Memories with Miles Tour & Travel

Memories with Miles Tour & Travel Designing bespoke, once-in-a-lifetime getaways tailored to your style, making your dream vacations affordable and stress-free!

Expert booking for flights, hotels, and family-friendly resorts. Start saving time and money today.

15/08/2026
08/08/2026

05/08/2026

চলুন বেরিয়ে আসি পুরী।*
Memories with Miles tour and travel এর সাথে

মাথা পিছু খরচ*
*5900* (তিন জন প্রত্যেক রুমে)
*6200* (দুজন প্রত্যেক রুমে )

*আমরা রওনা হচ্ছি 😘 সন্ধ্যায় হাওড়া /শালিমার / শিয়ালদা থেকে ট্রেনে উঠবো

26 December 26
*1st Day 😘 *TRAIN*
সন্ধ্যায় হাওড়া /শালিমার / শিয়ালদা থেকে ট্রেনে উঠবো । সারা রাত ট্রেনে থেকে পরের দিন ভোরে পুরী পৌঁছাবো।

27 December 26
*2nd Day 😘 *NIGHT STAY : HOTEL*
হোটেলে পৌঁছে সকালের ব্রেকফাস্ট সেরে নিয়ে সমুদ্র সৈকতে গিয়ে স্নান করে হোটেলে ফিরে এসে মধ্যাহ্ন ভোজ সেরে বিশ্রাম করুন। । সন্ধ্যায় সমুদ্রের ধারে মেলা থেকে ঘুরে আসুন। রাতে এই হোটেলেই রাত্রিবাস করবো।

28 December 26
*3rd Day : : NIGHT STAY : HOTEL*
সকালে স্নান করে বেরিয়ে পড়বো জগন্নাথ দেবের দর্শন ও পুজোর উদ্দেশ্যে (নিজো খরচ এ )।ফিরে এসে নিজের মতো করে সময়টা কাটান এই পুরীর সমুদ্র সৈকতে

29 December 26
*4th Day : NIGHT STAY : HOTEL*
সকালে সমুদ্র সৈকতে গিয়ে স্নান করে হোটেলে ফিরে এসে মধ্যাহ্ন ভোজ সেরে বিশ্রাম করুন। প্রয়োজনে লোকাল সাইট সিন (মাসির বাড়ি পিসির বাড়ি সোনার গৌরাঙ্গ আরো অনেক কিছু)
করে নিতে পারেন(নিজো খরচে)। সন্ধ্যায় সমুদ্র ধার থেকে ঘুরে আসুন।
30 December 26
*5th Day : : TRAIN*
সকালে ব্রেকফাস্ট সেরে লাগেজ গুছিয়ে নিয়ে সাইট সিনের এর জন্য বেরিয়ে পড়বো। দেখে নেবো চন্দ্রভাগা বীচ ,কোনারকের সূর্য মন্দির
ধবল গিরি,
নন্দনকানন প্রভৃতি। আজকে রাতে পুরীর সমুদ্র কে বিদায় দিয়ে বেরিয়ে পড়বো কলকাতার উদ্দেশ্যে।(মধ্যাহ্ন ভোজ রাস্তায়)।
*😊ষষ্ঠ দিন 😘 সকালে আমরা কলকাতা পৌঁছে নিজের নিজের বাড়ি চলে যাবো।
**রিটার্ন টিকিট পুরী শালিমার শ্রী জগন্নাথ এক্সপ্রেসে কাটবেন**
*প্যাকেজ অন্তর্ভুক্ত: -*
😊টোল ট্যাক্স পার্কিং,
ড্রাইভার ভাতা। উপরের প্রোগ্রাম অনুযায়ী সমস্ত দর্শনীয় স্থান।
😊Delux হোটেল থাকার ব্যবস্থা।
সমস্ত কর, পরিষেবা চার্জ।
😊প্রাতঃরাশ, দুপুরের খাবার, সন্ধ্যার চা, রাতের খাবার।

lপ্রথম দিনে লাঞ্চ থেকে শেষ দিনের লাঞ্চl

*প্যাকেজ বহির্ভূত:*
😊ট্রেনের টিকিট।
😞এন্ট্রি ফি যদি কিছু লাগে।
😞Package এ উল্লেখ নেই এমন কোনো খরচ।
😞ক্যামেরা চার্জ
😞মিনারেল ওয়াটার।
😔 মন্দিরে নিজো খরচে , নিজের দায়িত্বে
😔ট্রেনের খাবার।

*যোগাযোগ ::*
Raja Chakraborty
9748174893
Prasanta Samaddar
9903813315

30%টাকা দিয়ে বুকিং করুন বাকি টাকা হোটেলে পৌঁছে প্রথম দিনে দিয়ে দিতে হবে।

01/08/2026

🌴কেরালা 🌴
কেরালা, God's Own County যাকে প্রাচ্যের ভেনিসও বলা হয়। কেরালা দক্ষিণ ভারতের ছোট্ট এবং সুন্দর একটি রাজ্যে। পাহাড়, সমুদ্র, জঙ্গল এবং সুন্দর সুন্দর চা বাগান দিয়ে ঘেরা এই বৈচিত্র্যময় রাজ্যটি ভ্রমণের পক্ষে একদমই উপযুক্ত, কিন্তু কেরালা ঘুরতে আসতে অনেকেই ভয় পান, তাদের ধারণা ভাষাগত ও খাওয়ারের সমস্যা, অত্যধিক খরচ এবং দূরত্বগত সমস্যা। বিশ্বাস করুন ভাষা নিয়ে আপনার বিশেষ কোনো সমস্যা হবে না। জায়গাটা কস্টলি, বিশেষ করে খাওয়ার দাওয়ার সেটা ঠিক, কিন্তু ওখানকার মানুষ অনেক হেল্পফুল যাতে আপনাদের বিশেষ কোনো অসুবিধা হবে না, আর আমরা "MEMORIES WITH MILES TOUR AND TRAVEL "তো রইলাম আপনাদের ন্যায্য এবং স্বল্প মূল্যে ঘুরিয়ে আনার জন্য।

যাত্রা শুরু :— ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৭

ঘরে ফেরা :— ২৫ শে জানুয়ারি , ২০২৭

আমরা ঘুরবো:-

কোচিন (১ রাত্রি), মুন্নার (২ রাত্রি), থেক্কারি (১ রাত্রি), আলেপ্পি (১ রাত্রি), ত্রিভানড্রাম (১ রাত্রি) এবং কন্যাকুমারী (২ রাত্রি)

ট্যুর প্ল্যান:-

প্রথম দিন:- শালিমার স্টেশনে রাতে মিলিত হয়ে, রাত ২৩.৪৫ মিনিটের ১২৬৬০ শালিমার গুরুদেব এক্সপ্রেস ধরে খড়্গপুর, বালেশ্বর, ভুবনেশ্বর পার হয়ে চিল্কা লেকের গা ঘেঁষে বিশাখাপত্তনম হয়ে রওনা হবো এর্ণাকুলাম এর উদ্দেশ্যে।

দ্বিতীয় দিন:- কাটবে ট্রেনে। একে অপরের সাথে গল্পে, হাসি আড্ডায় জমে উঠবে ট্রেনের যাত্রা, সাথে পেয়ে যাবো নতুন নতুন বন্ধু।

তৃতীয় দিন:- বিকেল ২:৪০ এ এর্ণাকুলাম টাউন পৌঁছে আমরা রওনা হব কচিনের হোটেলের উদ্দেশ্যে। পরে ফ্রেশ হয়ে নিজেদের মতন করে সন্ধ্যায় ঘুরে নেবো কচিন শহর।

চতুর্থ দিন:- ট্যুরের তৃতীয় দিন এবং কেরালা য় প্রথম দিন আপনার কোচি ভ্রমণের দিন, কোচিতে হোটেলে সকাল সকাল ব্রেকফাস্ট করে আমরা বেরিয়ে পড়বো ফোর্ট কোচির উদ্দেশ্যে । সুন্দর পরিচ্ছন্ন, দারুণ দারুণ সব রাস্তা এই নিয়েই ফোর্ট কোচি একসময় ডাচ এবং পরবর্তিতে ব্রিটিশদের উপনিবেশ। এখানে দেখার মত আপনারা পাবেন এশিয়ার প্রাচীনতম(ভারতের প্রথম) ক্যাথলিক চার্চ, ভাস্কর-দা-গামার সমাধি ও বাড়ি , , ফোর্ট কোচি বীচ, এবং সর্বপোরী আমরা দেখবো চাইনিজ ফিশিং নেট, পুরোনো চাইনিজ টেকনোলজি ব্যবহার করে জাল দিয়ে মাছ ধরার পদ্ধতি, কোচি ই একমাত্র জায়গা পৃথিবীতে যেখানে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে এখনো ফিসিং করা হয়। এটা কোচিতে ট্যুরিস্টদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা গুলোর মধ্যে একটি। চাইনিজ নেটে দেখে, এবার আমাদের যেতে হবে পাহাড়ি নিঝুম শহর মুন্নার। অপরূপ সুন্দরী মুন্নারেই আমাদের রাত্রিবাস ৷

(এই দিন রাস্তাতেই সেরে নিতে হবে লাঞ্চ )

পঞ্চম দিন:- পরের দিন ব্রেকফাস্ট করে সকাল সকাল বেড়িয়ে পড়তে হবে মুন্নার ঘোরার উদ্দেশ্যে । প্রথমেই আমাদের গন্তব্য ইরাভিকুলাম ন্যাশানাল পার্ক ৷ মুন্নার সাইটসিং এর সবচেয়ে জনপ্রিয় যায়গা এভারিকুলাম ন্যাশনাল পার্ক, এই পার্ক বিখ্যাত নীলাকুরঞ্জী ফুলের জন্য যেটা ১২ বছর পরপর ফোটে যার থেকেই নাম হয়েছে নীলগিরি, আর নীলগিরি থার( হরিন) এর জন্য পৃথিবীর প্রায় ৬০% এই হরিণ এখানেই পাওয়া যায়। এখানে প্রবেশপত্র অনলাইনেও কাটা যায়, এখানে থেকে দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ পর্বত আনাইমুদি ভালো ভাবে দেখতে পাবেন। মোটামোটি দু ঘন্টা লাগবে ওদের গাড়িতে পুরোটা দেখতে ৷ দুপুরে হোটেলে ফিরে লাঞ্চের পর আমরা পর পর দেখে নেবো রোজ গার্ডেন, ইকো পয়েন্ট, টি ফ্যাক্টরি এবং টি মিউজিয়াম, Mattupetty dam এ কাটিয়ে আবার বাসে করে ফিরে যাবেন সোজা হোটেল আপনারা মুন্নার ট্যুর এখানেই শেষ।

ষষ্ঠ দিন:- সকাল ব্রেকফাস্ট করে হোটেল থেকে বেরিয়ে পড়ুন আপনাদের নেক্সট ডেসটিনেসন থেক্কারি র উদ্দেশ্যে মুন্নার থেকে যার দূরত্ব ৮৫ কিমি, সময় লাগবে ৩ ঘন্টা। মুন্নারের বিখ্যাত চা বাগান গুলো পরবে এই রাস্তাতেই ৷ এখানকার চা বাগান গুলো কিন্তু আমাদের নর্থ বেঙ্গলের চা বাগান থেকে অনেকই আলাদা খুব ভালো ভাবে রক্ষনাবেক্ষন করা। সুন্দর সাজানো গোছানো, সৌন্দর্য নিয়ে কোনো কথাই হবে না এখানেই চেন্নাই এক্সপ্রেস সিনেমার কাশ্মীর সে কন্যাকুমারী গানটা শুটিং হয়েছিল। রাস্তার দু পাস দিয়ে চা বাগান সত্যি অসাধারণ লাগবে।থেক্কারি বিখ্যাত তার ওয়াইল্ড লাইফ আর স্পাইসের জন্য। থেক্কারি কে কেরালার স্পাইস-ব্যাগ ও বলা হয়। থেক্কারি তে হোটেলে পৌঁছে কিছুটা রেস্ট নিয়ে ফ্রেশ হয়ে চলুন আপনার থেক্কারি র সাইটসিং গুলো করার উদ্দেশ্যে, প্রথমেই আপনারা যাবেন থেক্কারি যার জন্য বিখ্যাত সেই পেরিয়ার ন্যাশনাল পার্ক এখানেও আপনাকে ভিতরে পার্কিং অবধি বাসে করে যেতে হবে ভাড়া ২০০ টাকা। এছাড়া এখানে জিপ সাফারি, হাতি সাফারি এবং পেরিয়ার লেকে বোটিং করা যায় ৷ অসাধারণ ফিলিং আসবে। বোটিং করে হোটেল পৌঁছে রেস্ট নিন কারণ পরের দিন আবার আপনাকে যেতে হবে নেক্সট গন্তব্যস্থল আলেপ্পির উদ্দেশ্যে।

পেরিয়ারে বোটিং এর সময়সূচী অনলাইনে দেখে বুক করে নিতে পারবেন ৷

সপ্তম দিন:- থেক্কারি হোটেল থেকে আপনাকে খুব সকাল সকাল বেরোতে হবে কারণ আপনাকে যেতে হবে আলেপ্পি, কারণ আপনি যতো তাড়াতাড়ি পৌঁছেবেন তত ভাল করে এই জায়গা এবং তার ব্যাকওয়াটারস্ উপভোগ করতে পারবেন, যাই হোক থেক্কারি থেকে আলেপ্পি পৌঁছতে আপনার প্রায় ৪ ঘন্টা লেগে যাবে হোটেলে এসে ফ্রেস হয়ে আপনাদের তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়তে হবে ব্যাকওয়াটারস্ দেখতে এখানে দেখার মত এটাই সবচেয়ে আকর্ষণীয়। সারা জীবন মনে থাকবে এর অভিজ্ঞতা ৷

অষ্টম দিন:-আজ সকালে ব্রেকফাস্ট সেরে আমরা আমরা পৌঁছে যাবো ত্রিভান্দ্রম, শহরে প্রবেশের আগেই ঘুরে নেব কোভালাম বিচ ৷ লাঞ্চের পর যাবো পদ্মনাভস্বামী মন্দির (এখানে জামা খুলে প্রবেশ করতে হয়), নেপিয়ার মিউজিয়াম এবং শ্রী চিত্রা আর্ট গ্যালারি। রাত্রিবাস ত্রিভানড্রাম এ।

নবম দিন:-দিন সকালে ব্রেকফাস্ট সেরে আমরা বেরিয়ে পড়বো কন্যাকুমারীর উদেশ্যে। কন্যাকুমারী পৌঁছে হোটেলে ফ্রেশ হয়ে আমরা বাকি দিনটা কাটাবো বিচের ধারে আনন্দ করে। আমরা ঘুরে নেবো কন্যাকুমারীর সবচেয়ে জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল। এছাড়া আছে কন্যাকুমারী বিচ, কন্যাকুমারী পিয়ার, ত্রিবেনী সঙ্গম মানে ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের মিলনস্থল, সুনামী মিউজিয়াম, রাম মন্দির, মা ভগবতী আম্মা মন্দির এখানে জামা খুলে প্রবেশ করতে হয়। এই কয়টি জায়গা একদম আসে পাশে। বিবেকানন্দ রক আপনাকে বোটে করে যেতে হবে। বোটের টিকিটও অনলাইনে কেটে নেওয়া যায় ৷

দশম দিন :— এ দিনটা থাকছে কন্যাকুমারীকে উপভোগ প্রান ভরে উপভোগ করার জন্য ৷ তার সাথে সেরে নিতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় কেনাকাটাও ৷

একাদশ দিন:- আজ ভোরে ৫:৫০ মিনিটে কন্যাকুমারী হাওড়া সুপারফাষ্ট ধরে আমরা রওনা দেবো কলকাতার উদ্দেশ্যে ৷

দ্বাদশ দিন:- এই দিন রাত প্রায় বারোটায় আমরা পৌছবো হাওড়ায় , সেখানে একে অপরকে বিদায় জানিয়ে আমরা রওনা দেবো নিজেদের বাড়ীর উদ্দেশ্যে ৷

ত্রয়দশ দিন :— কেরল কন্যাকুমারী ভ্রমনের অনবদ্য স্মৃতি নিয়ে আমরা ফিরবো যে যার বাড়িতে

ট্যুরের খরচ :-

-------------------

ট্রিপল শেয়ারিং — ২৩০০০ /- প্রতি জন

ডবল শেয়ারিং - ২৪০০০ /- প্রতিজন

সিঙ্গল শেয়ারিং — ৩০০০০/-

৫ বছর অবধি বাচ্ছাদের ফ্রী

৫ থেকে ৯ বছর অবধি ৬০%

# বুকিং র সময় অগ্রিম ৭০০০ টাকা জন প্রতি দিতে হবে। ট্যুর শুরুর একমাস আগে আরো ৭০০০ টাকা জন প্রতি দিতে হবে, বাকি টাকা প্রথম দিন হোটেলে পৌঁছে।

কি কি পাবেন :—

————————

১) স্লিপার ট্রেনের টিকিট ৷ এসির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ডিফারেন্স অফ ফেয়ার দিতে হবে ৷

২) সমস্ত ডিলাক্স ক্যাটাগরির হোটেল এবং পরিবার অনুযায়ী নন এ সি ঘর ৷

৩) কোচিন পৌছনোর পর থেকে ইভিনিং স্নাক্স থেকে বাঙালি খাবার ৷ সকালে চা ও জলখাবার, বিকালে চা ও টিফিন (হোটেলে থাকলে) ৷ দুপুর রাত মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, তরকারী সহ ভাত ৷ রাতে চাইলে রুটি ৷

৪) সমস্ত উল্লেখ করা দ্রষ্টব্য স্থানে প্রাইভেট কোচ

৫) সবচাইতে মূল্যবান জিনিস যেটা পাবেন সেটা হল, আমাদের অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস আর ভরসা ৷

কি কি পাবেন না:—

——————————

১) মিনারেল ওয়াটার

২) কুলির খরচ, ট্রেনের খাবার,দর্শনীয় স্থানের এণ্ট্রি ফী ও ক্যামেরা চার্জ ,হাতি বা জীপ সাফারির খরচ

৬) উল্লেখ নেই এরকম কোনো খাবার বা বেক্তিগত খরচ।

৭) আর যেটা একদমই পাবেন না সেটা হল চিটিংবাজি ৷

বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করুন -------

রাজা চক্রবর্তী
9748174893
প্রশান্ত সমাদ্দার
9903813315
চন্দন পাখিরা
9382771538

31/07/2026

Memories with miles Tour and travel এর সাথে চলুন ঘুরে আসি

কাশ্মীর-বৈষ্ণদেবী

"হর্ সোকতা জান্-এ কি বা কাশ্মীর দর্ আ-য়াদ ৷
গর্ মুরগি কাবাব অস্ত্ বা বল্ ও পর্ আ-য়াদ ৷৷" !

এর অর্থ হল, মৃত মানুষও কাশ্মীরে এলে নতুন প্রান পায় ৷ কাবাব হয়ে যাওয়া মুরগিও ডানা মেলে উড়ে যায় ৷

অতুলনীয় সৌন্দ্যর্যের অপর নামই কাশ্মীর ৷ কিন্তু এই কাশ্মীর ঋতুর সাথে নিজের রূপ বদলায় ৷ মার্চ-এপ্রিলের সাদা বরফের কাশ্মীর, জুন-জুলাইতে সবুজ কাশ্মীর, আর অক্টোবর-নভেম্বরে লাল কাশ্মীর ৷ চিনার গাছের পাতা লাল হয়ে যখন পুরো কাশ্মীরই লাল হয়ে ৷ MEMORIES WITH MILES TOUR AND TRAVEL এর ব্যবস্থাপনায় কাশ্মীর ভ্রমনের এক আকর্ষনীয় প্যাকেজ নিয়ে আমরা হাজির হলাম আপনাদের কাছে ৷

ট্যুর ১
যাত্রাশুরু - ২৩শে মার্চ ২০২৭
ঘরে ফেরা - ৪ঠা এপ্রিল ২০২৭
ট্যুর ২
যাত্রা শুরু - ২রা এপ্রিল ২০২৭
ঘরে ফেরা - ১৪ই এপ্রিল ২০২৭

ট্যুর প্ল্যান —
প্রথম দিন —
কলকাতা স্টেশন থেকে জম্মু-তাওয়াই এক্সপ্রেসে যাত্রা শুরু

দ্বিতীয় দিন—
ট্রেনেই কাটবে সারাদিন ৷

তৃতীয় দিন—
সকালে পৌছাবো জম্মু স্টেশনে ৷ সেখান থেকে ২/২ ডিলাক্স নন এসি বাসে রওনা হবো কাটরা শহরের উদ্দেশ্যে ৷ ৪৮ কিলোমিটার রাস্তা দেড় ঘন্টায় পৌছোবো শহরের প্রানকেন্দ্রে ৷ বিকালে ঘুম থেকে উঠে পায়ে হেটে ঘুরে নেবো কাটরা শহর ৷ টুকিটাকি কেনাকাটি ও সেরে নিতে পারবেন ৷ ঐ দিন হোটেলে পৌছনোর পর থেকে আপনার খাওয়া দাওয়ার দ্বায়িত্ব আমাদের ৷ বাঙালি রাঁধুনির দল থাকবে আমাদের সাথেই ৷ যারা বৈষ্ণদেবী দর্শণ করতে চান, তারা ঐ দিনই সেরে নিতে পারেন৷

( সরাসরি ট্রেনে টিকিট না পেলে প্রথম দিন হাওড়া থেকে পূর্বা এক্সপ্রেস বা অন্য কোনো ট্রেনে দিল্লী এবং দ্বিতীয় দিন দিল্লী থেকে উত্তর সম্পর্কক্রান্তি বা শিবশক্তি এক্সপ্রেস ধরে সোজা কাটরা ৷ )

চতুর্থ দিন—
এদিনটা বৈষ্ণদেবী দর্শনের জন্যই বরাদ্দ রাখা আছে ৷ হেলিকপ্টার, ঘোড়া, পালকি, ব্যাটারি চালিত গাড়ি বা পায়ে হেঁটেই দর্শন সেরে আসতে পারবেন আপনি ৷ একদিকে ১৬ কিলোমিটার রাস্তা ৷ আর হ্যাঁ, পূন্য শহর কাটরাতে আমাদের নিরামিশ বিভিন্ন পদই খেতে হবে ৷

পঞ্চম দিন—
সকাল সকাল ব্রেকফাষ্ট সেরেই গাড়িতে রওনা দেবো শ্রীনগরের উদ্দেশ্যে ৷ অসাধারন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরা রাস্তার দু'ধারে দেখার শেষ নেই ৷ ডালিম, লেবু, আখরোট আর আপেলের গাছে ভরা কখনও সমতল কখনও পাহাড়ি পথ ৷ তবে এসময়ে সেরা আকর্ষণ অবশ্যই কেশর চাষ ৷সারা বছরে মধ্যে শুধুমাত্র ঐ সময়ই পম্পোরে রাস্তার দুধারে দেখবেন জমি ভরা কেশর ফুল ৷ অনন্তনাগ হয়ে ২৩৬ কিলোমিটার রাস্তা পৌছতে আমাদের বিকাল হয়ে যাবে ৷ লাঞ্চ সেরে নেবো রাস্তাতেই ৷ রাস্তাতেই দেখে নেবো কাশ্মীরি ব্যাটের কারখানা ৷ বিকালে ঠিক সময়ে পৌছলে হোটেলে ফ্রেস হয়ে নিয়ে চাইলেই সন্ধ্যাটা কাটিয়ে আসতে পারবেন ডাললেকের ধারে ৷ শ্রীনগরে এই হোটেলেই আমরা থাকবো আরও তিনদিন ৷

ষষ্ঠ দিন:—
আগের দিন যেহেতু সারাদিন রোড জার্নি হয়েছে তাই এদিন আর দূরে যাবো না ৷ এদিনটা রইল শ্রীনগরে লোকাল সাইটসিনের জন্য ৷ এশিয়ার বৃহত্তম টিউলিপ গার্ডেন ,হজরতবল দরগা, চশমে শাহী, শালিমার গার্ডেন, নিশাত বাগ সহ ডাললেকে শিকারাতে ঘুরে দেখে নেবো চারচিনার, নেহেরু পার্ক, মীনাবাজার সহ আরও অনেক কিছু ৷

সপ্তম দিন:—
সকালে ব্রেকফাষ্ট সেরে আমরা রওনা দেবো ৮০ কিলোমিটার দূরে সোনমার্গের উদ্দেশ্যে ৷ শহর ছেড়ে বেরোনোর পরই আপনার যাত্রা সঙ্গী সিন্ধু নদীর পাশে অল্প ঢালের রাস্তায় আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন ৷ কাশ্মীরে পৌছে এই প্রথম বরফ দেখবেন আপনারা ৷ তাই বেশ কয়েকঘন্টা সেখানে কাটিয়ে তারপর আমরা বিকালে ফিরবো হোটেলে ৷ সন্ধ্যাবেলাতে চাইলেই ডাললেকে কাটাতে পারবেন আপনি ৷

অষ্টম দিন:—
এদিন সকালে ব্রেকফাষ্ট সেরে আমরা বেড়িয়ে পরবো ৫৫ কিলোমিটার দুরে গুলমার্গের উদ্দেশ্যে ৷ প্রথম চল্লিশ কিলোমিটারে তনমার্গ পৌছতে আমাদের বাংলার মতই সমতল ৷ কিন্তু শেষ বারো কিলোমিটারে পাহাড়ি রাস্তার প্রতিটা বাঁকেই থাকবে আপনার জন্য চমক ৷ দুপাশের পাহাড়ি নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য্য আপনাকে অন্য জগতে নিয়ে যাবে ৷ হিলটপে পৌছে আপনি দেখবেন এ তো আপনার খুব চেনা জায়গা ! কাশ্মীরের এই পাহাড় আপনি বহুবার দেখেছেন ছবিতে সিনেমায় ৷ মন্দির, স্কী পয়েন্ট, গল্ফ কোর্স দেখতে দেখতে আপনার সারা বেলা কেটে যাবে ৷ আপনি চাইলেই টিকিট কেটে চেপে পড়তে পারেন গন্ডোলায় (উচ্চতম কেবলকার) ৷ প্রায় ৪০মিনিট ধরে মিডিল স্টেশন পার করে যখন আপার স্টেশনে পৌছবেন তখন মনে হবে পৃথিবীর সব জায়গাই আপনার থেকে নীচে ! বরফে ঢাকা পাহাড় চূড়াতেও আপনি স্কী করতে পারবেন, স্লেজ গাড়িতে চাপতে পারবেন ৷ তবে লাইন ও সময় বাঁচাতে অনলাইনে আগেই টিকিট কেটে নেওয়া ভালো ৷গুলমার্গ থেকে কিছুতেই ফিরতে মন চাইবে না আপনার ৷

নবম দিন:—
সকালে ঘুম থেকে চা জলখাবার সেরে বেরিয়ে পড়বো ৮৮ কিলোমিটার দুরে পহেলগাঁও এর উদ্দেশ্যে ৷ অনন্তনাগ থেকে অমরনাথ যাত্রার এই রাস্তার দুধারে আখরোট আর আপেলের বাগানে ভরা ৷ লোকমুখে এর নামই হয়ে গেছে আপেলভ্যালী ৷ আপেলভ্যালী পার হতে না হতেই আপনার সঙ্গী হবে লিডার নদী ৷ এই নদীই পহেলগাঁও কে আলাদা মাত্রায় পৌছে দেয় ৷ ছোটবেলায় পাহাড়ের মাঝে আঁকা বাকা নদীর যে অপটু হাতে আমরা ছবি আঁকতাম তাই যদি কোনো পটু শিল্পী একে ফেলে তবে তা পহেলগাঁও ই হবে ৷ সাথে বাড়তি সংযোজন বরফে ঢাকা সাদা পাহাড়ের চূড়া গুলো যা আপনার হোটেলের রুম থেকেও দেখা যাবে ৷ ভারতবর্ষে এর চাইতে সুন্দর ট্যুরিষ্ট ডেষ্টিনেশন আছে কি না বলা কঠিন ৷ দুপুরের মধ্যে পহেলগাঁও তে পৌছে লাঞ্চ সেরে বিকাল বেলায় ঘোড়ার পিঠে চড়ে আপনি ঘুরে আসতে পারেন বাইসরন ৷ লোকাল নাম, মিনি সুইজারল্যান্ড ! আশাকরি নাম শুনেই বুঝতে পারছেন জায়গাটি কেমন ৷

দশম দিন:—
সকালে ব্রেকফাষ্ট সেরে একটা লোকাল ট্যাক্সি নিয়ে ( পহেলগাঁও এর সাইটসিনে বাইরের গাড়ি প্রবেশ নিষেধ) চলে যেতে পারেন অমরনাথ যাত্রায় হাঁটা পথ যেখান থেকে শুরু হয় সেই চন্দনওয়াড়িতে ৷ বরফে ঢাকা চন্দনওয়াড়ী আপনার বেশ ভালো লাগবে ৷ সেখান থেকে ফেরার পথেই দেখে আসুন বেতাব ভ্যালী ৷ সাজানো এই বেতাব সিনেমা খ্যাত পার্কে অদ্ভুত ভাবে লিডার নদীর এক অন্য রূপ দেখবেন ৷ তারপরই চলে যান আরু ভ্যালীতে ৷ যাত্রাপথ থেকে উপত্যাকার সৌন্দর্য্য সবটাই আপনার সারাজীবনের স্মৃতি হয়ে থাকবে ৷ ফিরে এসে বিকালে সেরে ফেলুন আপনার স্মৃতিতে রাখার মত কেনাকাটা ৷ কাশ্মীরি শাল থেকে স্টোল, ড্রাই ফ্রুট সহ নানা দোকান পাবেন পহেলগাঁও মেন মার্কেটে ৷
নয়তো গিয়ে বসুন শহরের গাঁ ঘেসে বয়ে চলা লিডার নদীর তীরে ৷ সময় কি ভাবে কেটে যাবে বুঝতেও পারবেন না ৷ আর হ্যাঁ, আগেরদিন যারা বাইসরন যাননি তাদের কিন্তু যারা গেছিলেন তাদের অভিজ্ঞতা শোনার পর যেতেই হবে ঐ মিনি সুইজারল্যান্ডে ৷

একাদশ দিন:—
খুব সকাল সকালই আমরা রওনা দেবো সেই চেনা পথেই আবার জম্মুর উদ্দেশ্যে ৷ চেনা পথও আপনার অচেনা লাগবে এ রাস্তার সৌন্দর্য্যে ৷ রাস্তাতেই সেড়ে নেবো ব্রেকফাষ্ট ও লাঞ্চ ৷ বিকাল বিকাল আমরা পৌছোবো জম্মু স্টেশনে ৷ রাতে আবার জম্মু-তাওয়াই এক্সপ্রেসে রওনা দেবো বাংলার উদ্দেশ্যে ৷

দ্বাদশ দিন—
সারাদিন ট্রেনেই অলস সময় কাটবে আমাদের ৷ আর আনমনে ভাবতে থাকবো কি দেখলাম ! আবার কবে আসবো ৷

ত্রয়োদশ দিন—
আমরা কলকাতা পৌছবো জীবনভরের কিছু ভালো অভিজ্ঞতা নিয়ে ৷ একবার যে কাশ্মীর গেছে সে কবি আমির খসরুর ভাষাতেই বলতে বাধ্য হবে —

"অগর ফিরদৌস বার রু এ জমিন অস্ত
হমিন অস্ত, হমিন অস্ত, হমিন অস্ত "

অর্থাৎ , পৃথিবীতে যদি কোথাও জন্নত থাকে তবে তা এখানেই, তা এখানেই, তা এখানেই ৷

( এ ক্ষেত্রেও সরাসরি ট্রেনে টিকিট না পেলে দিল্লী হয়ে ফিরে আসতে হবে )


কি কি পাবেন :—

১) সমস্ত স্টান্ডার্ড ক্যাটাগরির হোটেল ৷
২) ২/২ ডিলাক্স বাস(জম্মু থেকে কাটরা), বাকি দিন গুলোতে টেম্পো ট্রাভেলার ৷
৩) কাটরা পৌছনোর পর থেকে ফেরার দিন লাঞ্চ পর্যন্ত বাঙালি খাবার ৷ সকালে চা ও জলখাবার, দুপুরে মাছ, মাংস,ডিম, ডাল,তরকারী সহ ভাত৷ রাতে চাইলে রুটি ৷ কাটরাতে সব নিরামিশ পদ ৷
৪) প্রতিটি জায়গায় ও স্পটে আমাদের নিঃস্বার্থ গাইড ৷
৫) সবচাইতে মূল্যবান জিনিস যেটা পাবেন সেটা হল, আমাদের অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস আর ভরসা ৷

কি কি পাবেন না:—
১) ট্রেনের টিকিট ও ট্রেনের খাবার ৷
২) মিনারেল ওয়াটার
৩) কুলির খরচ, দর্শনীয় স্থানের এণ্ট্রি ফী, পহেলগাঁওতে লোকাল গাড়ির খরচ,ঘোড়ায় চাপার খরচ, কেবলকারের টিকিট
৪) আর যেটা একদমই পাবেন না সেটা হল চিটিংবাজি ৷

যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে
রাজা চক্রবর্তী 9748174893
প্রশান্ত সমাদ্দার 9903813315

খরচ কত ????

ডবল শেয়ারিং এ ১৭০০০/-
ট্রিপল শেয়ারিং এ ১৬০০০/-

(ট্রেনের টিকিট আমাদের কেটে দিতে হলে টিকিটের মূল্যের সাথে জনপ্রতি প্রতি টিকিটে ৫০০/- করে অতিরিক্ত দিতে হবে)

( ৫ থেকে ১০বছরের নীচের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ৪০% ছাড় ৷ পাঁচ বছরের নীচে বিনামূল্যে )

#বুকিং এর জন্য জনপ্রতি স্লিপারে জনপ্রতি ৫০০০/- অগ্রিম জমা দিতে হবে ৷
# # আগষ্টের মধ্যে জনপ্রতি আরও ৫০০০/- জমা দিতে হবে ৷
# # # বাকি টাকা প্রথমদিন হোটেলে পৌঁছে দিতে হবে ৷

( বুকিং এর পর বাকি টাকা চাইলে মাসিক কিস্তিতেও দিতে পারবেন )

31/07/2026

চাকলা ও কচুয়া ধাম ভ্রমন।
🙏জয় বাবা লোকনাথ🙏
Memories with miles tour and travel এর সাথে একদিনের জন্য AC ট্রাভেলার করে ঘুরে আসি
চাকলা ও কচুয়া

সকাল ৭ টায় বাস ছাড়বে খড়দহ অফিস থেকে চাকলার উদ্দেশ্যে। সকালের জলখাবার বাসেই দিয়ে দেওয়া হবে। তারপর চাকলায় পৌঁছে পুজো দিয়ে আমরা বেরিয়ে পড়বো কচুয়ার উদ্দেশে
কচুয়া পৌছিয়ে আগে আমরা পূজো দিয়ে নেব তারপর দুপুরে মহাভোগ খাওয়া হবে। সারাদিন কাটিয়ে বিকালে চা খেয়ে আমরা রওনা দেবো খড়দহের উদ্দেশ্যে।

খাদ্য:
সকালের ব্রেকফাস্ট
দুপুরের খাবার (মহাভোগ )

জন প্রতি খরচ 550/-টাকা করে
যাত্রা শুরু ২৩ শে আগস্ট ২০২৬
নাম নথিভুক্ত করানোর শেষ তারিখ ১৭ই আগস্ট ২০২৬

বাদে:
সমস্ত ব্যক্তিগত খরচ
মিনারেল ওয়াটার বা যেকোনো পানীয়।
পুজো দেওয়াটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত

যোগাযোগ করুন

রাজা চক্রবর্তী 9748174893
প্রশান্ত সমাদ্দার 9903813315

31/07/2026

🙏মুক্তিনাথ সহ নেপাল🙏
নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি সুন্দর ও পাহাড়ঘেরা দেশ। এটি তার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, হিমালয় পর্বতমালা এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত।চলুন MEMORIES WITH MILES TOUR AND TRAVEL এর সাথে ঘুরে আসি নেপাল।

খরচ : 24000(একঘরে তিনজন )
25000(একঘরে দুইজন )
ট্যুর ১
যাত্রা শুরু :- ৫ই ডিসেম্বর ২০২৬
ঘরে ফেরা :- ১৬ ই ডিসেম্বর ২০২৬
ট্যুর ২
যাত্রা শুরু :- ৯ ই মে ২০২৭
ঘরে ফেরা :- ২০ শে মে ২০২৭
ভ্রমণ সূচি :-
১ম দিন: সকাল ৯:১৫-এ রক্সৌল রেলওয়ে স্টেশন থেকে পিক-আপ। বীরগঞ্জের পারমিট করে আমরা রওনা দেবো চিতওয়ানের উদ্দেশ্যে ।

২য় দিন: চিতওয়ানে দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ ও জঙ্গল সাফারি (নিজ খরচে)। এরপর চিতওয়ান থেকে আমরা রওনা দেবো লুম্বিনির উদ্দেশ্যে ।

৩য় দিন: লুম্বিনি দর্শন (মায়া দেবী পুকুর ও গৌতম বুদ্ধের মূর্তি)। লুম্বিনি থেকে যাত্রা এবং পোখারায় রাত্রিযাপন।

৪র্থ দিন: আজকে আমরা দেখে নেবো পোখারা র সাইট সিন্
১. বিন্দবাসিনী মন্দির
২. ডেভিডস ফলস (জলপ্রপাত)
৩. মহেন্দ্র গুহা
৪. গুপ্তেশ্বর মহাদেব মন্দির
৫. ফেওয়া লেক

৫ম দিন: পোখারা থেকে জোমসোম (মুক্তিনাথ দর্শন) করে আমরা জমসন এ রাত্রি যাপন করবো ।
৬ দিন : আজকে আমরা রওনা দেবো জমসন থেকে পোখরার উদ্দেশ্যে। রাত্রিবাস পোখরায়।

৭ম দিন: পোখারা থেকে আমরা রওনা দেবো কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে। পথে দেখে নেবো মনকামনা মন্দির (নিজ খরচে) এবং কাঠমান্ডুতে রাত্রিযাপন।

৮ম দিন: আজকে আমরা দেখবো কাঠমান্ডুর সাইট সিন্ :
১. পশুপতিনাথ মন্দির
২. স্বয়ম্ভূনাথ মন্দির
৩. বৌধনাথ মন্দির
৪. বুধনীলকণ্ঠ মন্দির
৬. গুহ্যেশ্বরী মন্দির
৭. নগরকোট
৯ ম দিন : আজকে আমরা দেখে নেবো নগরকোট ও ভক্তপুর। রাত্রি বাস কাঠমান্ডু তে।
১০ম দিন: আজকে আমরা রওনা দেবো কাঠমান্ডু থেকে জনকপুরের উদ্দেশ্যে।

একাদশ দিন: আজকে জনকপুরের লোকাল সাইটসিন করে বিকালে আমরা জয়নগর থেকে হাওড়ার ট্রেন ধরবো।
দ্বাদশ দিন -
খুব সকালে কলকাতা পৌছাব। সুন্দর ভ্রমন স্মৃতি নিয়ে বাড়ি ফিরবো।

যোগাযোগ করুন
রাজা চক্রবর্তী
9748174893
প্রশান্ত সমাদ্দার
9903813315
চন্দন পাখিরা
9382771538

১০০০০ টাকা দিয়ে বুকিং করতে হবে।ট্যুর শুরু হওয়ার ৩০ দিন আগে ৫০০০ টাকা দিতে হবে । বাকি টাকা নেপাল পৌঁছে প্রথম দিন হোটেলে দিতে হবে।

কি কি পাবেন : -
😊 ট্রেন টিকিট স্লিপার ক্লাসের টিকিট ।
😊 উপরের প্রোগ্রাম অনুযায়ী সমস্ত দর্শনীয় স্থান।
😊ডিলাক্স হোটেল থাকার ব্যবস্থা।
😊প্রথম দিনের লাঞ্চ থেকে শেষ দিনের লাঞ্চ

কি কি পাবেন না :
😞ট্রেনের খাবার
😞এন্ট্রি ফি যদি কিছু লাগে।
😞 প্যাকেজ এ উল্লেখ নেই এমন কোনো খরচ।
😞কেবল কারের টিকিট ।
😞 মিনারেল ওয়াটার।
😔 মনোকামনা মন্দিরের রোপওয়ে যাওয়ার টিকিট
😔 Chitwan জঙ্গল সাফারি
😔 লুম্বিনী লোকাল সাইট সিন

31/07/2026

৷৷ MEMORIES WITH MILES TOUR AND TRAVEL ||এর সাথে ঘুরে আসি

"না বরফ অস্ত ঈঁ কে মেবারস্ সরে পীর ৷
ফলবা তোফমে জলদ্ ব্ররুয়ে কশ্মীর ৷৷"

এর অর্থ হল, পীর পাঞ্জালের চূড়ায় ওগুলো বরফ নয়, ইশ্বর মুখে অমৃত দান করেছে ৷

অতুলনীয় সৌন্দ্যর্যের আর এক নাম কাশ্মীর ৷ যাকে 'জন্নত' বলেই সকলে মানে ৷ সেই কাশ্মীরে পর্যটকদের জন্য সহনীয় ঠান্ডার সাথে অঢেল বরফ দেখা যায় মার্চ মাসেই ৷ ঠিক তখনই MEMORIES WITH MILES TOUR AND TRAVEL এর ব্যবস্থাপনায় কাশ্মীর ভ্রমনের এক আকর্ষনীয় প্যাকেজ নিয়ে আমরা হাজির হলাম আপনাদের কাছে ৷

ট্যুর - ১
যাত্রা শুরু — ১০ই জানুয়ারি ২০২৭
ঘরে ফেরা— ২৩শে জানুয়ারি ২০২৭

দিন ১:— সন্ধ্যা ৭:১৫ তে হাওড়া থেকে অমৃতসর মেলে যাত্রা শুরু ৷

দিন ২ :—
ট্রেনেই কাটবে সারাদিন ৷ লক্ষ্মৌ হয়ে এগিয়ে চলবে ট্রেন ৷

দিন ৩ :—
সকাল ৮:৪০ মিনিটে অমৃতসর পৌছে প্রথমে আমরা হোটেলে চেক ইন করবো ৷ ফ্রেস হয়ে ব্রেকফাষ্ট সেরে আমরা এবেলা দেখে নেবো স্বর্নমন্দির ও জালিয়ানওয়ালা বাগ ৷ তারপর হোটেলে ফিরে লাঞ্চ সেরে বেরিয়ে পরবো ওয়াঘা বর্ডার দেখতে ৷ হোটেলে ফিরে রাত্রিবাস ৷

দিন ৪:— সকাল ৮:২৫ এ অমৃতসর থেকে ট্রেন ধরে আমরা বেরিয়ে পরবো জম্মুর উদ্দেশ্যে ৷ দুপুর ২:১০ এ জম্মুতে নেমে আমরা ২x২ বাসে রওনা দেবো কাটরার উদ্দেশ্যে ৷ বিকেলে আমরা কাটরার হোটেলে চেক ইন করবো ৷

দিন ৫ :—
এদিনটা বৈষ্ণদেবী দর্শনের জন্যই বরাদ্দ রাখা আছে ৷ হেলিকপ্টার, ঘোড়া, পালকি, ব্যাটারি চালিত গাড়ি বা পায়ে হেঁটেই দর্শন সেরে আসতে পারবেন আপনি ৷ যারা আগেরদিনই যাত্রা শুরু করেছেন তারা ফিরে রেষ্ট নেবেন এদিন ৷ একদিকে ১৬ কিলোমিটার রাস্তা ৷ তাই হেলিপক্টার,ব্যাটারীর গাড়ি বুকিং এর লিঙ্ক আমরা দিয়ে দেবো বুকিং এর পরেই হোয়াটসআপ গ্রুপে ৷ আর হ্যাঁ, পূন্য শহর কাটরাতে আমাদের নিরামিশ বিভিন্ন পদই খেতে হবে ৷

দিন ৬ :—
সকাল সকাল ব্রেকফাষ্ট সেড়েই গাড়িতে রওনা দেবো শ্রীনগরের উদ্দেশ্যে ৷ অসাধারন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরা রাস্তার দু'ধারে দেখার শেষ নেই ৷ ডালিম, লেবু, আখরোট আর আপেলের গাছে ভরা কখনও সমতল কখনও পাহাড়ি পথ ৷ এদিন থেকেই আমাদের দীগন্ত বিস্তৃত সাদা বরফের পাহাড় দেখা শুরু ৷ পম্পোরে রাস্তার দুধারে দেখবেন কেশর চাষের জমি ৷ অনন্তনাগ হয়ে ২৪৫ কিলোমিটার রাস্তা পৌছতে আমাদের বিকাল হয়ে যাবে ৷ লাঞ্চ সেরে নেবো রাস্তাতেই ৷ হোটেলে চেক ইন করে ফ্রেশ হয়ে নেবো ৷ শ্রীনগরে এই হোটেলেই আমরা থাকবো আরও তিনদিন ৷

দিন ৭ :—
আগের দিন যেহেতু সারাদিন রোড জার্নি হয়েছে তাই এদিন আর দূরে যাবো না ৷ এদিনটা রইল শ্রীনগরে লোকাল সাইটসিনের জন্য ৷ সকালে ব্রেকফাষ্ট সেরেই আমরা চলে যাবো প্রথমেই ডাললেকে শিকারা ভ্রমনে ৷ শিকারাতে চেপে আমরা দেখে নেবো গোল্ডেন লেক, নেহেরু পার্ক, মীনাবাজার সহ বিভিন্ন স্পট ৷ তারপর লাঞ্চ সেরে আমরা প্রথমেই চেষ্টা করবো যদি টিউলিপ গার্ডেন খুলে যায় তবে এশিয়ার বৃহত্তম টিউলিপ গার্ডেন দেখে নিতে ৷ এরপর আমরা দেখে নেবো ব্যোটানিক্যাল গার্ডেন, চশমে শাহী, নিশাত বাগ, শালিমার গার্ডেন এবং হজরতবল ৷

দিন ৮:—
সকালে ব্রেকফাষ্ট সেড়ে আমরা রওনা দেবো ৮০ কিলোমিটার দূরে সোনমার্গের উদ্দেশ্যে ৷ শহর ছেড়ে বেরোনোর পরই নদীর পাশে অল্প ঢালের রাস্তায় আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন ৷ রাস্তার শেষ অংশ থাকবে বরফের মধ্যে ৷ কাশ্মীরে পৌছে এই প্রথম বরফ দেখবেন আপনারা ৷ তাই কয়েকঘন্টা বরফে খেলে তারপর আমরা বিকালে ফিরবো হোটেলে ৷

দিন ৯ :—
এদিন সকালে ব্রেকফাষ্ট সেরে আমরা বেড়িয়ে পরবো ৫৫ কিলোমিটার দুরে গুলমার্গের উদ্দেশ্যে ৷ প্রথম চল্লিশ কিলোমিটারে বারামুলা হয়ে তনমার্গে পৌছতে আমাদের বাংলার মতই সমতল ৷ কিন্তু শেষ চোদ্দ কিলোমিটারে পাহাড়ি রাস্তার প্রতিটা বাঁকেই থাকবে আপনার জন্য চমক ৷ দুপাশের পাহাড়ি নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য্যের সাথে উপত্যাকা জুড়ে সাদা বরফের চাদর আপনাকে অন্য জগতে নিয়ে যাবে ৷ হিলটপে পৌছে আপনি দেখবেন এ তো আপনার খুব চেনা জায়গা ! কাশ্মীরের এই পাহাড় আপনি বহুবার দেখেছেন ছবিতে সিনেমায় ৷ মন্দির, স্কী পয়েন্ট, গল্ফ কোর্স দেখতে দেখতে আপনার সারা বেলা কেটে যাবে ৷ আপনি চাইলেই টিকিট কেটে চেপে পড়তে পারেন গন্ডোলায় (উচ্চতম কেবলকার) ৷ প্রায় ৪০মিনিট ধরে মিডিল স্টেশন পার করে যখন আপার স্টেশনে পৌছবেন তখন মনে হবে পৃথিবীর সব জায়গাই আপনার থেকে নীচে ! বরফে ঢাকা পাহাড় চূড়াতেও আপনি স্কী করতে পারবেন, স্লেজ গাড়িতে চাপতে পারবেন ৷ তবে লাইন ও সময় বাঁচাতে অনলাইনে আগেই টিকিট কেটে নেওয়া ভালো ( টিকিট কাটার লিঙ্কও আমরা বুকিং এর পর হোয়াটসআপ গ্রুপে দিয়ে দেবো ) ৷

দিন ১০ :—
সকালে ঘুম থেকে সকালের চা জলখাবার সেরে বেরিয়ে পড়বো ৮৮ কিলোমিটার দুরে পহেলগাঁও এর উদ্দেশ্যে ৷ এদিনই আমরা দেখে নেবো ড্রাই ফ্রুট ভিলেজ, কাশ্মীরি ব্যাট তৈরীর কারখানা ৷ এরপর অনন্তনাগ থেকে আমরা ধরবো পহেলগাঁও এর রাস্তা ৷ অনন্তনাগ থেকে অমরনাথ যাত্রার এই রাস্তার দুধারে আখরোট আর আপেলের বাগানে ভরা ৷ লোকমুখে এর নামই হয়ে গেছে আপেলভ্যালী ৷ আপেলভ্যালী পার হতে না হতেই আপনার সঙ্গী হবে লিডার নদী ৷ এই নদীই পহেলগাঁও কে আলাদা মাত্রায় পৌছে দেয় ৷ ছোটবেলায় পাহাড়ের মাঝে আঁকা বাকা নদীর যে অপটু হাতে আমরা ছবি আঁকতাম তাই যদি কোনো পটু শিল্পী একে ফেলে তবে তা পহেলগাঁও ই হবে ৷ সাথে বাড়তি সংযোজন বরফে ঢাকা সাদা পাহাড়ের চূড়া গুলো যা আপনার হোটেলের রুম থেকেও দেখা যাবে ৷ ভারতবর্ষে এর চাইতে সুন্দর ট্যুরিষ্ট ডেষ্টিনেশন আছে কি না বলা কঠিন ৷ দুপুরের মধ্যে পহেলগাঁও তে পৌছে লাঞ্চ সেরে বিকাল বেলায় ঘোড়ার পিঠে চড়ে আপনি ঘুরে আসতে পারেন বাইসরন ৷ লোকাল নাম, মিনি সুইজারল্যান্ড ! আশাকরি নাম শুনেই বুঝতে পারছেন জায়গাটি কেমন ৷

দিন ১১:—
সকালে ব্রেকফাষ্ট সেরে একটা লোকাল ট্যাক্সি নিয়ে ( পহেলগাঁও এর সাইটসিনে বাইরের গাড়ি প্রবেশ নিষেধ) চলে যেতে পারেন অমরনাথ যাত্রায় হাঁটা পথ যেখান থেকে শুরু হয় সেই চন্দনওয়াড়িতে ৷ বরফে ঢাকা চন্দনওয়াড়ী আপনার বেশ ভালো লাগবে ৷ সেখান থেকে দেখে আসুন বেতাব ভ্যালী ৷ সাজানো এই বেতাব সিনেমা খ্যাত পার্কে অদ্ভুত ভাবে লিডার নদীর এক অন্য রূপ দেখবেন ৷ তারপরই চলে যান আরু ভ্যালীতে ৷ যাত্রাপথ থেকে উপত্যাকার সৌন্দর্য্য সবটাই আপনার সারাজীবনের স্মৃতি হয়ে থাকবে ৷ গাড়ি অনুযায়ী জনপ্রতি ৩০০-৫০০ টাকা খরচ পড়বে ৷ ফিরে এসে বিকালে সেরে ফেলুন আপনার স্মৃতিতে রাখার মত কেনাকাটা ৷ কাশ্মীরি শাল থেকে স্টোল, ড্রাই ফ্রুট সহ নানা দোকান পাবেন পহেলগাঁও মেন মার্কেটে ৷ নয়তো গিয়ে বসুন শহরের গাঁ ঘেসে বয়ে চলা লিডার নদীর তীরে ৷ সময় কি ভাবে কেটে যাবে বুঝতেও পারবেন না ৷ আর হ্যাঁ, আগেরদিন যারা বাইসরন যাননি তাদের কিন্তু যারা গেছিলেন তাদের অভিজ্ঞতা শোনার পর যেতেই হবে ঐ মিনি সুইজারল্যান্ডে ৷

দিন ১২:—
এদিন সকাল সকালই আমরা রওনা দেবো সেই চেনা পথেই আবার জম্মুর উদ্দেশ্যে ৷ চেনা পথও আপনার অচেনা লাগবে এ রাস্তার সৌন্দর্য্যে ৷ রাস্তাতেই সেড়ে নেবো লাঞ্চ ৷ বিকাল সন্ধ্যায় আমরা পৌছোবো জম্মু স্টেশনে ৷ রাত ৮:২৫ জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেসে আমরা রওনা দেবো বাংলার উদ্দেশ্যে ৷

দিন ১৩:—
সারাদিন ট্রেনেই অলস সময় কাটবে আমাদের ৷ আর আনমনে ভাবতে থাকবো কি দেখলাম ! আবার কবে আসবো ৷

দিন ১৪:—
দুপুরে আমরা কলকাতা পৌছবো জীবনভরের কিছু ভালো অভিজ্ঞতা নিয়ে ৷ একবার যে কাশ্মীর গেছে সে কবি আমির খসরুর ভাষাতেই বলতে বাধ্য হবে —

"অগর ফিরদৌস বার রু এ জমিন অস্ত
হমিন অস্ত, হমিন অস্ত, হমিন অস্ত "

অর্থাৎ , পৃথিবীতে যদি কোথাও জন্নত থাকে তবে তা এখানেই, তা এখানেই, তা এখানেই ৷

কি কি পাবেন :—
১) সমস্ত স্ট্যান্ডার্ড ক্যাটাগরির হোটেল ৷
২) ২/২ ডিলাক্স বাস(জম্মু থেকে কাটরা), বাকি দিন গুলোতে ১৩ সিটের টেম্পো ট্রাভেলার ৷
৩) অমৃতসরে নর্থ ইন্ডিয়ান খাবার আর কাটরা পৌছনোর পর থেকে জম্মু ফেরার দিন লাঞ্চ পর্যন্ত বাঙালি খাবার ৷ সকালে চা ও জলখাবার, বিকালে চা ও টিফিন ৷ দুপুর রাত মাছ, মাংস,ডিম, ডাল,তরকারী সহ ভাত। শুধুমাত্র কাটরাতে সব নিরামিশ পদ ৷
৪) সবচাইতে মূল্যবান জিনিস যেটা পাবেন সেটা হল, আমাদের অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস আর ব্যবহার ৷

কি কি পাবেন না:—
১) ট্রেনের টিকিট ও ট্রেনের খাবার
২) কুলির খরচ
৩) মিনারেল ওয়াটার
৪) দর্শনীয় স্থানের এণ্ট্রি ফী
৫) পহেলগাঁওতে লোকাল গাড়ির খরচ
৬) ঘোড়ায় চাপার খরচ
৭) কেবলকারের টিকিট
৮) আর যেটা একদমই পাবেন না সেটা হল চিটিংবাজি ৷
৯) গুলমার্গ এ বরফ বেশি থাকলে সেই ক্ষেত্রে আমাদের গাড়ি গুলমার্ক পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবে না তখন টানমার্গ থেকে আলাদা গাড়ি করে আপনাদের গুলমার্ক পৌঁছাতে হবে।

যোগাযোগ করুন

রাজা চক্রবর্তী
9748174893
প্রশান্ত সমাদ্দার
9903813315
চন্দন পাখিরা
9382771538

খরচ কত ????

ডবল বেড শেয়ারিং এ ১৯০০০/-
ট্রিপল বেড শেয়ারিং এ ১৮০০০/-

( ৫ থেকে ১০বছরের নীচের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ৪০% ছাড় ৷ পাঁচ বছরের নীচে বিনামূল্যে )

# # বুকিং এর জন্য জনপ্রতি স্লিপারে জনপ্রতি ৩০০০/- এসি থ্রি-টায়ারের জন্য ৫০০০/- অগ্রিম জমা দিতে হবে ৷ ১লা জানুয়ারীর মধ্যে জনপ্রতি আরও ৫০০০/- করে দিতে হবে ৷ বাকি টাকা প্রথমদিন হোটেলে পৌঁছে দিতে হবে ৷ আপনি চাইলে বুকিং এর পর অবশিষ্ট টাকা মাসিক কিস্তিতেও দিতে পারেন ৷

31/07/2026

🌼ভাইজ্যাগ- আরাকু 🌼
❤️‍🩹পাহাড় সমুদ্র একসাথে ঘুরতে চান ? তাহলে আর দেরী না করে চলুন আমাদের সাথে ভাইজ্যাগ- আরাকু❤️‍🩹

ভ্রমন প্রিয় মানুষের সেরা পছন্দ সবসময়ই পাহাড় আর সমুদ্র ৷ সেই পাহাড় আর সমুদ্র যদি একসাথে উপভোগ করতে হয় তবে আপনাকে অবশ্যই যেতে হবে ভাইজ্যাগ-আরাকু ৷ MEMORIES WITH MILES TOUR AND TRAVEL এর উদ্যোগে আমরা রওনা দিচ্ছি ভাইজ্যাগ- আরাকুর উদ্দেশ্যে ৷
ট্যুর ১
যাত্রা শুরু -২৭ শে অক্টোবর ২০২৬
ঘরে ফেরা -১ লা নভেম্বর ২০২৬
ট্যুর ২
যাত্রা শুরু -১০ ই ডিসেম্বর ২০২৬
ঘরে ফেরা - ১৫ ই ডিসেম্বর ২০২৬
ট্যুর ৩
যাত্রা শুরু - ১০ই ফেব্রুয়ারী ২০২৭
ঘরে ফেরা - ১৫ ই ফেব্রুয়ারী ২০২৭

প্রথম দিন—
হাওড়া থেকে রাত্রি ১০:৫০ মিনিটে 12863 HWH SMVB এক্সপ্রেসে আমরা রওনা দেবো ভাইজ্যাগের উদ্দেশ্যে ৷

দ্বিতীয় দিন—
দুপুর ১২.২০ তে বিশাখাপট্টনম স্টেশনে পৌছে আমরা অটোয় চেপে চলে আসবো হোটেলে ৷ হোটেলে পৌছে ফ্রেস হয়ে আমরা কিছুক্ষন রেষ্ট নিয়ে নেবো ৷ তারপর বিকেলটা থাকবে সমুদ্রের পাড়ে আপনাদের নিজেদের মত ঘোরাঘুরির জন্য ৷ অসম্ভব সুন্দর করে সাজানো এই রামকৃষ্ণ বীচ আপনাকে মুগ্ধ করে দেবে ৷ অজস্র মডেল, স্যান্ড রাইড আর কালো পাথরের ওপর সমুদ্রের ঢেউ ফেটে অদ্ভুত এক পরিবেশ তৈরী হয় ৷ ডানদিকে তাকালে দেখবেন এলিফেন্ট নোজ আর ভাইজ্যাক পোর্ট ৷ এই পোর্টে জাহাজের আসা যাওয়া দেখতে দেখতে সন্ধ্যেটা কি ভাবে কেটে যাবে বুঝতেই পারবেন না ৷ আপনি চাইলে এদিন সন্ধ্যায় দেখে নিতে পারেন আর কে বীচে কালীমন্দিরের সন্ধ্যা আরতি ৷

তৃতীয় দিন—
এ দিন সকালে ব্রেকফাষ্ট সেরে আমরা সারাদিনের জন্য বেড়িয়ে পরবো সাইডসিনে ৷ এদিন আমরা ঘুরে নেবো রুষিকোন্ডা বীচ, রামানাইডু ফিল্ম সিটি, কৈলাসগিরি, ফিসিং হারবার, সাবমেরিন মিউজিয়াম ও বিশাখা মিউজিয়াম ৷ চন্দ্রাকৃতির রুষিকোন্ডা বীচে গিয়ে আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন পাহাড় আর সমুদ্রের মেলবন্ধনে ৷ রামানাইডু ফিল্মসিটি দেখে আপনি দেখবেন অজস্র আপনার পরিচিত জায়গা যেগুলো আপনি প্রতিদিন সিনেমার পর্দায় দেখেন ৷ কৈলাসগিরিতে অবশ্যই রোপ ওয়েতে উঠবেন (নিজেদের খরচ) ৷ ঐ কেবলকারে উঠতে উঠতে আপনি দেখবেন পাহাড় থেকে পাখির চোখে গোটা ভাইজ্যাক শহরটা আর তার তীরে সমুদ্র ! পাহাড়ের ওপরে বিশাল শিবমূর্তি সহ অজস্র রাইড পাবেন ৷ তবে অবশ্যই ট্রয় ট্রেনে গোটা কৈলাশগিরি একচক্কর ঘুরে আসবেন (নিজেদের খরচ)৷ অসাধারন সৌন্দর্য্যে আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন ৷ একই ভাবে ফিসিং হারবার আপনার ভালো লাগবেই ৷ বিশাখা মিউজিয়াম আর সাবমেরিন মিউজিয়ামেও আপনি এমন কিছু অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন যা ভাইজ্যাক ছাড়া আর কোথাও পাবেন না ৷

চতুর্থ দিন—
এ দিন আমরা সকাল সকাল ব্রেকফাষ্ট সেরে বেড়িয়ে পরবো আরাকুর উদ্দেশ্যে ৷ আরাকু ভ্যালীতে যাওয়া ও আসার পথে আমরা দেখে নেবো পদ্মপুরম গার্ডেন, ট্রাইবাল মিউজিয়াম, গলিকোন্ডা ভিউ পয়েন্ট, বোরা কেভ আর আরাকুর বিখ্যাত কফি চাষ ৷ আরাকু ভ্যালীতে অবশ্যই টেষ্ট করবেন এখানকার বিখ্যাত ব্যাম্বু চিকেন (নিজেদের খরচ) ৷ বাঁশের ভেতর ভরে রান্না করা মশলাদার চিকেনের এই পদ এখানকারই আবিষ্কার ৷ বোরাকেভের ভেতরে প্রবেশ করে আপনি রোমাঞ্চের অন্য জগতে পৌছে যাবেন ৷ ভাইজ্যাগের বিভিন্ন ট্যুরিষ্ট স্পটে আরাকুর বিখ্যাত কফির যে স্টল গুলি দেখবেন তার চাষও এখানেই হয় ৷ আপনি দেখবেন সেই কফি বাগানও ৷

পঞ্চম দিন—
এদিন সকালটা থাকবে আপনার নিজস্ব সময় ৷ সকালে আপনি চাইলেই নিজেদের মতন বেরিয়ে ঋষিকন্ডা বীচে সমুদ্র স্নান সেরে আসতে পারেন। কেনাকাটা বা প্যাকিং সেরে আমরা রাত ২০.১০ মিনিটে 12842 Coromandel Exp ধরবো ৷

ষষ্ঠ দিন—
সকাল ১০.৪০ শালিমার পৌছেবো, আপনারা চাইলে সেখান থেকে হাওড়া হয়ে বাড়ির পথে রওনা দিতে পারেন ৷

কি কি পাবেন :—
১) পৌছনোর দিনের ইভিনিং স্ন্যাক্স থেকে ফেরার দিনের ডিনার পর্যন্ত বাঙালী খাবার ৷
২) অভিজ্ঞ ট্যুর গাইড ৷
৩) স্লিপার ক্লাসের ট্রেনের টিকিট ( এসি এর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হবে )
৪) দুদিন সাইড সিনের নন এসি গাড়ি ৷
৫) পরিবার অনুযায়ী নন এসি ঘর ( এসির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা আপনাকেই দিতে হবে )
৫) ভরসা ও বিশ্বাস ৷

কি কি পাবেন না :—
১) ট্রেনের খাবার
২) এন্ট্রি ফি
৩) ব্যক্তিগত খরচ
৪) চিটিংবাজি

জনপ্রতি খরচ—
ডবল শেয়ারিং —১০০০০/-
ট্রিপল শেয়ারিং— ৯০০০/-

# বুকিং এর জন্য অগ্রিম জনপ্রতি ৩০০০/- দিতে হবে ৷ যাত্রা শুরুর ৩০ দিন আগে আরও ২০০০/- করে দিতে হবে ৷ অবশিষ্ট টাকা ভাইজ্যাগ পৌছে প্রথম দিন দিতে হবে ৷
বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করুন -------

রাজা চক্রবর্তী
9748174893
প্রশান্ত সমাদ্দার
9903813315

Address

Khardah
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Memories with Miles Tour & Travel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category