25/08/2025
নিজেকে নিয়ে ভাবতে বসলে ভাবনার ঝুলি থেকে যে চেহারা ভেসে ওঠে চোখের সামনে, মনের দেওয়াল হাতড়ে বেড়ালে তার নখের অজস্র আছর আবিষ্কার করা যায়, যেগুলো হৃদয়কে অজস্র আঘাতে চূর্ণ বিচূর্ণ ও রক্তাত্ব করে রেখেছে। তবুও সেই লঘুময় হৃদয়, ক্রুশে কাটা বিদ্ধ ক্ষত বিক্ষত যীশুর ন্যায় তার প্রেমেতেই উন্মাদ হয়ে প্রতি মুহূর্তে তাকেই ভালোবেসে চলেছে। ভালোবাসার এহেনো বোকামির উদাহরণ জানিনা আগে কেউ কখনও দেখেছে কি না।
আমি শুনেছি হাড়ভাঙা পরিশ্রম অথবা কর্ম ব্যাস্ত মানুষ নাকি নিজের মনকে ভুলে থাকতে পারে। তার ব্যস্ততা তাকে কিছু ভাবার সুযোগই দেয় না। নিজেকে ব্যস্ত করে রাখলে নাকি ভালোথাকা যায়। কিন্তু কই এক্ষেত্রে তো আমি এমন কিছু চাক্ষুষ করতে পারলাম না। হাজার ব্যস্ততার মাঝে মাথায় কেবল যেনো ওই একই কথা ঘোরাঘুরি করেতে থাকে, ঠিক যেমন শরীরে কোথাও যদি কোনো কাটা বা বিভৎস ঘা থাকলে, হাত যেনো আপনা আপনিই সেই স্থানে বার বার চলে যায় খোটা খুঁটি করবার জন্য, তেমনই যে চিন্তা হিদয়কে বিদীর্ণ করে, অবচেতন মন যেনো নিজের বোকামির পরিচয় দিতে বার বার সেই বুহু বছরের পুরনো পচা জলে ডুব দেয়। আর শরীরও কেমন বশ্যতা শিকার করে নিয়ে কান্না হয়ে ঝরে পড়তে থাকে অঝোর ধারায়। তখন নিজেকে সামলে নিতে মনে মনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা বদ্ধ হয়ে জোর করে অট্টহাসির আশ্রয় নিলে হাসিতো চলে আসে নিজের জীবনের ওপর, কিন্তু চোখের জল আর আটকানো যায় না। তখন কপালে জোটে পাগলের উপাধি।
আমার এই ছোট্ট গল্পের জন্য আমি পাঠকদের কাছে থেকে প্রধান চরিত্রের নাম চাইছি । যদি আমার বন্ধুরা চায় তবে এটা পরের পর্ব টা লিখব, তার জন্য আমার বন্ধুদের কাছে অনুরোধ রইলো আমার গল্পের চরিত্রের নাম টা বলার যাতে আমার পরের অংশ গুলো লিখতে সুবিধা হয়। কি নাম দেওয়া যায় প্রধান চরিত্রের। আমি আমার বন্ধুদের পছন্দের দেওয়া নামেই গল্পের চরিত্রের নাম দিতে চাই।
শুভ সন্ধ্যা বন্ধুরা তোমাদের সকলের জন্য রইলো অনেক অনেক ভালো ভাষা।
© পবিত্র