Travel with Sanjib

Travel with Sanjib Will get information on travel destinations in West Bengal and surrounding states.

দার্জিলিং জেলার বিভিন্ন স্থানের বেশ কিছু পাহাড়ি ফুল....
07/06/2025

দার্জিলিং জেলার বিভিন্ন স্থানের বেশ কিছু পাহাড়ি ফুল....

বসন্তের আগমন...দ্বিতীয় হুগলী সেতু, কলকাতা...
26/02/2024

বসন্তের আগমন...দ্বিতীয় হুগলী সেতু, কলকাতা...

ঘাটশিলা ভ্রমণতথ্য........সংক্ষিপ্ত পরিচিতি.....👇ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ঘাটশিলা পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার সীমান্ত। ঘাটশিলায় আছ...
14/02/2024

ঘাটশিলা ভ্রমণতথ্য........

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি.....👇
ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ঘাটশিলা পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার সীমান্ত। ঘাটশিলায় আছে এক সুন্দর ভ্রমণবৈচিত্র‍্য। পাহাড়, বনাঞ্চল, ঝর্ণা, ড্যাম, লেক, নদী প্রভৃতির সাথে গ্রাম্য আদিবাসী সংস্কৃতির সাথে পরিচিতির সুযোগ। আর বাংলার সাথে আরেকটা যোগ সাহিত্যিক বিভূতিভূষণকে কেন্দ্র করে। কর্মসূত্রে ঘাটশিলায় থাকার সময় তিনি অনেক সুন্দর সুন্দর সাহিত্যসৃষ্টি উপহার দিয়েছেন, যেগুলির ছন্দে ছন্দে জুড়ে আছে ঘাটশিলার গ্রাম্য প্রকৃতি। ঘাটশিলা ভালো করে ভ্রমণের জন্যে দুদিন সম্পূর্ণ লাগবে। একদিন ঘুরে নিন ফুলডুংরি পর্বত, বুরুডি লেক, ধারাগিরি ফলস, রাতমোহনা সুবর্ণরেখা ভিউপয়েন্ট, আমায়নগর ব্রীজ এবং বিভূতিভূষণের স্মৃতিবিজরিত গৌরীকুঞ্জ সংগ্রহশালা। আরেকদিন ঘুরে নিন ২৫ কিমি দূরের রঙ্কিনি মন্দির, গালুডি ড্যাম এবং পাহাড়ের উপরে অবস্থিত সিদ্ধেশ্বর শিবমন্দির।

কিভাবে যাবেন......👇
হাওড়া থেকে খরগপুরের উপর দিয়ে প্রতিদিন ঘাটশিলাগামী ট্রেন যায়।

কোথায় থাকবেন......👇
ঘাটশিলা শহরে থাকার জন্যে অনেক হোটেল-লজ আছে। জাতীয় সড়কের পাশেই একটি সুন্দর বাজেট হোটেলের ফোন নাম্বার ভিডিওর Description Box-এ দিয়ে দিয়েছি।

খরচ কেমন......👇
ঘাটশিলায় থাকা খাওয়ার খরচ খুব বেশি নয়। ৫০০ টাকা থেকেই দ্বিশয্যার রুম পেয়ে যাবেন। তবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন ভালো মানের রুম ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকায় পেয়ে যাবেন। ট্রেনের জেনারেল রিজার্ভ টিকিট ১০০ থেকে ১৫০ টাকা এবং AC Chair টিকিট ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।

সম্পূর্ণ তথ্যের জন্যে ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন....👇
https://youtu.be/7dMza_2vdb0?si=wFJwzoqO0cDP3Zj0

18/01/2024

গঙ্গাসাগর দ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগণা

অফবিট ভ্রমণ:-সংক্ষিপ্ত পরিচিতি...👇                          জঙ্গলমহল মানেই প্রকৃতির সাথে নিবিড় যোগ। আর দক্ষিণবঙ্গের জেলা...
02/01/2024

অফবিট ভ্রমণ:-

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি...👇
জঙ্গলমহল মানেই প্রকৃতির সাথে নিবিড় যোগ। আর দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির জঙ্গলমহলে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিতে হলে বাঁকুড়া যেতেই হবে৷ নিরিবিলি গ্রাম্য প্রাকৃতিক পরিবেশে বাঁকুড়া জেলার গাংদুয়া ড্যামের অবস্থান। বর্ষায় ভয়াল রূপ নেয় এই জলাধার। ড্যামের ধারে ও পার্শ্ববর্তী পার্কে বসার সুন্দর ব্যবস্থা আছে। পার্শ্ববর্তী জঙ্গল এলাকাগুলিতে হাতি থেকে শুরু করে নানা প্রজাতির পশুপাখির আনাগোনা। আর কোড়ো পাহাড় ও মন্দির দর্শন এক অনন্য অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে সুন্দর সিড়িপথ ধরে বন্য প্রকৃতির মধ্যে দিয়ে পাখির ডাক শুনতে শুনতে পাহাড়ের উপরে মন্দিরদর্শনের অভিজ্ঞতাই আলাদা। পাহাড়ের নিচে তপোবন আশ্রমের সুন্দর পরিবেশ। এছাড়া কাছাকাছির মধ্যে ঘুরে নিতে পারেন বিসিন্দা পাহাড় ও শুশুনিয়া পাহাড়। আর বাঁকুড়া শহরের কাছে বিকনায় শিল্পীদের গ্রাম ঘুরে নিতে পারেন।

কিভাবে যাবেন...👇
হাওড়া বা সাঁতরাগাছি থেকে বেশ কিছু সুপারফাস্ট ট্রেন ধরে বাঁকুড়ায় যাওয়া যায়। এছাড়া ধর্মতলা থেকে বাঁকুড়ার সরাসরি সুপারফাস্ট বাস আছে। বাঁকুড়া শহর থেকে গঙ্গাজলঘাঁটিগামী বাসে চড়ে গাংদুয়া ড্যাম ও কোড়ো পাহাড় ভ্রমণ করা যায়। তাছাড়া বাঁকুড়া শহর বা বাঁকুড়া স্টেশন থেকে সাইডসিনের জন্যে সর্বত্র ভ্রমণের ভাড়া গাড়ি পাবেন।

কোথায় থাকবেন...👇
বাঁকুড়া শহর ও বাঁকুড়া স্টেশনের কাছে থাকার অনেক লজ আছে। গঙ্গাজলঘাঁটিতেও বেশ কিছু থাকার লজ আছে।

খরচ কেমন...👇
বাঁকুড়া শহর ও স্টেশনের কাছাকাছি এক থেকে দুহাজার টাকার মধ্যে দ্বিশয্যার ভালো রুম পেয়ে যাবেন। এছাড়া গঙ্গাজলঘাঁটিতেও ঐরূপ মূল্যেই ভালো রুম পেয়ে যাবেন থাকার জন্যে৷
এই ভ্রমণ সম্পর্কে বিষদে জানতে নিচের লিঙ্কে দেখে নিতে পারেন...👇
https://youtu.be/_NAQV21csVc?si=bqRbI7UEE67SCIHD

08/12/2023
তাজপুর ও শঙ্করপুর সম্পূর্ণ ভ্রমণগাইড:-সংক্ষিপ্ত পরিচিতি...👇শঙ্করপুর বা তাজপুরের মাধুর্য বলতে দীঘার জনঅরণ্য থেকে নিরিবিলি...
06/12/2023

তাজপুর ও শঙ্করপুর সম্পূর্ণ ভ্রমণগাইড:-

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি...👇
শঙ্করপুর বা তাজপুরের মাধুর্য বলতে দীঘার জনঅরণ্য থেকে নিরিবিলিতে সামুদ্রিক পরিবেশকে উপভোগ করার সুযোগ। দীঘার তীব্র ঢেউ দেখে সমুদ্রস্নানে যারা ভীত, তাজপুর বা শঙ্করপুরে সেই ভীতি অনেকটাই কমে যাবে। তাজপুর সীবীচ ধরে হাঁটলে ঝাউ গাছের সারি ও লাল কাঁকড়া দেখতে পাবেন।

যাবেন কিভাবে....👇
কলকাতা থেকে ট্রেন বা বাস উভয়তেই যেতে পারেন। হাওড়া থেকে ট্রেনে দীঘা হয়ে যেতে পারেন তাজপুর-শঙ্করপুর। এছাড়া ধর্মতলা থেকে দীঘার AC/Non-AC অসংখ্য বাস ছাড়ে। ওখান থেকে গাড়ি নিয়ে ঘুরুন তাজপুর-শঙ্করপুর।

থাকবেন কোথায়... 👇
শঙ্করপুরে বেশ কিছু হোটেল-লজ আছে, তবে তাজপুরে অনেক বেশি হোটেল-লজ দেখলাম। সী বীচ থেকে হাঁটাপথ দুরত্বের মধ্যে হোটেল বুক করবেন। এছাড়া দীঘা বা মন্দিরমণিতে থেকেও সবটা ঘুরতে পারেন।

খরচ কেমন...👇
তাজপুর বা শঙ্করপুরে থাকার খরচ দীঘা থেকে একটু বেশি পড়বে। সাইডসীন করলে অটো বা টোটো নিতে পারে। তবে অটো নিলে সময় বাঁচবে।

আর সম্পূর্ণ ভ্রমণতথ্য ও ঘোরার জায়গাগুলি সম্পর্কে বিশদে জানতে এই ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন....
https://youtu.be/esS0b2YNS_0?si=OxeDJr7SdzNDLVaQ

দীঘা ও মন্দারমণি সম্পূর্ণ ভ্রমণগাইড:-সংক্ষিপ্ত পরিচিতি...👇বাঙালির দীপুদার প্রথম গন্তব্য দীঘা ভ্রমণ করেনি এমন ভ্রমণপ্রেমী...
18/11/2023

দীঘা ও মন্দারমণি সম্পূর্ণ ভ্রমণগাইড:-

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি...👇
বাঙালির দীপুদার প্রথম গন্তব্য দীঘা ভ্রমণ করেনি এমন ভ্রমণপ্রেমী বাঙালি বোধহয় একজনও নেই। এখানে দেখার বলতে পুরানো(Old) দীঘা ও নতুন(New) দীঘা সমুদ্রতীর। নতুন দীঘার অমরাবতী পার্ক(পার্কে বোটিং ও রোপওয়ে চড়া), ঢেউ সাগর পার্ক, কাজলদিঘী পার্ক ও টয়ট্রেন, দীঘা জাহাজবাড়ি লাইট শো, দীঘা বিজ্ঞানকেন্দ্র ও জাতীয় বিজ্ঞানশিবির(Digha Science Centre & National Science Camp), দীঘা মেরিন একোরিয়াম(Digha Marine Aquarium & Regional Centre) প্রভৃতি। দীঘায় সমুদ্র স্নানেন অভিজ্ঞতা না নিলে তো ভ্রমণ অসম্পূর্ণ। কাছাকাছির মধ্যে গাড়ি নিয়ে ঘুরে নিন দীঘা মেরিন ড্রাউভ রোড, দীঘা মোহনা ও মাছ বাজার, শঙ্করপুর-তাজপুর-মন্দারমণি সমুদ্রতীর, লাল কাঁকড়া বীচ, দীঘা বর্ডার পেড়িয়ে উড়িষ্যার মধ্যে উদয়পুর-তালসারি-বিচিত্রপুর সমুদ্রতীর ও সুবর্ণরেখা নদীমোহনাও ঘুরে নিতে পারেন।

যাবেন কিভাবে....👇
কলকাতা থেকে ট্রেন বা বাস উভয়তেই যেতে পারেন। হাওড়া থেকে ট্রেনে সরাসরি দীঘা যাওয়া যায়। এছাড়া ধর্মতলা থেকে দীঘার AC/Non-AC অসংখ্য বাস ছাড়ে। অনেক স্টেট বাস আছে কলকাতা থেকে দীঘা সরাসরি। তবে ট্রেনে যাওয়া কিংবা AC বাসে যাওয়ায় আরামপ্রদ।

থাকবেন কোথায়... 👇
পুরানো(Old) দীঘা ও নতুন(New) দীঘা উভয় জায়গাতেই অসংখ্য হোটেল-লজ-রিসোর্ট আছে। তবে স্টেশন ও সরকারী বাসস্ট্যাণ্ড সবই নতুন দীঘাতে হওয়ায় ওখানে থাকাটাই ভালো। সী বীচ থেকে ২-৪ মিনিট হাঁটা পথ দুরত্বের মধ্যে হোটেল নিন। আর মন্দারমণিতেও অসংখ্য হোটেল-লজ আছে, সী বীচ থেকে হাঁটাপথ দুরত্বের মধ্যে হোটেল বুক করবেন।

খরচ কেমন...👇
দীঘা ঘোরার খরচ আপনি কেমন পরিসেবা নিচ্ছেন তার উপর। এখানে ৫০০ থেকে শুরু করে দ্বিশয্যার রুম পেয়ে যাবেন। তবে একটু ভালো মানের রুম নিতে গেলে ৮০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে মন্দারমণি থাকার খরচ দীঘা থেকে একটু বেশি পড়বে। সাইডসীন করলে অটো বা টোটো নিতে পারে। তবে অটো নিলে সময় বাঁচবে। সারা দিনের জন্যে দীঘা মোহনা-শঙ্করপুর-তাজপুর-মন্দারমণি সাইডসিন করলে অটোতে ১০০০-১২০০ টাকা পড়বে। এছাড়া উড়িষ্যার উদয়পুর-তালসারি-বিচিত্রপু সমুদ্রতীর ও সুবর্ণরেখা নদী মোহনা ঘোরার অটো বুক করতে পারেন একই খরচে। দীঘা অমরাবতী পার্কে রোপওয়ে চার্জ ৮০ টাকা মাথাপিছু এবং প্যাডেল বোটিং দুজনের জন্যে ৮০ টাকা, তিন-চার জনের জন্যে ১০০ টাকা।

আর সম্পূর্ণ ভ্রমণতথ্য ও ঘোরার জায়গাগুলি সম্পর্কে বিশদে জানতে এই ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন....
https://youtu.be/PKAAounStT8?si=jtjG_LtYNgxGWO2m

মাইথন ভ্রমণ-সম্পূর্ণ গাইড:-সংক্ষিপ্ত পরিচিতি...👇                              DVC এর আওতায় থাকা বড় জলাধারগুলির অন্যতম এক...
31/10/2023

মাইথন ভ্রমণ-সম্পূর্ণ গাইড:-

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি...👇
DVC এর আওতায় থাকা বড় জলাধারগুলির অন্যতম একটি মাইথন। ড্যামটি কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১৬৫ ফুট উঁচু। স্বাভাবিকভাবেই ড্যামটি দেখার মতো। তবে এখানে দেখার বলতে অতি প্রাচীন মাতা কল্যানেশ্বরী মন্দির(মন্দিরে পুজা দিতে পারেন), ভান্ডার পাহাড় শিব মন্দির(৩০০ ধাপ উঠে মন্দিরের উপরে যাওয়া যায়), মাইথন ড্যাম রোড ও লকগেটের বিপরীত দিকে নামা, দ্বীপের মধ্যে মজুমদার নিবাস, ডিয়ার পার্ক এবং মাইথন ড্যামে বোটিং।

যাবেন কিভাবে.... 👇
বাস রাস্তায় গেলে ধর্মতলা থেকে আসানসোলগামী বাসে উঠতে হবে। ওদিকের অনেক স্টেট বাস আছে। আসানসোল নেমে ওখান থেকে মাইথনগামী বাসে উঠতে হবে। তবে ট্রেনে যাওয়ায় আরামপদ ও কমসময়সাপেক্ষ। হাওড়া থেকে ট্রেনে বরাকর স্টেশন নেমে শেয়ার অটো বা ফুল অটো বুক করে চলে আসুন স্টেশন থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দুরত্বের মাইথন।

খরচ কেমন......👇
একদিকের বাসভাড়া(Non-AC) পড়তে পারে 150-200 টাকা। আর ট্রেনভাড়া জেনারেল(Unreserved) 105 টাকা, জেনারেল(Reserved) 120 টাকা, স্লিপার 200 টাকা এবং AC Chair 400 টাকা। বরাকর স্টেশন থেকে কল্যানেশ্বরী মোর শেয়ার অটো মাথাপিছু 50 টাকা এবং ফুল অটো 150-200 টাকা। মাইথনে ড্যামে বোটিং করলে প্যাকেজ অনুযায়ী শেয়ার ১৫০-২০০ টাকা, সম্পূর্ণ ছোটো স্পীড বোড 600-1000 এবং সম্পূর্ণ বড় স্পীড বোট 1000-1400.

থাকবেন কোথায়....👇
ড্যাম রোডে যাওয়ার মুখে অনেক হোটেল-লজ আছে। চেষ্টা করবেন যতটা পারেন ড্যামের কাছাকাছি থাকতে। রাজ্য সরকারের যুব আবাস আছে মাইথন ড্যামের খুব কাছেই। আর মাইথন ড্যামে দ্বীপের উপর হোটেলে থাকার অনন্য অভিজ্ঞতা নিতে গেলে রাজ্য সরকারের মজুমদারনিবাস তো আছেই।

সম্পূর্ণ তথ্যের জন্যে এই ভ্রমণটি দেখে নিন...👇
https://youtu.be/ZLF3tSJEujc?si=lDY2nWqU5LII25ok

সিকিম ভ্রমণ তথ্য:-                           সিকিম বেড়াতে যাবেন ভাবছেন। হয়তো ট্রেনের  টিকিট কেটে ফেলেছেন, প্যাকেজও হয়তো ...
17/10/2023

সিকিম ভ্রমণ তথ্য:-
সিকিম বেড়াতে যাবেন ভাবছেন। হয়তো ট্রেনের টিকিট কেটে ফেলেছেন, প্যাকেজও হয়তো করে ফেলেছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের পর বেড়াতে যাওয়া নিয়ে দ্বিধাগ্রস্থ। এতো চিন্তার কিছু নেই। সিকিম ভ্রমণের অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা আছে। শুধু সাম্প্রতিক বিপর্যয়ই নয়, উত্তর সিকিম ভ্রমণ অনেকটাই ভাগ্য সহায়ক। আজ হয়তো প্রচন্ড বৃষ্টিতে রাস্তা ভেঙেছে অনেক জায়গায়, তবে তুষারপাতের কারণে বহু সময়ই রাস্তা বন্ধ থাকে উত্তর সিকিমের। তাই উত্তর সিকিম ভ্রমণ না করা গেলে টিকিট বাতিল না করে ছবির মতো সুন্দর, মেঘময় রাস্তা সিল্ক রুট বা পূর্ব সিকিম ভ্রমণ করে নিন কিংবা ঘুরে নিতে পারেন নানান বৈচিত্র্যময় ভ্রমণস্থলে ভরা পশ্চিম সিকিমের গেইজিং, পেলিং, দেন্তাম ও রা-বাংলা। আর তাও না পারলে পশ্চিম সিকিমের চার ধাম তো আছেই কিংবা গ্যাংটকের আশেপাশের সুন্দর সুন্দর জায়গাগুলি।
চারধাম বাদে সিকিমের সমস্ত সেরা ভ্রমণস্থলগুলির বিস্তারিত এপিসোডগুলি দেখে নিন আমাদের চ্যানেল "Travel with Sanjib"-এ...👇
https://youtube.com/

সিকিম সরকার অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির লিঙ্ক দিয়ে দিলাম..👇
https://www.sikkimtourism.gov.in/Public/TravellerEssentials/travelagents

হুগলী জেলার কিছু ভ্রমণগন্তব্য:-সংক্ষিপ্ত পরিচিতি...👇হুগলী জেলার অন্যতম দ্রষ্টব্যস্থান ইটাচুনা রাজবাড়ি, এখানে রাজকীয় আতিথ...
15/09/2023

হুগলী জেলার কিছু ভ্রমণগন্তব্য:-

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি...👇
হুগলী জেলার অন্যতম দ্রষ্টব্যস্থান ইটাচুনা রাজবাড়ি, এখানে রাজকীয় আতিথেয়তাসহ থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। এছাড়া ঘুরে নিতে পারেন হংসেশ্বরী মন্দির, ব্যাণ্ডেল চার্চ, ইমামবাড়া প্রভৃতি। হুগলীর চন্দননগরে দেখার বলতে সুসান্নর সমাধি, ওয়াণ্ডারল্যাণ্ড পার্ক, চন্দননগর স্ট্র‍্যাণ্ড(গঙ্গাতীর), চন্দননগর মিউজিয়াম, রবীন্দ্রনাথের পাতালবাড়ি, রবীন্দ্রভবন, সেকরেট হার্ট চার্চ, দুপ্লে প্রাসাদ, নন্দদুলাল মন্দির, ভুবনেশ্বরী মাতার মন্দির প্রভৃতি। হুগলীর নদীতীরগুলির মধ্যে চন্দননগরের পরিবেশটাই আলাদা, অতীব মনোরম। পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন বিভাগের সুন্দর প্রয়াস হুগলীর চন্দননগরে গঙ্গাবক্ষে ভাসমান রেস্টুরেন্ট জলশ্রীর মেনু ও রেট চার্ট...👇
https://therivierehabitat.github.io/menu/

কিভাবে আসবেন... 👇
হাওড়া থেকে বর্ধমানগামী লোকাল ট্রেনগুলি হুগলীর নদীতীরগুলিকে ছুঁয়ে যাচ্ছে। বেশ ঘনঘন ট্রেন আছে। ইটাচুনা রাজবাড়ি যেতে গেলে খন্যান স্টেশনে নামতে হবে। এছাড়া চন্দননগর, চুঁচুড়া, ব্যাণ্ডেল প্রভৃতি স্থানেও নামতে পারবেন। আর বাস বা প্রাইভেট গাড়িতে যেতে চাইলে কলকাতা থেকে দিল্লি রোড ধরতে হবে৷

থাকবেন কোথায়... 👇
থাকতে চাইলে হুগলীর নদীতীরবর্তী যেকোনো টুরিস্ট স্পটে থাকুন। প্রায় সব স্পটেই থাকার সুব্যবস্থা আছে। তবে চন্দননগরে থাকাটাই ভালো, কেননা অধিকাংশ ভ্রমণগন্তব্য চন্দননগরের আশেপাশেই আছে।

খরচ কেমন... 👇
শুধু ঘুরে চলে এলে খরচ বেশি নয়। সম্পূর্ণ রুটপ্ল্যান করে নিয়ে স্পট ধরে ট্রেন থেকে নামুন, আর সম্পূর্ণ বুক না করে টোটো ধরে কেটে কেটে ঘুরুন। তবে ভালো করে ঘুরতে গেলে শুধু চন্দননগরের জন্যে একটা দিন দিলে ভালো হয়। ব্যাণ্ডেল চার্চ, ইমামবাড়া, হংসেশ্বরী মন্দির, ইটাচুনা রাজবাড়ি প্রভৃতির জন্যে একটা দিন দিন। শুধু ঘুরতে গেলে ইটাচুনা রাজবাড়ি কিন্তু শুধু বিকালেই খোলা থাকে মন্দিরদর্শনের জন্যে।
সম্পূর্ণ তথ্যের জন্যে নিচের লিঙ্কে দেখে নিতে পারেন...👇
https://youtu.be/fMishRfsnn0?si=aRaynrqGJ1j5YMEh

Address

Kolkata

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel with Sanjib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share