ঘুরি-Ghuri

ঘুরি-Ghuri ট্রাভেল ফর হ্যাপিনেস
ট্র্যাভেল ট্যুর পাবনা

দাশুড়য়িা গোল চত্বর ফুলের বাগান, মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকেন যাত্রীরাদেশের উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ,পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ সড়কের...
02/03/2025

দাশুড়য়িা গোল চত্বর ফুলের বাগান, মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকেন যাত্রীরা

দেশের উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ,পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ সড়কের মিলন স্থল পাবনার ঈশ্বরদীর দাশুরিয়া গোল চত্বরে সৌন্দর্য বর্ধন ও বঙ্গবন্ধু ম্যুরালের চারপাশে ফুলের বাগান করে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছে পাবনা সড়ক ও জনপদ বিভাগ

সূর্যমুখীর রাজ্য – পাবনার টেবুনিয়া কৃষি ফার্মযেদিকেই তাকাবেন, শুধুই হলুদ আর হলুদ! সারি সারি গাছে ফুটে থাকা হাজারো সূর্য...
01/03/2025

সূর্যমুখীর রাজ্য – পাবনার টেবুনিয়া কৃষি ফার্ম
যেদিকেই তাকাবেন, শুধুই হলুদ আর হলুদ! সারি সারি গাছে ফুটে থাকা হাজারো সূর্যমুখী যেন প্রকৃতির এক অপরূপ ক্যানভাস। পাবনা জেলার টেবুনিয়া কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন-এ বিস্তীর্ণ ৯ একর জমিজুড়ে এই সৌন্দর্যের রাজত্ব গড়ে উঠেছে। সূর্যের দিকে মুখ করে থাকা অগণিত ফুলের মুগ্ধতা দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন শত শত দর্শনার্থী, প্রকৃতিপ্রেমী আর ফটোগ্রাফাররা।

পাবনার ঐতিহাসিক তাড়াশ রাজবাড়ী – এক হারানো ঐশ্বর্যের সাক্ষীপাবনা শহরের প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে থাকা তাড়াশ রাজবাড়ী, যা বনমাল...
01/03/2025

পাবনার ঐতিহাসিক তাড়াশ রাজবাড়ী – এক হারানো ঐশ্বর্যের সাক্ষী
পাবনা শহরের প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে থাকা তাড়াশ রাজবাড়ী, যা বনমালী রায় বাহাদুরের ঐতিহ্যের প্রতিচিহ্ন, আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। জমিদারি শাসনের এক উজ্জ্বল নিদর্শন এই প্রাসাদ, যা ইউরোপীয় রেনেসাঁর স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত।
তাড়াশের রায়বংশের পূর্বপুরুষ বাসুদেব নবাব মুর্শিদকুলি খানের রাজস্ব বিভাগে কর্মরত ছিলেন এবং পরবর্তীতে "রায়চৌধুরী" উপাধিতে ভূষিত হন। তাঁর স্থাপিত এষ্টেট প্রায় ২০০ মৌজা নিয়ে বিস্তৃত ছিল। বনমালী রায় ও বনওয়ারীলাল রায়ের অর্থানুকূল্যে নির্মিত তাড়াশ বিল্ডিং আজও জমিদার পরিবারের স্মৃতিকে বহন করে চলছে।
এই রায় বংশের বনমালীরায় ও বনওয়ারীলাল রায়ের নির্মাণ ঐতিহাবাহী বনমালী ইনস্টিটিউটও। জানা যায়, ১৯৪২ সনে ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধের আতঙ্কে এ জমিদার পরিবার তাদের পাবনা শহরে নির্মিত ঐতিহাসিক তাড়াশ বিল্ডিং এ আশ্রয় নিয়েছিলেন। পাবনা অঞ্চলের সর্ববৃহৎ জমিদারকর্তৃক নির্মিত তাঁদের অমরকীর্তি পাবনা শহরের তাড়াশ বিল্ডিং আজও তাঁদের স্মৃতি বহন করে দাঁড়িয়ে আছে। তাঁদের নির্মিত শহরের ভবনটি তাড়াশ রাজবাড়ী নামেও পরিচিত। পাবনা প্রাসাদোপম ভবনটির সম্মুখ ফাসাদ দ্বিতলবিশিষ্ট এবংচারটি সুডৌল বৃত্তাকার স্তম্ভ সহযোগে প্রাসাদের দ্বিতলের কক্ষটি নির্মিত। প্রাসাদের সামলে উন্মুক্ত প্রাঙ্গনের শেষপ্রান্তে প্রবেশ ফটকটির দুপার্শ্বে দুটি করে চারটি স্তম্ভ এবং মাঝখানে বিশাল আকৃতির অর্ধবৃত্তাকার খিলানে প্রবেশপথটি সৃষ্ট। তাড়াশ জমিদারদের পাবনা শহরে নির্মিত(রাজবাড়ী) প্রাসাদ ভবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট এর প্রবেশ তোরণ। ভবনটি আয়তাকৃতির এবং এর আয়তনদৈর্ঘ্যে ৩০.৪০ মিটার (১০০ ফুট) এবং প্রস্থ ১৮.২৮ মিটার(৬০ ফুট)।

ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় কাচারী পাড়া জামে মসজিদ, পাবনাজেলার সুপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী একটি মসজিদ। মসজিদটি ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্...
28/02/2025

ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় কাচারী পাড়া জামে মসজিদ, পাবনা

জেলার সুপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী একটি মসজিদ। মসজিদটি ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করা হয়| কোর্ট ও প্রশাসনিক এলাকায় এ মসজিদটি গড়ে ওঠায় এর নামকরণ করা হয় কাচারী পাড়া জামে মসজিদ। সরকারি ও স্থাপত্য সময়ে স্বল্পসংখ্যক মুসলমানদের উদ্যোগে এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। মসজিদটি নির্মাণের প্রধান উদ্যোক্তার নাম হারুন চাপরাশির উল্লেখযোগ্য, মসজিদটির জমি দান করেছিলেন সৌরভ প্রামানিক নামে এক ব্যক্তি।

মসজিদটি নিমার্ণে ঔপনিবেশিক ধারার ইন্দো-ইসলামিক রেনেসাঁ স্থাপন শৈলী অনুসরণ করা হয়েছে। মসজিদটিতে কয়েকটি নান্দনিক সুউচ্চ গম্বুজ ও মিনার রয়েছে, যা দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করতে সহযোগিতা করে। মসজিদটি নির্মাণে তৎকালীন সরকারী কর্মচারীরাও আর্থিক সহায়তা করেছিলেন। মসজিদটি স্থাপত্যশৈলীতে রয়েছে মধ্যযুগের মুসলিম শিল্পধারা। ২৬ টি ছোট বড় গম্বুজ ও ৮ ফুট উঁচু এই ধারার প্রকাশ এছাড়াও রয়েছে ৭০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট একটি মিনার। মসজিদের খিলান ও সুউচ্চ মিনার বাড়িয়ে দিয়েছে নান্দনিকতা

ঐতিহাসিক জিসিআই স্কুল, পাবনা। পাবনা গোপাল চন্দ্র ইনস্টিটিউশন (পাবনা জি.সি. ইনস্টিটিউশন) পাবনা জেলার একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্...
27/02/2025

ঐতিহাসিক জিসিআই স্কুল, পাবনা।

পাবনা গোপাল চন্দ্র ইনস্টিটিউশন (পাবনা জি.সি. ইনস্টিটিউশন) পাবনা জেলার একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।যা বর্তমানে পাবনা শহরে কাচারী পাড়ায় অবস্থিত। ১৮৯৪ সালের ১লা মার্চ শিক্ষাব্রতী শ্রী গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন, যা প্রথমে "পাবনা ইনস্টিটিউশন" নামে পরিচিত ছিল। তিনি আজীবন এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৩১ সালে তার মৃত্যুর পর বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তন করে তার নামানুসারে "গোপাল চন্দ্র ইনস্টিটিউশন" রাখা হয়। ১৮৯৮ সালে শ্রী লাহিড়ী এই বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে কলেজ শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেন, যা পরবর্তীতে এডওয়ার্ড কলেজ নামে পরিচিতি পায়।

পাবনা রেলওয়ে স্টেশন১৯৭৪ সালে ঈশ্বরদী-নগরবাড়ী রেললাইন প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও, ১৯৭৯ সালে এটি বন্ধ হয়ে যায়।২০০৯ সালে শেখ হ...
27/02/2025

পাবনা রেলওয়ে স্টেশন

১৯৭৪ সালে ঈশ্বরদী-নগরবাড়ী রেললাইন প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও, ১৯৭৯ সালে এটি বন্ধ হয়ে যায়।
২০০৯ সালে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় এসে প্রকল্পটি পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।
পরিকল্পনা পরিবর্তন করে নগরবাড়ির বদলে রেললাইন ঢালারচর পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হয়।
২০১৭ সালে মাঝগ্রাম-পাবনা সেকশনে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
২০১৮ সালের ১৪ জুলাই পাবনা রেলওয়ে স্টেশন চালু হয় এবং ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
২০১৯ সালে সম্পূর্ণ রেললাইন নির্মাণ শেষে পরীক্ষামূলক ট্রেন চালানো হয়।
এই রেলপথ পাবনার মানুষের জন্য নতুন যোগাযোগ সুবিধা এনে দিয়েছে।

আপনার মতামত কমেন্টে জানান, পাবনার রেলপথ নিয়ে আপনি কতটা আশাবাদী?

পাবনার ঐতিহাসিক ক্যালিকো কটন মিল।ছিল সুতার উৎপাদন ও কাপড় তৈরি করা। একসময় এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ কটন মিল ছিল, যা পা...
26/02/2025

পাবনার ঐতিহাসিক ক্যালিকো কটন মিল।

ছিল সুতার উৎপাদন ও কাপড় তৈরি করা। একসময় এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ কটন মিল ছিল, যা পাবনার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। মিলটির মাধ্যমে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল। তবে, সময়ের সাথে সাথে মিলটি আর্থিক সমস্যা ও আধুনিক প্রযুক্তির অভাবের কারণে বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে, ক্যালিকো কটন মিলের পরিত্যক্ত ভবনটি পাবনার শিল্প ইতিহাসের একটি প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আজও এটি অনেকের স্মৃতিতে রয়ে গেছে। ক্যালিকো কটন মিলের ঐতিহাসিক গুরুত্ব আজও স্থানীয় জনগণের মধ্যে আলোচিত হয়।

2️⃣ একসময় পাবনার অন্যতম বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান ছিল ক্যালিকো কটন মিল।
2️⃣ ১৯৫৪ সালে মিলটি প্রতিষ্ঠিত হয়, যা দেশের অন্যতম পুরনো কটন মিল।
3️⃣ এটি একসময় সুতা ও কাপড় উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
4️⃣ হাজারো শ্রমিকের কর্মসংস্থান ও পাবনার অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।
5️⃣ ১৯৮০-এর দশকে মিলটি লোকসানে পড়তে শুরু করে।
6️⃣ দীর্ঘদিন লোকসান গুনতে গুনতে ২০০০ সালে এটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
7️⃣ বর্তমানে এটি পরিত্যক্ত, ধ্বংসস্তূপের মতো পড়ে আছে।

আপনার কি মনে হয়, এই ঐতিহ্যবাহী মিলটি নতুন করে চালু করা উচিত?

ঘুরি - Ghuri পাবনা অফিস।
26/02/2025

ঘুরি - Ghuri পাবনা অফিস।

খালেক পার্ক, পাবনা।
26/02/2025

খালেক পার্ক, পাবনা।

Address

Pabna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঘুরি-Ghuri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share