OFFBEAT XPLORER

OFFBEAT XPLORER Our motto is to explore the offbeat destination in India and popularize that destination to all the

নিজামের শহর হায়দ্রাবাদ  মুসি নদীর তিরে তেলেঙ্গানার রাজধানী হায়দ্রাবাদ। ১৫৯১ খ্রিষ্টাব্দে গোলকন্ডার পঞ্চম নৃপতি কুতুব শাহ...
01/08/2020

নিজামের শহর হায়দ্রাবাদ
মুসি নদীর তিরে তেলেঙ্গানার রাজধানী হায়দ্রাবাদ। ১৫৯১ খ্রিষ্টাব্দে গোলকন্ডার পঞ্চম নৃপতি কুতুব শাহ এই শহরটি পত্তন করেন। হায়দ্রাবাদকে ভালো করে দেখতে হলে এখানে কমকরে তিনদিন থাকতেই হবে। মুসি নদীর দক্ষিণপাড়ে সালার জং মিউজিয়াম। নিজামের প্রধানমন্ত্রী নবাব মির তুলুব আলি খাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংগৃহীত মূল্যবান সব সংগ্রহ নিয়ে গড়ে উঠেছে। সালার জং থেকে বাজারমুখী পথে চারমিনার। কুতুব শাহ নির্মিত এই ঐতিহাসিক স্মারকটি চারটি মিনারের প্রতিটির উচ্চতা ১৮০ ফুট। চারমিনার থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে সামান্য দূরে মক্কা মসজিদ। কথিত আছে সুদুর মক্কা থেকে ইট এনে এই মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছিল। হায়দ্রাবাদ আর সেকেন্দ্রাবাদ শহরের মাঝখানে হুসেনসাগর লেক। রাতের আলোকমালা লেকের পরিবেশকে মোহময় করে তোলে। সান্ধ্য ভ্রমণের আদর্শ পরিবেশ। লেকের ঠিক মাঝখানে বুদ্ধের মনোলিথিক স্ট্যাচু। লেকের বুকে বোটিং করা যায়। হুসেন সাগরের পাশেই লুম্বিনী পার্ক।

কিভাবে যাবেন
হাওড়া থেকে সরাসরি সেকেন্দ্রাবাদ যায় ১২৭০৩ ফলকনামা এক্সপ্রেস (ছাড়ে সকাল ৭.২৫ পৌঁছায় পরদিন সকাল ৯.১৫)। ১৮৬৪৫ ইস্টকোস্ট এক্সপ্রেস (বেলা ১১.৪৫ পৌঁছায় পরদিন বিকাল ৫.১০)। এছাড়াও আকাশপথে দেড়ঘন্টার মধ্যে হায়দ্রাবাদে পৌঁছানো যায়।

কোথায় থাকবেন
হায়দ্রাবাদে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে তেলেঙ্গনা পর্যটনের হারিথা তারামাটি বারাদরি রিসর্ট, ভাড়া ২০০৯-৩৫৪২ টাকা, যোগাযোগ- ৯৮৪৮৮২৭১০২। হোটেল ডেকান কমফোর্ট, ভাড়া ৮০০-১২০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯০৩০০৪৪৪৭৪। হোটেল রাজধানী, ভাড়া ১৭০০-২৪০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯২৯০৮২৬৬৩৯। হোটেল হেরিটেজ ইন, ভাড়া ১৮০০-৪০০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৪০-৬৬৪৮৮৫৮৮। হোটেল মহাবীর, ভাড়া ৮২৫-১৭০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৪০-২৭৫৬৮৬১১। হোটেল শিল্পী গ্র্যান্ড, ভাড়া ১২০০-১৮০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৮৪৯৩৬৪৬৪৩।

গোলকোণ্ডা ফোর্ট
হায়দ্রাবাদ শহর থেকে ১১ কিমি পশ্চিমে গোলকোন্ডা ফোর্ট। কাকতীয় বংশের নৃপতি গণপতি এই ফোর্টটি তৈরি করেন। এর নির্মাণশৈলীতে অভিনবত্ব রয়েছে। এর প্রবেশমূল্য ১৫ টাকা। প্রত্যেকদিন সন্ধ্যায় এখানে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো হয়। দুর্গের বানজারা গেট থেকে ১ কিমি উত্তরে ফলবাগিচায় ঘেরা ব্রাহিমবাগে সমাধিস্থ রয়েছেন ৭ জন কুতুবশাহী নৃপতি। হিন্দু-মুসলিম-পাঠান স্থাপত্যে নির্মিত এই কারুকার্যময় সমাধিগুলি অনবদ্য। গোলকোণ্ডা থেকে ৩ কিমি উত্তরে শিল্পরমম লাগোয়া চেরুভু লেক। লেকের পাড়ে তেলেঙ্গানা পর্যটন লেক রিসর্ট, রেস্তোরাঁ গড়েছে। দুর্গের মক্কা তোরণ দিয়ে বেরিয়ে ডান হাতে একটু এগোলেই ওসমান সাগর লেক। ইসা নদীর বন্যা থেকে বাঁচাতে ১৯০৮ সালে বাঁধ দিয়ে এই লেক তৈরি করা হয়। শহরের পানীয় জল আসছে এখান থেকে। লেকের ধারে বাগিচা, গলফ কোর্স, ওয়াটার স্পোর্টস সহ একাধিক পর্যটক মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা রয়েছে। ভারতের বৃহত্তম চিড়িয়াখানা এই নেহেরু জুওলজিক্যাল পার্ক। প্রায় তিন হাজার ধরনের প্রজাতির পশুপাখী রয়েছে এখানে। এখানেই তৈরি হয় এশিয়ার প্রথম লায়ন সাফারি পার্ক।

হায়দ্রাবাদের খানাপিনা
হায়দ্রাবাদের প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে নবাবী কৃষ্টির নানান খাবারের দোকান। হায়দ্রাবাদের কংগ্রেস কার্যালয় গান্ধী ভবনের পাশের রাস্তায় আদাব রেস্টুরেন্টে দম বিরিয়ানি আর দম চিকেন অবশ্যই খেয়ে দেখবেন। আবিদ রোডের রেনবো রেস্টুরেন্টে মটন বিরিয়ানি আর মিরচি কা সালামের সুনাম রয়েছে খাদ্যরসিক মহলে। এদের কাবাব, কুলচা আর হালিমও বেশ নামজাদা। চার মিনারের কাছে মদিনা আর শাদাব রেস্টুরেন্টেরও সুনাম রয়েছে বিরিয়ানি পরিবেশনে।

হায়দ্রাবাদের বিকিকিনি
নবাবী শহর হায়দ্রাবাদের সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে বিকিকিনির নানান পসরা। হায়দ্রাবাদ থেকে বাড়ি ফেরার পথে সংগ্রহ করতে পারেন হস্তশিল্পের নানান সম্ভার, রকমারি পুতুল, অ্যাশট্রে, চন্দন কাঠের খেলনা, হিমরু ব্রোকেড শাড়ী, বিদরির রকমারি সম্ভার প্রভৃতি। কেনাকাটার জন্য সুলতান বাজার, লাড বাজার, বসিরবাগ কিংবা আবিদ সার্কেলের দোকানগুলি আদরণীয় হবে। তেমনি এমজি রোডের বাজারের দোকান থেকে কিনতে পারেন মুক্তো ও নানান আভরণ।

রামোজি ফিল্ম সিটি
হায়দ্রাবাদ থেকে ৪০ কিমি দূরে হায়দ্রাবাদ ৪০ কিমি দূরে হায়দ্রাবাদ ভ্রমণের অন্যতম সেরা আকর্ষণ রামজি ফিল্ম সিটি। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫.৩০ পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য খোলা থাকে। প্রবেশ মূল্য ১১৫০ টাকা। নিজেরদের উদ্যোগে গাড়ি করে যাওয়া যেতে পারে। আবার যারা কম খরচে যেতে চান তারা হায়দ্রাবাদের কোটি ওমেন্স কলেজ বাস স্ট্যান্ড থেকে বাসে করে যেতে পারেন। তেলেঙ্গনার বিভিন্ন শহর থেকেও বাস যাচ্ছে রামোজিতে। তেলেঙ্গনা পর্যটন ও রামোজি দর্শনের প্যাকেজ ট্যুর করায়।

শৈবতীর্থ মুক্তেশ্বর স্নিগ্ধ প্রকৃতির মাঝে কুমায়ুনের অন্যতম শৈবতীর্থ মুক্তেশ্বর। কাঠগোদাম থেকে ৭৫ কিমি আর নৈনিতাল থেকে ৫১...
26/07/2020

শৈবতীর্থ মুক্তেশ্বর
স্নিগ্ধ প্রকৃতির মাঝে কুমায়ুনের অন্যতম শৈবতীর্থ মুক্তেশ্বর। কাঠগোদাম থেকে ৭৫ কিমি আর নৈনিতাল থেকে ৫১ কিমি দূরে এই পাহাড়ি জনপদ। পাহাড়চূড়ায় শতাব্দীপ্রাচীন মন্দিরের জন্য এর প্রশস্তি। ছোট্ট মন্দিরে শ্বেতমর্মরে শিবের মূর্তি। তবে প্রাকৃতির সৌন্দর্যের জন্যেও এর জনপ্রিয়তা রয়েছে। চারিধারে পর্ণমোচী বৃক্ষের অনুপম রূপে যেকেউ মুগ্ধ হতে বাধ্য। মুক্তেস্বর থেকে নন্দাদেবী, নন্দাঘুটি, ত্রিশূল, পঞ্চচুল্লি সহ গাড়োয়াল হিমালয়ের ১৮০ ডিগ্রি দৃশ্যমান হয়। পায়ে পায়ে বেড়িয়ে নেওয়া যায় গোটা মুক্তেশ্বর। চৈথিজালি ভিউ পয়েন্ট থেকে সূর্যাস্থের দৃশ্য নয়নলোভন। চৈত্রমাসে ফুলো কি তিহার উৎসবে বর্ণময় হয়ে ওঠে গোটা মুক্তেশ্বর পাহাড়।

কিভাবে যাবেন
কাঠগোদাম বা নৈনিতাল থেকে গাড়ী ভাড়া করে চলা যায় মুক্তেশ্বর পাহাড়ে। সময় লাগে কমবেশি দুই-তিন ঘণ্টা। নৈনিতাল থেকে সকাল বেলা দিনের একমাত্র বাসে করেও মুক্তেশ্বর যেতে পারেন। হাওড়া থেকে সরাসরি কাঠগোদাম যাচ্ছে ২৩০১৯ বাঘ এক্সপ্রেস (ছাড়ে রাত ৯.৪৫ পৌঁছায় তৃতীয়দিন সকাল ৯.৩০)।

কোথায় যাবেন
মুক্তেশ্বরে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে কুমায়ুন বিকাশ নিগমের ট্যুরিস্ট বাংলো, এখানে দ্বিশয্যার ভাড়া ২৪০০-২৮০০ টাকা, চারশয্যার ভাড়া ৩০০০-৩৪০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৫৯৪২২৮৬২৬৩। এছাড়া শ্রীশ্রী ইন, এখানের ভাড়া ১৫০০-২৫০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৫৯৪২২৮৬১৭৩। কৃষ্ণা অর্কিড রিসর্ট, ভাড়া ২৪০০-৬০০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৫৯৪২২৮৬২৯২। সামারসেট লজ, ভাড়া ২২০০-৪০০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৫৯৪২২৮৬১৬৫।

নরমুণ্ড শিকারিদের দেশে   নাগাল্যান্ডের একেবারে উত্তরে অরুণাচল ও মায়ানমারের সীমান্ত বৈচিত্র্যময় জনপদ মন। ২৯৫০ ফুট উচ্চত...
17/07/2020

নরমুণ্ড শিকারিদের দেশে
নাগাল্যান্ডের একেবারে উত্তরে অরুণাচল ও মায়ানমারের সীমান্ত বৈচিত্র্যময় জনপদ মন। ২৯৫০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত মন-এর আকাশ-বাতাস রহস্যে ঘেরা। শহর থেকে ৬৫ কিমি দূরে কনিয়াক নাগাদের বাস। অতীতে এই কনিয়াক নাগারা ছিল নরমুণ্ড শিকারি। কনিয়াক নাগাদের মুখের উলকি, পালকের টুপি আর কানের রিং খুবই আকর্ষণীয়। অতীতে পর্যটকদের জন্য মন জেলার অধিকাংশ জনপদ অবরুদ্ধ ছিল। তবে বর্তমানে পর্যটনের বিকাশ ঘটছে এই অঞ্চলগুলিতে। মন জেলার দ্রষ্টব্যগুলি ভালো করে দেখতে হলে এখানে কম করে দিন দুই থাকতেই হবে। যদি একজন স্থানীয় গাইড পাওয়া যায় তাহলে মন ভ্রমণ অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। শহর থেকে গাড়ি নিয়ে একে একে ঘুরে আসা যায় লংওয়া, সাংগনু, চুই, টাংনু, ওয়াকচিং, আনো প্রভৃতি গ্রামগুলি থেকে। এই সব গ্রামের সর্বময় কর্তা আঙ শিরোপাধারী এক কনিয়াক যোদ্ধা নাগা। আঙ এর বাড়ির বাইরে এখনো সগর্বে ঝোলানো থাকে নরমুণ্ড এবং বিভিন্ন প্রাণীর কঙ্কাল। এই গ্রামগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য শহর থেকে ৩৪ কিমি দূরে মায়ানমার সীমান্তে লংওয়া গ্রামটি। ভারত ও মায়ানমার এই দুই দেশ জুড়ে বিস্তৃত এই গ্রাম।

কিভাবে যাবেন
কোহিমা থেকে মন-এর দূরত্ব ৩২৫ কিমি।গাড়িতে সময় লাগে ১০ ঘণ্টার মত। কোহিমা থেকে মন যাবার গাড়ির জন্য যোগাযোগ করতে পারেন পিক ট্র্যাভেলস এর সাথে-৯৮৫৬০৪৬৪৬০। আবার কোহিমা বাসস্ট্যান্ড থেকে রবিবার ছাড়া প্রত্যেকদিন মন যাবার বাস ছাড়ে দুপুর একটার সময়। মন পোঁছায় পরের দিন ভোরবেলা। এই বাসের টিকিটের চাহিদা থাকে প্রচন্ড। তাই উচিত হবে আগে থেকে টিকিট কেটে রাখা। তুয়েনসাঙ থেকে মন-এর দূরত্ব ১৬৭ কিমি। সময় লাগে ৬ ঘণ্টা। মন ও তার আশেপাশের দ্রষ্টব্য গুলি দেখার জন্য গাড়ির প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করতে পারেন নাগাল্যান্ড পর্যটন অনুমোদিত লাংপং কনিয়াকের সঙ্গে- ৯৪৩৬৬০৪৫২৫।

কোথায় থাকবেন
মন-এ রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে প্যারামাউন্ট গেস্টহাউস, ভাড়া ১০০০-১২০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৬১২১৭০২৩২। ভিনগোই রিসর্ট, ভাড়া ১০০০-১৫০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৪৩৬৪২৪২১০। এছাড়া লংওয়া গ্রামে রাত্রিবাস করতে চাইলে রয়েছে ট্র্যাভেলার্স ইন, ভাড়া ১২০০ টাকা, যোগাযোগ- ৮৭৩২০৯৩১৩৮, ৯৬১২৮৮৯২১১৮।

কর্ণাটকের বৈষ্ণবতীর্থ উদুপি কন্নড় বৈষ্ণব দর্শনের প্রাণকেন্দ্র তথা দক্ষিণ ভারতের অন্যতম বৈষ্ণবতীর্থ উদুপি। এখানকার প্রধান...
16/07/2020

কর্ণাটকের বৈষ্ণবতীর্থ উদুপি
কন্নড় বৈষ্ণব দর্শনের প্রাণকেন্দ্র তথা দক্ষিণ ভারতের অন্যতম বৈষ্ণবতীর্থ উদুপি। এখানকার প্রধান আকর্ষণ কৃষ্ণমন্দিরটি। ত্রয়োদশ শতকে বৈষ্ণবসাধক মাধবাচার্য এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর সময় এখানে বেশ কয়েকদিনের উৎসব হয়। আরবসাগরের তীরে অবস্থিত উদুপির আর এক আকর্ষণ তার নির্জন সাগরবেলা আর আরবসাগরের বুকে সেন্ট মেরিজ আইল্যান্ডের জন্য। সাগরবেলার নারকেল গাছের তলায় বসে কাটিয়ে দেওয়া যায় একটা দিন। তেমনি বিখ্যাত উদিপির ইডলি ও ধোসা। এখানেই আবিষ্কৃত হয়েছিল মশালা ধোসা। এছাড়াও দিন দুয়েক উদিপি অবস্থানে পায়ে পায়ে বা গাড়িতে করে দেখে নিন মালপে সাগরবেলা, সেন্ট মেরিজ আইল্যান্ড, কৌপ সাগরবেলা, পলিমার মঠ, সংস্কৃতি রিসার্চ সেন্টার প্রভৃতি দর্শনীয় স্থানগুলি। মকর সংক্রান্তি, নাগ পঞ্চমী, নবরাত্রি, দীপাবলির বেশ জাঁক জমক সহকারে পালিত হয় উদুপিতে। উদুপির ‘যক্ষগণ’ লোকশৈলীর জনপ্রিয়তা আছে গোটা দেশ জুড়ে।

কিভাবে যাবেন
মুরুদেশ্বর থেকে উদুপির দূরত্ব ১০১ কিমি। গোকর্ণ থেকে উদুপির দূরত্ব ১৭৭ কিমি। যারা মুরুদেশ্বর যেতে না চান তারা গোকর্ণ রোড বা কুমটা থেকে ম্যাঙ্গালোর বা ত্রিবান্দ্রমগামী যেকোনো ট্রেনে উদিপি চলে যেতে পারেন। সময় লেগে ৩ ঘণ্টার মত। ম্যাঙ্গালোর থেকে উদিপির দূরত্ব ৫৮ কিমি। এ পথে অহরহ বাস যাচ্ছে। সময় নেয় দেড় ঘণ্টা। তবে ট্রেনও যাচ্ছে। ম্যাঙ্গালোর থেকে উদিপি যায় ৫৬৬৪০ ম্যাঙ্গালোর-মারগাও প্যাসেঞ্জার (ছাড়ে ৬.৩৫ পৌঁছায় সকাল ৭.৫০), ১৬৫২৩ যশোবন্তপুর-কারোয়ার লিঙ্ক এক্সপ্রেস (ছাড়ে সকাল ৯.০৯ পৌঁছায় সকাল ১০.১৮)।

কোথায় থাকবেন
উদুপিতে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে উদুপি রেসিডেন্সী, ভাড়া ১৫০০-২৫০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৮২০-২৫৩০০০৫। হোটেল জনার্দন, ভাড়া ১০০০-১৫০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৮৪৫৭৯২৩৬৬। শ্রীরাম রেসিডেন্সী, ভাড়া ১৪০০-৪৫০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯০৩৫৪৪৬০১৯। হোটেল পঞ্চরত্ন প্যারাডাইস, ভাড়া ৮০০-২০০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৮২০-২৫২০৭৯১। হোটেল শ্রী কৃষ্ণ রেসিডেন্সী, ভাড়া ১২০০-২৫০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৫৯১৬১১৩৬২।

অজানা পাখাল লেক স্যাংচুয়ারি তেলেঙ্গনার স্বল্প পরিচিত গন্তব্য পাখাল লেক। ওয়ারাঙ্গল থেকে ৫০ কিমি পূর্বে প্রকৃতিপ্রেমীদের অ...
15/07/2020

অজানা পাখাল লেক স্যাংচুয়ারি
তেলেঙ্গনার স্বল্প পরিচিত গন্তব্য পাখাল লেক। ওয়ারাঙ্গল থেকে ৫০ কিমি পূর্বে প্রকৃতিপ্রেমীদের অবশ্য দ্রষ্টব্য এই লেক। ১২১৩ খ্রিস্টাব্দে কাকতীয়রাজ গণপতি প্রজাদের সেচের সুবিধার্থে এই লেকটি খনন করিয়েছিলেন। চারিধারে টিলা টিলা পাহাড় আর হালকা ঘন জঙ্গলে ঢাকা এই লেকের ধারে একরাত্রি যাপন অনেকদিন মনে থাকতে পারে। লেকের ধারে তেলেঙ্গনা পর্যটনের কটেজ রয়েছে। শীতের মরশুমে দেশ বিদেশের পরিযায়ী পাখির দল ভিড় করে এখানে। আর এই লেককে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে পাখাল ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারি। ৮৩৯ বর্গ কিমি ব্যপ্ত এই জঙ্গলের জীববৈচিত্র্য অবাক করে দেওয়ার মত। নীলগাই, চিতল, চিতা, শিয়াল, স্লথ বিয়ার, লেঙ্গুর, বনেট ম্যাকাও ছাড়াও নানান জন্তু দেখা যায়। পাখাল থেকে ঘুরে আসতে পারেন রামাপ্পা বা লকনোভরম থেকে।

কিভাবে যাবেন
ওয়ারাঙ্গল থেকে পাখালের দূরত্ব ৫০ কিমি। গাড়ি ভাড়া করে যাওয়াই উচিৎ। যারা পাখালে রাত্রিবাস করবেন না তারা ওয়ারাঙ্গল থেকে পাখাল বেড়িয়ে রামাপ্পা বা লকনোভরমে গিয়ে রাত্রিবাস করতে পারেন। পাখাল থেকে রামাপ্পার দূরত্ব ৬৩ কিমি। হাওড়া থেকে সরাসরি ওয়ারাঙ্গল যায় ১৮৬৪৫ ইস্টকোস্ট এক্সপ্রেস (ছাড়ে বেলা ১১.৪৫ পৌঁছায় পরদিন দুপুর ২.০৮)।

কোথায় থাকবেন
পাখালে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে তেলেঙ্গনা পর্যটনের পাখাল লেক রিসর্ট, ভাড়া ১০০০-১৫০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯০০০৯১০৪৫৮।

অরুণাচলের পাহাড়ী উপত্যকা দিরাংঅরুণাচলের কোলাহলহীন ছোট্ট পাহাড়ী উপত্যকা দিরাং। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫৫০০ ফুট উচ্চতায় অব...
12/07/2020

অরুণাচলের পাহাড়ী উপত্যকা দিরাং
অরুণাচলের কোলাহলহীন ছোট্ট পাহাড়ী উপত্যকা দিরাং। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত পাইনে ছাওয়া দিরাং যেন স্বপ্নের কবিতা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই ছোট্ট জনপদটিতে এক রাতের অবস্থান হতে পারে জিবনের অনন্য অভিজ্ঞতা। বমডিলা থেকে তাওয়াংগামী ৪২ কিমি দূরে অবস্থিত দিরাং। বমডিলা থেকে সারা পথে সঙ্গী পাহাড়ি নদী। তুলনামূলকভাবে এখানে শীতের প্রকোপ বেশ কম। রয়েছে আপেল ও ন্যাসপাতি বাগিচা। একদিনের অবস্থানে একে একে দেখে নিন বৌদ্ধগুম্ফা, আর্কিড ও ইয়াক রিসার্চ সেন্টার। দিরাং অধিবাসিদের গৃহপালিত পশু মিথুন-সেও এক দেখবার বস্তু। দিরাং থেকে ৫ কিমি দূরে উষ্ণ জলের প্রস্রবন। নানান ব্যাধির উপশম হয় কুণ্ডের জলে আর রয়েছে ৭ কিমি দূরে সাংতি পাহাড়ের ঢালে ভেরা প্রজনন কেন্দ্র।

কিভাবে যাবেন
বমডিলা থেকে দিরাংয়ের দূরত্ব মাত্র ৪২ কিমি। সময় লাগে দেড় ঘণ্টার মত। তবে উচিৎ হবে বমডিলা থেকে সরাসরি তাওয়াং চলে গিয়ে তাওয়াং থেকে গুয়াহাটি ফেরার পথে দিরাংয়ে একরাত কাটানো।

কোথায় থাকবেন
দিরাংয়ে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে অরুণাচল পর্যটনের দিরাং লজ, এখানে ভাড়া ১৪০০-১৬০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৩৭৮-০৪০৬০৫১৫২। নরফেল রিট্রিট, ভাড়া ৩০০০-৬০০০ টাকা, যোগাযোগ- ৮৭৩১০৪৬৫৬৬। আও রিসর্ট, ভাড়া ১৪০০-৪৫০০ টাকা, যোগাযোগ-৯৮৬২৯৪১১০৯। স্নো লায়ন হোমস্টে, ভাড়া ১৯৫০-২৪৫০ টাকা, যোগাযোগ-৯৪৭৬১৬২৩৬৪। হোটেল পেমালিং, ভাড়া ১৬০০-৪৫০০ টাকা, যোগাযোগ-৮৪১৫০০৮৮৮৭। হোটেল সামদুপ খাং, ভাড়া ১৪০০-১৮০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৯৪০২৮৬৯২০১।

সপ্ত প্যাগোডার শহর মহাবলীপুরম চেন্নাই থেকে ৫৮ কিমি দূরে সপ্ত প্যাগোডার শহর মহাবলীপুরম, নামান্তর ঘটে আজ হয়েছে মামল্লপুরম।...
12/07/2020

সপ্ত প্যাগোডার শহর মহাবলীপুরম
চেন্নাই থেকে ৫৮ কিমি দূরে সপ্ত প্যাগোডার শহর মহাবলীপুরম, নামান্তর ঘটে আজ হয়েছে মামল্লপুরম। গোটা শহর জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে পল্লব রাজাদের মন্দিরগুচ্ছ। পাহাড় কেটে নির্মিত ১০ টি গুহা মন্দির, ৯ টি মনোলিথিক একশিলা রথ মহাবলীপুরমের প্রধান আকর্ষণ হলেও এখানকার সমুদ্র সৈকতের আকর্ষণ অস্বীকার করার নয়। ইউনেস্কো ঘোষিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট মহাবলীপুরম। তাই দেশি পর্যটকদের সাথে সাথে বিদেশীদেরও আনাগোনা লক্ষ্য করা যায় এখানে। মহাবলী পৌঁছে পায়ে পায়ে বা গাড়ি ভাড়া করে একে একে দেখে নিতে পারেন পল্লবরাজ দ্বিতীয় নরসিংহ বর্মণ নির্মিত শোর টেম্পল, বৌদ্ধবিহারের আদলে নির্মিত পঞ্চপান্ডব রথ, বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাস রিলিফ অর্জুনের তপস্যা, টাইগার কেভ, লাইট হাউস, শ্রীকৃষ্ণ বাটার বল প্রভৃতি। শোর টেম্পলের কাছেই মহাবলীপুরমের মনোরম সাগরবেলা। নীল সমুদ্রের ফেনিল তরঙ্গ আছড়ে পড়ছে শোর টেম্পলের গায়ে। দূরে দেখতে পাবেন জেলেদের রঙিন পালতোলা নৌকা। দিনে দিনে দেখে নেওয়া গেলেও নির্জন নিরালা মহাবলীতে একটা দিন থাকলে আরও মধুর হয়ে ওঠে ভ্রমণ অভিজ্ঞতা। মহাবলীপুরম বেড়িয়ে চলে যাওয়া যায় পন্ডিচেরির দিকে।

কিভাবে যাবেন
চেন্নাই সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড থেকে মহাবলীপুরমের বাস ছাড়ছে অহরহ। সময় নেয় ২ ঘণ্টার মত। ১৮৮এ, ১৮৮বি, ১৮৮সি, ১৮৮ডি রুটের বাস সার্ভিস বেশ ভালো। তবে এ পথে নিজস্ব গাড়ি বা অটো ভাড়া করে আসতে পারেন। আবার কাঞ্চিপুরম ভ্রমণ শেষ করেও মহাবলীপুরম চলা যায়।

কোথায় থাকবেন
মহাবলীপুরমে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে তামিলনাডু পর্যটনের হোটেল তামিলনাডু, ভাড়া ২৫০০-৪৫০০ টাকা (প্রাতরাশ সহ), যোগাযোগ- ০৪৪-২৭৪৪২৩৬১, ৯১৭৬৯৯৫৮৬০। মামল্ল বিচ রিসর্ট, ভাড়া ৪৫৪৫-৫৬৩০ টাকা, যোগাযোগ- ০৯৪৪২৬৪৬৮৭৫। হোটেল সী ব্রিজ, ভাড়া ৩০০০-৩৫০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৪৪-২৭৪৪৩০৩৫। হোটেল মামল্ল হেরিটেজ, ভাড়া ২৬০০-৩০০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৮৪০২৬০৬৭২। রামকৃষ্ণ লজ, ভাড়া ১৫৫০-১৮৫০ টাকা, যোগাযোগ- ০৪৪-২৭৪৪২৩৩১। হোটেল সূর্য রিসর্ট, ভাড়া ২২০০-২৭০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৪৪-২৭৪৪২২৯২।

মহাবলীপুরম ড্যান্স ফেস্টিভ্যাল
তামিলনাডু পর্যটনের উদ্যোগে মহাবলীপুরমে প্রত্যেক বছর ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত মহাবলীপুরম ড্যান্স ফেস্টিভ্যাল। ভারতনট্টম, কত্থক, ওড়িশি, কথাকলি, মোহিনীঅট্টম, কুচিপুড়ি নৃত্যশিল্পীরা তাদের নৃত্য কুশলতা ফুটিয়ে তলেন। পল্লব মন্দিরগুচ্ছের পাথুরে প্রেক্ষাপটে সান্ধ্যকালীন এই নৃত্যশৈলী এক অপূর্ব পরিবেশ রচনা করে। প্রায় কুড়ি দিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠান উপভোগ করতে দেশ বিদেশের বহু নৃত্য রসিক উপস্থিত হন মহাবলীপুরমে।

কিন্নরের প্রবেশদ্বার সারাহানকিন্নর ভ্রমণের প্রবেশদ্বার সারাহান। একসময়ে বুশহারদের রাজধানী সাহারান আজ হিমাচল ভ্রমণে অবশ্য ...
09/07/2020

কিন্নরের প্রবেশদ্বার সারাহান
কিন্নর ভ্রমণের প্রবেশদ্বার সারাহান। একসময়ে বুশহারদের রাজধানী সাহারান আজ হিমাচল ভ্রমণে অবশ্য দ্রষ্টব্য। অতীতে এর নাম ছিল শোণিতপুর। সাহারানের প্রধান আকর্ষণ ৫১ পিঠের অন্তর্গত ভীমকালী মন্দির। হিন্দু ও বৌদ্ধ স্থাপত্যশৈলীতে গড়া এই মন্দিরটি কাঠ ও পাথর দিয়ে নির্মিত। দুর্গাদলের এই মন্দিরটির গায়ের কারুকার্য নজর কাড়ে। স্বর্ণ মন্দিরের মত এখানে মাথা ঢেকে প্রবেশ করার নিয়ম। ঘোরান সিঁড়ি বেয়ে দোতালায় গৃহগর্ভে উপস্থিত হয়ে দেবীকে দর্শন করা যায়। সর্বত্র কার্পেট দিয়ে মোড়া। জনশ্রুতি এখানে সতীর কান পড়েছিল। মন্দিরে দেবী ভীমকালী বা দুর্গা ছাড়াও রয়েছেন শিব, রঘুনাথজি, ভৈঁরো ও হনুমানজি। মন্দিরের মধ্যে ক্যামেরা বা চর্মজাত কোন বস্তু নিয়ে প্রবেশ নিষেধ। মন্দির প্রাঙ্গণে রয়েছে মিউজিয়াম। এখানে দেখে নেওয়া যায় বাগিচা। আর রয়েছে বুশাহারদের শান্তিকুঞ্জ রাজপ্রসাদ। যদিও প্রাসাদের ভিতরে প্রবেশের অনুমতি নেই। মন্দিরের কাছেই রয়েছে পাহাড়ি মোনাল পাখির প্রজনন কেন্দ্র। সাহারান থেকেই দেখে নেওয়া যায় বাসাল ও শ্রীখণ্ড তুষারশৃঙ্গ।

কিভাবে যাবেন
সিমলা থেকে সারাহানের দূরত্ব ১৬৬ কিমি। সিমলা বাসস্ট্যান্ড থেকে বাস যাচ্ছে সারাহানের উদ্দেশ্যে। সময় লাগে ৯-১০ ঘন্টা। তবে সবচেয়ে ভালো হয় দলে ২-৩টে পরিবার থাকলে টেম্পো ট্র্যাভেলার্স জাতীয় গাড়ি ভাড়া করে নেওয়া। এতে সময়ের অনেকটা সাশ্রয় হয় এবং যাত্রাপথে মাঝে মধ্যে দাঁড়িয়ে পড়ে ভালো ভালো ছবি ক্যামেরা বন্দী করা যায়।

কোথায় থাকবেন
সারাহানে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে হিমাচল পর্যটনের হোটেল শ্রীখণ্ড, ভাড়া ১৬০০-৩০০০ টাকা, যোগাযোগ- ০১৭৮২-২৭৪২৩৪। বুশহার হেইটস, ভাড়া ১২০০-২৮০০ টাকা, যোগাযোগ- ৭৮০৭৩৬২৪৪৪। কৃষ্ণা হোমস্টে, ভাড়া ৮০০-১০০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৮৯৮৮৩৬৩৮৩২। হোটেল সান রাইজ, ভাড়া ৮০০-১৪০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৯৪১৮৩০৮৬০২। হোটেল স্নো ভিউ, ভাড়া ১৩৯৯-৩১৯৯ টাকা, যোগাযোগ- ০৯৪৫৯০০০০৭০। হোটেল কৈলাস ভিউ, ভাড়া ১২০০-২০০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৭৫০৮৩৫৩৪২০।

বৈচিত্র্যময় পেরিয়ার ন্যাশানাল পার্ক সহ্যাদ্রি পর্বতের ৯০০-২১০০ মিটার উচ্চতায় তামিলনাড়ু সীমান্তে কেরলের থেক্কাডি জেলায় পে...
08/07/2020

বৈচিত্র্যময় পেরিয়ার ন্যাশানাল পার্ক
সহ্যাদ্রি পর্বতের ৯০০-২১০০ মিটার উচ্চতায় তামিলনাড়ু সীমান্তে কেরলের থেক্কাডি জেলায় পেরিয়ার ন্যাশনাল পার্ক। ১৯৭৯ এ টাইগার রিজার্ভের মর্যাদা পেয়েছে এই স্যাংচুয়ারিটি। পেরিয়ার লেককে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ৭৭৭ বর্গকিমি আয়তনের এই অরণ্যের কোর এরিয়া ৩৫০ বর্গকিমি। নীলাকাশের নিচে স্বচ্ছ হ্রদের জল, দুদিকেই ঘন বুনট কালচে সবুজ বন, শোলা অর্থাৎ লতাগুল্ম ঘিরে প্রাচীর হয়ে দাড়িয়ে রয়েছে পাহাড়শ্রেণী। প্রায় ১৪০ প্রকার অর্কিড রয়েছে পেরিয়ারে। পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে বাড়িঘর। অরণ্য নিবাস থেকে বন দপ্তরের মোটর লঞ্চ, বোট বা ডিঙ্গি নৌকোয় পেরিয়ার লেক বিহারের ব্যবস্থা। গ্রীষ্মে দলে দলে হাতিরা আসে লেকের ধারে কখনও সাঁতার কাটে লেকের জলে। খুবই মনোহর সে দৃশ্য। মাছের আসায় ফাঁদ পেতে বসে থাকে ভোঁদড়েরা। চিত্র বিচিত্র পেরিয়ার কচ্ছপের দেখা মেলে জলে স্থলে। সকাল সন্ধ্যায় লেকে জলপান করতে আসে সম্বরেরা। এছাড়াও রয়েছে বাঘ, বাইসন, বুনো মহিষ, চিতা, বন্যশুয়োরেরা। গাছে গাছে লাফিয়ে বেড়ায় নীলগিরি লেঙ্গুরের দল। ৪৯ ধর্মী স্তন্যপায়ীর সঙ্গে ১৬০ রকমের প্রজাপতি, ধনেশ, ভীমরাজ, পাপিয়া, সারস, মাছরাঙা, কাঠঠোকরা ছাড়াও নানান চেনা অচেনা পাখি বাসা বাঁধে পেরিয়ারের জলে জঙ্গলে। সূর্যাস্থে গাছ থেকে গাছে উরে বেড়ায় ফ্লাইং স্কুইরেল বা উড়ন্ত কাঠ বেরালি। সারা বছর চলা গেলেও মনোরম সময় অক্টোবর থেকে মে।

কিভাবে যাবেন
মুন্নার থেকে পেরিয়ারের প্রবেশদ্বার থেক্কাডির দূরত্ব ১১০ কিমি। অনাবিল সৌন্দর্যে ভরা এ পথ। গাড়িতে সময় লাগে সাড়ে তিন ঘণ্টা। মুন্নার থেকে সকাল ৬৫০ এর বাসে করেও থেক্কাডি চলা যায়। এ পথে বাস সময় নেয় ৫ ঘণ্টার একটু কম। আলেপ্পি থেকে থেক্কাডির দূরত্ব ১৩৮ কিমি। গাড়িতে সময় লাগে ৪ ঘণ্টা।

কোথায় থাকবেন
থেক্কাডিতে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে কেরালা পর্যটনের হোটেল অরণ্য নিবাস, ভাড়া ৩৪৫০-৭২০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৪৮৬৯-২২২০২৩, ৯৪০০০০৮৫৯১। পেরিয়ার হাউস, ভাড়া ১৯০০-৪৯০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৪০০০০৮৫৯৯। হোটেল রেইজ ইন, ভাড়া ১৬০০-২৫০০ টাকা, কলকাতা বুকিং- ৯২৩১৯৯০৭০৬। হোয়াইট ফোর্ট পেরিয়ার, ভাড়া ১৬০০-২৫০০ টাকা, কলকাতা বুকিং- ৮২৪০৭৩৯১৬১। হোটেল পিপার ভাইন, ভাড়া ৩০০০-৪০০০ টাকা, যোগাযোগ- ৬২৩৮৬০০৫৪৬। হোটেল লেকসাইড ইন, ভাড়া ১৭০০-৩৯০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৭৪৫১০৯৭৫৭। মাকাম রেসিডেন্সী, ভাড়া ১৫০০-২০০০ টাকা, যোগাযোগ- ৯৮৯৫১৬৪৫১৪।

পেরিয়ার জঙ্গল সাফারি
কেরল পর্যটনের অরণ্য নিবাস থেকে বন দপ্তরের মোটর লঞ্চ, বোট বা ডিঙ্গি নৌকোয় পেরিয়ার লেকে বিহার ব্যবস্থা। তবে উচিৎ হবে কেরল পর্যটনের ব্যবস্থায় থেক্কাডি থেকে লঞ্চ ট্রিপে দু ঘণ্টার লেক বিহারে জলযানে বসেই বনচরদের দেখে নেওয়া। লঞ্চ যাচ্ছে সকাল ৭ টা, সাড়ে নটা, সাড়ে এগারোটা, দুপুর ২ টো ও বিকাল ৪ টে। ভাড়া আপার ডেক ২০০ টাকা, লোয়ার ডেকে ১০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৪৮৬৯২২২০২৩। এছাড়াও জেটিঘাটের ওয়াইল্ড লাইফ অফিস থেকে বোট রাইডের ব্যাবস্থা মেলে। ১৫ যাত্রীর লঞ্চ ভাড়া ৫০০ টাকা, ৬০ যাত্রীর ১০০০ টাকা এছাড়াও জঙ্গলে উৎসাহীরা ২০ টাকা প্রবেশমূল্য দিয়ে সঙ্গে গাইড নিয়ে ১০ কিমি ট্রেক করে নির্দিষ্ট পথে দেখে নিতে পারেন পেরিয়ার।

মেঘালয়ের অচেনা গন্তব্য লাইটলুম ক্যানিয়ন মেঘালয় ভ্রমণের নবতম আকর্ষণ লাইটলুম ক্যানিয়ন। খাসি ভাষায় ‘লাইটলুম’ শব্দের অর্থ পা...
03/07/2020

মেঘালয়ের অচেনা গন্তব্য লাইটলুম ক্যানিয়ন
মেঘালয় ভ্রমণের নবতম আকর্ষণ লাইটলুম ক্যানিয়ন। খাসি ভাষায় ‘লাইটলুম’ শব্দের অর্থ পাহাড়ের শেষ। যারা অ্যাডভেঞ্চার এবং ট্রেক পছন্দ করেন তাদের জন্য লাইটলুম অতি পছন্দের। প্রকৃতিপ্রেমিক ও ফটোগ্রাফারদের কাছেও এই গিরিখাতটি অবশ্য গন্তব্য। গাড়ি যতদূর পৌঁছাবে তারপর প্রায় ২ ঘন্টা পায়ে হেঁটে পাহাড়ের গা বেয়ে লাইটলুমে পৌঁছাতে হয়। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে পায়ে চলার পথ রয়েছে উপরে যাবার জন্য। পাহাড়ি বাঁশ আর রঙ বেরঙের নানান অর্কিড যাত্রাপথকে বৈচিত্রে ভরে দেবে। লাইটলুমের উপর থেকে ঢেউ খেলানো পাহাড়, সবুজের সমারোহ আর গভীর গিরিখাত পায়ে হাঁটাকে সার্থক করে তুলবে। গিরিখাতের একেবারে নীচে দেখতে পাবেন তিরতির করে বয়ে চলেছে লাইটলুম নদী। মেঘের টুকরো ভেসে বেড়াবে আপনার নাগালের মধ্যে। লাইটলুম থেকে সূর্যাস্তের দৃশ্য আজীবন মনে থাকবে। সিনেমার স্পট হিসাবে এই জায়গাটি ধীরে ধীরে আকর্ষণীয় হচ্ছে। রক অন-২ সিনেমার বেশ কিছু শ্যুটিং এখানে চিত্রায়িত হয়েছে। লাইটলুমে যাবার সময় সঙ্গে করে জলের বোতল আর শুকনো খাবার নিয়ে নেওয়া উচিৎ।

কিভাবে যাবেন
শিলং থেকে গাড়ি ভাড়া করে প্রথমেই চলে যান ২৪ কিমি দূরের স্মিট গ্রামে। এখান থেকে শুরু করুন লাইটলুমের জন্য ট্রেক। স্মিট থেকে লাইটলুমের দূরত্ব ৬ কিমি। গাড়িকে সাথে রেখে দিলে ভালো হয়। তাহলে ওই গাড়িতেই শিলং ফেরা যাবে।

মণিপুরের সীমান্ত শহর মোরে   মায়ানমার সীমান্তে চান্দেল জেলার সীমান্ত শহর মোরে। মূলত কুকি উপজাতিদের বাস। তবে এখন ভারতের সব...
03/07/2020

মণিপুরের সীমান্ত শহর মোরে
মায়ানমার সীমান্তে চান্দেল জেলার সীমান্ত শহর মোরে। মূলত কুকি উপজাতিদের বাস। তবে এখন ভারতের সব রাজ্যের অধিবাসীদের সমন্বয় দেখা যায় এখানে। সীমান্ত থেকে ৫ কিমি অভ্যন্তরে মায়ানমারের তামু শহর। মোরের ইন্ডিয়ান ইমিগ্রেশন অফিস থেকে পাসপোর্ট বা ভোটার আই কার্ড দেখিয়ে ডে ভিজিট পারমিট নিয়ে ঘুরে আসা যায় তামু থেকে। তামুর দ্রষ্টব্যগুলির মধ্যে রয়েছে তামু বুদ্ধিস্ট প্যাগোডা, ইস্কন মন্দির, নাম্ফালং মেথডিস্ট চার্চ। তামুতে দুপুরের আহারের জন্য অনেকগুলি ক্যাফে রয়েছে। ইচ্ছে হলে লাঞ্চে বার্মিজ মেনু পরখ করে নিতে পারেন। বিদেশী পণ্য দেদার বিকচ্ছে মোরের দোকানপাটে। সস্তায় মিলছে চীনা ও থাই জিনিষপত্র।

কিভাবে যাবেন
ইম্ফল থেকে সরাসরি মোরের দূরত্ব ১১০ কিমি। গাড়ি ভাড়া করে গেলে সময় লাগে ৪ ঘণ্টা। আবার যারা কম খরচে যেতে চান তারা ইম্ফল বাসস্ট্যান্ড থেকে সকালের দিকে শেয়ার ট্যাক্সিতে মোরে যেতে পারেন। খরচ পড়ে ২৫০ টাকা। আবার ইম্ফল থেকে মোরে যাবার বাসও রয়েছে।

কোথায় থাকবেন
মোরেতে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে হোটেল ইলোরা, ভাড়া ১২০০-২০০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৮১১৯৯৫৬৮০৬। হোটেল রিভারভিউ, ভাড়া ১০০০-১৫০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৯৬১২৩৯৬৯২৮। সাঙ্গাই লজ, ভাড়া ৫০০-৬০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৯৭৭৪৬৭৭৮০৭। হোটেল নংপকথং, ভাড়া ৬০০-৮০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৮৪১৫০৪১০৭৭। রিচ হোটেল, ভাড়া ৬০০-১০০০ টাকা, যোগাযোগ- ০৯৪০২৯৬৯৩৪৯। এছাড়া এডিসি কাউন্সিল গেস্টহাউস আর মণিপুর ইলেক্ট্রিসিটি ডিপার্টমেন্ট এর রেস্ট হাউসও রয়েছে রাত্রিবাসের জন্য।

নাগাল্যান্ডের গ্রিন ভিলেজ খোনোমা কোহিমা থেকে ২০ কিমি দক্ষিণে এশিয়ার প্রথম গ্রিন ভিলেজ খোনোমা। ছবির মতো সুন্দর এই গ্রামে ...
03/07/2020

নাগাল্যান্ডের গ্রিন ভিলেজ খোনোমা
কোহিমা থেকে ২০ কিমি দক্ষিণে এশিয়ার প্রথম গ্রিন ভিলেজ খোনোমা। ছবির মতো সুন্দর এই গ্রামে বংশপরম্পরায় বাস করেন অঙ্গামী নাগারা। জনশ্রুতি, খোনোমা গ্রামের বয়স ৭০০ বছরের বেশি। বর্তমানে ৬০০ অঙ্গামী নাগা পরিবার এখানে বাস করে। পাহাড় কেটে ধাপ চাষ এখনো কৃষিকাজের অন্যতম পদ্ধতি এখানে। সবজি ছাড়াও রকমারি ফুলের চাষ হচ্ছে। গ্রামে প্রবেশের মুখে বিশাল এক তোরণ। পায়েপায়ে এই গ্রামে বেড়াতে বেশ লাগবে। তবে এর জন্য অবশ্যই প্রয়োজন একজন স্থানীয় গাইড। পুরুষ নাগাদের বাঁশ ও বেতের ঝুড়ি তৈরি এবং স্ত্রীলকদের কাপড় বোনার সাক্ষী হতে নিজেকে বেশ রোমাঞ্চিত মনে হবে। গ্রামের মধ্যে রয়েছে একটি স্মৃতিসৌধ। ১৮৭৯ সালে ব্রিটিশদের সাথে লড়াই য়ে মৃত নাগাদের স্মারক এটি। খোনোমা গ্রামে প্রবেশের জন্য মাথাপিছু কুড়ি টাকা করে জমা দিতে হয় আর গাইড চার্জ লাগে ৫০০ টাকা। গাইডের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন স্থানীয় যুবক ভিসা লিনাসের সঙ্গে- ৯১৮১১৮৫৪২৩৯।

কিভাবে যাবেন
কোহিমা থেকে খোনোমার দূরত্ব ২০ কিমি। কিছু কিছু জায়গায় রাস্তা ভীষণ খারাপ। সময় লাগবে এক ঘন্টা। গাড়ি ভাড়া করে গেলে খরচ পড়বে ৬০০ টাকা। তবে সোম থেকে শুক্রবার কোহিমা বাসস্ট্যান্ড থেকে দুপুর ১.৩০ এ একটি বাস ছাড়ে খোনোমার জন্য। এই বাসের টিকিটের চাহিদা খুব বেশি। তাই যদি বাসে যেতে চান তাহলে আগেভাগে টিকিট সংগ্রহ করে রাখবেন।

কোথায় থাকবেন
খোনোমাতে রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে হোটেল দোভিপিয়ে ইন, ভাড়া ২০০০-৩৫০০ টাকা, চারশয্যার ডরমিটরি শয্যাপ্রতি ভাড়া ৫০০-৮০০ টাকা, যোগাযোগ- ৮৫৭৫১৮৫৬৪৯। হিলভিউ কটেজ হোমস্টে, ভাড়া ১২০০-১৫০০ টাকা, যোগাযোগ- ৮১১৯৮৯০১৭১। তবে দিনেদিনে খোনোমা বেড়িয়ে বিকেলের মধ্যে কোহিমা ফিরে আসা যায়।

Address

35/1 BAGHAJATIN Road
Kolkata
700036

Opening Hours

9am - 5pm

Telephone

9433554934

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OFFBEAT XPLORER posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to OFFBEAT XPLORER:

Share

Category