15/09/2023
হুগলী জেলার কিছু ভ্রমণগন্তব্য:-
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি...👇
হুগলী জেলার অন্যতম দ্রষ্টব্যস্থান ইটাচুনা রাজবাড়ি, এখানে রাজকীয় আতিথেয়তাসহ থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। এছাড়া ঘুরে নিতে পারেন হংসেশ্বরী মন্দির, ব্যাণ্ডেল চার্চ, ইমামবাড়া প্রভৃতি। হুগলীর চন্দননগরে দেখার বলতে সুসান্নর সমাধি, ওয়াণ্ডারল্যাণ্ড পার্ক, চন্দননগর স্ট্র্যাণ্ড(গঙ্গাতীর), চন্দননগর মিউজিয়াম, রবীন্দ্রনাথের পাতালবাড়ি, রবীন্দ্রভবন, সেকরেট হার্ট চার্চ, দুপ্লে প্রাসাদ, নন্দদুলাল মন্দির, ভুবনেশ্বরী মাতার মন্দির প্রভৃতি। হুগলীর নদীতীরগুলির মধ্যে চন্দননগরের পরিবেশটাই আলাদা, অতীব মনোরম। পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন বিভাগের সুন্দর প্রয়াস হুগলীর চন্দননগরে গঙ্গাবক্ষে ভাসমান রেস্টুরেন্ট জলশ্রীর মেনু ও রেট চার্ট...👇
https://therivierehabitat.github.io/menu/
কিভাবে আসবেন... 👇
হাওড়া থেকে বর্ধমানগামী লোকাল ট্রেনগুলি হুগলীর নদীতীরগুলিকে ছুঁয়ে যাচ্ছে। বেশ ঘনঘন ট্রেন আছে। ইটাচুনা রাজবাড়ি যেতে গেলে খন্যান স্টেশনে নামতে হবে। এছাড়া চন্দননগর, চুঁচুড়া, ব্যাণ্ডেল প্রভৃতি স্থানেও নামতে পারবেন। আর বাস বা প্রাইভেট গাড়িতে যেতে চাইলে কলকাতা থেকে দিল্লি রোড ধরতে হবে৷
থাকবেন কোথায়... 👇
থাকতে চাইলে হুগলীর নদীতীরবর্তী যেকোনো টুরিস্ট স্পটে থাকুন। প্রায় সব স্পটেই থাকার সুব্যবস্থা আছে। তবে চন্দননগরে থাকাটাই ভালো, কেননা অধিকাংশ ভ্রমণগন্তব্য চন্দননগরের আশেপাশেই আছে।
খরচ কেমন... 👇
শুধু ঘুরে চলে এলে খরচ বেশি নয়। সম্পূর্ণ রুটপ্ল্যান করে নিয়ে স্পট ধরে ট্রেন থেকে নামুন, আর সম্পূর্ণ বুক না করে টোটো ধরে কেটে কেটে ঘুরুন। তবে ভালো করে ঘুরতে গেলে শুধু চন্দননগরের জন্যে একটা দিন দিলে ভালো হয়। ব্যাণ্ডেল চার্চ, ইমামবাড়া, হংসেশ্বরী মন্দির, ইটাচুনা রাজবাড়ি প্রভৃতির জন্যে একটা দিন দিন। শুধু ঘুরতে গেলে ইটাচুনা রাজবাড়ি কিন্তু শুধু বিকালেই খোলা থাকে মন্দিরদর্শনের জন্যে।
সম্পূর্ণ তথ্যের জন্যে নিচের লিঙ্কে দেখে নিতে পারেন...👇
https://youtu.be/fMishRfsnn0?si=aRaynrqGJ1j5YMEh