজমের পানি হাতে নেবেন, একবার মনে করুন

“এই পানির উৎসটা তো এখানেই…
আমার এত কাছে।
শুধু আমার চোখের আড়ালে।”

একটি কূপ।
একটি দীর্ঘ ইতিহাস।
আর আজও লাখো মানুষের হাতে পৌঁছে যাওয়া সেই বরকতময় পানি।

জমজমের গল্প এখানেই শেষ নয়।

কীভাবে যুগে যুগে এই কূপের ব্যবস্থাপনা বদলেছে, কীভাবে আধুনিক প্রযুক্তিতে জমজমের পানি সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হয় সেটিও জানার মতো এক বিস্ময়কর ইতিহাস।
Bismillah Hajj & Umrah Services

26/08/2026

কয়েক দিন আগে শাইখ আবদুর রহমান আস-সুদাইস حفظه الله বিদআত—অর্থাৎ দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু সংযোজন—থেকে সতর্ক করেছিলেন। এর মধ্যে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে প্রচলিত উদ্‌যাপনের বিষয়টিও ছিল।

এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে ঘিরে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা, কটূক্তি ও ব্যক্তিগত আক্রমণ।

গতকাল মসজিদুল হারামের জুমার খুতবায় শাইখ সুদাইস حفظه الله এমন কিছু কথা বললেন—মনে হলো, যেন সেসব সমালোচনারই জবাব দিচ্ছেন।

তবে ব্যক্তিগত ক্ষোভ কিংবা পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে নয়; বরং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ﷺ বাণীর মাধ্যমে।

তিনি বললেন—

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনচরিতই মুসলিম উম্মাহর মর্যাদা, শক্তি ও উন্নতির মৌলিক পথনির্দেশনা। সন্তানদের অন্তরে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি এমন ভালোবাসা গড়ে তুলতে হবে, যে ভালোবাসা তাঁর অনুসরণ ও অনুকরণের দিকে নিয়ে যায়।

তিনি কনটেন্ট নির্মাতা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবশালীদেরও আহ্বান জানান—বিশুদ্ধ সুন্নাহ, তার সঠিক উপলব্ধি ও শিক্ষামূলক মূল্যবোধ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে।

শাইখ সুদাইস আরও স্পষ্ট করে বলেন—

রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সঙ্গে উম্মতের ভালোবাসার সম্পর্ক কোনো বিশেষ সময়, উপলক্ষ, বাহ্যিক আয়োজন কিংবা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এ সম্পর্ক জীবনের প্রতিটি অবস্থায়—এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত—তাঁকে অনুসরণ ও অনুকরণের মাধ্যমে অটুট রাখতে হবে এবং বিদআত ও নবউদ্ভাবিত বিষয় থেকে দূরে থাকতে হবে।

সালাতের প্রথম রাকাতে তিনি তিলাওয়াত করলেন—

“বলুন, ‘তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো, তবে আমাকে অনুসরণ করো; আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপ ক্ষমা করবেন। আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’”

—সুরা আলে ইমরান, ৩:৩১

রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে ভালোবাসার প্রমাণ শুধু আবেগ, দাবি কিংবা কোনো মৌসুমি আয়োজনে নয়; বরং তাঁর নির্দেশনা অনুসরণ এবং তাঁর সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করার মধ্যে।

দ্বিতীয় রাকাতে তিনি তিলাওয়াত করলেন—সুরা আল-কাওসার।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল-কাওসার হলো জান্নাতের একটি নদী, যা আল্লাহ তাঁকে দান করেছেন। এর সঙ্গে রয়েছে তাঁর সেই হাউয, যেখানে কিয়ামতের দিন তাঁর উম্মত উপস্থিত হবে। কিন্তু দ্বীনের মধ্যে পরিবর্তন ও নতুন কিছু প্রবর্তনের কারণে কিছু মানুষকে সেখান থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

“কেউ যেন আমার কাছে এমন অবস্থায় না আসে যে তাকে আমার কাছ থেকে দলছুট উটের মতো তাড়িয়ে দেওয়া হবে। আমি বলব, ‘কেন এমন হচ্ছে?’ তখন বলা হবে, ‘আপনার পরে তারা কী নতুন কিছু প্রবর্তন করেছে, তা আপনি জানেন না।’ তখন আমি বলব, ‘দূর হও!’”

—সহিহ মুসলিম, ২২৯৫

কী গভীর এক সতর্কবার্তা!

ভালোবাসা শুধু আবেগ দিয়ে প্রমাণিত হয় না।
ভালোবাসা প্রমাণিত হয় আনুগত্যের মাধ্যমে।
আর রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর হাউযে পৌঁছানোর পথ হলো—তাঁর সুন্নাহর পথ।

সূত্র: হারামাইন আর্কাইভস; মসজিদুল হারামের জুমার খুতবা, ২১ আগস্ট ২০২৬।
Bismillah Hajj & Umrah Services

মসজিদে নববী ﷺ-এর প্রসিদ্ধ কয়েকটি স্তম্ভের মধ্যে রয়েছে—১. সুগন্ধি স্তম্ভ — الأسطوانة المخلَّقةএটি কিবলার দিকের সেই স্তম...
25/08/2026

মসজিদে নববী ﷺ-এর প্রসিদ্ধ কয়েকটি স্তম্ভের মধ্যে রয়েছে—

১. সুগন্ধি স্তম্ভ — الأسطوانة المخلَّقة

এটি কিবলার দিকের সেই স্তম্ভ, যা বর্তমানে নবী ﷺ-এর মিহরাবের সঙ্গে সংলগ্ন।

বর্ণিত আছে, একবার এই স্তম্ভে কিছু কফ/থুতু দেখতে পেয়ে নবী ﷺ অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। যিনি সেখানে তা রেখেছিলেন, তিনি সেটি সরিয়ে দেন এবং নবী ﷺ-কে সন্তুষ্ট করার জন্য স্থানটি খালূক (خَلوق) নামক এক ধরনের সুগন্ধি দিয়ে সুগন্ধময় করেন।

২. তাওবার স্তম্ভ — الأسطوانة التوبة

এটি আবু লুবাবাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর স্তম্ভ নামেও পরিচিত।

এর কারণ হলো, একটি ভুলের পর আবু লুবাবাহ (রাঃ) নিজেকে এই স্তম্ভের সঙ্গে বেঁধে দিয়েছিলেন এবং আল্লাহ তাঁর তাওবা কবুল না করা পর্যন্ত সেখানেই থাকার সংকল্প করেছিলেন। অবশেষে আল্লাহ তাঁর তাওবা কবুল করেন এবং তাঁকে মুক্ত করা হয়।

এই স্তম্ভটি মিম্বরের পূর্বদিকে চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

৩. প্রহরার স্তম্ভ — الأسطوانة الحرس

এটি তাওবার স্তম্ভের উত্তরে অবস্থিত।

বর্ণিত আছে, সাহাবায়ে কেরামের কেউ কেউ এই স্থানে দাঁড়িয়ে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর নিরাপত্তার জন্য প্রহরা দিতেন।

৪. সাইয়্যিদাহ আয়িশাহ (রাঃ)-এর স্তম্ভ — أسطوانة السيدة عائشة

এটি রওদাহ শরিফের মাঝামাঝি অংশে অবস্থিত।

কিবলার দিক পরিবর্তনের পর রাসুলুল্লাহ ﷺ এখানে নামাজ আদায় করতেন। পরবর্তীতে তিনি বর্তমানে পরিচিত নবী ﷺ-এর মিহরাবের স্থানে চলে যান।

এটিও বর্ণিত আছে যে, সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়িদের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিরা প্রায়ই এই স্তম্ভের আশেপাশে বসতেন।

সূত্র: হারামাইন আর্কাইভস
Bismillah Hajj & Umrah Services

বনু শায়বা গেট | মক্কারাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সময়ে কাবা শরিফের চত্বরে প্রবেশের অন্যতম প্রধান প্রবেশপথ ছিল এই গেটটি। একই স্থানে ই...
25/08/2026

বনু শায়বা গেট | মক্কা

রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সময়ে কাবা শরিফের চত্বরে প্রবেশের অন্যতম প্রধান প্রবেশপথ ছিল এই গেটটি। একই স্থানে ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে এটি একাধিকবার পরিবর্তন ও সংস্কার করা হয়।

মাতাফের পরিসর বাড়ানোর জন্য ১৯৬০-এর দশকে বনু শায়বা গেটটি সরিয়ে দেওয়া হয়।

📷 পুরোনো মক্কার একটি ঐতিহাসিক দৃশ্য
Bismillah Hajj & Umrah Services

25/08/2026

মুসাফিরের একটি ছোট গল্প
স্টেশনে একজন বৃদ্ধ মানুষ বসে ছিলেন।
হাতে ছোট একটি ব্যাগ।
চোখে অদ্ভুত এক শান্তি।
একজন তরুণ পাশে বসে জিজ্ঞেস করল,
— “চাচা, কোথায় যাবেন?”
বৃদ্ধ মুচকি হেসে বললেন,
— “জানি না।”
তরুণ অবাক হয়ে বলল,
— “টিকিট আছে?”
— “আছে।”
— “ট্রেনের সময় জানেন?”
— “জানি।”
— “তাহলে গন্তব্য জানেন না কেন?”
বৃদ্ধ কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,
“বাবা, গন্তব্য জানি।
শুধু কতক্ষণ পর পৌঁছাবো—সেটা জানি না।”
কথাটা শুনে তরুণ আর কিছু বলতে পারল না।
আমাদের জীবনটাও অনেকটা এমন।
আমরা প্রতিদিন সময়ের ট্রেনে উঠছি।
স্টেশন বদলাচ্ছে।
মানুষ বদলাচ্ছে।
পরিস্থিতি বদলাচ্ছে।
কিন্তু একটা বিষয় অপরিবর্তিত—
আমাদেরও একদিন পৌঁছাতে হবে।
প্রশ্ন শুধু—
সেদিন পৌঁছানোর জন্য
আমরা আজ কী প্রস্তুতি নিচ্ছি?

Bismillah Hajj & Umrah Services
একটি মিশন, একটা আমানত।

25/08/2026

ফিরে আসার মানুষ"
আমরা যখন কোথাও সফরে যাই, তখন সঙ্গে নিই অনেক কিছু—
কাপড়, টাকা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ওষুধ…
কেউ কেউ একটা ছোট্ট তালিকাও বানিয়ে নেন,
যেন কিছু বাদ না পড়ে।
কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন—
সফর শেষে আমরা কেমন মানুষ হয়ে ফিরব?
একজন মানুষ নতুন কোনো শহর ঘুরে এসে আগের মানুষটিই থাকতে পারেন।
আবার এমনও হয়—একটি সফর তার চিন্তা বদলে দেয়,
তার চোখের দৃষ্টি বদলে দেয়,
তার জীবনের অগ্রাধিকার বদলে দেয়।
কারণ কিছু সফর শুধু জায়গা বদলায় না—মানুষকেও বদলে দেয়।
হয়তো আমাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সফর হবে সেই সফর,
যেখান থেকে ফিরে এসে আমরা বলতে পারব—
“আমি গিয়েছিলাম একজন মানুষ হিসেবে,
কিন্তু ফিরে এসেছি একটু ভালো মানুষ হয়ে।” 🤍
তাই গন্তব্যের কথা ভাবার পাশাপাশি
মাঝে মাঝে নিজেকেও একটি প্রশ্ন করুন—
“আমি ফিরে আসার পর, আমি কি আগের মানুষটিই থাকব?”

💧 মদিনার ঐতিহাসিক কূপ | পর্ব ১বীরে আরিস, যে কূপে হারিয়ে গিয়েছিল নবীজি ﷺ-এর আংটিমদিনার কুবা এলাকায় অবস্থিত বীরে আরিস (بئر...
25/08/2026

💧 মদিনার ঐতিহাসিক কূপ | পর্ব ১

বীরে আরিস, যে কূপে হারিয়ে গিয়েছিল নবীজি ﷺ-এর আংটি

মদিনার কুবা এলাকায় অবস্থিত বীরে আরিস (بئر أريس) মদিনার প্রাচীন ঐতিহাসিক কূপগুলোর একটি। এটি বীরে খাতাম অর্থাৎ আংটির কূপ নামেও পরিচিত। মসজিদে কুবার প্রায় ৩৮ মিটার পশ্চিমে এর অবস্থান বলে উল্লেখ করা হয়।

‘আরিস’ নামটি একটি ইহুদি ব্যক্তির নাম থেকে এসেছে বলে ঐতিহাসিক বর্ণনায় পাওয়া যায়। কূপটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিল। এর একটি পুরোনো নাম ছিল বির’ তুফলা কারণ একসময় এর পানি লবণাক্ত ছিল বলে বর্ণনা পাওয়া যায়।

💧 কীভাবে কূপটির সন্ধান পাওয়া যায়?

ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, মসজিদে কুবার ভিত্তি নির্মাণের জন্য মাটি খননের সময় কূপটি হঠাৎ আবিষ্কৃত হয়।

এরপর ধীরে ধীরে এই কূপের সঙ্গে জড়িয়ে যায় রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনের একাধিক স্মৃতি।

💧 রাসুলুল্লাহ ﷺ ও বীরে আরিস

বর্ণনায় এসেছে, রাসুলুল্লাহ ﷺ এই কূপের কাছে বসতেন। তিনি এর পানি পান করতেন, পানি দিয়ে ওযু করতেন এবং কূপের কিনারায় বসে পা পানিতে ডুবিয়ে রাখতেন।

আর এই কূপের কাছেই ঘটেছিল ইসলামের ইতিহাসের এক স্মরণীয় ঘটনা।

একদিন রাসুলুল্লাহ ﷺ বীরে আরিসের পাশে বসেছিলেন। তাঁর কাছে একে একে এলেন আবু বকর (রা.), উমর (রা.) ও উসমান (রা.)।

রাসুলুল্লাহ ﷺ তাঁদের জান্নাতের সুসংবাদ দিলেন।

আবু বকর (রা.) জান্নাতের সুসংবাদ পেলেন।

উমর (রা.) জান্নাতের সুসংবাদ পেলেন।

এরপর উসমান (রা.) এলেন। তাঁকেও জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হলো এবং তাঁর সামনে আসন্ন একটি পরীক্ষার কথা জানানো হলো।

একই কূপের পাশে, একই সময়ে একজন রাসুল ﷺ এবং তাঁর তিন মহান সাহাবি। মদিনার ইতিহাসে এর চেয়ে সুন্দর কোনো স্মৃতি কল্পনা করা কঠিন।

💧 লবণাক্ত পানি থেকে মিষ্টি হওয়ার বর্ণনা

আরেকটি ঐতিহাসিক বর্ণনায় এসেছে, বীরে আরিসের পানি একসময় লবণাক্ত ছিল। এ কারণে কূপটি বির’ তুফলা নামেও পরিচিত ছিল।

বর্ণনা অনুযায়ী, একবার রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এই পানির ব্যাপারে অভিযোগ করা হলে তিনি কূপের পানিতে তাঁর পবিত্র লালা দেন। এরপর পানির স্বাদ লবণাক্ত থেকে মিষ্টি ও সুস্বাদু হয়ে যায় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

💧 যে আংটির কারণে কূপের নাম বদলে গেল

রাসুলুল্লাহ ﷺ একটি রূপার আংটি ব্যবহার করতেন, যাতে খোদাই করা ছিল, “মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ”

তাঁর ইন্তেকালের পর আংটিটি প্রথমে আবু বকর (রা.), এরপর উমর (রা.), তারপর উসমান (রা.)-এর কাছে ছিল।

উসমান (রা.)-এর খেলাফতের ষষ্ঠ বছরে সেই আংটিটি বীরে আরিসের কূপে পড়ে যায়।
আংটিটি উদ্ধারের জন্য কূপের পানি বের করে খোঁজা হয়। সহিহ বুখারির বর্ণনায় এসেছে, তিন দিন পর্যন্ত খোঁজার পরও আংটিটি পাওয়া যায়নি।

সেই ঘটনার পর বীরে আরিস পরিচিত হয়ে ওঠে, "বীরে খাতাম, আংটির কূপ"।

💧 আজকের বীরে আরিস

আজ সেই ঐতিহাসিক স্থানটি আগের দিনের মতো একটি খোলা কূপ হিসেবে দেখা যায় না। স্থানটি চিহ্নিত করার জন্য একটি বর্গাকার কাঠামোর মধ্যে গোলাকার চিহ্ন (roundel) রয়েছে।

একসময় এখানে রাসুলুল্লাহ ﷺ বসেছিলেন।
একসময় এই কূপের পানি তাঁর হাতে ওযুর পানি হয়েছিল।
এই কূপের পাশেই তিন সাহাবি শুনেছিলেন জান্নাতের সুসংবাদ।

আর বহু বছর পর এই কূপের গভীরেই হারিয়ে গিয়েছিল সেই আংটি, যা একসময় পরেছিলেন মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ ﷺ।

একটি কূপের ইতিহাস কখনো কখনো একটি যুগের গল্প হয়ে যায়।

💧 পরের পর্বে: মদিনার আরও একটি ঐতিহাসিক কূপ, ইনশাআল্লাহ.
Bismillah Hajj & Umrah Services

Address

Talukder Tower, Bahubal, Habiganj, Sylhet
Hobiganj

Telephone

+8801778536879

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bismillah Hajj & Umrah Services posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bismillah Hajj & Umrah Services:

Shortcuts

Share

Category