19/03/2022
সুন্দরবন ভ্রমণ প্যাকেজ
(২ রাত ৩ দিন)
ভ্রমণ তারিখ জানতে মেসেজ করুণ
"সুন্দরবন"-এর আক্ষরিক অর্থ "সুন্দর জঙ্গল" বা "সুন্দর বনভূমি"। সুন্দরী গাছ থেকে সুন্দরবনের নামকরণ হয়ে থাকতে পারে, যা সেখানে প্রচুর জন্মায়। অন্যান্য সম্ভাব্য ব্যাখ্যা এরকম হতে পারে যে, এর নামকরণ হয়তো হয়েছে "সমুদ্র বন" বা "চন্দ্র-বান্ধে (বাঁধে)" (প্রাচীন আদিবাসী) থেকে। তবে সাধারণভাবে ধরে নেয়া হয় যে সুন্দরী গাছ গাছ থেকেই সুন্দরবনের নামকরণ হয়েছে।
প্যাকেজ প্রাইস:
* এক রুমে চারজন শেয়ারিংঃ ৮,৮০০ টাকা জনপ্রতি
* এক রুমে তিনজন শেয়ারিংঃ ৯,৫০০ টাকা জনপ্রতি
* এক রুমে দুইজন শেয়ারিং/কাপলঃ ১১,০০০ টাকা জনপ্রতি
শিশু পলিসি: ০-২ বছর পরযন্তত ফ্রি, ০২-১২ বছর পরযন্ত পরিবারের সাথে বেড শেয়ার করলে ৪,২৫০/- জনপ্রতি, আলাদা বেডে থাকলে ৮,৫০০/-
ট্যুর প্যাকেজের সেবাসমুহঃ
• প্রত্যেকের জন্য বেড প্রতি জাহাজে থাকার ব্যাবস্থা
• সুন্দরবনে প্রবেশের পাস
• অভিজ্ঞ গাইড
• বন বিভাগ থেকে আর্মস সিকিউরিটি
• বনের ভেতরে প্রবেশের ও ভ্রমণের জন্য ছোট নৌকা
• কুক এর ফিস
• খাবার পানি (জার সিস্টেম)
• একদিন বার-বি-কিউ আয়োজন
• আসন সংখ্যাঃ ৬৫ জন
• নৌযানঃ এমভি অবসর (৬৫ ক্যাপাসিটি)
• খাবারঃ প্রতিদিন ২ বেলা স্নাক্স সহ ডবল মেনুর খাবার থাকবে। চা এবং কফির ব্যাবস্থা থাকবে পর্যাপ্ত।
প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত নয়:
• ঢাকা – খুলনা - ঢাকা বাস/ট্রেন টিকেট (এসি বাস ২,০০০/- নন এসি বাস ১,০০০/-)
দর্শনীয় স্থানসমূহঃ ৬ অদিক
• হাড়বাড়িয়া
• জামতলা সী-বীচ
• কটকা অফিস পাড়া
• বাদামতলি সী বিচ/কচিখালী
• করমজল
• দুবলার চর
ভ্রমণ বিস্তারিতঃ
১ম দিন -
সকাল ৭:৩০ খুলনা জেলখানা ঘাট থেকে আমাদের গাইড আপনাদের রিসিভ করে শীপে নিয়ে যাবে। রুপসা এবং পশুর নদী ধরে খুলনা শিপইয়ার্ড,রুপসা ব্রিজ,রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং মংলা বন্দর পাশে রেখে আমাদের শীপ চলবে হাড়বাড়িয়ার উদ্দেশ্যে।
দুপুরের খাবার খেয়ে নামবো "হাড়বাড়িয়া ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রে । আগে পিছনে গান ম্যান রেখে সারিবদ্ধ ভাবে যাবো নির্ধারিত ফুট ট্রেইল ধরে। মিষ্টি পানির পুকুর পার হয়ে ঢুকবো গভীর বনে৷ দু,পাশে থাকবে ঘন শ্বাসমূল যুক্ত ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ। সুন্দরী, গোলপাতা,গেওয়া গাছ এই বনে বেশী। প্রচুর হরিণের পায়েরছাপ এবং নিশ্চুপ থাকলে হরিণের পাল দেখা যাবে। কাকড়ার পাল ছুটে লুকাবে আপনার চলার শব্দে।প্রায় ১ মাইল ট্রেইল ঘুরে পুকুরের উপর নির্মিত কাঠের রেষ্ট হাউজে বিশ্রাম নিয়ে শীপে ফিরে আসবো। শীপে ফিরে বিকালের নাস্তা খাবো।
শীপ চলবে সাগরের মোহনায় অবস্থিত "কটকা অভয়ারণ্যে।
* ২য় দিন -
খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে দেশী নৌকায় ক্যানেল ক্রুজিং এবং চুপ থেকে বনের নিস্তব্ধতা উপভোগ করবো৷ সেখান থেকে টাইগার ট্রি'র ঝোপ,হরিণের বিচরণের মাঠ এবং গভীর বন পেরিয়ে আড়াই কিলো দূরের বাদামতলা সী বীচে যাবো। উপভোগ করবো বাংলাদেশর দুই গর্ব "সুন্দরবন" এবং 'বঙ্গপোসাগর " এর মিলন স্থান।
এরপর শীপে ফিরে সকালের নাস্তা করে যাবো টাইগার টিলার উদ্দেশ্যে। কাঁদা,শ্বাস মূল আর ভয়ংকর গড়ান বন পেরিয়ে টাইগার টিলার অবস্থান।যাওয়ার পথে খুব কাছ থেকে হরিণের পাল দেখা যাবে।
এরপর ফিরবো শীপে৷ শীপ যাবে বাঘের টাইনিং বলে খ্যাত "কচিখালির" উদ্দেশ্যে। "কচিখালিতে" গা,ছমছমে ছন বনের ভিতর দিয়ে হাটবো। হরিণের পাল মাথা উচু করে আপনাকে দেখেই ছুটে পালাবে এবং আপনি বুঝবেন কেনো এখানকে বাঘের ডাইনিং বলা হয়। ছমছমে ভাব নিয়েই ফিরবো শীপে। দুপুরের খাবার পর আমরা যাবো কচিখালি
মনরম সুন্দর সী বীচে থাকবো সন্ধার আগ পর্যন্ত। তারপর ফিরবো শীপে। শীপ চলবে করমজলের উদ্দেশ্যে।
৩ য় দিন :
করমজলে নোনা পানির বাংলাদেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র। ছোট বড় কুমির,বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির কচ্ছপ,বানরের পালের বাদরামি এবং হরিণকে হাত থেকে ঘাস খাইয়ে শীপে ফিরে খুলনা/মংলার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবো।
খাবার মেন্যু:
১ম দিন :
সকালঃ (৭.৩০ থেকে ৮.৩০)
প্লেইন পরাটা, মিক্স সবজি, ডাল, ডিম, হালুয়া, চা/কফি
সকালঃ (১০.৩০ থেকে ১১.০০)
প্লেইন কেক, ফল, চা/কফি
দুপুরঃ (২.০০ থেকে ২.৩০)
সাদা ভাত, লাউ চিংড়ি, ভর্তা, মাছ, চিকেন, ডাল, সালাদ, ডেজারট।
বিকালের নাস্তাঃ (৪.০০ থেকে ৪.৩০)
নুডুলস/ভেজিটেবল পাকুরা, চা/কফি
রাতের খাবারঃ (৯.০০ থেকে ১০.০০ টা)
প্লেইন পুলাও, মুড়িঘন্ট, মাছ ভাজা, খাসীর মাংস, দই, সালাদ, কোল্ড ড্রিংস।
২য় দিন (১৯ ডিসেম্বর, ২০২০):
সকালঃ (৭.৩০ থেকে ৮.৩০)
খিচুড়ী, ডিম ভুনা/ ডিম ভাজি, বেগুন ভাঁজি, আচার, চা/কফি
স্ন্যাকস: গ্রীন কুকুনাট, বিসকিট, চা/কফি
দুপুরঃ (২.০০ ঠেকে ২.৩০)
সাদা ভাত, গলদা চিংড়ি, ভর্তা, মিক্সড সব্জি, চিকেন, ডাল, সালাদ, ডেজারট।
বিকালের নাস্তাঃ (৪.০০ থেকে ৪.৩০)
সীজোনাল পিঠা, চা/কফি
রাতের খাবারঃ (৯.০০ থেকে ১০.০০ টা)
ফ্রাইড রাইস, মুরগীর বার বি কিউ, ভেটকি মাছের বার বি কিউ, হাসের মাংসের রেজেলা, রাশিয়ান সালাদ, কোল্ড ড্রিংস।
৩ য় দিন (২০ ডিসেম্বর, ২০২০):
সকালঃ (৭.৩০ থেকে ৮.৩০)
প্লেইন পরাটা, মিক্স সব্জি, লটপটি, ডিম, চা/কফি
সকালঃ (১০.৩০ থেকে ১১.০০)
বিস্কিট, ফল, চা/কফি
দুপুরঃ (২.০০ থেকে ২.৩০)
সাদা ভাত, মাছ, ভর্তা, মিক্সড সব্জি, গরুর গোশত, ডাল, সালাদ, ডেজারট।
বিকালের নাস্তাঃ (৪.০০ থেকে ৪.৩০)
ছুলা মুড়ি/ ভেজিটেবল পাকুরা, চা/কফি
রাতের খাবারঃ (৯.০০ থেকে ১০.০০ টা)
সাদা ভাত, ডাল, সবজী, ভর্তা, চিকেন, সালাদ
জেনে রাখা ভালঃ
নিরাপত্তা:
নিরাপত্তার ব্যাপারে আমাদের কোন আপোস নেই। আপনাদের নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষনিক নিয়োজিত থাকবে বাংলাদেশ বনবিভাগের সশস্ত্র নিরাপত্তা কর্মী । আবহাওয়া এবং অন্য যে কোন প্রয়োজনে VSF এর মাধ্যমে ফরেস্ট, কোষ্ট গার্ড এবং নৌ-বাহিনীর সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন।
ভ্রমণ বিষয়ে আরও জানতে মেসেজ করুণ
#ভ্রমণ
#সুন্দরবন
#ট্যুরে