Travel Mate

Travel Mate Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Travel Mate, Travel Service, Lalbazar Road, Baruthkhana, Sylhet.

07/06/2020

➘ #ভারতীয়_ভিসা_আবেদন_কেন্দ্র ২ সপ্তাহের জন্য পাসপোর্ট সরবরাহ করবে

➘ সকল আইভিএসি দুই সপ্তাহের জন্য আজ ৭ই জুন ২০২০ থেকে উন্মুক্ত থাকবে । যারা এখনো পাসপোর্ট সংগ্রহ করেন নাই তাদের উল্লেখিত সময় এর মধ্যে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে । #সময়: সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টা (যমুনা ফিউচার পার্কের জন্য) এবং অন্যান্য সকল সেন্টার সকাল ১০ থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত।

➘ #বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ কোন নতুন ভিসার আবেদন গ্রহণ করা হবে না। কেন্দ্রগুলি কেবলমাত্র পাসপোর্ট সরবরাহের জন্যই খোলা আছে।

03/12/2019

#সেনজেন_ভিসা

ইউরোপের একটি ভিসা নিয়ে ঘুরে আসুন ২৬ টি দেশ।

বিস্তারিত জানতে ডায়াল করুন নিচের নাম্বারগুলোতেঃ
☎ 01715 777 537, 01815 240 672

ভিসা প্রসেসিং করার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসের তালিকাঃ

১। ব্যাংক ষ্টেটম্যান্ট (বিগত ৬ মাসের), ও ব্যাংক সলভেন্সী,
২। ব্যবসায়ীদের জন্যে ট্রেড লাইসেন্স ইংরেজীতে অনুবাদ সহ নোটারী কপি,
৩। চাকুরীজীবীদের জন্যে অফিস থেকে এনওসি লেটার (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট),
৪। কোম্পানী প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড,
৫। অফিসের আইডি কার্ডের কপি (চাকুরীজীবী দের জন্যে),
৬। ছবি, (৩৫x৪৫ সাইজ, সিঙ্গাপুরের জন্যে ম্যাট পেপার মাষ্ট, ইন্দোনেশিয়ার জন্যে লাল ব্যাকগ্রাউন্ড আর বাকী সব দেশের জন্যে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
৭। সাথে স্পাউস থাকলে তার ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি, ম্যারিজ সার্টিফিকেট ও ফোন নাম্বার।
৮। বাচ্চা সাথে থাকলে বার্থ সার্টিফিকেট ও স্কুলের আইডি কার্ড কপি।

এছাড়া সকল পাসপোর্ট, ডমেস্টিক/আন্তর্জাতিক বিমানের টিকিট, হোটেল বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করুন:

ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে চলে আসুন অফিসে।

🏠 TravelMate, Lalbazar Road, Baruthkhana, Sylhet.

04/11/2019

বছরজুড়ে ঘোরাঘুরি: ভ্রমণের সবচেয়ে দারুণ জায়গাগুলো

জাপানের বিখ্যাত একটি প্রবাদ হলো- ‘বাঁশের নল দিয়ে পুরো আকাশ দেখা যায় না’। কথাটির ভাবার্থ আর কেউ না বুঝলেও ভ্রমণপিপাসুরা ঠিকই বুঝতে পারেন। মানব জীবনের আহরিত সব রকম জ্ঞানের মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞান সম্ভবত সেটিই, যেটি অর্জিত হয় ভ্রমণের মাধ্যমে। তবে মানুষের ঘুরে বেড়ানোর মুখ্য উদ্দেশ্য কিন্তু স্রেফ আনন্দ লাভ, জ্ঞানার্জনটি তার উপরি পাওনা। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শহরে, গ্রামে, জলে, হাওয়ায় কিংবা ডাঙ্গায় যারা বেড়াতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য চলতি বছরের আকর্ষণীয় দশটি ভ্রমণ গন্তব্য নিয়ে আজকের আয়োজন। চলুন, দেখে আসা যাক বছরজুড়ে কোন কোন জায়গা অপেক্ষা করছে আপনার পদচারণার জন্য!

#নেপাল

কল্পনা করুন, আপনি সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘুম-ঘুম চোখে বারান্দায় গেলেন। হাত বাড়িয়ে দিতেই হাওয়াই মিঠাইয়ের মতো নরম তুলোট মেঘ এসে স্পর্শ করল আপনার শরীর। কেমন লাগবে তখন? ঠিক এই স্বর্গীয় অনুভূতিটা পেতে চাইলে আপনাকে চলে যেতে হবে হিমালয়কন্যা নেপালে। কাঠমান্ডু, পোখারা আর নাগরকোটে ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি এখানে উপভোগ করতে পারবেন পাহাড়ের অনুপম সৌন্দর্য। নেপালের মানুষ খুবই অতিথিপরায়ণ, খাবার আর জিনিসপত্র যেমন ভালো তেমনই সস্তা। পোখারা নামের চমৎকার শহরে রয়েছে অপরূপ ফেউয়া লেক। এখান থেকেই দেখা যাবে অপরূপ হিমালয়ের কিছু অংশ। প্যারাগ্লাইডিংসহ অনেক এক্টিভিটির সুযোগ রয়েছে এই শহরে। সারাংকোট গেলে আপনি দেখতে পাবেন পৃথিবীর সুন্দরতম সূর্যোদয়! পাহাড়ের চূড়ায় আছে অপূর্ব পিচ প্যাগোডা। পাহাড়ে ঘেরা নাগরকোট আর থামেলের আশেপাশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করে বেড়ানো যায় দিনভর। পাহাড়প্রিয় মানবের জন্য সত্যিই কিন্তু তুলনা নেই নেপালের! দারুণ এক নেপাল ট্যুরের জন্য দেখে আসুন ট্রাভেল বুকিং বাংলাদেশ এর আয়োজনগুলো, নিরাশ হবেন না মোটেও!

#বালি

সাগর আর পাহাড়- এই দুইয়ের প্রেমে যারা একইসাথে মত্ত, তাদের জন্য বালি’র বিকল্প কোনো জায়গা নেই। ভিসা করার ঝামেলা ছাড়াই ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে বেশ কয়েকদিন কাটিয়ে দিয়ে আসতে পারেন অনায়াসে। এখানে রয়েছে অপরূপ নুসা দুয়া সমুদ্র সৈকত, যেখানে সি-ওয়াকিং, প্যারাসেইলিং, স্কুবা ডাইভিং, স্নোরকেলিংসহ মজার মজার সব ওয়াটার এক্টিভিটিজ করা যায়। সমুদ্রের গভীরে রঙিন মাছের খেলা দেখে মন ভরে যাবে যে কারোরই। এছাড়া রয়েছে উলুয়াটু মন্দির, কেচাক নৃত্য, জিম্বারান ও পান্তাই পান্ডোয়া সমুদ্র সৈকত। নৌকা ভাড়া করে দ্বীপের চারদিকে ঘোরার ব্যবস্থাও আছে। খাবার আর জিনিসপত্রের দাম তুলনামূলক বেশি হলেও সৌন্দর্যের দিক থেকে তা পুষিয়ে দেবে জায়গাটি। সেইসাথে ঘুরে আসতে পারেন মায়াময় এক দ্বীপপুঞ্জ গিলি থেকেও। গিলি ত্রাওয়ানগান, গিলি মেনো আর গিলি এয়ার- এই তিনে মিলে গড়ে ওঠা দ্বীপপুঞ্জের প্রতিটিতেই আছে পর্যটকদের জন্য দারুণ সব আয়োজন।

#ব্যাংকক

সত্যিকারের ভ্রমণপ্রিয় মানুষের জন্য থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক রীতিমতো একটি স্বর্গরাজ্য! প্রকৃতি যেমন এখানে অসম্ভব বৈচিত্র্যময়, আধুনিকতায় তেমন এক তিল কমতি নেই। স্বপ্নের এই গন্তব্যস্থানে আপনি ঘুরে বেড়াতে পারবেন ওয়াট অরুণ, ওয়াট ফো এর মতো চোখ ধাঁধানো বৌদ্ধ মন্দির কমপ্লেক্সে। মিছেই একে দেবদূতের শহর বলে না। এখানে উপভোগ করা যাবে ভাসমান বাজার, লুম্ফিনি পার্ক আর চায়না টাউনের মতো সুন্দর কিছু জায়গা। ওদিকে গ্র্যান্ড প্যালেস আর জাতীয় জাদুঘরের কথা ভুলে গেলে কিন্তু চলবে না! আমোদপ্রিয় মানুষের এই শহরের খাবারের রুচিও খুব চমকপ্রদ। আর যারা কেনাকাটা পছন্দ করেন, তাদের জন্য ব্যাংকক নিঃসন্দেহে অতুলনীয় এক জায়গা! ব্যাংকক ভ্রমণের দারুণ সব অফার দিচ্ছে ট্রাভেল বুকিং বাংলাদেশ, ছুটিটা কাটিয়ে আসুন আনন্দময় সব মুহূর্তের মাঝে।

#সিঙ্গাপুর

একই সাথে পরিচ্ছন্ন আর নিরাপদ, এমন জায়গা ঘুরতে কে না ভালোবাসেন? জীবনযাত্রার মানের দিক দিয়ে এশিয়ার চতুর্থ স্থানে থাকা সিঙ্গাপুরের রাস্তা এতই নিরাপদ যে, রাতের যেকোনো মুহূর্তে যে কেউ রাস্তায় অবাধে চলাচল করতে পারেন। সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত এই দেশটি পর্যটকদের জন্য এক দারুণ আকর্ষণ। এখানে দেখার মতো অনেক অনেক জায়গা আছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুর চিড়িয়াখানা, মারলায়ন পার্ক আর হিস্টোরি মিউজিয়াম বা ইতিহাস যাদুঘর খুবই বিখ্যাত। তাছাড়াও আছে সিঙ্গাপুর ফ্লাইয়ার, বৃহত্তম এই নাগরদোলায় চড়ে উপভোগ করা যায় সমস্ত শহরের সৌন্দর্য। তবে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো গার্ডেনস বাই দ্য বে নামক পার্কটি। বিশাল এই পার্কটি আপনার মনকে সতেজ করে দেবে এক নিমিষে। সব মিলিয়ে ঘোরাঘুরির জন্য অসাধারণ একটি জায়গা সিঙ্গাপুর।

#কুয়ালালামপুর

এশিয়ার মাঝে এক টুকরো ইউরোপ কোথায় পাওয়া যেতে পারে? সেটি আর কোথাও নয়, মালয়েশিয়ায়! এই দেশের রাজধানী কুয়ালালামপুর প্রতিনিয়ত যেন হাতছানি দিয়ে ডাকে ভ্রমণ পাগল মানুষদের। পাহাড়, সাগর, সুউচ্চ স্থাপনা, কেনাকাটার স্থান- কী নেই এখানে? এই শহরেই আছে মালয়েশিয়ার গর্ব টুইন টাওয়ার, যা বিখ্যাত দুনিয়াজুড়ে। আরও রয়েছে ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারি, পুত্রজায়া ব্রিজ, রয়্যাল প্যালেস, এগ্রিকালচারাল পার্ক, ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেন, অর্কিড পার্ক, বার্ড পার্কসহ মন জুড়ানো সব জায়গা। রয়েছে বাটু কেভ নামে একটি বিখ্যাত গুহা, যা দেখতে হলে পার হতে হবে ২৭০টি সিঁড়ি। সেইসাথে মনোমুগ্ধকর থিম পার্ক তো আছেই! এছাড়া লাঙ্কাউইতে উপভোগ করতে পারেন ক্যাবল কার, ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট, ঝর্ণা আর সাগরের তলদেশ দিয়ে রাস্তার মতো দারুণ আকর্ষণীয় সব জায়গা।

#ভূটান

থান্ডার ড্রাগনের দেশ ভূটানে প্রকৃতি যেন একটি তীর্থভূমির রূপে সাজিয়ে নিয়েছে নিজেকে। এদেশের মানুষ এখানকার প্রকৃতির মতো সুন্দর আর স্বচ্ছ। ঘন সবুজে ঢাকা নিরিবিলি এই দেশটি তাই ভ্রমণপ্রিয় মানুষের নজর এড়াতে পারে না। ছোট্ট এই দেশটিতে দেখার মতো রয়েছে অনেককিছুই। আছে পারো শহরের উত্তরে খাড়া পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত টাইগার’স নেস্ট বৌদ্ধবিহার, যা দেখতে হলে উঠে যেতে হয় পাহাড় বেয়ে। আছে ভুটানের সর্ববৃহৎ সংরক্ষিত বনাঞ্চল জিগমে দর্জি ন্যাশনাল পার্ক, যেখানে দেখা মিলবে প্রাচীনতম সব গাছ আর দুর্লভ অর্কিডের। পারো শহর থেকে খানিক দূরেই আছে মোহময় চ্যালেলা পাস। এতই সুন্দর এই জায়গা যে, চোখ ফেরানো যায় না। সেইসাথে যাওয়া যায় ভুটানের উর্বরতম ভ্যালি পুনাখায়, নৈসর্গিক সৌন্দর্য ডালি মেলে আছে যেখানে। এছাড়া রাজধানী থিম্পুতেও ঘুরে বেড়ানো যাবে মনের মতো করে, আর কেনাকাটাও করা যাবে খুব কম খরচে। আর আকর্ষণীয় সব প্যাকেজে ভূটান ভ্রমণ করতে এক ঝলকে ঘুরে আসুন ট্রাভেলMate বাংলাদেশ থেকে!

#দুবাই

দুবাই! শুনলেই অনেকের চোখ স্বপ্নালু হয়ে ওঠে। সুখের জায়গা দুবাই, বাতাসে ভেসে বেড়ানো রেণুতেও যেন সুখের আবেশ। স্কাই স্ক্র্যাপারের শহর দুবাই, যেখানেই চোখ যায় দেখা মেলে আকাশচুম্বী ভবনের। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাতটি প্রদেশের মাঝে প্রধান প্রদেশটিকে আমরা সবাই চিনি দুবাই নামে। বিচিত্র সংস্কৃতির সব মানুষ একই ভূমিতে বাস করে বলে এটি এক বহুজাতিক জায়গা। এখানে রয়েছে খাওয়া-দাওয়ার বিচিত্রতা, সুস্বাদু রসনাবিলাসের সমারোহ। বর্ণিল সংস্কৃতির ভীড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলা যায় সহজেই। জুমেইরাহ সৈকত, মেরিনা সৈকত, আল মামজার সৈকত, আজুর সৈকতসহ অপরূপ কিছু বেলাভূমি রয়েছে এখানে। আছে বিশ্ববিখ্যাত পাম আইল্যান্ড, যা এক নজর দেখতে সারা পৃথিবীর লোক ভীড় করে এখানে। আর বুর্জ খলিফার কথা তো না বললেই নয়! ৭ তারকাবিশিষ্ট এই হোটেলে রয়েছে বিলাসবহুল সব আনন্দের ব্যবস্থা, জৌলুসের ছড়াছড়ি। সত্যিই, দুবাই যাত্রাকে বলা চলে এক স্বপ্নের ভ্রমণই!

#ফিজি

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অন্যতম ধনী কিন্তু ছোট্ট একটি রাষ্ট্র হলো ফিজি। আমুদে এই দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই উন্নত। আগে থেকে ভিসা করানোর ঝামেলা নেই এখানে, তাই চাইলে ঘুরে আসা যায় সহজেই। অত্যন্ত সুন্দর এই দ্বীপপুঞ্জের সমুদ্র সৈকতও খুব চমৎকার। প্রবাল, নুড়ি, শুভ্র বালি আর পাম গাছে সাজানো এর বেলাভূমি। এখানে আছে নয়নকাড়া সৌন্দর্যের অধিকারী তাভোরো জলপ্রপাত। তাভোরোতে রয়েছে তিনটি প্রাকৃতিক সুইমিং পুল, যেখানে করা যাবে বিভিন্ন ধরনের ওয়াটার এক্টিভিটি। সার্ফিং-এর জন্য চমৎকার ঢেউয়ের দেখা পাওয়া যাবে এখানে। সব মিলিয়ে ছোট্ট সুন্দর ফিজিকে এবছরে ঘুরে আসার তালিকার একটি দেশ হিসেবে রাখাই যায়। আর যদি সেক্ষেত্রে সহায়তা নেন ট্রাভেলMate বাংলাদেশ এর কাছ থেকে, থাকা-খাওয়া কিংবা যাতায়াতের ব্যবস্থা- সবকিছু নিয়ে পুরো ভ্রমণজুড়েই থাকতে পারেন নিশ্চিন্ত আর নির্ভার।

#দার্জিলিং

কথায় বলে, শরীর বা মন খারাপ হলে দরকার হাওয়া বদল। আর হাওয়া বদলের জায়গার জন্য আমাদের পরিচিত সব জায়গার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো ভারতের দার্জিলিং শহর। ছবির মতো সুন্দর এই শহরটিকে বলা হয় শৈল শহরের রাণী। মনোরম আবহাওয়া যাদের পছন্দ, তারা খুবই কম খরচে সহজেই ঘুরে আসতে পারেন দার্জিলিং থেকে। চমৎকার ভূ-প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, টয় ট্রেন আর মন মাতানো চায়ের সমন্বয় দার্জিলিংকে করে তুলেছে অসম্ভব জনপ্রিয়। এখানে আছে ভারতের সবচেয়ে উঁচু রেলওয়ে স্টেশন ঘুম। দার্জিলিং চিড়িয়াখানা, জাদুঘর আর আর্ট গ্যালারিও দেখার মতো। এখান থেকে দেখা মেলে পৃথিবীতে স্রষ্টার সুন্দরতম উপহার কাঞ্চনজঙ্ঘার, যেখান থেকে দু’ চোখ ভরে উপভোগ করতে পারেন প্রকৃতিকে। বিশুদ্ধ পানির অবিরাম নহর ভিক্টোরিয়া ফলসও আছে এই দার্জিলিং-এ। মেঘের এই দেশটির মানুষগুলোর মনও মেঘের মতোই কোমল।

#মালদ্বীপ

প্রবাল দ্বীপের সান্নিধ্যে অসীম জলরাশির বুকে সময় কাটাতে পছন্দ করেন কম-বেশি সবাই-ই। এই প্রবাল রাজ্যেরই একটি বৃহৎ সংস্করণ রয়েছে এশিয়ার বুকেই, যাকে বলা হয় প্যারাডাইজ অন আর্থ- অর্থাৎ পৃথিবীর বুকে স্বর্গ! ভারত মহাসাগরের নীলবর্ণের জলের বুক চিরে জেগে ওঠা প্রবালরাশি থেকে গড়ে উঠেছে এই দ্বীপসাম্রাজ্য। প্রিয়জনের সাথে একান্তে নীরবে কিছুদিন কাটাতে চাইলে মালদ্বীপ সেই তালিকায় সবার প্রথমেই চলে আসে। প্রকৃতি এখানে এখনও নিজের মতো সুন্দর, মানুষের কৃত্রিম ছোঁয়া কমই লেগেছে। এখানে আছে সাগরের স্ফটিক পানিতে সাঁতরে বেড়ানো কিংবা লেগুনের নীল জলে রঙিন মাছের খেলা দেখার অবারিত সুযোগ। রাজধানী মালে শহরে রয়েছে দর্শনীয় কিছু স্থান। সব মিলিয়ে এক নির্মল সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই প্রবালরাজ্যটি। বরাবরের মতো ট্রাভেলMate বাংলাদেশ থাকছে মালদ্বীপ ভ্রমণের সঙ্গী হতে, দারুণ সব অফার আর আকর্ষণীয় প্যাকেজ নিয়ে!

25/10/2019

India eases visa rules for ill Bangladeshi visitors

Bangladeshi nationals who visit India on valid visas and fall ill during their stay in India are not required to convert their primary visas into medical ones for getting admitted to Indian hospitals from now on, a press release of Indian High Commission here said yesterday.

“All indoor medical treatment for the treatment of diseases (except organ transplant), if any, foreigner may have been suffering from, even before his/her entry into India, shall be permitted on the primary visa,” said the release.

17/10/2019

#বিদেশে #উচ্চশিক্ষা

আমি প্রায়ই ফেসবুকে কিছু মেসেজ ও কল পাই। তাঁদের একটা অংশ জানতে চান, কীভাবে বিদেশে পড়তে যাওয়া যেতে পারে। কোন এডুকেশন কনসালট্যান্সি ফার্মের মাধ্যমে প্রক্রিয়া করা যেতে পারে। এডুকেশন কনসালট্যান্সি ফার্মকে কত টাকা দিতে হতে পারে। টোটাল কত খরচ হবে ইত্যাদি।

এসব জানতে চাওয়া মোটেই দোষের কিছু নয়। আমি যেহেতু বিদেশে থাকি ও বিদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি, তাই জানতে চাইতেই পারে।

তবে বলতেই হচ্ছে, আপনার যদি বিদেশে পড়াশোনা করার ইচ্ছে থাকে, তাহলে এডুকেশন কনসালট্যান্সি ফার্মের মাধ্যমে প্রক্রিয়া করানো বা কারও কাছ থেকে জানতে চাওয়াটা স্রেফ বোকামি। এর কারণ হচ্ছে আপনি যেই প্রশ্নগুলো করছেন, এর উত্তর ইন্টারনেট ঘেঁটেই বের করা যায়। এখন তো ইন্টারনেট সবার হাতে হাতে। আপনাকে প্রতিদিন বেশ কিছু সময় ইন্টারনেট ঘাঁটতে হবে।

ইন্টারনেটে আপনি কী তথ্য জানতে চাইবেন? শুরু করবেন গুগল সার্চ দিয়ে। ধরুন, আপনি আমেরিকায় পড়তে যেতে চাইছেন কিংবা ইংল্যান্ড, সুইডেন বা জার্মানি।

এখন আপনার কাজ হচ্ছে গুগলে সার্চ দিয়ে এসব দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা। জগতের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে তাদের ভর্তির তথ্য দেওয়া থাকে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অনলাইনেই আবেদন করা যায়।

এখন আপনি যে তথ্যগুলো নেবেন, সেটা হচ্ছে ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হতে কিংবা স্কলারশিপ পেতে কী কী যোগ্যতা লাগে। দেখবেন বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আলাদা একটা সেকশন থাকবে। যেখানে লেখা থাকবে, ইংলিশ রিকোয়ারমেন্ট। অর্থাৎ আপনাকে ইংলিশ টেস্টে স্কোর কত পেতে হবে। এ ছাড়া আপনার সিজিপিএ কত থাকা উচিত ইত্যাদি।

অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়তো দেখবেন অনেক বেশি ইংলিশ টেস্ট স্কোর চাইছে। অনেক জায়গায় হয়তো আপনার যে যোগ্যতা তাতেই হয়ে যাবে। আবার এমন বিশ্ববিদ্যালয়ও পাওয়া যেতে পারে, যেখানে হয়তো টেস্ট না দিলেও চলছে। এই তথ্যগুলো জানার জন্য আপনাকে যেটা করতে হবে, তা হলো প্রতিদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ঘাঁটতে হবে।

এভাবে ওয়েবসাইট ঘাঁটতে ঘাঁটতে একটা সময় আপনি পেয়ে যাবেন আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী আসলে কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারবেন। আর এসব তথ্য বের করতে যদি আপনার কষ্ট লাগে, সে ক্ষেত্রে আপনি কোনো এডুকেশন কনসালট্যান্সি ফার্মের সহায়তা নিতে পারেন।

বিদেশে পড়তে আসা খুব সহজ। যদি থাকে ইচ্ছেশক্তি। যদি মনস্থির করেন আপনি বিদেশে পড়াশোনা করবেন, যাঁদের বিদেশে পড়াশোনার বিষয়ে তথ্য জানার আছে, তাঁরা এই লেখাটা পড়তে পারেন বা সংগ্রহে রাখতে পারেন।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি

ক. প্রথমে আপনি একটি পাসপোর্ট করে নিন। পাসপোর্টে যাতে কোনো সমস্যা না থাকে যেমন সার্টিফিকেটের নাম ও জন্মতারিখ যেন মিল থাকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

খ. কেবল একাডেমিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল নয়। ইংরেজিতেও দক্ষতা থাকতে হবে আইইএলটিএসে ভালো স্কোর। ন্যূনতম ৬-৭ স্কোর থাকতে হবে। না থাকলে বিদেশে পড়াশোনার চেষ্টা করে লাভ নেই। বিশেষত স্কলারশিপ যে মিলবে না এটা নিশ্চিত। তবে চীন, জাপান, জার্মানি ও ফ্রান্স এসব দেশে যেতে চাইলে ওই দেশের ভাষাটাও শিখে নেওয়া ভালো।

তাই আইইএলটিএসের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন। এ ক্ষেত্রে আপনি ইউটিউবের ভিডিও দেখে কিংবা ব্রিটিশ কাউন্সিল, এক্সিকিউটিভ কেয়ার বা অন্য কোনো কোচিং সেন্টারের সহায়তা নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করতে পারেন। ভালো প্রস্তুতি থাকলে আইইএলটিএস পরীক্ষাটা দিয়ে ফেলুন। আইইএলটিএস পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আপনার পাসপোর্টের প্রয়োজন হবে। তাই প্রথমে পাসপোর্ট করে রাখার কথা বলেছিলাম।

গ. সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ইংরেজিতে করিয়ে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে দুভাবে অনুবাদ করা যায়। বোর্ডের একটি নির্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে জমা দিয়ে শিক্ষা বোর্ড থেকে সনদপত্র ও নম্বরপত্রের অনুবাদ কপি তোলা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে একটু সময় বেশি লাগে বলে আপনি ইচ্ছে করলে নোটারি পাবলিক থেকেও অনুবাদ করাতে পারেন।

ঘ. ছবি ও সব একাডেমিক সার্টিফিকেট অবশ্যই বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ শাখা থেকে সব কাগজপত্রের মূল কপি দেখানো সাপেক্ষে সত্যায়িত করিয়ে নিতে হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সার্টিফিকেট সত্যায়িত করতে টাকা লাগে না। এ ছাড়া নোটারি পাবলিক থেকেও সত্যায়িত করা যায়।

ঙ. আপনার কোনো স্টাডি গ্যাপ থাকলে সেটা কেন বা ওই সময় চাকরি করলে তার প্রমাণপত্র সংগ্রহে রাখতে হবে। ক্ষেত্র বিশেষে এসব লাগতে পারে।

চ. স্কলারশিপের জন্য একটা মোটিভেশন লেটার লিখুন। আপনি কেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে অমুক বিষয়ে পড়তে যেতে আগ্রহী, আপনার পরিকল্পনা ও আপনাকে কেন স্কলারশিপ দেওয়া যেতে পারে, এগুলো সুন্দর ও যৌক্তিকভাবে মোটিভেশন লেটারে লিখুন। নিজে না পারলে অভিজ্ঞ কারও সহায়তা নিতে পারেন। তবে কোনোভাবে ইন্টারনেট থেকে সার্চ করে কপি করে দিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না।

ছ. ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট অর্থাৎ আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণপত্র লাগবে। বিদেশে পড়াশোনাকালে আপনি যাবতীয় খরচ বহন করতে পারবেন। এ জন্য বিভিন্ন অঙ্কের অর্থের ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট লাগে। প্রমাণস্বরূপ ব্যাংক গ্যারান্টিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি লাগবে।

কারণ, যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনি ভর্তি হতে চাচ্ছেন তার খরচ বহন করা আপনার পক্ষে সম্ভব কি না, সেটা কর্তৃপক্ষ দেখবে। যদি মনে করে ব্যয়ভার বহন করা শিক্ষার্থীর পক্ষে সম্ভব নয়, তাহলে ভিসা মিলবে না।

জ. বিদেশ ভ্রমণের জন্য আপনাকে ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স করতে হবে।

ওপরের সবগুলো নিয়ে যদি আপনি প্রস্তুত। তাহলে আবেদন ও ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু করে দিন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে যখন দেখবেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য যে যোগ্যতাগুলো দরকার, সেগুলোর সঙ্গে আপনার যোগ্যতা মিলে যাচ্ছে, তখন আপনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করবেন। সেখানে দেওয়া আছে আবেদন করার শেষ সময় কত তারিখ কিংবা ঠিক কবে থেকে আবেদন করা যাবে।

অনলাইনে আবেদন করে ফেলুন, সেই সঙ্গে আপনার সব সার্টিফিকেট ও অন্য যেসব কাগজপত্র চায় সেগুলো সব স্ক্যান করে আপলোড করে দিন। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় হয়তো আপনাকে বলবে, কাগজগুলোর কপি পাঠাতে। সে ক্ষেত্রে বাইপোস্টে পাঠিয়ে দেবেন। নির্দিষ্ট দেশের বাছাইকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য প্রথমে ভর্তি তথ্য, প্রসপেক্টাস ও ভর্তি ফরম চেয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার সময় নির্দিষ্ট দেশ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে একটা আবেদন ফি পরিশোধ করতে হয়। তবে আমার জানামতে, এটা ১০ হাজার টাকার মধ্যে।

আবেদন করার পর মাসখানেক বা মাস দু-এক পরে তারা আপনাকে ই–মেইল করে জানাবে, আপনি অ্যাডমিশন পেয়েছেন কি না। অ্যাডমিশন যদি পান, তাহলে তারা অ্যাডমিশন লেটার পাঠিয়ে দেবে। ভর্তির অনুমতিপত্র বা অফার লেটার পাওয়ার পর সাধারণত অফার লেটারে বা প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত টিউশন ফির সমপরিমাণ অর্থ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক ড্রাফট করতে হবে। সেই সঙ্গে আপনাকে বলবে ভিসার আবেদন করতে।

ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও প্রায় সব নিয়মই একই রকম। ভিসার আবেদন করা মোটেই ঝামেলার কিছু নয়। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনি চান্স পেয়েছেন, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটেই দেখবেন আলাদা করে একটা লিংক দেওয়া আছে, সেই দেশের মাইগ্রেশন বোর্ডের। সেখান থেকে আপনি জেনে নিতে পারবেন কীভাবে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

ধরুন, আপনি ইউরোপের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাডমিশন পেয়েছেন। এখন আপনাকে ভিসা কিংবা রেসিডেন্স পারমিটের জন্য আবেদন করতে হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই ভিসার আবেদনপত্র সরবরাহ করে থাকে। এ ছাড়া আপনি বাংলাদেশে ওই দেশের অ্যাম্বাসিতেও যোগাযোগ করতে পারেন। তারা বসেই আছে আপনাকে তথ্য দেওয়ার জন্য।

অ্যাম্বাসি মানেই ভয়ের কিছু নয়। তারা বসেই আছে আপনাকে তথ্য দেওয়ার জন্য কিংবা ভিসা দেওয়ার জন্য। আপনাকে স্রেফ নিয়ম মেনে এগোতে হবে। নির্দিষ্ট দূতাবাস থেকে ভিসার আবেদনপত্র সংগ্রহ করে সঠিক তথ্য দিয়ে নির্ভুলভাবে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রসহ দূতাবাসে জমা দিতে এবং নির্দিষ্ট দিনে ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে ভিসা সংগ্রহ করতে হবে।

নতুন একটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে মানুষ হয় দেশান্তরিত। বিদেশে পড়ার স্বপ্নসারথিদের জন্য অগ্রিম শুভকামনা ও ভালোবাসা।
তৌহিদা খানম: পিএইচডি অধ্যয়নরত, সর্বন বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্রান্স।

17/10/2019

পাসপোর্ট কেন শুধু চার রঙেরই

বিশ্বজুড়ে ভ্রমণপিপাসু লোকজন নিশ্চয়ই বিভিন্ন দেশের পাসপোর্ট দেখেছেন বহুবার। লাল, কালো, নীল ও সবুজ—মূলত এই চার রঙের পাসপোর্টই দেখা যায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। কিন্তু এই চার রং ছাড়া অন্য কোনো রঙের পাসপোর্ট দেখা যায় না কেন?

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাসপোর্টের রঙের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবু দেশগুলো পাসপোর্টের রং হিসেবে এই চারটির বাইরে অন্য কোনো রং সাধারণত ব্যবহার করে না। এর কারণ হিসেবে বেশির ভাগ দেশের দাবি, এই চার রঙের পাসপোর্ট দেখতে সবচেয়ে বেশি ‘অফিশিয়াল’ লাগে। আরেকটি কারণ হলো, এই চার রঙের পাসপোর্টের ওপর ধুলা কম জমে, ব্যবহারের ফলে রং মুছে যায় কম।

পাসপোর্টের রং বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দেশগুলোর সংস্কৃতিও একটি বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামি দেশগুলো সাধারণত বিশেষ ধর্মীয় তাৎপর্যের কারণে সবুজ রঙের পাসপোর্ট বানিয়ে থাকে। আবার ইউরোপীয় দেশগুলো সাধারণত বারগেন্ডি (লালের একটি শেড) রঙের পাসপোর্ট ব্যবহার করে থাকে।

তবে রঙের ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা না থাকলেও পাসপোর্টের অন্য কিছু বিষয়ে সব দেশকে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। যেমন পাসপোর্ট এমন উপাদান দিয়ে বানাতে হবে, যেটিতে ভাঁজ পড়বে না। এ ছাড়া উচ্চ তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও আলোপ্রতিরোধীও হতে হবে সেই উপাদানকে।

মেন্টাল ফ্লসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন সংস্থা (আইসিএও) পাসপোর্টের টাইপফেস ও ফন্ট নির্ধারণ করে থাকে। তবে পাসপোর্টের রঙের ব্যাপারে তাদের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। আইসিএওর প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা অ্যান্থনি ফিলিবিন বলেছেন, পাসপোর্টের রঙের ব্যাপারে কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নেই।

Address

Lalbazar Road, Baruthkhana
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel Mate posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category